| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বর্তমান আধুনিক বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে যে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি রয়েছে। তবে প্রত্যেকেই জানতে চায় কোন জিনিসে আকর্ষণ সৃষ্টি করে? এই আকর্ষণের কারণ কি? বিজ্ঞানীগণ গবেষণার মাধ্যমে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণ হিসাবে বর্ণনা করেছেন যে পৃথিবীর অভ্যন্তর হচ্ছে অত্যধিক ভারী এবং যার ওজন যত ভারী হবে তার আকর্ষণ তত শক্তি শালী হবে। তারা বলছেন আমরা যত মাটির নিচে নেমেছি ওজন তত বেড়েছে, তারা জমিনের অভ্যন্তরে ঠিক মাঝামাঝিতে এক প্রকার ভারী তরল পদার্থ পেয়েছেন যা সেখানে ঘুরছে। তার এই চলাচলটা একটা পথে পরিণত হয়েছে। আর এই হচ্ছে ম্যাগ্নেটিস যা প্রত্যেক বস্তুকে টেনে নেয় বা আকর্ষণ করে। তারা আরও বর্ণনা করেছে যে এই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি থাকার কারণেই মানুষ পৃথিবীর উপর চলাফেরা করতে পারছে, বৃষ্টির পানি নিচে মাটিতে আসে, গাছের ফল জমিনে পড়ে, বাতাস পৃথিবীর সাথে লেগে থাকে। শুধু তাই নয় পৃথিবী হতে কোন বস্তুর দুরত্ব যতই বাড়তে থাকে ততই তার ওজন কমতে থাকে। আর যদি মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ব্যবস্থা মহান স্রষ্টা না করতেন তবে পৃথিবীর সব কিছু মহাশূন্যে হারিয়ে যেত, তা আর পাওয়া যেত না।
আল্লাহ তাআলা বলেন ঃ
যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে। যখন সে তার বোঝা বের করে দিবে। (সূরা যিলযাল ১-২)
এই আয়াত দুইটির ব্যাখ্যায় একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সেমিনারে মুসলিমদের সাথে উপস্থিত হয়েছিলেন আমেরিকার অধিবাসী সাতিকলাজ। তিনি বলেন: পৃথিবীর অভ্যন্তরে ভারী বোঝা রয়েছে। আর এই বোঝাগুলো অনতিবিলম্বে বেরিয়ে আসবে। যখন সেগুলো বের হয়ে আসবে তখন অবস্থা কি হবে?
আল্লাহ তাআলা অন্য আয়াতে বলছেন:
যখন পৃথিবীকে সম্প্রসারিত করা হবে এবং পৃথিবীর গর্ভস্থিত সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করবে ও তা শূন্যগর্ভ হয়ে যাবে। (সূরা ইনসিকাক ৩-৪)
পৃথিবীর গর্ভস্থিত সবকিছু যখন বের হয়ে যাবে তখন আর তার মাধ্যাকর্ষণ থাকবে না। এই মহা বিশ্বের সুন্দর আইন শৃঙ্খলা ও নিয়ম নীতি আর থাকবে না। এ সব কিছুই হবে কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার পূর্বে। ডা. হেমায়েত স্বীয় কিতাবে আরও বর্ণনা করেছেন: পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ টান না থাকলে অথবা কম হলে জলীয় বাষ্প উপরের দিকে চলেই যেত। আবার উপরে ঠান্ডা বাতাস জলীয় বাষ্পকে ঘনীভূত করতে না পারলে জলকণা তৈরি হত না। ফলে বৃষ্টিও হত না। তাহলে একদিন পৃথিবীর সব পানিই বাষ্প হয়ে আকাশে উড়ে বেড়াত। আর ফিরে আসত না। ফলে পৃথিবীতে কোন পানিই খুঁজে পাওয়া যেত না। যার ফলে নিঃশেষ হয়ে যেত জীবনের অস্তিত্ব। তিনি আরও বলেন: পৃথিবী যদি চাঁদের মত ছোট অর্থাৎ বর্তমান আয়তনের চারভাগের একভাগ হত তবে এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি হত বর্তমানে যা আছে তার ৬ ভাগের ১ ভাগ। তাহলে সূর্যের তাপে পানি বাষ্প হয়ে উপরের দিকে চলে গেলে আর ফিরে আসত না কোনদিন। মাধ্যাকর্ষণ কম হওয়ার কারণে চলে যেত তো চলেই যেত। ফলে দ্রুত শেষ হয়ে যেত পৃথিবীর সমুদয় পানি। 'এবং আমি আকাশ থেকে বারি বর্ষণ করি পরিমিতভাবে; অতঃপর আমি উহা মৃত্তিকায় সংরক্ষণ করি; আমি উহাকে অপসারিত করিতেও সক্ষম।' (সূরা মু'মিনূন ২৩ ঃ আয়াত ১৮)
চাঁদ সবসময় পৃথিবীর দিকে একদিক মুখ করে ঘুরে। চাঁদের মত পৃথিবীও যদি সূর্যের দিকে একদিকে হত তাহলে সেই দিক হতো তীব্র শীত, যার কারণে পানি বরফ হয়ে যেত আর অন্যদিকে প্রখর গরমের জন্য পানি বাষ্পীয় অবস্থায় বিদ্যমান থাকত।
অতি গরম ও অতি শীত কোন অবস্থায়ই পানি পাওয়া সম্ভব হত না।
পৃথিবী যদি সূর্যের সমান বড় হত তবে এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি হত বর্তমানের ১৫০ গুণ। যার কারণে বায়ুমণ্ডলের উচ্চতা ৪ মাইলের চেয়েও কমে যেত। তাহলে পানি আর বাষ্পীভবন হত না। সারা পৃথিবী ডুবে যেত পানিতে।
সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব যদি বর্তমানের দ্বিগুণ হত তাহলে সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর তাপ কমে গিয়ে দাঁড়াত বর্তমানের ৪ ভাগের ১ ভাগে। তদুপরি কক্ষপথ বৃদ্ধির কারণেও শীতকালের পরিমাণ হত বর্তমানের চার গুণ। কাজেই সারা পৃথিবীর পানি বরফে পরিণত হয়ে যেত। এমনকি গ্রীষ্মকালেও মুক্ত পানি পাওয়া যেত না। তীব্র শীত ও মুক্ত পানির অভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীকুল নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত অতি সহজেই।
২|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০০
খান ফেরদৌস বলেছেন: ভাল লাগলো
৩|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৬
হেডফোন বলেছেন:
ওহ...
দারুন পুষ্ট গোহ
(মাইনাস)
৪|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৯
রাজসোহান বলেছেন: :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-<
আমি ১০০০০ % আস্তিক , কিন্তু এই পোস্টে ক্যামনে জানি মাইনাস পড়ল , মুনে হয় ঘুমাইতে ছিলাম চরি
৫|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৩
নষ্ট ছেলে বলেছেন: বিজ্ঞানীগণ গবেষণার মাধ্যমে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণ হিসাবে বর্ণনা করেছেন যে পৃথিবীর অভ্যন্তর হচ্ছে অত্যধিক ভারী এবং যার ওজন যত ভারী হবে তার আকর্ষণ তত শক্তি শালী হবে। তারা বলছেন আমরা যত মাটির নিচে নেমেছি ওজন তত বেড়েছে,
ওরে কে আছিস আমার লুঙ্গিটা ধর হাসতে হাসতে খুইলা গেল রে, মাটির নিচে গেলে নাকি ওজন কমে!
এই গাঁজাখুরি গল্পটা কই পাইলেন? অবশ্য গাঁজার নৌকা পাহাড় বাইয়া যায় ওজন বাড়া তো মামুলি ব্যাপার![]()
৬|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৮
মুঘল সম্রাট বলেছেন: কোরআন কেয়ামত পর্যন্ত মডার্ণ।
৭|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১০
অথই দীঘির জল বলেছেন: নষ্ট ছেলে বলেছেন: বিজ্ঞানীগণ গবেষণার মাধ্যমে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণ হিসাবে বর্ণনা করেছেন যে পৃথিবীর অভ্যন্তর হচ্ছে অত্যধিক ভারী এবং যার ওজন যত ভারী হবে তার আকর্ষণ তত শক্তি শালী হবে। তারা বলছেন আমরা যত মাটির নিচে নেমেছি ওজন তত বেড়েছে,
ওরে কে আছিস আমার লুঙ্গিটা ধর হাসতে হাসতে খুইলা গেল রে, মাটির নিচে গেলে নাকি ওজন কমে!
এই গাঁজাখুরি গল্পটা কই পাইলেন? অবশ্য গাঁজার নৌকা পাহাড় বাইয়া যায় ওজন বাড়া তো মামুলি ব্যাপার![]()
৮|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১১
অথই দীঘির জল বলেছেন: নষ্ট ছেলে বলেছেন: বিজ্ঞানীগণ গবেষণার মাধ্যমে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণ হিসাবে বর্ণনা করেছেন যে পৃথিবীর অভ্যন্তর হচ্ছে অত্যধিক ভারী এবং যার ওজন যত ভারী হবে তার আকর্ষণ তত শক্তি শালী হবে। তারা বলছেন আমরা যত মাটির নিচে নেমেছি ওজন তত বেড়েছে,
ওরে কে আছিস আমার লুঙ্গিটা ধর হাসতে হাসতে খুইলা গেল রে, মাটির নিচে গেলে নাকি ওজন কমে!
এই গাঁজাখুরি গল্পটা কই পাইলেন? অবশ্য গাঁজার নৌকা পাহাড় বাইয়া যায় ওজন বাড়া তো মামুলি ব্যাপার![]()
৯|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৫
প্রিন্সেস ঢাকা বলেছেন: @মুঘল সম্রাট কেয়ামতের পরে কি ?
১০|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯
শাকালাকা বুম বলেছেন: ভাল লিখা....
+++
১১|
০৭ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:৫৬
পারভেজ আলম বলেছেন: ভূতত্ত্ব সম্বন্ধে যদি আপনার নুন্যতম ধারণা থাকতো তাহলে আপনাকে বোঝাতে পারতাম। যেহেতু নাই, তাই মনে হয় বুঝবেন না। তাও একটা বিষয় বোঝায়। পৃথিবীর কেন্দ্রে আসলে ঘুর্ণায়মান পদার্থ নাই। আছে একেবারে শক্ত গোল জমাট ধাতু, খুব সম্ভবত আয়রণ। আর এর চারদিকে আছে ঘুর্ণায়মান লাভা জাতীয় পদার্থ। এই লাভা কোন ম্যাগনেটিক পদার্থ না তবে এর ক্রমাগত ঘুর্ণনের ফলে ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক ফোর্স তৈরি হয় যা পৃথিবীর ঘন বায়ুমন্ডলকে ধরে রেখেছে এবং পৃথিবীকে শক্তিশালী এবং ক্ষতিকর সৌরঝর থেকে রক্ষা করছে। তবে এর সাথে মহাকর্ষের (মধ্যাকর্ষন) কোন সম্পর্ক নাই, মহাকর্ষ একটা বিশ্বজনিন শক্তি, কোথাও কম, কোথাও বেশি। যেমন ধরেন, মঙ্গল গ্রহের অভ্যন্তেরে ঘূর্ণায়মান লাভা ঘোরা বন্ধ করে দিয়েছে অনেক আগেই, এই কারণে সেখানে ক্ষতিকর সৌররষ্ণি থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় নাই, তাই বলে কি মঙ্গলে মহাকর্ষ নাই, অবশ্যই আছে, না থাকলে সেখানে পৃথিবী থেকে পাঠানো পাথ ফাইন্ডার কিভাবে দিব্বি ঘুরে বেরাচ্ছে। আর কেয়ামত দিয়ে দুনিয়া ধ্বংস করতে চাইলে আল্লাহ'র কষ্ট করে ঐ ভূ কেন্দ্রের লাভা উদগিরণ করার দরকার নাই। মঙ্গল গ্রহের মতো ঐ লাভার ঘুর্ণন থামিয়ে দিলেই চলবে, কেল্লা ফতে। আর ঐ ভূকেন্দ্রের লাভা বের করার আগে পৃথিবীর ভূ অভ্যন্তের থেকে আরো যে পরিমান লাভা বের করতে হবে তাতে ঐ লাভা বের হওয়ার আগেই দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫১
শ্বেত সওদাগর বলেছেন: তিনি বলেন: পৃথিবীর অভ্যন্তরে ভারী বোঝা রয়েছে। আর এই বোঝাগুলো অনতিবিলম্বে বেরিয়ে আসবে। যখন সেগুলো বের হয়ে আসবে তখন অবস্থা কি হবে?
কিয়ামতের আর দেরি নাই দেখছি