| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রচণ্ড ভালবাসা থেকে একধরণের আবেগের জন্ম হয়, বাবা-মায়ের প্রতি যেমন মায়াটান থাকে, তেমনি কারোর জন্যেও...তবে আবেগ একাই স্থান দখল করে না, তার সাথে রাগ-অভিমানও আস্টেপিষ্ঠে জড়িয়ে থাকে, দিন যত গড়ায় আবেগ-রাগ-অভিমানের পরিমাণও বাড়তে থাকে ।
.
সাধকরা সাধনা করে সাধকে, ছেলে-মেয়েরা প্রেমের সাধনা করে প্রেমিক-প্রেমিকায় পরিণত হয় । পরিবার কি, সমাজ কি সবকিছুই তখন ভূলে যায় ।
অনেকে এও ভূলে যায়, সে আসলে কে ? বামন হয়ে আসমানে হাত দেয়নি তো ।
সাদা চুলওয়ালাকে ধরবেশ আর লম্বা চুল, দাড়ি-গোফ বড় বড় দেখলেই পাগল বলতাম । কেউ কেউ দাড়ি গোফ গুলোয় চিরুনি লাগিয়ে আঁচড়িয়েও আসত ।
দিন দুনিয়ার খবর এই পাগলাদের কাছে পাওয়া যায়না,
একবার আজমীর শরীফ, পরের বার শাহ জালাল এমনকি লালন শাহ্ কোনটা কার কাছে বলবে পেছ লাগিয়ে ফেলে ।
প্রেমিক-প্রেমিকার দশাও ঠিক এরকমই হয় ।
.
যে মেয়েটা দীর্ঘ ৫বছর ধরে রিলেশন করেও, তার বাবা-মা এমনকি তার পরিচিত কাউকেই বলতে পারেনি..সে একটা ছেলেকে ভালবাসে, কেন বলতে পারেনা, কেনই বা দিনের পর দিন হতাশা-কষ্ট নিজের মাঝে বয়ে বেড়ায় সে ভাল করেই বুঝে, বুঝেও কষ্টগুলো সইয়ে যায়, একটু সুখের আশায় ।
অন্যদিকে বাবা-মায়েরা আইডেন্টি ভেরিফিকেশনে নেমে পরে, মেয়ে বড় হয়েছে বিয়ে দিতে হবে । ছেলেদের এই ঝামেলাগুলো পোহাতে হয়না, ভালবাসা কাকে বলে সেটা তো ভালই জানে কিন্তু ভালবাসাকে কনভার্ট করতে অনেকেই ব্যর্থ হয়ে যায় ।
.
একটা মেয়ে প্রায়ই বলে,
জানিস ইচ্ছে করলে আমি ২০/২২টা প্রেম করতে পারতাম কিন্তু করিনি । শুধু পরিবারের দিকে চেয়ে থাকি, বাবা সুযোগ পেলেই কখন যে বিয়ে দিয়ে দেয়, আমি নিজেও জানিনা ।
অথচ মেয়েটা একজনকে ভালবাসত, এখনও বাসে, তবে আগের মত পাবার আশা করেনা । ফেইসবুকে ডুকলে আইডি সার্চ করতে ভূলে না, প্রতিদিনই খোঁজে খোঁজে বের করে আনে আইডিটা, আজ কি স্ট্যাটাস দিয়েছে, আজ কি সে আমাকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিল নাকি অন্য কাউকে নিয়ে ।
.
মেয়েটাকে আজ অনেকজনই ভালবাসে,
ছেলেদের মধ্যে দুজন তো নাছোড়বান্দা । একজনকে বুঝিয়ে শুনিয়ে বিদায় করলেও অন্যজন বুঝতেই চাইনা ।
অবুঝ ছেলেটা ভাবে,
২০/২২টা ছেলের মধ্যেও তার স্থান নেই....তা না হলে এমন কথা সে কখনই বলত না (২০/২২টা প্রেম করতে পারতাম), ছেলেটাও বিশ্বাস করাত না সে মেয়েটিকে ভালবাসে ।
রাত জেগে থাকত না, দিনেরপরদিন মেয়েটিকে পাবার আশায় কাঁদত না ।
তাছাড়া মেয়েটি তো কখনই বলেনি...সে ছেলেটিকে ভালবাসে, শুধু আড়াল থেকে বলে যায়.....আর কত অবহেলা নিবি বল, আর কত ধৈর্য দেখাবি বল ।
আমি তোর সব ধৈর্য ভেঙ্গে চুরমার করে দিব । ছেলেটি তারপরেও আশা রাখে, সে মেয়েটিকে পাবে । এগুলা কষ্ট না, একধরণের আনন্দ, এই আনন্দের শুরু আছে, শেষ নেই ।
.
এ গভীর ভালবাসা থেকে তৈরি হয় ছটপটানি, বুকের ভিতরে চিনচিনে ব্যথা.. এই ব্যথার কোনো ঔষধ নেই, হোমিওপ্যাথি-এলোপ্যাথি-বনাজি কোনো ঔষধই কাজ করে না ।
শুনেছি ব্ল্যাক ম্যাজিকে কিছুটা কাজ হয়, না না এরকম করা ঠিক না । এগুলা একটা মানুষকে শুধু নিঃশেষই করে দেয়না বরং ধ্বংস করে দেয় ।
.
ভালবাসা মানে সিলিং-এ ঝুলে থাকা না, কিংবা অতি আবেগে বিষপান করে মরে যাওয়া না । ভালবাসা কেবল কাছে পাওয়ার জন্য না, ভালবাসা মানে কাউকে বউ বানানো না, ভালবাসা মানে অধীকার খাটানো না, ভালবাসা মানে কাউকে পুতুল সাজিয়ে নিজের ইচ্ছেমত খেলা না । ভালবাসা মানে ভালবাসার মানুষটিকে সুখে রাখা, তার দুরসময়ে পাশে থাকা, সর্বোপরি তাকে সম্মান দেওয়ার নামই হচ্ছে ভালবাসা (সে আপনার জীবন সঙ্গী হওক,আর নাই হওক) ।
ভালবাসার মানুষটি জীবন থেকে চলেগেলে,
শুধু ভাললাগাগুলাই হারিয়ে যায় কিন্তু ভালবাসা ঠিকই কারো না কারোর জন্যে রয়ে যায় । কাউকে ভালবাসলে তাকে পাওয়া যাবে না, এটা ডাহা মিথ্যে কথা । দুনিয়ায় আসে মানুষ কিছু সময়ের জন্য, সৃষ্টাকে খুশী করার জন্য, অনেকে আমরা এসব ভূলে যায়, ভূলে যায় আমাদের কর্মের কথা ।
সত্যিকার অর্থে কাউকে ভালবেসে থাকলে তুমি তাকে পাবেই, একালে না'হয় সেকালে ।প্রচণ্ড ভালবাসা থেকে একধরণের আবেগের জন্ম হয়, বাবা-মায়ের প্রতি যেমন মায়াটান থাকে, তেমনি কারোর জন্যেও...তবে আবেগ একাই স্থান দখল করে না, তার সাথে রাগ-অভিমানও আস্টেপিষ্ঠে জড়িয়ে থাকে, দিন যত গড়ায় আবেগ-রাগ-অভিমানের পরিমাণও বাড়তে থাকে ।
.
সাধকরা সাধনা করে সাধকে, ছেলে-মেয়েরা প্রেমের সাধনা করে প্রেমিক-প্রেমিকায় পরিণত হয় । পরিবার কি, সমাজ কি সবকিছুই তখন ভূলে যায় ।
অনেকে এও ভূলে যায়, সে আসলে কে ? বামন হয়ে আসমানে হাত দেয়নি তো ।
সাদা চুলওয়ালাকে ধরবেশ আর লম্বা চুল, দাড়ি-গোফ বড় বড় দেখলেই পাগল বলতাম । কেউ কেউ দাড়ি গোফ গুলোয় চিরুনি লাগিয়ে আঁচড়িয়েও আসত ।
দিন দুনিয়ার খবর এই পাগলাদের কাছে পাওয়া যায়না,
একবার আজমীর শরীফ, পরের বার শাহ জালাল এমনকি লালন শাহ্ কোনটা কার কাছে বলবে পেছ লাগিয়ে ফেলে ।
প্রেমিক-প্রেমিকার দশাও ঠিক এরকমই হয় ।
.
যে মেয়েটা দীর্ঘ ৫বছর ধরে রিলেশন করেও, তার বাবা-মা এমনকি তার পরিচিত কাউকেই বলতে পারেনি..সে একটা ছেলেকে ভালবাসে, কেন বলতে পারেনা, কেনই বা দিনের পর দিন হতাশা-কষ্ট নিজের মাঝে বয়ে বেড়ায় সে ভাল করেই বুঝে, বুঝেও কষ্টগুলো সইয়ে যায়, একটু সুখের আশায় ।
অন্যদিকে বাবা-মায়েরা আইডেন্টি ভেরিফিকেশনে নেমে পরে, মেয়ে বড় হয়েছে বিয়ে দিতে হবে । ছেলেদের এই ঝামেলাগুলো পোহাতে হয়না, ভালবাসা কাকে বলে সেটা তো ভালই জানে কিন্তু ভালবাসাকে কনভার্ট করতে অনেকেই ব্যর্থ হয়ে যায় ।
.
একটা মেয়ে প্রায়ই বলে,
জানিস ইচ্ছে করলে আমি ২০/২২টা প্রেম করতে পারতাম কিন্তু করিনি । শুধু পরিবারের দিকে চেয়ে থাকি, বাবা সুযোগ পেলেই কখন যে বিয়ে দিয়ে দেয়, আমি নিজেও জানিনা ।
অথচ মেয়েটা একজনকে ভালবাসত, এখনও বাসে, তবে আগের মত পাবার আশা করেনা । ফেইসবুকে ডুকলে আইডি সার্চ করতে ভূলে না, প্রতিদিনই খোঁজে খোঁজে বের করে আনে আইডিটা, আজ কি স্ট্যাটাস দিয়েছে, আজ কি সে আমাকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিল নাকি অন্য কাউকে নিয়ে ।
.
মেয়েটাকে আজ অনেকজনই ভালবাসে,
ছেলেদের মধ্যে দুজন তো নাছোড়বান্দা । একজনকে বুঝিয়ে শুনিয়ে বিদায় করলেও অন্যজন বুঝতেই চাইনা ।
অবুঝ ছেলেটা ভাবে,
২০/২২টা ছেলের মধ্যেও তার স্থান নেই....তা না হলে এমন কথা সে কখনই বলত না (২০/২২টা প্রেম করতে পারতাম), ছেলেটাও বিশ্বাস করাত না সে মেয়েটিকে ভালবাসে ।
রাত জেগে থাকত না, দিনেরপরদিন মেয়েটিকে পাবার আশায় কাঁদত না ।
তাছাড়া মেয়েটি তো কখনই বলেনি...সে ছেলেটিকে ভালবাসে, শুধু আড়াল থেকে বলে যায়.....আর কত অবহেলা নিবি বল, আর কত ধৈর্য দেখাবি বল ।
আমি তোর সব ধৈর্য ভেঙ্গে চুরমার করে দিব । ছেলেটি তারপরেও আশা রাখে, সে মেয়েটিকে পাবে । এগুলা কষ্ট না, একধরণের আনন্দ, এই আনন্দের শুরু আছে, শেষ নেই ।
.
এ গভীর ভালবাসা থেকে তৈরি হয় ছটপটানি, বুকের ভিতরে চিনচিনে ব্যথা.. এই ব্যথার কোনো ঔষধ নেই, হোমিওপ্যাথি-এলোপ্যাথি-বনাজি কোনো ঔষধই কাজ করে না ।
শুনেছি ব্ল্যাক ম্যাজিকে কিছুটা কাজ হয়, না না এরকম করা ঠিক না । এগুলা একটা মানুষকে শুধু নিঃশেষই করে দেয়না বরং ধ্বংস করে দেয় ।
.
ভালবাসা মানে সিলিং-এ ঝুলে থাকা না, কিংবা অতি আবেগে বিষপান করে মরে যাওয়া না । ভালবাসা কেবল কাছে পাওয়ার জন্য না, ভালবাসা মানে কাউকে বউ বানানো না, ভালবাসা মানে অধীকার খাটানো না, ভালবাসা মানে কাউকে পুতুল সাজিয়ে নিজের ইচ্ছেমত খেলা না । ভালবাসা মানে ভালবাসার মানুষটিকে সুখে রাখা, তার দুরসময়ে পাশে থাকা, সর্বোপরি তাকে সম্মান দেওয়ার নামই হচ্ছে ভালবাসা (সে আপনার জীবন সঙ্গী হওক,আর নাই হওক) ।
ভালবাসার মানুষটি জীবন থেকে চলেগেলে,
শুধু ভাললাগাগুলাই হারিয়ে যায় কিন্তু ভালবাসা ঠিকই কারো না কারোর জন্যে রয়ে যায় । কাউকে ভালবাসলে তাকে পাওয়া যাবে না, এটা ডাহা মিথ্যে কথা । দুনিয়ায় আসে মানুষ কিছু সময়ের জন্য, সৃষ্টাকে খুশী করার জন্য, অনেকে আমরা এসব ভূলে যায়, ভূলে যায় আমাদের কর্মের কথা ।
সত্যিকার অর্থে কাউকে ভালবেসে থাকলে তুমি তাকে পাবেই, একালে না'হয় সেকালে ।
©somewhere in net ltd.