নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রাজা

রাজা

রাজামশাই

আমি রাজা

রাজামশাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলার একটি সুগন্ধি উদ্ভিদ - একাংগী

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১২





বাংলা নাম একাঙ্গী বা ভুঁই চম্পা (Kaempferia galanga) এটি Zingiberaceae পরিবারে অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ ।অন্যান্য নামের মধ্যে Aromatic Ginger, Resurrection lily, Lesser galangal, Sand ginger এইগুলি উল্লেখ করা যায়।



একাঙ্গী বা সুরভিত আদা দক্ষিণ চীন, তাইওয়ান, কম্বোডিয়া এবং ভারতে এলাকাতে মূলত খুঁজে পাওয়া যায়। দক্ষিন এশিয়া জুড়ে ও বিস্তীর্ণভাবে এর চাষ করা হয়। এটি থাই ও চাইনীজ রান্নাতে এটি ব্যবহার করা হয়। পাতা পুরু এবং গোলাকৃতি মাটির সাথে লাগানো অবস্থায় থাকে। নতুন পাতা ক্ষুদ্র রাইজোম থেকে বসন্তকালে বাড়তে শুরু করে। গ্রীষ্মকালে এক অথবা দুই ফুলটি ফুল হয়। দুই মাস পর্যন্ত ফুল ফোটে। - পাতা হেমন্তকালে মরে যায় এবং রাইজোম শীতকালের সুপ্ত অবস্থায় চলে যায়। শুকনা বা তাজা রাইজোম মসলা হিসেবে এশীয়ান ও চাইনীজ রান্নাতে ব্যবহার করা হয়।



মৎস শিকারের চারা তৈরীতে এটি ব্যবহার হয়।







মন্তব্য ২২ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩

আসিফ আহমেদ বলেছেন: চেনা চেনা ফুলটা।

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭

রাজামশাই বলেছেন: হুমমম

২| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪১

অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: চম্পা রাইজোম দিয়ে কি খাবার বানায় রাজামশাই ? এক দুইটার নাম বলেন দেখি ....

আর নরমাল চম্পা আর ভুঁই চম্পা কি একই ফুল ?

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭

রাজামশাই বলেছেন: ওরে না রে ....

৩| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪

কৃষক বলেছেন: এটা তো অর্কিড এর মতো দেখতে, খুব সুন্দর।

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭

রাজামশাই বলেছেন:
হুমম

৪| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭

অক্ষর বলেছেন: জানা ছিলো না, জানলাম

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০১

রাজামশাই বলেছেন:
গুড

৫| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬

অক্ষর বলেছেন: মৎস শিকারের চারা তৈরীতে এটি ব্যবহার হয়

মানে কি?

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩

রাজামশাই বলেছেন: হে হে হে

৬| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪

শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: ফুল সুন্দর।তবে মৎস শিকারের চারা এটি কি?

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭

রাজামশাই বলেছেন:
মৎস ধরার আগে ( ধানের কুঁড়া, একাংগী, মেথি খৈল এইসব একসাথে ) করে চারা তৈরী করা হয়। যা মৎস শিকারে আধা ঘন্টা আগে যে জায়গায় মাছ ধরা হবে সেখানে ফেলা হয়।

গন্ধে মৎস কুল সেই খাদ্য খাইতে আসে। এর পর বড়শি সেখানে বড়শি ফেলা হয় । ফলাফল মৎস শিকার।

৭| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

মহলদার বলেছেন: এটার কন্দ শুকিয়ে গুঁড়ো করে মাছের চারার সাথে মিশিয়ে অনেক মাছ ধরেছি। ছোট বেলায় আমাদের বাগানে লাগাতাম এটি। এখন খুব একটা চোখে পড়েনা।

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭

রাজামশাই বলেছেন:
ঠিক এখন খুব একটা চোখে পড়ে না।

৮| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২

সক্রেটিস বলেছেন: রাজামিয়া আমার মাথার চুলে পাক ধরেসে। কি কর্তাম? ঘৃত কুমারি দিলে কাজ হইতনি? এই অল্প বয়সেই জুনিয়র সিনিয়র মেয়েরা আঙ্কেল বলতাসে :(
হেল্প মি...

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪

রাজামশাই বলেছেন: আরে কয় কি?

৯| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮

রাশেদ বলেছেন: :)

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৮

রাজামশাই বলেছেন: :)

১০| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৫

রাত বলেছেন: ঝাতি আজকে কৃষি বিজ্ঞানের সাথে সাথে মৎস চাষ সম্পর্কেও জ্ঞান অর্জন করিল।

মহারাজের জয় হোক।

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৯

রাজামশাই বলেছেন:
হুমম

১১| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫

আইরিন সুলতানা বলেছেন:


রাজামশাই, দেখেনতো এইটাই নাকি ? ছবিটা আপনার জন্যই তুললাম...

০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭

রাজামশাই বলেছেন:
এইটাই তো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.