| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রক্তাক্ত হাত , ভঙ্গুর হৃদয় আর অশ্রুসিক্ত নয়নে, উদ্দেশ্যহীনভাবে নাফ নদীর উপর ভাসছি, ভাসতে ভাসতে মনে পড়ল কিছু কথা , যখন আমেরিকা তেলের জন্য ১০
লক্ষ
ইরাকীকে হত্যা করে তখন
সন্ত্রাসবাদ
হয় না।
যখন সার্বিয়ানরা কসোভো/ বসনিয়ার
নারীদের ধর্ষণ করে নিপিড়ন
চালায়
তখন সন্ত্রাসবাদ হয় না।
যখন রাশিয়ানরা দুই লক্ষ
চেচনিয়ানদের বোমা মেড়ে ছাঁই করে
তখন সন্ত্রাসবাদ হয় না।
যখন ইহুদিরা ফিলিস্থিনীদের
নিজ
ভূমি থেকে বিতাড়িত করে তখন
সন্ত্রাসবাদ হয় না।
যখন আমেরিকা আফগানিস্তান ও
পাকিস্তানের অসংখ্য
পরিবারকে ড্রোন
দিয়ে পুঁড়িয়ে মারে তখন
সন্ত্রাসবাদ
হয় না।
যখন ইসরাইল নিঁখোজ দুই সৈন্যের
অজুঁহাতে দশ হাজার
লেবানিজকে হত্যা করে তখন
সন্ত্রাসবাদ হয় না।
যখন মধ্য আফ্রিকার
বাঙ্গুইয়ে দশ হাজার
সংখ্যালঘুকে হত্যা করা হয় তখন
সন্ত্রাসবাদ হয় না।
যখন সংখ্যাগুরু শৃলঙ্কানদের
হাতে সংখ্যালঘুদের
হত্যা করা হয় তখন সন্ত্রাসবাদ হয় না।
যখন ঝিনঝিয়াংয়ে রাষ্ট্রীয়
নির্দেশে উইঘুর অধিবাসীদের হত্যা করা হয় তখন সন্ত্রাসবাদ হয় না। যখন রোহিঙ্গারা নিজ
ভূমিতে বার্মিজ
সেনাবাহিনীর হাতে মারা যায়
তখন
সন্ত্রাসবাদ হয় না।
সন্ত্রাসবাদ তখনই হয় যখন এসব
অত্যাচার-নিপিড়নের
বিরোধীতা করা হয় আর
যে বিরোধীতা করতে উদ্যত হয়,তাকে বানানো হয় সন্ত্রাসী।আমরা মুসলমানরা সন্ত্রাসী,জঙ্গী, তাই (সূচি)আমাদের লাশের ওপর দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবেন,সন্ত্রাসবাদ দূর করবেন ।তার বদৌলতে আরও ১টি নোবেল পাবেন।কারন যুগে যুগে তাদেরই নোবেল প্রাইজ দেওয়া হয় যারা পৃথিবীতে অত্যাচার,নির্যাতনের নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করেছেন ।।।। undefined
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫৫
শূণ্য পুরাণ বলেছেন: মুনসলমানের মানবাধিকার নেই।লেখা ভাল লেগেছে, তবে গদ্য না কবিতা বুঝতে পারলাম না।