| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুক্ত তরণী
পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে তার আপন মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা দেওয়া উচিৎ। আমি ব্যক্তি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী স্বাধীন বাঙলার আশ্চর্য পরাধীন একজন মানুষ।
মানুষ তার বিষণ্নতাবোধ ও দৈনন্দিন ক্লান্তি দূর করার জন্যে মনেমনে অবসর খোঁজে, তাই সে প্রেমে প'ড়ে, কারণ সমস্ত প্রকার অবসরের মধ্যে প্রেমই একমাত্র ক্লান্তিকর অবসর, যেখানে কর্মের মধ্য থেকেই খুঁজে নিতে হয় অবসরযাপন। চলতিপথে মানুষ বড়োই নিঃসঙ্গতায় ভোগে, তাই সে প্রেমে প'ড়ে; কারণ প্রেমের মাধ্যমে সে পূর্ণতা খোঁজে, নিজেকে পরিপূর্ণ ক'রে তুলতে চায়। আমিও যেমন এর ব্যতিক্রম নই, আপনিও নন। আর যারা এ-সত্য অস্বীকার করেন, তারা চেতন অথবা অবচেতন মনে মিথ্যার প্রলেপে ঢাকা থাকেন।
জীববিজ্ঞানের আলোকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় কেউ যখন প্রেমে প'ড়ে তখন তার মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্হিতে তাত্ক্ষনিক একটি সংকেত পৌঁছে যায়, পিটুইটারি গ্রন্হি সংকেতটি পাওয়ামাত্র একপ্রকার লালা নিসৃরণ করে, এবং তা নিমিষেই আমাদের রক্তের সাথে মিশে সারা শরীরে ছড়িয়ে প'ড়ে; যার ফলশ্রুতিতে আমরা প্রেমে পড়লে সুখী বোধ করি, স্বস্তিলাভ করি। যারা বলেন, প্রেমে শুধুমাত্র অস্বস্তি, কোনোই সুখ নেই; তাদের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, তারা কেনো প্রেমে পড়েছে? অথবা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের দিকে তাকিয়ে দেখুন, তারা বড়োই প্রেমকাঙাল। কোনোক্ষেত্রে দেখা যাবে তাদের ঘরেই রয়েছে একটি সুন্দরী স্ত্রী, যা-কিনা তার আকাঙ্ক্ষিত প্রেমেরই ফসল। অথচ তবু এরা বলেন প্রেম এদেরকে কিছুই দেয় নি, কারণ এরা অকৃতজ্ঞ। আর একটি কারণে তারা এমনটি বলে থাকেন, যেমন- একটানা দুশো বছর চাঁদের দেশে বাস করলে আপনি চাঁদের সৌন্দর্যে আর মাতাল- মুগ্ধ হবেন না, বলবেন না যে, 'চাঁদ তুমি মম প্রেয়সীয় তন্বীকেশী মনোমুগ্ধকর নিলীমা'।
মনোবিজ্ঞানী বার্ট্রান্ড রাসেল প্রেম সম্বন্ধে তাঁর একটি উক্তিতে বলেছেন,
'প্রেমের স্বাদ যে পায় নি, জীবন তার কাছে শ্রেষ্ঠ ঐশ্বর্যই উদঘাটন ক'রে নি।' আমিও উঁনার সাথে একমত; এবং দিব্যদৃষ্টিসম্পন্ন যে কেউই এই মতের সাথে দ্বিমত পোষণ করবেন না।
আমার মনে হয় প্রত্যেকেরই অন্তত একবার ক'রে প্রেমে পড়া উচিত্, যদি তা সুখের না হয় তবুও; নিশ্চিত সুখহানীকর জানলেও।
প্রেম মানুষকে পূর্বাপেক্ষা বেশি সামাজিক ক'রে তোলে, আত্মসচেতনতা বাড়িয়ে দেয়, দায়িত্বকর্তব্যবোধ জাগ্রত করে, বিষণ্নতা নাশ করে, নতুন ক'রে ভাবতে শেখায়, জীবনের প্রকৃত মর্ম উপলব্ধি করায়, ভবিষ্যত সম্বন্ধে ভাবালুকতা বাড়ায়।
এর পরও যদি আপনি প্রেমে সুখ এবং স্বস্তি দুটোরই একত্রিতহীনতা দেখেন আপনার জীবনে, তবে আমি একজন মনোবিজ্ঞানী না হ'য়েই বলছি যে, সন্দেহ নেই তা আপনার কার্যক্ষমতাহীনতাকেই নির্দেশ করেছে।
আমাকে যদি কেউ প্রশ্ন করে, প্রেম আমাকে কী দিয়েছে? উত্তরে আমিও তাকে পাল্টা প্রশ্নটিই ছুঁড়ে দেবো, 'প্রেম আমাকে কী দেয় নি?'
আমি সুখী প্রেমের হিমশীতল জল গায়ে মেখে, আমি সুখী আমার সঙ্গিনীকে নিয়ে(সে যদি প্রতিভাবান হয় তবু, সে যদি অল্পবিস্তর প্রতিভার অধিকারিণী হয় তবুও), কারণ তার মহাক্ষমতা আমার কাছে প্রকাশিত হয়েছে, আমাকে সুখী করার ক্ষমতা। আমরা সুখ-দুঃখ মিলিয়েই সুখী, কেননা আমাদের দুজনেরই সুখী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং ক্ষমতা উভয়ই আছে। এর একটির বিচ্যূতি ঘটলেই প্রকৃত সুখী হওয়া অসম্ভব।
ট্রাই ক'রে দেখুন, আশাকরি আপনিও সুখী হবেন.....
২|
১৩ ই জুন, ২০১৩ ভোর ৬:৪৩
মুক্ত তরণী বলেছেন: হা হা হা....।
৩|
১৩ ই জুন, ২০১৩ বিকাল ৩:০১
ভূতাত্মা বলেছেন:
৪|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৫:০২
মুক্ত তরণী বলেছেন:
৫|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৭:০৫
খেয়া ঘাট বলেছেন: আর যারা এ-সত্য অস্বীকার করেন, তারা চেতন অথবা অবচেতন মনে মিথ্যার প্রলেপে ঢাকা থাকেন।
+++++++++
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৭:০৯
মুক্ত তরণী বলেছেন: ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জুন, ২০১৩ ভোর ৫:২৪
আমিই মিসিরআলি বলেছেন: নাহ,এমনেই ভালা আছি