| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মঞ্জুরুল ইসলাম
ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থেকে ২০০২ সালে ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন ট্যাবলয়েড মানবজমিন পত্রিকায় জড়িয়ে পড়া। দেখে ও ঠেকে এখান থেকে জীবনের জন্য শিখেছি অনেক। ইচ্ছের চরম বিপরীতে ঘুম ভেঙে এখনো ওই কাজই করে চলেছি নিয়ত...
অনিকেত, নামের সঙ্গে ক্যারেকটারের ভয়াবহ মিল। পেশা সাংবাদিক, পুরোদস্তুর। প্রথমে সদাগ্রহে, এখন ইচ্ছের চরম বিরুদ্ধে। পুরোনো হাউজ বদলে নতুনে। সব ঠিকঠাক। পার্থক্য শুধু; আগে ডিল হতাম। এখন করতে হয়। ক’দিনের এই ডিল তত্ত্ব কতই না সেলুকাস! বিচিত্র সব বৈচিত্রে ভরা। নিজে অন্তত এক হালি প্রেমের সাক্ষী, তবে ব্যর্থ।
জানা মতে, অনিকেত একজনের প্রেমে পড়েছিল। তাও অকাল বয়সে, কলেজে। ভালোও বেসেছিল তাকে, হয়তো এখনো বাসে। এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে একজনের মুখোমুখি হয়েছিল। অত্যাচারের চাপে চায়ের টেবিলে বসে তাকে বোঝাতে হয়েছিল, ‘প্রায় ৫ বছর আগে বাবা-মা আমারই এক নিকত্মাতীয়ের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন। সেই এখন আমার সব।’ এরপর কখনো তার দ্বারা অত্যাচারিত হতে হয়নি ঠিক, তবে ক্লাশ শেষে আমার তাড়া পত্রিকা অফিস। আর তার বায়না আমার সঙ্গে পায়ে হেঁটে যাবে শাহবাগ। তার বাসা ছিল শাহবাগের ময়মনসিংহ রোড়ে। এভাবে দীর্ঘদিন আমরা ছিলাম ভালো বন্ধু প্রেমিক।
অনিকেতের জানা মতে, তাকে দুজন ভালো বেসেছিল। একজন একান্তই পাগলের মতো। এক পর্যায়ে নিজে দুর্বল হয়ে পড়েছে, বুঝতে পেরে না বলার পর রেশ গিয়েছিল ঘুমের বড়ির ওপর, এরপর টাইফয়েড শেষমেষ তার ঢাকা আগমন। মন নড়াতে না পেরে যাবার বেলায় বাস কাউন্টারে বসে হাতে টিমটি কেটে রক্ত ঝরানো, আরো কত্তো কি- বয়ে বেড়াচ্ছে অনিকেত। আর আগেরজন ওই অকাল বয়সী প্রেমেরও আগে। ভালো লাগার কথা বলার সময়ই তো আরেকজনে মগ্ন। তাকে পাত্তা দেয়ার টাইম কই! সবাই সুখী আছে। দুজন তো বাচ্চা ফুটিয়ে সংসারী। আরেকজন এই মহান কর্মের চেষ্টায়। আর আমার বন্ধু প্রেমিকের খোঁজ আর জানি না। কিছু ছবি আছে তাই দিয়ে নিজের ভেতর মাঝেমধ্যে সাড়া জাগায়।
এসবে নিজেকে প্রেমিক মনে না হলেও এ বিষয়ে অনিকেত ছোটখাটো বিশেষজ্ঞ বটে। ডিল তত্ত্ব; আজব বিএনপি বিটের ছেলেটা কেমন ক’দিন উদাস। নাম ধরে ধমক দেয়ার সাথে সাথে ভাইয়া, একটু ওই রুমটাতে আসবেন। কেন? চলেন। কিছু বলতে চাচ্ছি আপনাকে। বুঝতে পারছি, ভনিতা ছাড়া ডাইরেক্ট বলেন। আমি ওকে খুব ভালোবাসি। না পেলে বাঁচব না। তো, দরকার কি বেঁচে থাকার? পছন্দ যদি অধিকারই নাই করতে পারলাম, তবে কি লাভ এই জীবনের, যা দিয়ে জোর করে অন্যের সাথে মানানোর চেষ্টা করা লাগবে। তো এ ব্যাপারে আমি কি দিয়ে হেল্প করতে পারি? বেচারা তো পুরো ভ্যাবাচেকা। ভাই, ও আমাকে এখন বিয়ে করতে বলছে। কিন্তু এখন কোনোভাবেই তা সম্ভব নয়। বলেছি, কিন্তু বুঝতে চাইছে না। কতদিনের প্রেম, আর কিছু হয়েছে? ৫/৬ বছর, না। কেমন প্রেম, আপনার সমস্যা বোঝে না। আরেকবার বোঝান। না বুঝলে সোজা আমার কাছে নিয়ে আসবেন। এরপর আর কখনো এ নিয়ে কিছু বলতে শুনিনি। বড় খবর ছেলেটা এখনো পৃথিবীর আলো উপভোগ করে বেড়াচ্ছে দিব্যি!
প্রেম আর ডিল তত্ত্ব। জীবনে বারবারই আসছে, হয়তো আরো আসবে। নতুনের পর নতুন জন। দিনে দিনে ফুরাচ্ছে দিন। বাড়ছে অপেক্ষা। তবে একেবারেই সাম্প্রতিক, তার মধ্যে কোথায় যেন তার কাটা কাটা ভাব। কিছু বলে না। না ধমকে, না ভালোতে। শেষ ফোন। জবাব কোনোটিই না। আর পারছি না। একসাথে মুখোমুখি বসেও কোনো কাজ হয়নি? এ কথা, সে কথা কোনো না কথায় মেলে তার জবাব। চলেই গেলো, কিছু না গেলো জানা…! নতুন উপখ্যানেও ব্যর্থ সাক্ষী অনিকেত…
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৭
আতা2010 বলেছেন: মেয়েরা তাদের বিয়ের প্রথম ৬ বছর তাদের স্বামীকে যেভাবে .................
Click This Link