| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
(১)
: একটা দুঃসংবাদ আছে, রহমান সাহেব। আপনার জলাতঙ্ক হয়েছে।
: আমাকে এক টুকরো কাগজ আর একটা কলম দিতে পারেন?
: উইল করবেন বুঝি?
: উহুঁ, কাকে-কাকে কামড়াতে চাই তার একটা লিস্ট বানাব।
(২)
এক লোক মনোরোগ বিশেষজ্ঞের চেম্বারে ঢুকে সোজা টেবিলের নিচে ঢুকে গেল। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ তখনই কিছু না বলে খুব আস্তে ধীরে প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ধরে তাকে বোঝাল, তার মনোরোগ যাচাই করল। অবশেষে লোকটা বের হয়ে এলে তাকে ফি দিতে বলল বিশেষজ্ঞ।
লোকটা তো ফি দিলই না, বরং রেগে গিয়ে বলে উঠল, ‘কিসের ফি? উল্টো আপনি আমার বিল দেন। আমি কাঠমিস্ত্রি। আপনার টেবিল ঠিক করতে এসেছিলাম।’
(৩)
চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
রোগী: আচ্ছা, আমি হাসপাতালে কেন? কীভাবে এখানে এলাম?
চিকিৎসক: সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর আপনাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।
রোগী: কী ঘটেছিল?
চিকিৎসক: ওসব বাদ দেন। আপনার জন্য একটি সুসংবাদ ও একটি দুঃসংবাদ আছে। বলেন কোনটা আগে শুনতে চান?
রোগী: দুঃসংবাদটিই আগে শুনি।
চিকিৎসক: হুম্ম। দুর্ঘটনায় আপনার পা দুটিতে প্রচণ্ড আঘাত লেগেছিল। তাই আপনার দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়েছে।
রোগী: হায়! আর সুসংবাদটি কী?
চিকিৎসক: সুসংবাদটি হলো, পাশের ওয়ার্ডের এক রোগী আপনার স্যান্ডেল জোড়া চড়া দামে কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন। এই অফারে বেচবেন কি না, ভেবে দেখেন। কারণ, এ সুযোগ আর পাবেন না।
(৪)
বাইপাস সার্জারি করতে চিকিৎসকের কাছে এক রোগী এসেছেন।
রোগী চিকিৎসককে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি বাইপাস সার্জারি করালে সফলতার নিশ্চয়তা কত ভাগ দিতে পারবেন?’
চিকিৎসক দরাজ গলায় বললেন, ‘অবশ্যই শতভাগ নিশ্চয়তা দেব আমি।’
রোগী বললেন, ‘কিন্তু শতভাগ দিতে পারবেন—এ ব্যাপারে এত নিশ্চিন্ত হলেন কী করে?’
‘মেডিকেল রেকর্ড বলে, প্রতি ১০০ জনে ৯৯ জন রোগীর চিকিৎসা ব্যর্থ হলে একজন অবশ্যই সফল হবে। এর আগে আমি ৯৯ জন রোগীর চিকিৎসা করেছি। তারা কেউই বাঁচেনি। আর আপনি হচ্ছেন আমার ১০০তম রোগী। সেই হিসাবে বলা যায়, আপনি সুস্থ হবেনই।’—চিকিৎসকের জবাব।
(৫)
রোগী: ডাক্তার, আমি সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকি, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, যখন-তখন রেগে যাই…
ডাক্তার: সমস্যাটা কী?
রোগী: গাধার বাচ্চা! কানে শুনিস না? এইমাত্রই তো বললাম তোকে!
(৬)
ডেন্টিষ্টের চেম্বার।
: ভয়ের কিছু নেই, চট করে আপনার দাঁত তুলে দেব।
: না, না, ডাক্তার সাহেব, আমার ভীষণ ভয় করছে। যন্ত্রণায় আমি মরেই যাব।
: ঠিক আছে, এই নিন। খানিকটা ব্রান্ডি খেয়ে নিন। ব্রান্ডি খাওয়ার পর।
: কি, এখন সাহস বেড়েছে তো?
: নিশ্চয়ই বেড়েছে। এখন দেখি কোন শালা আমার দাঁত তুলতে আসে। হাত লাগাতে আসুক, বাপের নাম ভুলিয়ে দেব। এক ঘুসিতে দাঁত ফেলে দেব।
(৭)
এক ভদ্রলোক চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলছেন—
ভদ্রলোক: আমার সন্তানের জীবন বাঁচানোর জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
চিকিৎসক: এখানে আমি কিছু নই। জীবন বাঁচানোর মালিক সৃষ্টিকর্তা। তার দয়ায় তো সবকিছু হয়।
ভদ্রলোক: হুম, তিনিই তো সবকিছুর মালিক।
চিকিৎসক: ঠিক আছে, আমার ফি-টা এবার পরিশোধ করুন।
ভদ্রলোক: না না ডাক্তার সাহেব, এটা আপনাকে দেব কেন? ফি-টা যাকে দেওয়ার তাকে দেব।
(৮)
ডাক্তার ল্যাব থেকে বেরিয়ে রোগীকে বললেন—‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আপনার ব্রেইন-টিউমার এবং এটি এমন পর্যায়ে আছে যে এখন আর কোনো সার্জারিও সম্ভব নয়। তবে ভালো খবর হলো, আমরা ব্রেইন ট্রান্সপ্লান্টের অনুমোদন পেয়ে গেছি। আমরা চাইলে আপনাকে নতুন ব্রেইন দিতে পারি।’
রোগীটির কপাল ভালো যে, হাসপাতালে কিছুক্ষণ আগেই রোড অ্যাক্সিডেন্টে মারা যাওয়া এক তরুণ দম্পতির লাশ এসেছে।
ডাক্তার বললেন, ‘আপনি ইচ্ছা করলে এক লাখ টাকা দিয়ে পুরুষটির ব্রেইন নিতে পারেন, আর মহিলাটির ব্রেইন নিলে খরচ পড়বে ৩০ হাজার টাকা।’ রোগী জিজ্ঞেস করলেন, দামের এত পার্থক্যের কারণ কী?
ডাক্তার জানালেন, ‘মহিলাটি তাঁর ব্রেইন আগে ব্যবহার করেছেন।’
(৯)
: ডাক্তার সাহেব আমার একটা বাজে রোগ হয়েছে, অন্য মানুষের জিনিসপত্র চুরি করা শুরু করেছি।
: দারুণ ! (চপা স্বরে ) পাশের চেম্বার থেকে ওয়েট মেশিনটা আনতে পারবেন?
(১০)
ডাক্তার : হুম সিগারেট খেয়ে ফুসফুসের যে অবস্থা করেছেন, মাছের ব্যবসায় নামুন।
রোগী : কেন? মাছের ব্যব্সায় কেন?
ডাক্তার : মানে আপনার ফুসফুসে যে কয়েক লাখ ফুটো দেখলাম ওটা মাছ ধরার জাল ছাড়া আর কোনো কাজেই লাগবে না।
(১১)
রোগী : জানেন ডাক্তারবাবু ইচ্ছে নামক জিনিসটাই আমার মন থেকে চলে গেছে।
খেতে ইচ্ছে করে না। কারুর সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করে না। সিনেমা, থিয়েটার, খেলাটেলা কিছুইতে আমার ইচ্ছে নেই।
(ডাক্তারবাবু পরীক্ষা করে প্রেসক্রিপশান লিখে দিলেন। রোগী উঠে পড়ল)
রোগী : চলি ডাক্তারবাবু।
ডাক্তার : কিন্তু আমার ভিজিটটা?
রোগী : তাহলে আমাকে এতক্ষণ ধরে কী একজামিন করলেন? দেখি আপনার ওষুধ খেয়ে, তখন যদি আপনাকে ভিজিট দেবার ইচ্ছেটা হয়, দিয়ে যাব।
(১২)
এক মাড়োয়ারি রোগী ডেন্টিস্টের চেম্বারে ঢুকেই পকেটে হাত ঢুকিয়ে টাকা বের করে । দাঁতের ডাক্তার বিনীতভাবে বলেন ; আজ্ঞে, আগে টাকা দিতে হবে না। আগে দাঁতটা তোলা হোক !
না সেজন্যে নয়, আমাকে অজ্ঞান করার আগে পকেটের টাকাগুলো গুনে রাখছি।
(১৩)
জয়নাল সাহেব কানে কম শোনেন। হেয়ারিং এইড কিনতে তিনি গেলেন দোকানে।
জয়নাল: ভাই, হেয়ারিং এইডের দাম কত?
দোকানদার: পাঁচ টাকা দামের আছে, পাঁচ হাজার টাকা দামেরও আছে।
জয়নাল: আমাকে পাঁচ টাকারটাই দেখান।
দোকানদার জয়নালের কানে একটা প্লাস্টিকের খেলনা হেয়ারিং এইড গুঁজে দিলেন। জয়নাল আশ্চর্য হয়ে বললেন, এটার ভেতর তো কোনো যন্ত্রপাতিই নেই। এটা কাজ করে কীভাবে?
দোকানদার: সত্যি বলতে, এটা কোনো কাজ করে না। তবে আপনার কানে এই জিনিস দেখলে লোকজন এমনিতেই আপনার সঙ্গে প্রয়োজনের চেয়ে উঁচু গলায় কথা বলবে!
(১৪)
মানসিক হাসপাতালের এক রোগী একমনে কী যেন লিখছেন।
চুপি চুপি পেছনে এসে দাঁড়ালেন ডাক্তার। বললেন, কী হে, চিঠি লিখছেন নাকি?
রোগী: হু।
ডাক্তার: কাকে লিখছেন?
রোগী: নিজেকে।
ডাক্তার: বাহ্! ভালো তো। তা কী লিখলেন?
রোগী: আপনি কি পাগল নাকি মশাই? সবে তো চিঠিটা লিখছি। চিঠি পাঠাব, দুদিন বাদে চিঠিটা পাব, খুলে পড়ব। তারপর তো বলতে পারব কী লিখেছি!
(১৫)
একদল বাচ্চা হৈচৈ করে বল খেলছে । আরেকটা বাচ্চা একপাশে একা দাঁড়িয়ে আছে । এক মনোবিজ্ঞানী দেখলেন এই বাচ্চাটা বিষন্নতা আর দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে । মনোবিজ্ঞানী মনে মনে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন এই বাচ্চাকে কাউন্সিলিং-এর মাধ্যমে চিকিৎসা করে রোগমুক্ত করার চেষ্টা করবেন । তিনি কাছে গিয়ে তাকে বললেন- “তুমি আমার বন্ধু হবে ?”
বাচ্চা -“ না । যান ।”
মনোবিজ্ঞানী – “আমার সাথে বন্ধুত্ব করতে তোমার সংকোচ হচ্ছে খোকা ?”
বাচ্চা -“ হ্যাঁ । যান ।”
মনোবিজ্ঞানী – “ আমার মনে হয় তুমি অনেক মনোকষ্টে আছো ।”
বাচ্চা -“ না । যান ।”
মনোবিজ্ঞানী – “ তুমি কিন্তু অন্য বাচ্চাদের সাথে একসঙ্গে দৌড়াদৌড়ি করছো না ।”
বাচ্চা -“ হ্যাঁ । যান ।”
মনোবিজ্ঞানী – “ কেন ?”
বাচ্চা(বিরক্ত হয়ে) -“ আমি গোলকিপার ।”
*******************************
হাজারো সমস্যার মাঝে যদি সকালটা একটু হাসির মধ্যে দিয়ে শুরু হয় তবে মন্দ কি ?
১১ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৮
নমিতা নায়ান বলেছেন: যাক, আমি সার্থক। উদ্দেশ্য ছিল সকাল সকাল নির্মল হাসির একটা সুযোগ তৈরি করব। আপনি হেসেছেন বলেই আমি কৃতার্থ।
ধন্যবাদ আপু ।।
২|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৯:৩১
কাগজের নৌকা (রাসেল হোসেন) বলেছেন: এতো গুলো একসাথে কয়েকটা পড়লাম মুটামুটি লাগলো
খিল খিল করে না হাসলেও হাসতে হয়েছে।
শুভ কামনা
ভালো থাকুন
১১ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:৫০
নমিতা নায়ান বলেছেন: ওই সামান্য হাসিতেও চলবে। সব সময় খিল খিল করে হাসতে নেই।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ
শুভ কামনা
৩|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৭
ইমরাজ কবির মুন বলেছেন:
না হেসে থাকতে পারসি !
১১ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:০৮
নমিতা নায়ান বলেছেন:
![]()
আপনি রোবট
৪|
১৪ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১:৩৩
এহসান সাবির বলেছেন: শুভ হোক নববর্ষ ১৪২১।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৯:১৫
নমিতা নায়ান বলেছেন: শুভ নববর্ষ ১৪২১
![]()
৫|
১৪ ই এপ্রিল, ২০১৪ ভোর ৬:৩৭
ইমিনা বলেছেন: প্রথমটা দারুন লাগছে
।
তবে সবগুলো ই সুন্দর।
নববর্ষের শুভেচ্ছা ।।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৯:১৬
নমিতা নায়ান বলেছেন: ধন্যবাদ
![]()
নববর্ষের শুভেচ্ছা থাকলো আপু
৬|
১৪ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৯:০৮
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: ভালই লেগেছে। আপনি মনে হয় ডাক্তার। বেশিরভাগই তো ডাক্তার রিলেটেড ![]()
৭|
১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ ভোর ৬:২৮
বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: সকালে হাসতে পারি নাই তাতে কি, রাতে তো আর হাসা নিষেধ না, তাই না? হেসে নিলাম প্রাণ খুলে।
ভালো সংগ্রহ। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ ভোর ৬:৫৬
নমিতা নায়ান বলেছেন: হাসাতে পেরেছি শুনিয়া সার্থক লাগছে।
অনেক ধন্যবাদ জানবেন।
নতুন বছরের ২য় দিনে নতুন বছরের শুভেচ্ছা ![]()
৮|
১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১১:৩৪
অদৃশ্য বলেছেন:
পড়ে গেলাম কয়েকটা... প্রথমটাতে বেশ হাসি পাইছে আমার... পরেরগুলোতে পরে এসে হেঁসে যাবখন...
শুভকামনা...
২৬ শে এপ্রিল, ২০১৪ ভোর ৬:৩৮
নমিতা নায়ান বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন অদৃশ্য ভাইয়া। শুভকামনা জানাই ![]()
৯|
২৬ শে এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৭:৩০
ভারসাম্য বলেছেন: আমিও আগে ষ্ট্রাইকার ছিলাম, এখন গোলকীপিং করি। ![]()
+
১০|
২৬ শে এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৮:০২
অঘটনঘটনপটীয়সী বলেছেন:
২৬ শে এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১০:২৩
নমিতা নায়ান বলেছেন:
১১|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:০০
রুদ্র জাহেদ বলেছেন: হেসে নিলাম...নির্মল আনন্দ...
+++
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৯:৩১
নীল জোসনা বলেছেন: সকাল সকাল হেসে নিলাম ।