| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
'আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কোনো ব্যক্তি নন। তিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার একটি প্রতীক। তাকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের।' - মির্জা ফখরুল (মীর জাফর)
মাহমুডুর রহমান কত বড় মিথ্যুক, ভন্ড, কুচক্রী তা কি নতুন করে বলার দরকার আছে? তবুও মাহমুদুর রহমান-এর আসল চেহারাটা জানার জন্য এই লিংগুলো দেখুন:
Click This Link
Click This Link
Click This Link
প্রশ্ন হচ্ছে, ফখরুল কি আমাদের বোকা... ভেবেছে? বেহায়া কোথাকার! ছি!!!
ভাবতে অবাক লাগে ক্যান্টনমেন্টে জন্মলাভ করা ‘বিএনপি’ দলটিকে দেশের মানুষ বিশ্বাস করে ক্ষমতায় বসিয়েছে অতীতে। এই ফল দেখার জন্য? সবচেয়ে প্রভাবশালী দুটি দলের একটি তারা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নে তাদের নির্লজ্জ, কাপুরুষোচিত এবং স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকা আবারো প্রমাণ করেছে পাকিস্তানী প্রেতাত্মাদেরই সৃষ্টি তারা। তাদের জন্ম ইতিহাস যেমন কলুষিত তেমনি তাদের ধ্বংসও হবে ন্যাক্কারজনকভাবেই। পরিস্থিতি এটাই প্রমাণ করছে যে দেশের একটি অংশ বাংলার বায়ূ, বাংলার জলে বেড়ে উঠছে ঠিকই কিন্তু অন্তরে তাদের বাংলার জন্য শুধুই ঘৃণা আর প্রতিহিংসা।
মীরজাফরের কুকীর্তি বাংলার কী ক্ষতি করেছে তা সবারই জানা। এখন অপেক্ষা নব্য এইসব মীর জাফররা আমাদের কোন অন্ধকারে ঠেলে দেয় সেটা দেখার। হায় বাঙালি! হায় মুক্তিযুদ্ধ!
২|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৮:১৩
তুহিন সরকার বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ সিরাজ ও ধর্মবাজকে।
এরা দেশ ও জাতির শত্রু এদের প্রতিহত করার সময় এসেছে।
৩|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:১২
আদনান মাননান বলেছেন: Click This Link
৪|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:২০
এস বাসার বলেছেন:
বিএনপি'র ফখরুলের কাছে একটা প্রশ্ন:
ফখরুলের মা-বোনকে যদি সাইদী ধর্ষন করে এবং গোলাম আজম ফখুর বাপকে হত্যা করে........তখন ফখরুল কি সাইদী এবং গোলাম আজমকে বাঁচানোর জন্যে মাহমুদুরকে দিয়ে পত্রিকায় ভূয়া সংবাদ প্রকাশ করাবে? আর পল্টনের ময়দানে গোআ'র মুক্তির দাবীতে শ্লোগান তুলবে?
৫|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:২১
মিঠাপুর বলেছেন: আমি লজ্জিত। বিএনপি'র মত একটা দলের এত অধপতন হবে, এটা ভাবতে কষ্ট হচ্ছে !
৬|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৪৩
অেসন বলেছেন: ফখরুল সাহেব একেক সময় একেক কথা বলে ইতিমধ্যে জোকারে পরিনত
হয়েছেন। বিএনপির মতো দলের দায়িত্বশীল পদে থেকে এরকম অসংলগ্ন
কথাবার্তা সত্যিই হতবাক করে দেয়।
আসলে শাহবাগ আন্দোলন এদের মাথা খারাপ করে দিয়েছে।
৭|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৩৪
চলতি নিয়ম বলেছেন: চি চি আপনি এসব কি হাবিজাবি বুল্ছেন
এক্ষুনি মহা ইদুরের ঘেতুপুত্রগণেরা এসে বলবে, আপনি ফকরুল সাহেবের জুতা পরিষ্কার করার যোগ্যতাও রাখেন না।
আপনারা খুব খ্রাপ।
৮|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৫০
সোহেল চট্টগ্রাম বলেছেন: আরে.।। আমি ত কাল থেকে আমার দেশ নিচ্চি,
৯|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:২০
ম.র.নি বলেছেন: ছিঃ লেখক ছিঃ
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৮:০৭
ধর্মবাজ বলেছেন: এক সাহসী! দেশপ্রেমিক! পৈশাচিক জানোয়ার মাহমুদুরের আস্ফালনে ঝড়ে গেল কতগুলো প্রান। কে এই জানোয়ারের বিচার করবে? এই জানোয়ার ধর্মের দোহাই দিয়ে সাধারন মানুষকে উম্মাদ বানিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিলে কতটা পারদর্সী তা আজ মানুষ বুঝতে শুরু করেছে। এই জানোয়ারগুলোই যুগে যুগে সভ্যতাকে কলংকিত করেছে। এই জানোয়ারদের আমরা সহজেই চিনি যখন তারা অন্য ধর্ম বর্ন আর গোস্ঠির হয়। এইরকম জানোয়ারদের আস্ফালনেই বাবরি মসজিদ ভাংগা হয়, আর হিন্দু মুসলিম দাংগায় হাজারো মুসলিম প্রান হারায়। গুজরাটে নরেন্দ্র মোদি রা যেমন সজ্ঞানে দাংগা লাগিয়েও মন্ত্রী এমপি হচ্ছে, আমার দেশেও এই মাহমুদুর জানোয়ারেরা একই কাজ করে যাচ্ছে এবং একই স্বপ্নে বিভোর আছে।
ব্লগের ক্ষুদ্র পরিসরের গুটিকতক মানুষের ধর্মীয় বক্তব্য কে কেন্দ্র করে এরা সবাইকে নাস্তিক বানায়, ধর্মীয় অনুভুতিতে জোড় করে শুরশুরি দেয়ার জন্য নবী রাসূল দের নিয়ে একজনের গালি হাজারো মুখে ছড়িয়ে দেয়, প্রচারেই প্রসার জেনেও এরা ঐ সকল নোংড়া বানী প্রচার করে পক্ষান্তরে নাস্তিকতাকেই উস্কে দেয়, মানুষকে নাস্তিক বানানোর পথ খোলে দেয়। আল্লা রাসূলের জন্য নূনতম মায়া দয়া থাকলে এই জানোয়ার ঐ সকল নোংড়া কথা প্রকাশ করতে পারত না।
পাকিস্তানে কয়দিন আগে এক ঈমাম একটি খৃস্টান মেয়েকে ফাসানোর জন্য নিজেই কোরান পুড়িয়েছিল, ঠিক এমনি করে জানোয়ারেরা যুগে যুগে ধর্ম আর আল্লা রাসুল কে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করে আসছে। আমাদের এখনই বুঝতে হবে এই মাহমুদুর জানোয়ারদের ফন্দি ফিকির। ইসলামের ই ও নাই এই জানোয়ারের বিবেকে। মানুষের মন ভাংগা আর মসজিদ ভাংগা নাকি সমান। নবী রাসূল কে নাস্তিকরা গালী দিচ্ছে, ওরাই জানছে। আর এই জানোয়ার মাহমুদুর এই গালিগালাজ হাজারো ঈমানদার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে হাজারো মুসলমানের মন ভাংছে। থাবা বাবার মত একটা নাস্তিক আরো ১০০ বছর প্রচার করেও এত মানুষের মন ভাংতে পারত না, আর মানুষকে আহত নিহত করাতো দূরে থাক! এই মাহমুদুর জানোয়ার টা নাকি ইসলাম রক্ষা করবে, যে প্রতিটি পরতে পরতে সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য বানায়। কাবা শরীফ নিয়ে যেই লোক মিথ্যার বেসাতী করতে ভয় পায় না, সেই লোক কি করে ধর্মের দোহাই দেয়। হেই বাংলার মানুষ সকল, তোমারা কি আন্ধা হইয়া গেলা, তোমাগোর বিবেক কি ধ্বংস হইয়া গেল, তোমরা কি তোমাদের ধর্ম রে ঐ জানোয়ারের কাছে বন্ধক রাখতে চাও, তোমরা কিসের উস্কানিতে নামাজ ফালাইয়া মসজিদে আগুন লাগাও, কিসের উস্কানিতে মা মাটি আর মাতৃভুমির সাথে তোমরা বেঈমানি করতে যাও, কিসের নেশায় আস্তিক নাস্তিক বিবেদ টাইনা নাস্তিকের রক্তের স্বাদ নিতে যাও। ফিরে এসো ঐ হায়েনা জানোয়ারদের ছায়া থেকে, ফিরে এসো ঐ শকূনের দুষ্টচক্র থেকে, ফিরে এসো ধর্মের নামে হত্যা রাহাজানি থেকে, ফিরে এসো ঐ পৈশাচিক জানোয়াদের আস্ফালন থেকে, ফিরে এসো ঐ খুনি দেশদ্রোহী রাজাকারদের বানানো চারনভূমির সীমানা পেরিয়ে, ফিরে এসো মুক্ত বাতাসে, ফিরে এসো মানুষের কল্যানে, ফিরে এসো সেবার ব্রত নিয়ে, ফিরে এসো প্রিয় সোনার বাংলার কোলে, ফিরে এসো মাতৃভুমির কোলে।