নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঋণাত্মক সুমন

গতকাল আমি নিজেকে চালাক ভেবেছিলাম, তাই পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছিলাম। আর আজ আমি নিজেকে জ্ঞানী ভাবছি, তাই সবার আগে নিজেকে পরিবর্তন করতে চেষ্টা করছি।

ঋণাত্মক সুমন › বিস্তারিত পোস্টঃ

মমতার কাছে ফাইলবন্দি তিস্তা প্রতিবেদন !!!!

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:১০

তিস্তা নদী নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গঠিত কমিশনের প্রতিবেদন জমা পড়লেও তা নিয়ে আলোচনা না করে ফাইলবন্দি করে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনার মধ্যে গত বছর এক সদস্যের এই কমিশন গঠন করা হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সূত্রগুলো জানায়, পানি বিশেষজ্ঞ কল্যাণ রুদ্র গত বছর ডিসেম্বরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে 'প্রাথমিক' প্রতিবেদন জমা দেন। মমতা এ বিষয়ে কোনো কথা তো বলছেন না, প্রতিবেদনটি হাতে পাওয়ার কথাই স্বীকার করছেন না; প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু নিয়ে গণমাধ্যম বা কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা দূরের কথা।



তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিতে মমতার অনিচ্ছা প্রকাশ পেলেও কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে এই চুক্তি সই করতে আগ্রহী।

এদিকে কল্যাণ রুদ্রও গণমাধ্যমের সামনে আসছেন না। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে তিনি 'একটি কথাও উচ্চারণ করবেন না'।

তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, তিস্তা নিয়ে রুদ্রর পর্যবেক্ষণে মুখ্যমন্ত্রী খুশি হননি।

কেন্দ্রীয় পানি কমিশনের কাছ থেকে তিস্তার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য না পাওয়ায় একটি 'পূর্ণ প্রতিবেদন' দাখিল করতে না পারলেও পশ্চিমবঙ্গ সেচ বিভাগসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিজের পর্যবেক্ষণগুলো তুলে ধরেছেন রুদ্র।

রুদ্রের উদ্ধৃতি দিয়ে খবরে বলা হচ্ছে, তিস্তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে নদীর স্বভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে হবে।



রুদ্র কমিটি মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছে, গজলডোবায় তিস্তার ওপর বাধ থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত ৭২ কিলোমিটারের মধ্যে নদী তীরে আছে জলপাইগুড়ি ও হলদিবাড়ির মতো শহর। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের বাস সেখানে।

বাংলাদেশকে পানি না দিয়ে গজলডোবা ব্যারাজ থেকেই যদি সেচের জন্য পানি সরিয়ে ফেলা হয়, তা হলে এ রাজ্যেরও ১৫ লাখ বাসিন্দার জীবনেও প্রতিকূল প্রভাব পড়বে।

তবে মনে হচ্ছে রুদ্রর প্রস্তাব মমতার ভাল লাগেনি। গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে তিনি রুদ্রকে এ বিষয়ে চুপ থাকতে বলেছেন।

এদিকে সূত্রগুলো বলছে, পূর্ণ প্রতিবেদন না পাওয়ায় মমতা অখুশি। পানি কমিশনের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য চেয়েও তা না পাওয়ায় রুদ্রর পক্ষে সম্পূর্ণ প্রতিবেদন দেয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কোনো তথ্যও চায়নি। তবে অন্যান্য পানি বিশেষজ্ঞদের মতো রুদ্রও তিস্তায় স্বাভাবিক পানি প্রবাহের পক্ষে অবস্থান ব্যক্ত করায় তা মমতার অবস্থানের সঙ্গে মেলেনি।

চুক্তির খসড়া তৈরির কাজে থাকা ভারত সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও কল্যাণ রুদ্রের মতোই নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখার পক্ষে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মমতা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়া তার রাজ্যের জন্য একটা আর্থিক প্যাকেজ আদায় করতে চান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে। সেজন্যই এটাকে তিস্তা চুক্তিকে দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন

আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশিদ দুদিনের প্রস্তাবিত সফরে ঢাকায় আসার কথা থাকলেও তিস্তা নিয়ে মমতার সঙ্গে তার বৈঠক এখনো হয়নি।

তবে ভারত সরকার সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে স্থল সীমানা চুক্তি পাশ করানোর বিষয়ে মোটামুটি আত্মবিশ্বাসী। এজন্য সরকার প্রধান বিরোধী দল বিজেপি ও বামদের সমর্থন পেতে চাইছে।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৩৩

অতুল মিত্র বলেছেন:
তিস্তা বলতে শুধু বাংলাদেশ বা পশ্চিমবং বুঝি না । বাংলা বুঝি। দেখা যাক কথাকার জল কোথায় গড়ায়। মমতা আসলে ধুরন্দর পাবলিক ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.