| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নিষ্কর্মা
সততি লিখলেই মাইনাছ আর বেশী সততি লিখলে মডু স্ট্যাটাস নাবায়া দেয়!
হা হা হা, 'বাল' বা মহাজোট-পন্হীরা পইড়েন না। এতে মানহানি বোধ করলে আর কেউ দায়ী হবে না।
ব্যর্থ নেতৃত্বের উজ্জল দৃষ্টান্ত এই জাসদ। এককালের দেশদ্রোহীরা এখন ক্ষমতার অংশীদারও বটে ... 'বিম্পি'-র মত 'বাল'-ও একই পথে হাঁটতেছে।
জাসদ হলো টাউটামি-ভন্ডামীর আরেক নাম। এরা রাজনৈতিক লাম্পট্য কায়েম করেছিল এ দেশে, যা সংক্রামিত হয়েছে সবার ভেতরেই আজ। রিপোর্টে আরেক টাউট আনোয়ার হোসেনের নাম দেয় নাই কেন?
[ পুরা খবর: Click This Link ]
এই বিষয়ে আমার আগের লেখাটার লিংক দিলাম [ Click This Link ]
নির্বাচিত অংশ:
স্বাধীনতাপরবর্তী সরকারের ফ্যাসিবাদী আচরণ, হত্যা, দলন, নিপীড়ন, নির্যাতন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম করতে গিয়ে রক্ষীবাহিনী, লালবাহিনী ও প্রাইভেট বাহিনীর হাতে নিহত প্রায় ২৫ হাজার জাসদ ও গণবাহিনী নেতাকর্মীর কথা তুলে ধরা হয়েছিল জাসদ প্রকাশিত ‘প্রেরণার মুখ’ শীর্ষক প্রকাশনায়।
৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জাসদ আজ নয়া অপশাসনের পার্টনার, ক্ষমতার হালুয়া-রুটির ভাগীদার।
মশাল ছেড়ে নৌকায় উঠেছেন সেই গণবাহিনীর রাজনৈতিক প্রধান হাসানুল হক ইনু। স্তুতি করছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের। সাফাই গাইছেন বাহাত্তরের সংবিধানের।
দলের অপর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আসম আবদুর রব বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ঐকমত্যের সরকারের মন্ত্রিত্ব কবুল করেছিলেন।
বহুধাবিভক্ত জাসদ-বাসদের অন্যতম রূপকার সিরাজুল আলম খান নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন।
শাজাহান সিরাজ গেছেন বিএনপিতে।
আততায়ীর হাতে প্রাণ দিয়েছেন অন্যতম নেতা কাজী আরেফ।
অকালে চলে গেছেন মেজর জলিল ও মমতাজ বেগম।
ক্ষমতালিপ্সায় আদর্শ ও লক্ষচ্যুতি এমন পর্যায়ে অধঃপতিত হতে পারে, তা ভাবতেও পারছেন না অনেকে। অখণ্ডিত জাসদের দিনগুলো ভেসে ওঠে হাজারো নেতাকর্মীর ভাঙা মনে।
নবাবগঞ্জের সিদ্দিক মাস্টার, বরিশালের জাহাঙ্গীর, নরসিংদীর শ্রমিক মুক্তিযোদ্ধা কাদের ও সিরাজ, ঈশ্বরদীর কচি, কুষ্টিয়ার হাবিব, টাঙ্গাইলের জিন্নাহ ও গাইবান্ধার রুস্তমের মতো ২৫ থেকে ৩০ হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মীর হত্যা-নির্যাতনে যাদের হাত রঞ্জিত, তাদের সঙ্গেই ক্ষমতার স্বাদ নেয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
বর্তমানে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট রহমত আলী জাসদ আত্মপ্রকাশের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও তাজউদ্দিন আহমদের চাপে পরদিন বিবৃতি দিয়ে সরে দাঁড়ান।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩০
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ক্ষমতালিপ্সায় আদর্শ ও লক্ষচ্যুতি এমন পর্যায়ে অধঃপতিত হতে পারে, তা ভাবতেও পারছেন না অনেকে। অখণ্ডিত জাসদের দিনগুলো ভেসে ওঠে হাজারো নেতাকর্মীর ভাঙা মনে।
নবাবগঞ্জের সিদ্দিক মাস্টার, বরিশালের জাহাঙ্গীর, নরসিংদীর শ্রমিক মুক্তিযোদ্ধা কাদের ও সিরাজ, ঈশ্বরদীর কচি, কুষ্টিয়ার হাবিব, টাঙ্গাইলের জিন্নাহ ও গাইবান্ধার রুস্তমের মতো ২৫ থেকে ৩০ হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মীর হত্যা-নির্যাতনে যাদের হাত রঞ্জিত, তাদের সঙ্গেই ক্ষমতার স্বাদ নেয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না ত্যাগী নেতাকর্মীরা।