| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আদরের সন্তান
আমি হেটে হেটে পথ ছেড়ে কত পথ ধরেছি। আর পেছনে তাকিয়ে দেখি কত শত ভূল যে করেছি।
ভাই যারা হাম্বালীগ সমর্থন করে তারা কখনও হেফাজতকে পছন্দ করবে না । কারন হাম্বালীগ হচ্ছে পুরুটাই নাস্তিক । আর হেফাজত হচ্ছে নাস্তিকদের চরম শত্রু ।
আমি তাদের বলতে চাই আরে মিয়ারা যে হেফাজতের বিরুধিতা আজ তুমি করতেছ । তুমি কি একবার খবর নিয়ে দেখেছ যে, এখানে আছে বাংলাদেশের সমস্ত হক্কানী পীর, আলেম-উলামার একচ্ছত্র সমর্থন । তারা কি তোমার চাইতে ধর্মকি কম বুঝে । মতিঝিলের এত মানুষের মধ্যে অন্তত একজনও কি হকের পথে নেই । যদি নাই হয় তাহলে ধরে নিতে হবে বাংলাদেশে কোন সঠিক ইসলাম নেই । কারন মতিঝিলের বেশির ভাগই ছিল মাদ্রাসার ছাত্র এবং যারা কালো রাজনীতিকে বিশ্বাস করে না ।
তাদেরকে বলতে চাই খুজ নিয়ে দেখেন আপনি যার পিছনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন বলে দাবি করেন সেও হেফাজতের পক্ষে । তাহলে তো আপনার নামাজ হচ্ছে না । কারন জানামতে কোন বন্ড ইমামের পেছনে নামাজ পড়লে নামাজ হবে না । আপনাকে যে বিয়ের খুৎবা পড়িয়েছে সেও দেখেন হেফাজতের পক্ষে তাহলে তো আপনার বিয়ে সঠিক হয় নি । যদি হেফাজত এতই খারাপ হয়ে থাকে ।
আমি খোজ নিয়ে দেখেছি এখানে (ইন্টারনেটে)অনেকেই মুখে ধর্মের কথা বলে থাকে । যাদের কথা শুনলে মনে হয় আসলেই হয়তো সে ধর্মের বিষয়ে অনেক জানেন । কিন্তু প্রকৃত পক্ষে তারা হচ্ছেন ধর্মের বিষয়ে বলদ । উস্তাদ ছাড়া বিদ্যা হয় না কথাটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথিল যোগ্য হলেও ইসলাম ধর্মের বিষয়ে একেবারে সত্য । উস্তাদ ছাড়া সঠিক ইসলামকে জানা একেবারেই অসম্ভব ।
হেফাজতের নেতৃস্থানীয়রা হচ্ছে কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক । আপনাদের বলতে চাই আপনি কতটুকু জানেন কওমী মাদ্রাসা সম্পর্কে । এদের পড়ার রুটিম মানা আপনাদের ছেলের পক্ষে কখনই সম্ভব না(যারা বাংলা/ইংরেজী মাধ্যমে এ+ পেয়ে থাকেন) তাদের মধ্যে থেকে দুই একজন বাদে । এরা ফজরের নামাজ শেষ করে কুরআন নিয়ে বসে সকাল ১০.৩০ পর্যন্ত তারপর একটু ঘুমায় যখন ১২.৩০ বাজে তখন জুহর নামাজের প্রস্তুতি নেয় । নামাজ শেষ করে খাওয়া দাওয়া করে একটানা আসরের পূর্ব পর্যন্ত আবার কোরআন পড়তে থাকে । আসর থেকে মাগরিব অবকাশ দেওয়া হয় । মাগরিব শেষ হলেই আবার শুরু হয় পড়া একটানা চলে ইশার পযন্ত । নামাজ শেষ করে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আবার সেই পড়া রাত ১০.৩০ পর্যন্ত । তার পর ঘুম । এবার একটু খেয়াল করে দেখুন কত কষ্ট করে তারা ইসলামকে শিখছে । আপনি কি তাদের চাইতে বেশী জানেন ইসলাম সম্পর্কে । বাংলাদেশের প্রত্যেকটি কওমী মাদ্রাসা হেফাজতের পক্ষে জীবন দিতেও কার্পন্য করবে না । তাদের শিখার বিষয় কিন্তু একটিই আর তা হচ্ছে প্রান প্রীয় আল্লাহ ও তার রাসুলদের সম্পর্কে জানা ও তাদেরকে সঠিক ভাবে অনুসরন করার পদ্ধতি শিক্ষা করা । অনেকেই এদেরকে মূর্খ ও অশিক্ষিত বলে থাকেন । আমার মতে এরা যদি মূর্খ হয় তাহলে মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, হুমায়ুন আহম্মদ, কাজী নজরুল ইসলাম, রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর, নিউটন, স্টিফেন্স ডব্লিউ হকিন্স প্রমুখ এরাও মূর্খ । কারন এরা পৃথিবীর সবদিক সম্পর্কেই ভাল জানে না । একটা ভাল জানে তো অন্যটিতে সে একেবারেই কাচা । কেউ সাহিত্যে শেষ্ঠ কিন্তু প্রযুক্তিতে ম-মার্ক । আবার কেউ প্রযুক্তিতে শ্রেষ্ঠ কিন্তু সাহিত্যে ম-মার্কা । ঠিক তেমনী কওমীর ছাত্র শিক্ষকরা ইসলাম সম্পর্কে অনেক অনেক শ্রেষ্ঠ তাই অন্যান্য বিষয়ে তারা নাও জানতে পাড়ে । মহাবিশ্ব সম্পর্কে হকিন্সকে পিছনে ফেলতে চাইলে যে নিতান্তই একটা হাসির উদ্রেক হবে ঠিক তেমনী ইসলাম নিয়ে কওমী ছাত্রদের ও এর শিক্ষকদের চাইতে বেশী বুঝতে গেলে বা বুঝাতে গেলে ১০০ বছর যাবৎ পাগল হয়ে থাকা মানুষের মতই মনে হবেই বৈকি আর কিছু নয় ।
ধরেই নিলাম হেফাজত সরকার হওয়ার জন্যই এই আন্দোলনকে সাজিয়েছে । কিন্তু তাদের ১৩ দফা দাবি তো আর সরকার হওয়ার জন্য না । এই দাবি গুলোর সবগুলোই ইসলাম প্রিয় মানুষের প্রানের দাবী । যেটা বাংলাদেশে প্রায় বিলিন হয়ে গেছে । যারা হেফাজতের নেতৃত্তে আছে তাদের মুখে সবসময় শুরু আল্লাহ ও রাসুল থাকে অন্য কিছুই না । যারা হেফাজতের বিরুদ্ধে কথা বলেন আমি হলফ করে বলতে পারি তারা কখনও হক্কানী আলেম-উলামাদের সোহবতে ২ ঘন্টা সময়ও পার করেন নাই । ইন্টারনেট অথবা লাইব্রেরী থেকে দুই একটা বই নিয়ে নিজে পড়েই সেজেছেন ইসলামী স্কলার । অথবা লেকচার শুনেছেন কোন ভ্রষ্ট স্কলারের । তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই যদি আপনি মুসলমান হয়ে থাকেন সঠিক ইসলাম সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিদিন কম করে হলেও ২ ঘন্টা সময় হক্কানী আলেমদের সহচর্যে মুক্তভাবে থাকুন । দেখবেন মন এমনিতেই ইসলামের দিকে ফিরে আসবে । জানতে ইচ্ছা করবে ইসলামকে, আদর্শকে গড়তে ইচ্ছা করবে ইসলামী আদর্শে, অপছন্দ হবে সকল প্রকার বেহায়াপনাকে, ঘৃনা জন্মাবে সবল অপরাধের প্রতি, আকর্ষন কমতে থাকবে দুনিয়ার প্রতি আরো অনেক কিছু ।
২|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:০৫
বাঙ্গাল৭১ বলেছেন: আপনি শিক্ষিত হইয়া যদি অর্ধ শিক্ষিতের নের্তৃত্বে চলতে চান কার কি বলার থাকবে।
আপনার যুক্তি শোনার টাইম নাই । হেফাজেতর দাবীমত বাংলাদেশ হবে না ।
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:০৭
আদরের সন্তান বলেছেন: আপনি শিক্ষিত হইয়া যদি অর্ধ শিক্ষিতের নের্তৃত্বে চলতে চান কার কি বলার থাকবে।
মানলাম আপনার কথা ঠিক কিন্তু তাই বলে বাংলাদেশকে যেমন আফগানিস্তান কাম্য নয় ঠিক তেমনি আবার উলঙ্গ/পতিতা যুক্তরাষ্ট্র/যুক্তরাজ্যওতো কাম্য নয় তাই নয় কি ।
৩|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:০৭
আশফাক সুমন বলেছেন: ভাই আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত নী ।
আওয়ামী লীগের অনেক ভোটার হেফাজতে ঈস লামের SUPPORTER ।
" কেউ সাহিত্যে শেষ্ঠ কিন্তু প্রযুক্তিতে ম-মার্ক । আবার কেউ প্রযুক্তিতে শ্রেষ্ঠ কিন্তু সাহিত্যে ম-মার্কা । ঠিক তেমনী কওমীর ছাত্র শিক্ষকরা ইসলাম সম্পর্কে অনেক অনেক শ্রেষ্ঠ তাই অন্যান্য বিষয়ে তারা নাও জানতে পাড়ে । মহাবিশ্ব সম্পর্কে হকিন্সকে পিছনে ফেলতে চাইলে যে নিতান্তই একটা হাসির উদ্রেক হবে ঠিক তেমনী ইসলাম নিয়ে কওমী ছাত্রদের ও এর শিক্ষকদের চাইতে বেশী বুঝতে গেলে বা বুঝাতে গেলে ১০০ বছর যাবৎ পাগল হয়ে থাকা মানুষের মতই মনে হবেই বৈকি আর কিছু নয় ।"----- ভালো লিখেছেন
আল্লাহ আপনা র ভালো করুন
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:১০
আদরের সন্তান বলেছেন: দোয়া করবেন ভাই । আল্লাহ আপনার ও ভালো করুন ।
৪|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:১৬
দুর্বার বলেছেন: মুসলিম দের ঈমান অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে এখন তার আরেক প্রমান এই হেফাজতে ইসলামের লং মার্চের পরবর্তী বিরোধীতা। নিজেরা তো পারবেই না বরং অন্য কেউ করলে বাশ দিতেও ভুলেনা, বাঙ্গালী বীরেরা!!!
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:১৭
আদরের সন্তান বলেছেন: এক্কেবারে খাটি কথা বলেছেন ভাই ।
৫|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:৪৭
মোঃ এনামুল কবীর বলেছেন: পোস্ট টি স্টিকি করা হউক। সবার পড়া ও বুঝা উচিত। যদিও এটা কখনও সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:০১
লিঙ্কনহুসাইন বলেছেন: শুধু হাম্বা কেন আপনারা তোঁ পুরা দেশটাই নাস্তিক ঘোষণা করে দিয়েছেন , প্রথমে কিছু ব্লগার নাস্তিক ঘোষণা করা হলো ঠিক আছে মেনে নিলাম , কিন্তু তার পর শাহবাগের সব নাস্তিক , তার পর সব ব্লগার নাস্তিক , তার পর আওয়ামীলীগের সব নাস্তিক , তার পর সমাবেশ করে ঘোষণা দিলেন বাংলাদেশ একটি নাস্তিক রাষ্ট্র , তার মানে কি আপনিও নাস্তিক , আপনাদের সাইদি বাবাও নাস্তিক