নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নীরবপাঠক

খুব সাধারণ একজন মানুষ।ছবি তুলতে ভালোবাসি।

নীরবপাঠক › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার পাসপোর্ট বিড়ম্বনা ও একজন কর্তব্য পরায়ণ অফিসার এর সাথে দেখা

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:৪৬

প্রায় ২ বসর আগের ঘটন,আমার ছোট ভাইয়ের

পাসপোর্ট জমা দিলাম embassy তে

তারা বলল MRP passport করতে হবে,সুতরাং দৌড় দিলাম আগারগাও।সেখান থেকে বলল আঞ্চলিক অফিস এ জমা দিতে। তো যেহেতু শুধু MRP করব তাই একটি ফর্ম জমা দেয়ার নিয়ম।১ টা ফর্ম পুরন করে অফিেস এসে নিচে জমা দিলাম, ভেরিফাই করার জন্য ।তারা বলল ২ তলায় অন্য অফিসার (সম্ভবত তিনি ই অই অফিস এর হেড) এর কাছে।তিনি বললেন একটি ফর্ম এ হবে না, দুটি ফর্ম লাগবে।কিন্তু ২ টি ফর্ম দিলে বাসায় আবার পুলিশ ভেরিফিেকশন আসবে।তাহলে পাসপোর্ট পেতে অনেক দেরি হবে।তাই তার রুম থেকে বেরিয়ে পাশের রুম এ আর্মি অফিসার এর কাছে বল্লাম।তিনি তার কথা বলে আবার ফর্ম জমা দিতে বল্লেন।জমা দিতে গেলে তিনি(পাসপোর্ট অফিসার) আমাকে বলে বেশি পাকনা হয়ে গেছ, অভিযোগ কর!তোমার পাসপোর্ট পেতে দেরি হবে।তাই আমি আবার আর্মি অফিসার কে খুলে বল্লাম।উনি আমাকে ফর্ম জমা দিতে মানা করলেন এবং পরদিন সকাল ৮ টায় আগারগাও এ জেতে বল্লেন।ত উনি গাড়িতে করে ভিতরে ঢুকলেন গার্ড কে ইশারা দিয়ে আমাদের কে ভিতরে যেতে বল্লেন।কিন্ত দারোয়ান আমাদের কে ঢুকতে দিবে না।কারন আর্মি স্যার নাকি উনার সালাম এর উত্তর নিসেন, ইশারা করেন নি।পরে অফিসার নিজে আমাদের ভিতরে প্রবেশ করান।আগারগাও অফিস এর আর্মি প্রধান এর সাথে আমাদের সমসা নিয়ে আলচনা করেন ও আগারগাও থেকে আমাদের পাসপোর্ট নিজ দায়ীতে করে দেন।সেখানেও কিছু ঝামেলা হয়েছিল। কারন টাকা জমার রাসিদ সিল রেজিওনাল অফিস এর। অবশেষে ১০-১২ দিন পর পাসপোর্ট হাতে পাই।আর্মি অফিসার ছিলেন lieutenant colonel পদ মর্যাদার।

অই স্যার এর কারনে আমাদের কাজঅনেক সহজ হয়েছিল।

এই হল আমার ছোট্ট অভিজ্ঞতা।সংক্ষেপে বর্ণনা করলাম।কিসু ভুল করলে বা লিখলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন)।পরে সম্ভবত ঐ পাসপোর্ট অফিসার এর বিরুদ্ধে আর্মি স্যার রিপোর্টও করেছিলেন।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.