| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
...নিপুণ কথন...
সময়ের সাথে দৌঁড়ে পারিনা, জীবনের দৌঁড়েও পিছিয়ে আমি!খুঁজে ফিরি আপন মানুষ, মাঝে মাঝে হই বেহুঁশ...হৃদয়ে অবিরাম স্বপ্ন গাঁথন, বলব আজ নিপুণ-কথন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Dr S. Jaishankar কথা বলছেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ অন্য বিশাল ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের মন্ত্রীরা একাগ্রচিত্তে শুনছেন।
হ্যাঁ, অস্বীকার করার উপায় নেই। বর্তমানে বিশ্বে ভারতের অবস্থান এমনই। সামরিক দিক দিয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহৎ পরাশক্তি ভারত অর্থনৈতিক দিক দিয়ে শীঘ্রই জাপানকে টপকে তৃতীয় হবে।
এক সময় আমদানি নির্ভর ভারত এখন সামরিক সরঞ্জাম, সামরিক বিমান, ক্ষেপনাস্ত্র, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইত্যাদি নিজেরা বানিয়ে সারাবিশ্বে রপ্তানি করে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়া ও ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে গুজরাটে আম্বানির পরিশোধনাগারে পরিশোধিত করে তা বিশ্বের কাছে বিক্রি করে বাড়তি মুনাফা লাভ করে। সেখানে তেল পরিশোধিত করতে আগ্রহী জ্বালানি সংকটে পড়া আমেরিকা এখন ভারতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।
ভারতের এক হাতে রাশিয়া তো অন্য হাতে আমেরিকা। এশিয়ায় আমেরিকার সবচেয়ে কাছের মিত্র ভারত। আবার ভারত চীনকে ম্যানেজ করে পুতিনকে দিয়ে৷ ইরান ও আফগানিস্তানকে দিয়ে ভারত চাপে রাখে চিরশত্রু পাকিস্তানকে। রাশিয়ার সাথে বন্ধুত্ব বজায় রেখেই ভারত তাকে বলছে ইউক্রেনের উপর হামলা বন্ধ করতে! আবার ডিপস্টেটের ডলারখেকো ঘরের তেলাপোকাদের খচর-মচরকেও বারবার দক্ষ হাতে দমন করছে।
শ্রীলঙ্কা ও নেপালে ডিপস্টেট সাময়িক সাফল্য পেলেও দেশ দুটি আবার ভারতের বন্ধুত্বকে বরণ করে নিয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের আগে-পরে বাংলাদেশে বারবার মুখে মুখে ভারত বয়কট করার কথা বলা হলেও, সেভেন সিস্টার্স আলাদা করা ও দিল্লী দখলের হুংকার ছাড়ার পরেও কার্যত এখনও ভারত থেকেই মূল রসদগুলো আনতে হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় সফরে জাপানে গেলে, এই ভারতের মাধ্যমেই বাংলাদেশের উন্নয়নের পরিকল্পনার কথা খোদ জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলছেন। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তো সেই কবেই বলে দিয়েছেন, বাংলাদেশ বিষয়ে ভারত যা বলবে, তাই সই!
মূলত ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকদের ভোটই ট্রাম্পকে দ্বিতীয়বার ঐ চেয়ারে বসিয়েছে। ট্রাম্পও কৃতজ্ঞচিত্তে Narendra Modi কে ডেকে নিয়ে রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনা জানিয়েছেন আমেরিকায়। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এর স্ত্রী একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং আর,এস,এস পরিবারের সদস্য। মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান (CIA প্রধান) হিসেবে তিনি নিয়োগ দিয়েছিলেন ইসকন সদস্য ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা Tulsi Gabbard কে। FBI এর প্রধান এখনও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্যাশ প্যাটেল।
অর্থাৎ ভারতকে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। বরং ভারতই বৈশ্বিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু এখন। রাজা শশাংক বা রামচন্দ্র বা সেই আদি পৌরাণিক যুগের পর এতটা শক্তিশালী ভারত আর দেখা গেছে কি?
লেখাটা বাস্তবতার প্রেক্ষিতে লেখা। প্রতিবেশী ভালো করলে ভালো লাগে। যে প্রতিবেশীরা আমাদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে জীবন দিয়েছে, তাদের উন্নতি দেখলে ভালো লাগাটাই উচিত। বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ যারা, তারা এমন প্রতিবেশীর সাথে অকারণে ঝামেলায় না জড়িয়ে মিলিতভাবে উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে সামনে এগিয়ে যায়। আমাদেরও উচিত তাই করা। একাত্তরের শত্রুর চেয়ে সবদিক দিয়ে এগিয়ে থেকেও তাদের সাথে একসাথে ভিক্ষার থালা নিয়ে বসার মানে হয় না। তবু কিছু ভারতবিরোধী পাকি বীজ তো থাকবেই। এই পোস্ট তারাও দেখবে। তাদের প্রতি অনুরোধ, ভালো না লাগলে এড়িয়ে চলুন। গালাগালি দিলে খুঁজে বের করে আজ বা কাল ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধন্যবাদ। দেব দুলাল গুহ
#devdulalguho #IndianPolitics #indian #China #russia #Bangladesh #nepal #ukrainian #Vladimir_Putin #DonaldTrump #NarendraModi #jaishankar #InternationalNews #international #InternationalBusiness #internationaleducation #InternationalRelations
©somewhere in net ltd.