| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে দেশে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রয়াত প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ সংশোধন করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনি সাবেক এ প্রেসিডেন্টকে দেশের ‘সবচেয়ে বড় শত্রু ’ বলেও আখ্যা দেন।
সেলিম বলেন, ‘সংবিধানের ১২ ও ৩৮ অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করে জামায়াত-বিএনপিকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন জিয়াউর রহমান। রাষ্ট্র, জাতি, এদেশের গণতন্ত্র ও সংবিধানকে কেউ যদি ধ্বংস করে থাকে তাহলে তা করেছে জিয়াউর রহমান। সে দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু ।’
সংবিধান সংশোধনে আওয়ামী লীগের ইচ্ছার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ’৭২ এর সংবিধানে ফিরে যেতে চাই। আমরা মুক্তিযোদ্ধার চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করতে চাই। আমরা সামরিক গণতন্ত্রকে ডাস্টবিনে ফেলে দিতে চাই। এটা জনগণের ইচ্ছা।’
Click This Link
শেখ সেলিম জিয়াকে দেশের শত্রু বলেন কিন্তু তিনি নিজে বেয়াই বানিয়েছেন কুখ্যাত কুখ্যাত রাজাকার মুসা বিন শমসেরকে। আর শেখ সেলিমের মামাতো বোন শেখ হাসিনা তার মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন স্বাধীনতা বিরোধী মোশাররফের ছেলের সাথে। তাছাড়া শেখ সাহেব নিজে রাজাকারদের পুনর্বাসন ও ক্ষমা করেছেন।
১৯৭২-৭৫ সালে নাম মাত্র এ দেশীয় যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি হলেও তাদের অনেকেই ঐ মুজিব সরকারের সময়ই ছাড়া পায়। তাদের অনেক কে বলা হয় এবার দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত হও।
নিজেরা যুদ্ধাপরাধীদের সাথে আত্মীয়তা করবেন, তাদের সাথে একসাথে আন্দোলন করবেন , তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন আবার মতের অমিল হলেই বিচারের দাবি করবেন, জিয়াকে দেশের প্রধান শত্রু বলবেন-এমন স্ববিরোধী আচরণ কেন ?
২|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩১
সুধাসদন বলেছেন: শেখ হাসিনার বেয়াই মোশাররফ হোসেন শেখ মুজিবের ছেলেদের ভয়ে নাগরিকত্ব হারিয়ে আমেরিকা পালিয়ে জীবন বাঁচান। গত টার্মে আওয়ামী মন্ত্রী ছিলেন মরহুম ফায়েজুল হক, তিনি শেরে বাংলা এ, কে, ফজলূল হকের ছেলে, তিনিও নাগরিকত্ব হারিয়ে শেখের আমলে পালিয়ে ছিলেন। প্রেসিডেন্ট আবদুর রহমান বিশ্বাসকে আওয়ামীরা কতবার কুর্নিশ করেছেন রাষ্ট্রপতি হিসেবে। হুমায়ন খান পন্নি সংসদের স্পীকার ছিলেন আওয়ামী আঁতেলেরা মহামান্য স্পীকার বলতে বলতে গলার পানি কতবার শুকিয়েছেন ইয়ত্বা নাই।
গোলাম আজমের দোয়া নেবার জন্যে শেখ হাসিনা বদরুল হায়দারকে, খালেদা জিয়া আবদুর রহমান বিশ্বাসকে পাঠান তার বাড়ীতে। হাসিনা, খালেদা নির্ঘাত জানতেন গোলাম আজমের যতই বিরোধীতা করিনা কেন তিনি একবার যাকে দোয়া করেন তাকে আর পিছনে তাকাতে হয়না। গোলাম আজম সেদিন আবদুর রহমান বিশ্বাসের মাথায় হাত দিয়ে দোয়া দিয়েছিলেন, ফলে তারপরদিনই বিশ্বাস বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হয়ে যান। এখানে দোয়া দানকারীও শেখের গোস্বায় দেশে আসতে পারেননি, নাগরিকত্বও হারান। তবে প্রয়োজনে হাসিনা দোয়ার কাঙ্গাল হোন। আওয়ামী ধর্মমন্ত্রী নুরুল ইসলাম নামকরা রাজাকার ছিলেন, শেখ সেলিমের বেয়াই মুসা বিন শমসের নামকরা রাজাকার আরো প্রচুর রাজাকার আওয়ামীলীগকে জ্বলজলায়মান করেছেন।
৩|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৯
চিরসবুজ-মানব বলেছেন: মূখ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৈলাম বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্ধু!
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৫
নিউজকাস্টার বলেছেন: তাই তো দেখছি !
৪|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৩
অয়ন আরেফিন বলেছেন: বাহ্ বেশ মজা তো! এই ব্লগে রাজাকাররা তো বেশ জাঁকিয়ে বসেছে!
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৪
নিউজকাস্টার বলেছেন: আপনি কি শেখ সেলিম আর শেখ হাসিনার কথা বলছেন ? তারা না- তাদের বেয়াইরা রাজাকার ছিলেন ।
৫|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২১
শাখাওয়াত সামীম বলেছেন: দয়া করে আপনারা হাটেঁ হাড়িঁ ভাঙ্গবেননা....................কারো পেটে লাত্থি মারবেন না।
৬|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৬
হরিসূধন বলেছেন:
বিডিআর বিদ্রোহের প্রবাদ পুরুষ জনাব শেখ সেলিমের দেশপ্রেম নিয়া প্রশ্ন করা ঠিক হইবো না। ঝাতি তা মেনে নিবে না। সাকা এবং সেলিম নাকি ঘনিষ্ট বন্ধু? কেম্নে কি?
৭|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪০
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: ফেনীকূল শিরোমনি জয়নাল হাজারী ই হৈল প্রকৃত দেশপ্রেমিক।
৮|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩০
সোহেল মাহমুদ বলেছেন: প্রকৃত দেশপ্রেমিক মীরজাফর জিয়াকে এমন বলে সেল্লা এটা উচিত করে নাই।
৯|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫০
অলস ছেলে বলেছেন: দেশের বন্ধু কে? সব ছালারা সাদা দালাল
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২২
সাধারণমানুষ বলেছেন: বুঝলাম জিয়া দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু ছিল।শেখ সেলিম নিজে কি ?? সে তো এখন বর্তমান (মারা যায় নাই বা শহীদ হয় নাই ) ..