![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তৃতীয় ধরণের পাগল হল সেয়ানা পাগল। এটা সবচেয়ে কঠিন ধরণের পাগলামি। এই পাগল কি সুস্থ না অসুস্থ সেটা বোঝা খুব কঠিন। যখন সে পাগলামি করছে তখন তার কাজকারবার হবে সুস্থ মানুষের মতো। জটিল সব যুক্তি দিয়ে সে তার পাগলামি প্রতিষ্ঠিত করবে। আবার যখন সে সুস্থ থাকবে তখন তার চিন্তা ভাবনা হবে পাগলের মতো। অফিসে এবং বাসায় নিয়মিত ভাবে আমি এই পাগলের ভূমিকায় অভিনয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমার কাছে ভালোই লাগে। শুধু মাঝে মধ্যে আমার মাথার মধ্যে জ্যোৎস্না ঢুকে পড়ে। তখন খুব অস্থির লাগে। কেন লাগে জানি না। আপনারা কেউ কি জানেন?
ছাত্রলীগের সব কর্মীকে চাকরি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের আহ্বায়ক ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল আজিজ।
কথা ঠিক। একমাত্র ছাত্র লীগই "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" ধারন করে! এই চেতনার জোশেই ওরা সারা বছর মারপিট-গুন্ডামির নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্র্যাকটিস করে বেড়ায়। এই দেশ ওদের কাছে ঋণী। ওদের রেজাল্টের কোন প্রয়োজন নেই। কে কয়টা খুন করেছে, কত লোককে মেরেছে সেটা জানাই যথেষ্ট।
আচ্ছা না থাক। আরও একটু জেনে আসি। মজা মনে হয় আরও বাকি আছে।
অধ্যাপক আজিজ বলেন, বিভিন্ন কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমন্ত্রিত অতিথির কাছে বিভিন্ন দাবির ফিরিস্তি তুলে ধরেন। আজ তারা কোনো দাবি জানাননি। তাদের পক্ষ থেকে আমিই দাবি জানাচ্ছি যে, ছাত্রলীগের সকল নেতাকর্মীকে চাকরি দিতে হবে।
বাহ! মহান স্যার! আবেগে চোখে পানি চলে আসলো ...
অধ্যাপক আবদুল আজিজ বলেন, আমি ছাত্রলীগের এক নেতাকে নিয়ে এক মন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলাম চাকরির জন্য। কিন্তু ওই ছাত্রলীগ নেতার সব কয়টিতে ‘থার্ড ক্লাস’ থাকায় মন্ত্রী চাকরি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তখন আমি ওই ছাত্রলীগ নেতার জামা খুলে তার গায়ে থাকা ক্ষতচিহ্ন দেখাতে বলি।
তিনি বলেন, ছাত্রলীগের নেতাদের রেজাল্টের প্রয়োজন নেই। তাদের গায়ে থাকা ক্ষতচিহ্নই তাদের বড় যোগ্যতা। তাদের আর কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন নেই।
হা হা হা। ছাত্রলীগের ছেলেদের যে কি অবস্থা সেটা এইভাবে না দেখালেও চলতো। গাধারা তো সারা বছর গুন্ডামি আর মেয়েদের টিজ করে বেড়ায়, পড়া লেখা করবে কখন? আর মাথায় যে টুকু ঘিলু ছিল সেটা ব্যাবহার করেছে ইউনিভার্সিটির অধ্যাপককে ধরে চাকরী খোঁজার চেষ্টায়। তাতেও ফেল। গর্দভ কোথাকার। মাইরও খাইলি, পরীক্ষায় ডাব্বা মেরে থার্ড ক্লাসও পাইলি আবার অধ্যাপকের সুপারিশ সত্ত্বেও চাকরী পাইলি না - তুই তো আসলেই মানুষ না, ছাত্রলীগ! একটা শক্ত পোক্ত গাছ দেখে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়। তোরে দিয়ে এর চাইতে বেশী কিছু আর হবে না।
তবে এখানে এটাও বোঝা গেল যে আওয়ামী লীগ কি পরিমাণ দুই নাম্বারি করছে। আমাদের মতো সাধারন মানুষেরা ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষককে দেশের সবচেয়ে শিক্ষিত লোকদের একজন বলে মনে করি। তারা আমাদের কাছে জ্ঞানে, গুনে, চরিত্রে আদর্শের প্রতীক। সেই অধ্যাপকই যদি একটা তৃতীয় শ্রেণীর ছেলেকে চাকরী দেয়ার জন্য মন্ত্রীর কাছে যেতে পারে তাহলে সেই অধ্যাপক কোন শ্রেণীর সেটা বুঝতে খুব বেশী কষ্ট হওয়ার কথা না।
আর সেই অধ্যাপক কোন দলের সাপোর্টার?
"মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" - আওয়ামী ব্যবসার বস্তু না।ছাত্রলীগের সব কর্মীকে চাকরি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের আহ্বায়ক ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল আজিজ।
কথা ঠিক। একমাত্র ছাত্র লীগই "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" ধারন করে! এই চেতনার জোশেই ওরা সারা বছর মারপিট-গুন্ডামির নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্র্যাকটিস করে বেড়ায়। এই দেশ ওদের কাছে ঋণী। ওদের রেজাল্টের কোন প্রয়োজন নেই। কে কয়টা খুন করেছে, কত লোককে মেরেছে সেটা জানাই যথেষ্ট।
আচ্ছা না থাক। আরও একটু জেনে আসি। মজা মনে হয় আরও বাকি আছে।
অধ্যাপক আজিজ বলেন, বিভিন্ন কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমন্ত্রিত অতিথির কাছে বিভিন্ন দাবির ফিরিস্তি তুলে ধরেন। আজ তারা কোনো দাবি জানাননি। তাদের পক্ষ থেকে আমিই দাবি জানাচ্ছি যে, ছাত্রলীগের সকল নেতাকর্মীকে চাকরি দিতে হবে।
বাহ! মহান স্যার! আবেগে চোখে পানি চলে আসলো ...
অধ্যাপক আবদুল আজিজ বলেন, আমি ছাত্রলীগের এক নেতাকে নিয়ে এক মন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলাম চাকরির জন্য। কিন্তু ওই ছাত্রলীগ নেতার সব কয়টিতে ‘থার্ড ক্লাস’ থাকায় মন্ত্রী চাকরি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তখন আমি ওই ছাত্রলীগ নেতার জামা খুলে তার গায়ে থাকা ক্ষতচিহ্ন দেখাতে বলি।
তিনি বলেন, ছাত্রলীগের নেতাদের রেজাল্টের প্রয়োজন নেই। তাদের গায়ে থাকা ক্ষতচিহ্নই তাদের বড় যোগ্যতা। তাদের আর কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন নেই।
হা হা হা। ছাত্রলীগের ছেলেদের যে কি অবস্থা সেটা এইভাবে না দেখালেও চলতো। গাধারা তো সারা বছর গুন্ডামি আর মেয়েদের টিজ করে বেড়ায়, পড়া লেখা করবে কখন? আর মাথায় যে টুকু ঘিলু ছিল সেটা ব্যাবহার করেছে ইউনিভার্সিটির অধ্যাপককে ধরে চাকরী খোঁজার চেষ্টায়। তাতেও ফেল। গর্দভ কোথাকার। মাইরও খাইলি, পরীক্ষায় ডাব্বা মেরে থার্ড ক্লাসও পাইলি আবার অধ্যাপকের সুপারিশ সত্ত্বেও চাকরী পাইলি না - তুই তো আসলেই মানুষ না, ছাত্রলীগ! একটা শক্ত পোক্ত গাছ দেখে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়। তোরে দিয়ে এর চাইতে বেশী কিছু আর হবে না।
তবে এখানে এটাও বোঝা গেল যে আওয়ামী লীগ কি পরিমাণ দুই নাম্বারি করছে। আমাদের মতো সাধারন মানুষেরা ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষককে দেশের সবচেয়ে শিক্ষিত লোকদের একজন বলে মনে করি। তারা আমাদের কাছে জ্ঞানে, গুনে, চরিত্রে আদর্শের প্রতীক। সেই অধ্যাপকই যদি একটা তৃতীয় শ্রেণীর ছেলেকে চাকরী দেয়ার জন্য মন্ত্রীর কাছে যেতে পারে তাহলে সেই অধ্যাপক কোন শ্রেণীর সেটা বুঝতে খুব বেশী কষ্ট হওয়ার কথা না।
আর সেই অধ্যাপক কোন দলের সাপোর্টার?
আচ্ছা শুধু খারাপই বললাম। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসাদুজ্জামান নূর। তাঁর বক্তব্যে আসাদুজ্জামান নূর বলেন,
"অবশ্যই ছাত্রলীগের প্রত্যেকে চাকরি পাবে। তবে তা হতে হবে মেধার জোরে।"
“কারো অনুকম্পা বা করুণার জোরে নয়। কারণ ছাত্রলীগ কারো করুণা বা অনুকম্পার পাত্র নয়।”
ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের সামনে ত্যাগের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিভিন্নভাবে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা কি সেসব ভুলে গেছি?
“শেখ হাসিনা যদি প্রতি মুহূর্তে প্রাণ সংশয়ের মধ্যে থেকে গণতন্ত্রের জন্য, দেশের উন্নয়নের জন্য, গরিব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য প্রতিনিয়ত ত্যাগ স্বীকার করতে পারেন- তাহলে আমরা পারব না কেন?”
আসাদুজ্জামান নূরের কথা কি থার্ড ক্লাসদের মাথায় ঢুকবে?
জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন।
"মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" - আওয়ামী ব্যবসার বস্তু না।
‘ছাত্রলীগকর্মীদের চাকরি পেতে রেজাল্ট প্রয়োজন নেই’
©somewhere in net ltd.