নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঋণাত্মক সুমন

গতকাল আমি নিজেকে চালাক ভেবেছিলাম, তাই পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছিলাম। আর আজ আমি নিজেকে জ্ঞানী ভাবছি, তাই সবার আগে নিজেকে পরিবর্তন করতে চেষ্টা করছি।

ঋণাত্মক সুমন › বিস্তারিত পোস্টঃ

চীনের বিস্ময়কর অগ্রযাত্রার রহস্য

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৫০

দুই যুগ আগেও চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের একজন সাধারণ নাগরিক গাড়ি কেনার স্বপ্ন দেখার সাহস পেতেন না। অথচ তারও আগে থেকে ঢাকা শহরের রাস্তাঘাটে প্রাইভেট কারের ছড়াছড়ি। অবস্থাপন্ন থেকে শুরু করে মধ্যবিত্তের অনেকেরই নিজস্ব গাড়ি ছিল, এখনও আছে। বাংলাদেশের দৃশ্যপটের তুলনায় চীনের দৃশ্যপট ছিল একেবারে বিপরীতমুখী। সেখানে রাস্তাঘাটে কদাচ প্রাইভেট কার দেখা যেত। সিংহভাগ মানুষই সাইকেলে যাতায়াত করতেন। হাতে গোনা মানুষ প্রাইভেট গাড়িতে চড়তেন। আর এখন শুধু বেইজিং নয়, পুরো চীনের দৃশ্যপট বদলে গেছে। সেখানে এখন গাড়ির ছড়াছড়ি। এমনকি একজন কৃষকও গাড়িতে চড়ে বেড়ান। অন্যদিকে আমাদের কৃষকদের নিজস্ব গাড়িতে চড়ার বিষয়টি স্বপ্নের চেয়েও অবাস্তব। একটা সময় চীনের কৃষকদের কাছেও নিজস্ব গাড়িতে চড়ার বিষয়টি এমন ছিল। আমাদের কৃষকদের স্বপ্ন, স্বপ্নের মধ্যে থেকে গেলেও চীনের কৃষকরা বাস্তবে গাড়ি নিয়ে চলাফেরা করছেন। এখন চীনের যে কোন গ্রামে গেলেই দেখা যাবে তারা দামী গাড়ি হাঁকিয়ে চলছেন। অনেকটা ইউরোপÑআমেরিকার কৃষকদের মতো। যেসব দেশে গ্রামের মানুষ শহরের সব সুযোগÑসুবিধা নিয়ে ডুপ্লেক্স বাড়িতে বসবাস করেন। একাধিক গাড়িতে চড়ে বেড়ান। চীনের কৃষকরাও এখন তাদের মতোই জীবনযাপন করছেন। চীনের এই দৃশ্যপট বদলে যেতে শুরু করে ১৯৮৮ সালে যখন একজন চাইনিজ পন্ডিত দুইটি গাড়ি কেনেন, যার একটি আমেরিকার তৈরি। এ ঘটনা তখন চীনের অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে গণ্য হয়। বলা যায়, ঘটনাটি ছিল ধীরে ধীরে চীনের অর্থনীতির ফুলেফেঁপে ওঠা ফোঁড়ার মুখের মতো। তাদের অর্থনীতি এখন এতটাই স্ফীত যে, তার উত্তাপ এখন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। সুপারসনিক গতিতে তাদের অর্থনীতি এগিয়ে চলেছে।



চীনের এই পরিবর্তন তাৎক্ষণিক বা হঠাৎ নয়। এর পেছনে রয়েছে দূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও তার কার্যকর বাস্তবায়ন। যে আইএমএফকে চীন ঝেটিয়ে বিদায় করেছে, সেই আইএমএফএর হিসেবেই চীন এখন বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শক্তিধর দেশ। তাদের হিসেবে এ বছর চীনের ন্যূনতম জিডিপি ৭.২৯৮ ট্রিলিয়ন ডলার এবং মাথাপিছু আয় ৫৪১৩ মার্কিন ডলার। ফলে আগামী বিশ্বে চীনই যে অর্থনীতির মূল নিয়ন্ত্রক দেশ হতে চলেছে, তাতে সন্দেহ নেই। তাদের অগ্রযাত্রা অকল্পনীয় গতিতে এগিয়ে চলেছে। চীনের এই পরিবর্তন সূচিত হয়েছে দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচির সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থেকে। যদিও ১৩০ কোটি জনসংখ্যার দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে বা সংস্কারের বিষয়টি সহজ ছিল না। তারপরও চীনের আজকের অবস্থানে আসার মূল কারণ দারিদ্র্য বিমোচনে যথাযথ পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম। নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের পথ নিজেরাই তৈরি করেছে। ‘তারা কী চায় এবং কীভাবে তা অর্জন করতে হবে’ এই লক্ষ্যে অবিচল থেকে পরিকল্পনা অনুযায়ী বিগত তিন দশক ধরে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। যার ফলাফল আজ তারা পাচ্ছে।



সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল চীন গিয়ে তাদের বিস্ময়কর অগ্রগতি ও কর্মপন্থা দেখে অভিভূত হন। চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সংস্কারের চাবিকাঠি ও পরিকল্পনার কথা শুনে বিস্মিত হন। অবগত হন কিভাবে তারা বিশ্বের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে চলেছে। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ৮ সদস্যের এই দলটি ২৭ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চীন সফর করে। তাদের এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল ‘চীনের দারিদ্র্য বিমোচন ও সংস্কার কার্যক্রম’ বিষয়ে পারস্পরিক মতামত বিনিময় করা। দারিদ্র্য বিমোচনে চীনের বিস্ময়কর অগ্রগতির কথা তাদের জানান ফ্যান জিদা, যিনি একজন অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ এবং ন্যাশনাল স্কুল অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সদস্য।

প্রতিনিধি দলের বিস্মিত ও অভিভূত হওয়ার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। যে চীনকে এক সময় ‘বিশ্ব গ্রাম’ হিসেবে অভিহিত করা হতো, সেই চীনে এখন প্রতিদিন ৮০টি গ্রাম শহরে পরিণত হচ্ছে, বা শহরের সাথে মিশে যাচ্ছে । এর মূল কারণ চীনের ৬৫০টি শহরের উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত সাধিত হচ্ছে এবং প্রসার ঘটছে। এর কার্যকর প্রতিক্রিয়া আশপাশের গ্রামগুলোতেও বিস্তৃতি লাভ করছে। গ্রামগুলোতেও নগরের সুযোগÑসুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে। শহরগুলোর এই বিস্ময়কর অগ্রগতিতে চীনের ১৩০ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৯৬ কোটি শহুরে মানুষে পরিণত হয়েছে। তারা এখন আর চিরায়ত গ্রামের কৃষক নন, নগরের বাসিন্দা। ফ্যান জিদা জানিয়েছেন, চীনের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির ফলে নগরায়নের হার বৃদ্ধি পেয়েছে শতকরা ৫১ ভাগ। তাদের উন্নয়ন সংস্কার, শিল্পায়ন এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্র অনুযায়ী যেসব গ্রাম নগরে পরিণত হচ্ছে, সেসব গ্রামের মানুষদের শ্রেণীভিত্তিক কর্মসংস্থানে দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য শহরগুলোতে বিভিন্ন স্পেশাল ট্রেনিং প্রোগ্রামের আয়োজন করা হচ্ছে। ফলে একজন কৃষক যিনি হালচাষ করতেন, তিনি একজন দক্ষ টেকনিশিয়ানে পরিণত হচ্ছেন এবং শহরে বসবাসের উপযোগী হয়ে উঠছেন। চীনের এখন লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে ৭০ ভাগ জনসাধারণকে নগরায়নের আওতায় নিয়ে আসা। ফ্যান জিদা জানান, এই দ্রুত নগরায়নের পরও ৪০ কোটি মানুষ নগরায়নের বাইরে থেকে যাবে। কারণ জনসংখ্যার ক্রমাগত বৃদ্ধি। তিনি জানান, ১৯৪৯ সালেও একই সংখ্যক মানুষ গ্রামে বসবাস করতেন।



চীনের বিস্ময়কর এই অগ্রযাত্রার সূচনা হয় যখন তারা সমাজতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করে পুঁজিবাদ ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দিকে মনোযোগী হন। এর সূচনা হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। তার আগে ১৯৪৯ সাল থেকে দেশটি পরিচালিত হয়ে আসছিল সোভিয়েত রাশিয়ার শাসন ব্যবস্থার আদলে। যেখানে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নেয়া হতো কেন্দ্র থেকে। বেসরকারি উদ্যোগ বা পুঁজিবাদের প্রচলন ছিল না। সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হতো কেন্দ্রীয়ভাবে। ১৯৬০ সালে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নেতা মাও সে তুং ক্ষমতায় এসেই দেশকে আধুনিক ও সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই শিল্পায়নের ওপর জোর দেন। তার এই পদক্ষেপকে আখ্যা দেয়া হয় ‘গ্রেট লিপ ফরওয়ার্ড’।তিনি বিদেশী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাপক আকারে প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ শিথিল করেন এবং বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করেন। ফলে ব্যাপক হারে বিদেশি বিনিয়োগ আসতে শুরু করে এবং ভারি শিল্পে বিনিয়োগ শুরু হয়। এতে আলাদাভাবে ‘স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ গড়ে তুলতে হয়। এটি প্রথম শুরু হয় শেনজেন প্রদেশে। তারপর অন্যান্য শহরে ছড়িয়ে পড়ে। বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি সরকারি নিয়ন্ত্রাণাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করে সেগুলোকে পশ্চিমা ম্যানেজমেন্ট অনুযায়ী পরিচালনা শুরু হয়। যেসব প্রতিষ্ঠান অলাভজনক সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। অবশ্য তার এই পদক্ষেপে চীনে একটি মিশ্র অর্থনীতির উদ্ভব হয়। এ ধারা অব্যাহত থাকে ১৯৭৬ সালে তার মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত। তার মৃত্যুর সাথে সাথে মাও সে তুং-এর সাংস্কৃতিক বিপ্লবেরও অবসান ঘটে। পরবর্তীতে নতুন চিন্তা ও সংস্কার নিয়ে নেতৃত্বে আসেন দেং জিয়াও পিং। তিনি চীনের জনগণকে বোঝাতে সক্ষম হন ‘সমাজতন্ত্র মানে দারিদ্র্য নয়’।কৃষি বিপ্লব ভেঙ্গে দিয়ে আরও বেশি উৎপাদনের লক্ষ্যে সরকারি খামার জমিগুলো ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দেন। ফলে তার প্রণীত নীতি ও সংস্কার অনুযায়ী চীনের ভিত্তিমূল হয়ে দাঁড়ায় বাজার অর্থনীতি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। যা পুঁজিবাদের রাষ্ট্রের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে পরিগণিত হয়। এতে যে চীনের জনগণ একটা সময় কষ্টকর ও দরিদ্র জীবনযাপন করতো, তারা এখন বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত এবং আধুনিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। চীনের নিজস্ব দারিদ্র্যের সংজ্ঞা অনুযায়ী ১৯৭৮ সালে যেখানে ২৫ কোটি মানুষ গরিব ছিল, এখন এই সংখ্যা মাত্র এক কোটি। বর্তমানে চীন তাদের দারিদ্র্যের সংজ্ঞা পরিবর্তন করেছে। তাদের নতুন এই সংজ্ঞায় একজনের দৈনিক আয় হতে হবে ন্যূনতম এক ডলার। এই সংজ্ঞা অনুযায়ী বর্তমানে চীনে ১২ কোটি দরিদ্র মানুষ রয়েছে। অন্যদিকে চীনের জরিপকারী সংস্থা হুরুন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে চীনে বিলিয়নিয়রের (মার্কিন ডলারে) সংখ্যা ২৫১, যা ২০০৯ সালে ছিল ১৩০।

(যাদের বার্ষিক গড় আয় ১৭ হাজার মার্কিন ডলার) ২০১১ সালে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সংখ্যা ছিল ১০ কোটি।



শুধু শিল্প প্রতিষ্ঠানই নয়, পর্যটনও চীনের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। পর্যটনের দিক থেকে দেশটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। গত বছর প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি বিদেশি পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণে আসেন । তাদের অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। ছুটি পেলেই মানুষ দেশ ঘুরতে বের হন। ২০১২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা ছিল ৭৪ কোটি। আর জাপানের পরই চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিলাসবহুল দ্রব্যের গ্রাহকের দেশ।



চীনে দেং জিয়াও পিং-এর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচনার পর আইএমএফ-এর হিসাব অনুযায়ী বিনিয়োগ এবং রফতানি শতভাগের বেশি বৃদ্ধি এবং সবচেয়ে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। আইএমএফ-এর হিসাবে ২০০১ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত চীনের বার্ষিক জিডিপি গড়ে শতকরা ১০.৫ ভাগ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গড়ে ৯.৫ হারে বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। তাদের প্রবৃদ্ধি জি-৭ অন্তর্ভুক্ত সবগুলো দেশের প্রবৃদ্ধির সমষ্টির সমান। গ্লোবাল গ্রোথ জেনারেটরস-এর সূচক অনুযায়ী ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনের সবচেয়ে বেশি থ্রি জি গ্রোথ রেট ছিল। তাদের জিডিপিতে প্রাইমারী, সেকেন্ডারী ও টারসিয়ারি শিল্প কারখানার অবদান যথাক্রমে শতকরা ১০.৬, ৪৬.৮ এবং ৪২.৬ ভাগ। অর্থাৎ চীনের এখন মূল অর্থনীতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে সেখানে ৩ কোটি বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।



চীনের এই যে বিপুল-বিশাল অগ্রগতি, তার পেছনে প্রাথমিকভাবে কাজ করেছে তাদের স্বল্পমূল্যে পণ্য উৎপাদন নীতি। এটা তারা সম্ভব করেছে স্বল্প শ্রমমূল্য, যথাযথ অবকাঠামো নির্মাণ, স্বল্পমূল্যে অধিক উৎপাদন সর্বোপরি অনুকূল সরকারি নীতি। এরফলে তারা চাহিদার চেয়েও বেশি পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। এজন্য তাদের প্রধান ব্যবসায়িক পার্টনার যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাপানের কাছ থেকে তিরস্কৃত হতে হলেও তারা নীতিতে অটল থেকেছে। তাদের এই দৃঢ় অর্থনৈতিক সংস্কার ও নীতির কারণেই চীনকে বলা হচ্ছে আগামী বিশ্বে অর্থনীতির সুপার পাওয়ার। চীন এখন বিশ্বের এক নম্বর পণ্য রফতানিকারক দেশ এবং দুই নম্বর পণ্য আমদানিকারক দেশ। এছাড়া অন্যতম পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদনকারী দেশ এবং বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেনাবাহিনীর দেশ। বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ হিসেবে যে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত বিশ্ব শাসন করে চলেছে, সেই যুক্তরাষ্ট্রও অর্থনৈতিক মন্দা কাটাতে চীন থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রকেও এখন চীনের কাছে হাত পাততে হচ্ছে। এসব কিছু বিবেচনায়, চীন যে অচিরেই বিশ্ব শাসন করতে শুরু করবে, তাতে সন্দেহ নেই।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:৫৮

এম এম ইসলাম বলেছেন: আহারে আমরাও যদি পারতাম।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৮

ঋণাত্মক সুমন বলেছেন: এই হতাশাটা হতাশাই রয়ে গেল

২| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৩৪

ঢাকাবাসী বলেছেন: দরকার ছিল একটা ভাল নেতা। না ঐসব দেশনেতা বা জননেতা টাইপ না, খাটি দেশপ্রেমিক নেতা, যা আমরা গত ৪২ বছরে পাইনি আর পাবোওনা।

৩| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০০

ঋণাত্মক সুমন বলেছেন: ঠিক ই বলেছেন :(

৪| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১০

নাজির বলেছেন: +

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৩৫

ঋণাত্মক সুমন বলেছেন: :)

৫| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০০

পলাতক আসামী বলেছেন: কিছুই করার নাই। এরা এক রক্তের মানুষ। আর আমরা হইলাম সঙ্কর জাঁত। ওরাই পারবে র আমরা তাকায়া দেখব।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৩৭

ঋণাত্মক সুমন বলেছেন: তবুও সপ্ন দেখি ভাই 8-|

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.