নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রঙিন শিশির!

একদিন তোর কথা শুনবে নদি...

মধ্যরাতের রাখাল

~*~ ~*~ ~*~ ~*~ ~*~ an unknown time, an unknown place, without reasons, with no Future, his only Desire is Destruction... ~*~ ~*~ ~*~ ~*~ ~*~ ওই দ্যাখো অমন বিরানভূমিতে একা পড়ে আছে নিঃসঙ্গ এক পাথর কেমন শান্ত, অথচ দৃঢ়। এখান থেকে একটাই পথ সোজা চলে গেছে অ-নে-ক দূরে এ পথের শেষ কোথায় কে জানে, অথবা কোথায় নিয়েছে বাঁক কোথায় গিয়ে মুখ রেখেছে অন্য কোনো পাথর বুকে- জানা নেই- আমার তা জানা নেই। পথিক হিসাবে আমি কখনো নই ভালো। যত দূর চোখ যায় দেখতে পাই অনেক দূরে,পথের পাশে, একা একা দাঁড়িয়ে আছে একটি সবুজ গাছ, সবুজ... আর কী সতেজ...! ~*~ ~*~ ~*~ ~*~

মধ্যরাতের রাখাল › বিস্তারিত পোস্টঃ

চিলেকোঠা

১২ ই আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৯:১২

চিলেকোঠা। হাঁ, আদর্শ চিলেকোঠা বলতে যা বোঝায়, এটি তাই। দু পাশে রয়েছে দুইটি জানলা। রয়েছে দক্ষিন থেকে উত্তরে বয়ে যাওয়া মৃদু বাতাস। ঘরটা ব্যাডমিন্টন কোটের চেয়ে একটু ছোট। অফ-হোয়াইট কালার ভেতরে শুভ্রতা এনে রেখেছে। বেমানান যে জিনিসটা সেটা হলো ঘরের আসবাব এবং দরকারী জিনিসপত্রের ঔদাসিন্য অবস্থান। বেড জায়গা মত আছে, চাদরটা দুমড়ে আছে। একটা ছোট্ট সোফা আছে। শেষ মেহমানটি যাবার সময় একটু বাঁকিয়ে দিয়েছিল, সেটি এখনো ঠিক বাঁকানোই আছে। সোজা করার মত সময় এর বাসিন্দার নেই। আছে দুটি চেয়ার। আছে, কম্পিউটার টেবিল। প্রিন্টারটারটি এতিম টোকাইয়ের মত এক কোনে পড়ে আছে। এর কালির দাম বেড়ে 5200 টাকায় ঠেকেছে। খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি, সেটা বুঝতে এর মালিকের একটুও দেরি হয়নি। তাই, জায়গামত এটা ঝিমাচ্ছে।



টেবিলে পাঠ্য বইয়ের বদলে বর্তমানে রয়েছে একটি নষ্ট হার্ডডিঙ্; একটি সিডিরম, এটিও নষ্ট; যাও পাখি নামক গল্পের বই; টেলিফোন সেট (এটা টেবিলে থাকার কথা ছিলনা, তারপরও আছে)। আছে একটি আলনা, ক'টি জিনিসপত্র সেখানে গোছানো তা খুজে বের করতে একটুও কষ্ট হবে না। আপাতত একটা শার্টকে গোছানো মনে হচ্ছে। সোফার পিছে পাঠ্যবই, আলনার নিচেও তাই। গল্পের বইগুলো খুব সুন্দর করে সাজানো রয়েছে। বালিশের পাশেও রয়েছে একটি। আছে এ জগতের বাইরে আরও একটি জগত।



রাখাল দরজা খুলে সে বিশাল জগতে প্রবেশ করে। গুটগুট অন্ধকারে যখন লোকালয় ঘুমে বিভোর, তখন রাখাল পা ফেলে অন্য এক জগত সংসারে। এ সংসারে এসে রাখাল নিজেকে নিয়ে সত্যিকার অর্থে মাতাল হয়। কুল কিনারা খোঁজে সে। কখনো পায়, কখনো পায় না, কখনো আবার খুব বেশি রকম পায়। হোঁচট খায়। হোঁচট খেয়ে পুরনো পথে ফিরেও আসে। আবার মাতাল হয়, আবার বিভোর হয়। নিরাশার ঐশ্বয্যে ভাসমান সে। ভাসমান...; অন্যসব কিছুর চেয়ে একটু অদ্ভুত রকম ভাসমান।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৩৮

শাওন বলেছেন: তোমারে মাইরা কাইটা আমি পানিতে ভাসাবো চিনি লাগাইয়া । আমি লিখব বলেছিলাম । তুমি লিখলে কেনো ???

২| ১২ ই আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:২২

অতিথি বলেছেন: হেই তুমিও কি আমার মতই চিলেকোঠায় থাকো? বলো কি, তোমার সাথে দেখি আমার প্রচুর মিল।

৩| ১২ ই আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৫৩

শাওন বলেছেন: তা তো আছেই । তবে তুমি লিখলেও আমি লিখব । :)

৪| ১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ২:০৯

অতিথি বলেছেন: তুমি তুমি? ঘটনা কি?

আপনি কিসের রাখাল? কি চড়িয়ে বেড়ান?

লেখাটা ভাল লেগেছে, অন্য লেখাগুলোর মতই :)

৫| ১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:৫৯

রাগ ইমন বলেছেন: ভালো লাগলো

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.