| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
sb]জাতিসংঘে বাংলাদেশ : নির্বাচনের প্রেক্ষাপট !
জাতীয় নির্বাচনের পর আমারা এখন জাতিসংঘে সকলের দৃষ্টি আর্কষন করতে যাচ্ছি,
তবে আমরা জাতীয় নির্বাচনে সফলতা না পেলে এই সুযোগ সৃষ্টি হতোনা ।
আগামী জুন মাসে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
হবে বাংলাদেশের সঙ্গে সাইপ্রাসের।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম
অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচনের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মনোনীত করেছেন।
১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের
তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। চার দশক পূর্বে বাংলাদেশ এই পদটি অলংকৃত করেছিলো ।
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত ওই পদে নির্বাচনের জন্য শেষ মুহূর্তে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিল ফিলিস্তিন।
তবে বাংলাদেশ দৃশ্যপটে আসার পর সভাপতি পদে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে ফিলিস্তিন।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলার সময় বাংলাদেশ নির্বাচনে থাকছে কিনা,
এ নিয়ে অস্পষ্টতা তৈরি হয়।
কিন্ত বর্তমান প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক নির্বাচনে আসার জন্য বাংলাদেশকে বারবার অনুরোধ জানিয়েছে।
২০২৬-২৭ মেয়াদে নির্বাচনে বাংলাদেশ প্রায় চার বছর আগেই ওই পদে প্রার্থিতার ঘোষণা করেছিল।
যদি ইসরাঈল বড় ধরনের বাধা না দেয় তবে, আমেরিকা ও মুসলিম দেশের সমর্থনে বাংলাদেশ
অনায়াসে জিতে যাবে, আর এই প্রতিদ্বন্ধিতায় ড. খলিলুর রহমান রেসের ঘোড়া এক ধাপ সবার থেকে
এগিয়ে আছেন ।

জাতিসংঘের ইতিহাস কি বলে :-
১৯৪১ সালের ১২ জুন যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ইউনিয়ন এবং বেলজিয়াম, চেকোস্লোভাকিয়া, গ্রীস, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড এবং যুগোস্লাভিয়ার নির্বাসিত সরকারের প্রতিনিধিরা এবং ফ্রান্সের জেনারেল ডি গলের একজন প্রতিনিধি লন্ডনে মিলিত হন। তারা যুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থার জন্য একটি দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেন ও সেন্ট জেমস প্যালেসের ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।এটাই ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ।
১৯৪২ সালের "জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র" রুজভেল্ট, চার্চিল এবং রুজভেল্টের সহযোগী হ্যারি হপকিন্স কর্তৃক ২৯ ডিসেম্বর ১৯৪১ তারিখে হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় খসড়া করা হয়েছিল। এতে সোভিয়েত পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, কিন্তু ফ্রান্সের কোনও ভূমিকা ছিল না। "জাতিসংঘ" শব্দটির প্রথম আনুষ্ঠানিক ব্যবহার ছিল ১-২ জানুয়ারী ১৯৪২ সালে যখন ২৬টি সরকার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে। আটলান্টিক সনদের একটি বড় পরিবর্তন ছিল ধর্মীয় স্বাধীনতার বিধান সংযোজন, যা রুজভেল্ট জোর দেওয়ার পর স্ট্যালিন অনুমোদন করেছিলেন। বিগ থ্রি কর্তৃক চূড়ান্ত করা পাঠ্যের সাথে সাথে, চীনাদের স্বাক্ষর করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, এবং তারপরে অন্যান্য মিত্রশক্তি। ১৯৪৫ সালের প্রথম দিকে এটি আরও ২১টি রাষ্ট্র দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের ইউনিয়ন, চীন, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, কোস্টারিকা, কিউবা, চেকোস্লোভাকিয়া, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, এল সালভাদর, গ্রীস, গুয়াতেমালা, হাইতি, হন্ডুরাস, ভারত, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নিকারাগুয়া, নরওয়ে, পানামা, পোল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুগোস্লাভিয়া কর্তৃক একটি যৌথ ঘোষণাপত্র।
১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইয়াল্টা সম্মেলনে , রুজভেল্ট, চার্চিল এবং স্ট্যালিন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোতে সম্মত হন । স্ট্যালিন ভেটো দেওয়ার উপর জোর দেন এবং এফডিআর অবশেষে সম্মত হয়; এইভাবে লীগ অফ নেশনসের মারাত্মক দুর্বলতা এড়ানোর ব্যবস্হা নেয়া হয় ।
(জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. খলিলুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে ।জুন মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে
সাধারণ পরিষদের (পিজিএ) সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য এই সভাপতিত্বের দায়িত্ব
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক গোষ্ঠীর উপর ন্যস্ত করা হয়েছে।)
সাধারণ পরিষদের প্রথম সভা লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার মেথোডিস্ট সেন্ট্রাল হলে ১০ জানুয়ারী ১৯৪৬ সালে
অনুষ্ঠিত হয় ।নিরাপত্তা পরিষদ এক সপ্তাহ পরে ওয়েস্টমিনস্টারের চার্চ হাউসে প্রথমবারের মতো বৈঠক করে ।
লীগ অফ নেশনস আনুষ্ঠানিকভাবে ১৮ এপ্রিল ১৯৪৬ সালে নিজেদের বিলুপ্ত করে এবং তার মিশন জাতিসংঘে স্থানান্তর করে।
২|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২৮
রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:০৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: খলিলুর রহমান সবচেয়ে মজায় আছে।