নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যে কোনো ভূমিকায় সমানে লড়ে যাই, আপনি যেমন চান আমি ঠিক তাই...

নান্দনিক নন্দিনী

লেখালেখি হচ্ছে প্রেমে পড়ার মতন একটা ব্যাপার, কোনো ধরনের কর্তৃত্ব জাহির করা নয়।

নান্দনিক নন্দিনী › বিস্তারিত পোস্টঃ

মনোলৈঙ্গিক পরিচয়

০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৪০



সাপিওসেক্সুয়াল শব্দটা আজকাল বহুল চর্চিত একটা টার্ম। সাপিওসেক্সুয়াল হচ্ছেন সেইসব মানুষ যারা অন্যের প্রতিভা ও বুদ্ধিমত্তার প্রেমে পড়েন। এই যেমন কারো অভিনয় ভালো লাগে, কারো গান, কারো গল্প। আবার ডেমিসেক্সুয়াল বলে আরেকটা টার্ম আছে। খুব সহজ ভাষায় যার মানে দাঁড়ায়, একজন ব্যক্তি যতক্ষন পর্যন্ত তার সঙ্গীর প্রতি না সঙ্গিনীর প্রতি ইমোশোনালী এটাচমেন্ট ফিল না করেন ততক্ষন পর্যন্ত তিনি বা তারা একে অন্যের প্রতি কাম অনুভব করেন না। বিষয়টাতে মনের মুগ্ধতা আগে, পরে শরীরের যোগাযোগ হয়। প্রথমেই একে অন্যকে ভালো করে জেনে বুঝে নেয়া। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব থেকে পরে এসে প্রেম হওয়ার পেছনে এই মানসিকতার রয়েছে বিরাট ভূমিকা। এক্ষেত্রে এমনও হয় অনেকে প্রথমদিকে শুধু ফোনে কথা বলে কিংবা চিঠি লিখে বা ইমেইলে একে অন্যের সাথে মানসিকভাবে এতোটাই ঘনিষ্টজন বা বন্ধুজন হয়ে যান যে তারা যেকোনো মূল্যে একসাথে জীবন কাটানো সিদ্ধান্ত পর্যন্ত নিয়ে নেন।

লিঙ্গ শব্দটা যে শুধু শারীরিক তা নয়, এটা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং মনস্তাত্ত্বিকও বটে। যদিও লিঙ্গ শব্দটা আমাদের মাথায় প্রথম যে ইমেজ আনে সেটা নারী কিংবা পুরুষ হিসেবে পরিচিত। মাঝে মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের কথা আমাদের মনে পড়ে কিংবা পড়েনা। অনেক ক্ষেত্রে মনে পড়লেও মুখে আমরা সেটাকে উহ্য রাখতেই বেশি পছন্দ করি।

লিঙ্গ ধারণার যাথে যৌনতার সম্পর্ক অতোপ্রতোভাবে জড়িত। যৌনতার একমাত্র উদ্দেশ্য বংশ বিস্তার করা নয়। সামাজিকতাও যৌনতার একটি অন্যতম উদ্দেশ্য বটে। মনোলিঙ্গ, জৈবলিঙ্গ বা ক্রোমোজমের উপর নির্ভর করে না। জৈবলিঙ্গটা শরীরের আর মনোলিঙ্গটা আইডেনটিটি, প্রেজেন্টেশন, সেলফ এক্সপ্রেশন, ইন্টারপার্সোনাল সম্পর্ক, সোশিওকালচারাল রোলের উপর নির্ভর করে।

জৈবলৈঙ্গিক পরিচয় বলে যে, মানুষ হবেন নারী অথবা পুরুষ অথবা তৃ্তীয় লিঙ্গের যার বহুল চর্তিত নাম হিজড়া।

মনোলিঙ্গ বা জেন্ডার বলছে যে, মানুষ হতে পারেন সিসজেন্ডার- জৈবলিঙ্গ এবং মনোলিঙ্গের সাথে যাদের কোন বিরোধ নেই।

লিঙ্গাভিমান বলেও একটা টার্ম আছে। সেটা এমন যে, দ্বিতীয় লিঙ্গের কোনো কিছু অনুকরন মানে দাড় করায় প্রথম লিঙ্গের অপমান।

ট্রান্সজেন্ডার- পুরুষের শরীর নিয়ে জন্মে যারা মনে করেন না যে তিনি পুরুষ। আবার নারীর শরীর নিয়ে জন্মেও যিনি মনে করেনা যে তিনি নারী। সমাজে তাদের দূর্ভোগের শেষ নেই। বলা যায়, দেয়ার পেইন ইন দ্যা অ্যাস। অরুন্ধতী রায়’এর দ্যা মিনিস্ট্রি অফ আট মোস্ট হ্যাপিনেস বইয়ের এরকম একটা লাইন আছে, আফতাব যিনি পুরুষের শরীরে নারীর হৃদয় নিয়ে জন্মেছেন। আফতাব নিজেকে আঞ্জুম নামে ডাকে। শারীরিক লৈঙ্গিক পরিচয়ের সাথে যারা আচার-আচরন মিলে না।

ট্রান্সসেক্সচুয়াল বা রূপান্তরকামী। এরা নিজেদের যৌনাঙ্গ পরিবর্তন করে নেন। কেউ হরমোন থেরাপি নিয়ে শারীরিক গঠনে পরিবররতন আনেন। কখনো বা অপারেশনের মাধ্যমেও তা করে থাকেন। মনের পরিচয়টা শরীরে ফুটিয়ে তুলতেই তারা সাধারণত এইসব পদক্ষেপ নিয়ে থাকেন।

ইন্টারসেক্স বা উভয়লিঙ্গ- এরা নারী বা পুরুষ কারো কাতারেই পড়েন না। নারী কিংবা পুরুষের প্রজনন নির্ভর পরিচয় তারা সেটাকে ছাপিয়ে যায়। এদের শরীরে ক্রোমোজমের ধরনে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এদের প্রজনন অঙ্গের গঠনও নারী-পুরুষের প্রজনন অঙ্গের সমন্বিত রূপ। ইন্টেরসেক্স টার্মটা এসেছে গ্রীক মিথে চরিত্র হার্মাফ্লোডিটাস থেকে।

মনোগামী বা এককামী- যারা একজন যৌন সঙ্গীতেই সন্তষ্ট থাকেন। এবং যৌন জীবনে বিশস্ত সঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকেন।

পলিগামী বা বহুকামী- যারা একই সঙ্গে একাধিক যৌন সঙ্গীতে অভ্যস্ত থাকেন তদেরকে পলিগামী বলা হয়।

সর্বকামী বা প্যানজেন্ডার- হল যেকোন দৈহিক যৌনতা বা লিঙ্গ পরিচয়-বিশিষ্ট মানুষের প্রতি এক প্রকার যৌন আকর্ষণ, রোমান্টিক ভালোবাসা বা অবেগীয় আকর্ষণ। সর্বকামী ব্যক্তিগণ নিজেদের লিঙ্গ-অন্ধ হিসেবে নির্দেশ করে থাকেন, যার দ্বারা বোঝানো হয় যে,তারা অন্যদের প্রতি যৌন আকর্ষিত হবে কিনা তা নির্ধারণে লিঙ্গ এবং জৈবিক যৌনতা গুরুত্বহীন বা অপ্রাসঙ্গিক।।

নিষ্কামী বা জেন্ডার-নিউট্রাল হলেন তারা যাদের মধ্যে কোনোরকম কামের বালাই নেই। অর্থাৎ যারা যৌনসম্পর্ক বিষয়ে নিস্পৃহ। এদেরকে এসেক্সুয়ালও বলে।

জেন্ডার কুইয়ার- হচ্ছেন তারা, যারা নিজেদের নারীও মনে করে আবার পুরুষও মনে করে।

প্যানসেক্সুয়াল- এরা যেকোন লিঙ্গের মানুষের সাথে যৌন কার্যকলাপ করে। যৌনতায় শুধুই বিপরীত লিঙ্গের উপর সীমাবদ্ধ নয়।

যৌন ব্যবসায় জড়িত নারীদেরকে বলা হয় পতিতা। কখনো বা কলগার্ল, কিংবা বলা হয় স্কট। এবং পাশ্চাত্যে পুরুষ পতিতাদের বলা হয় ‘গিগোলো’

মিউচুয়াল কনসেন্ট সেক্স বলে পশ্চিমাবিশ্বে টার্ম আছে যাকে এক শব্দে বলা হয় ‘জিগোলো’

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৫৯

বিজন রয় বলেছেন: অনেক কিছু জানা হলো।

০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:০৩

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ!

২| ০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:০৩

আমি সাজিদ বলেছেন: ইউনি শেষ করার পরে বুঝতেসি এই স্যাপিওসেক্সুয়াল একটা ডিমের গোল্লা। নিজেকে আঁতেল দেখানোর জন্য ভাবধরা টার্ম

০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:০৬

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: হা হা হা
তা কিছুটা সত্যি বৈকি। মানুষের তো দেখানোর জন্য কিছু থাকা চাই, তাই আলগা ভাব দেখায় আরকি।

৩| ০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:২৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ইয়ে, আমি তো সংজ্ঞাগুলো মুখস্থ করা শুরু করে দিয়েছিলাম। পরে মনে হলো, না হে, এগুলো পরীক্ষায় আসবে না, আর আমি ছাত্রও না, ছাত্রের বাবা :)

অবাক হলাম, ট্রান্সজেন্ডার, পলিগামী, এরকম কয়েকটা শব্দ ছাড়া বাকি সবই নতুন টার্ম আমার কাছে :(

পোস্টটা বেশ কঠিন লাগলো আমার কাছে

শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ নতুন কিছু জানানোর জন্য

০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:২৬

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: সৌভাগ্যক্রমে আমি একজন শিক্ষক!

ভালো থাকবেন অভিভাবক। প্রার্থনায় রাখবেন।

৪| ০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সুন্দর আলোচনা।

০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৯

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ সাজ্জাদ হোসেন

৫| ০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সৌভাগ্যক্রমে আমি একজন শিক্ষক! পোস্ট পড়তে পড়তে আমার মনে যে প্রশ্নটি বার বার উঠে আসছিল, তা হলো - আপনি কি একজন শিক্ষক? প্রশ্ন না করেই উত্তর পেয়ে যাওয়ায় খুব আনন্দ হচ্ছে।

শুভ কামনা আপনার জন্য।

০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৪০

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ!

৬| ০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৭

ধুঁপছায়া বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট,আনেক কিছুই জানলাম

০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৪১

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ ধুঁপছায়া

৭| ০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৮

কল্পদ্রুম বলেছেন: জেন্ডার কুইয়ারের আর এক নাম কি জেন্ডার ফ্লুইড?যতই দিন যাচ্ছে মানব জাতি লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে তত দোটানায় পড়ছে।কাগজ পত্রে নারী পুরুষ ইন্টারসেক্স তিনটাতে কাজ হচ্ছে না।আরো অপশন রাখতে হবে।না হলে কে আবার অফেন্ডেড হয় ঠিক নেই!আমাদের একজন প্রথম সারির কবির ব্যাপারে জানি।উনি স্মৃতিচারণায় বলছেন যৌবনে টাকার জন্য উনি জিগালো(gigolo) ছিলেন।ঠিক পতিতা নয়।ভাড়াটে প্রেমিক টাইপ।স্যাপিওসেক্সুয়াল নিয়ে 'আমি সাজিদ' ভাইয়ের মন্তব্যটা মজার।আমি ইউনি তে কেন জানি মেয়েদের ভিতরে এইটা লক্ষ্য করেছি। :) পুরুষতান্ত্রিক মতামত হলো কি!
ডেমিসেক্সুয়াল আলাদা টার্ম না দিয়ে এটাই স্বাভাবিক মনে হয় আমার কাছে।ক্যাজুয়াল সেক্সের তোড়ে ডেমিসেক্সুয়াল আলাদা পরিচিতি পেয়েছে।

০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:৩৮

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: জেন্ডার ফ্লুইড- Gender-fluid is a nonbinary gender identity that's not fixed and is capable of changing over time.

ভাড়া করলে আবার প্রেমিক কি, বলতে হবে অনুগত জন। যা বলবে, তাই শুনতে হবে। এটা 'গিগোলো'র দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি।

স্যাপিওসেক্সুয়াল বলে নিজেকে একজন সাম্প্রতিক হার্বাড গ্রাজুয়েট ভাইও দাবী করেন। সাজিদ ভাই তো দেখি নারীবান্ধব মানুষ হিসেবে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।

আর ক্যাজুয়াল সেক্স। সব তো ঐ হাই এবং বাই এর মধ্যবর্তী অন্ধকার!

৮| ০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: হুমায়ূন আজাদ বলেছেনঃ “নারীপুরুষ মেয়েলি বা পুরুষালি গুণ নিয়ে জন্ম নেয় না; জন্মের পরে সমাজসংস্কৃতির চাপে তারা অর্জন করে মনোলৈঙ্গিক ব্যক্তিত্ব”।

০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:৩২

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: সহমত ভাই!

৯| ০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:২৬

মীর আবুল আল হাসিব বলেছেন: পোস্ট প্রিয়তে নিলাম কারন টার্মগুলো নিয়ে একটু গবেষনা করবো। =p~ =p~

নিষ্কামী বা জেন্ডার-নিউট্রালদের জন্য সমবেদনা জানাচ্ছি। :)

জেন্ডার কুইয়ার কারা জানেন? আচ্ছা আপনি টিকটক ভিডিও দেখেন? ওরাই হচ্ছে জেন্ডার কুইয়ার। :P

যখন অনার্স প্রথম বর্ষে ছিলাম তখন গিগোলা (gigolo) হওয়ার শখ জাগছিল :D :D :D :D

সর্বকামী বা প্যানজেন্ডারদের অলরাউন্ডারও বলা যেতে পারে। :( :(

৮০-৯০% বাঙালি মনে মনে পলিগামী। শুধু বউএর ভয়ে কিছু করতে পারেনা। :(( :((

যাই হোক, আমি হইলাম গিয়ে- মনোগামী (এখনো সুযোগ হয়নি মানে প্রেম বিয়ে কোনটা করিনি; তবে করলে এমনটা থাকবো)

সাপিওসেক্সুয়াল বলে যেটা বললেন ওটা কোনদিন ভেবে দেখিনি।

০৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:৩৪

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: শুভকামনা রইলো মীর আবুল আল হাসিব, ভালো থাকবেন।

১০| ০৭ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:২৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: মনোযোগ দিয়ে পড়ে জানা হলো নতুন কিছু

০৭ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:৩৭

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ নেওয়াজ আলি

১১| ০৭ ই জুন, ২০২০ ভোর ৬:২১

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: মনোযোগ দিয়েই পড়লাম।পড়ে বুঝলাম আমার পক্ষে বুঝা সম্ভব না।

০৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ৭:৪৩

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: কি আর করার!
ধন্যবাদ

১২| ০৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ৯:২৮

ইসিয়াক বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।

০৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:৩৬

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ!

১৩| ০৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:১১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: দিন যত গড়াবে ততই নতুন নতুন পরিচিতি সামনে আসবে।

০৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:৩৭

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: তাই নতুনদের একটু জেনে রাখা দরকার

ধন্যবাদ মাইদুল সরকার

১৪| ০৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:০২

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: আমি সিগমুন্ড ফ্রয়েড এর একটা বই পড়েছিলাম! কোন এক সময় তখন কিছু জানতে পারছিলাম! এখন আপনার কাছে নতুন কিছু জানলাম - তবে বেশির ভা্গ টার্মগুলো কি আমাদের দেশের মধ্যে পাওয়া যায় ? জানি না;
-- অবশ্য আমি হিজড়া দেখলে এমনিতেই ভয়ে ওদের টাকা দিয়ে দেই X(

০৭ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪১

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), অনার্সে পড়াকালীন সময়ে আমাদের একটা কোর্সের বেশ বড় অংশ জুড়ে ছিলেন সিগমুন্ড ফ্রয়েড। বড় আরেকটু বেশি পড়াশোনা করতে গিয়ে জেনেছি ফ্রয়েডের লিঙ্গবিদ্বেষ তত্ত্ব কতখানি দুর্বল আর একপেশে। তবে তার ID, Ego, Super Ego টার্মগুলো আমার বেশ পছন্দের।

পথে তৃতীয় লিঙ্গের কারো সাথে সময় পেলে আমি গল্প করি। একজন আছে মাস্টার্স পাশ, তার জন্য তো চাকরিও ঠিক করেছিলাম।
ভয় পাবেন না ভাই, আপনার এই আচরণে নিশ্চয় ওরা মর্মাহত হয়। সহজ করে নিয়ে দেখেন, তারাও সাধারণ সুখ-দুঃখের অধীন।

১৫| ০৭ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:২০

পদ্ম পুকুর বলেছেন: বাপরে, জানার কোনো শেষ নেই।

আচ্ছা, এই যে ট্রান্সসেক্সুয়াল বা ট্রান্সজেন্ডার, এটা তো মানসিক একটা বিষয়, এমন তো নয় যে শারীরিক গঠনগত ভিন্নতা/ত্রুটির কারণে তারা এ রকম। তাহলে মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসার মাধ্যমে কি এটা নিরাময় সম্ভব, নাকি কোনোভাবেই নয়?

আর আরেকটা বিষয়, একটা মানুষের একজনের সাথে বিয়ে হলো, কিন্তু সারাজীবন সে অন্য আরেকজনের প্রতি অনুরক্ত থেকে গেলো, এদের জন্য কোনো টার্ম আছে?

১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১২

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: মাগো এত্ত কিছু! তাই না?

ট্রান্সসেক্সুয়াল বা ট্রান্সজেন্ডার এগুলো জটিল সমীকরণের আওতাধীন। সহজ করে বলা মুশকিল। তবে আপনি এই বিষয়টা অনুধাবন করতে অরুন্ধতী রায়'এর 'দ্য মিনিস্ট্রি অফ আটমোস্ট হ্যাপিনেস' বইটা পড়তে পারেন। অসাধারণ উপন্যাস। একদম মাস্টারপিস। আমি অবশ্য মজা করে বলি, এই বই যারা পড়েননি তাদের সাথে যে আমি কেন কথা বলি! উপন্যাসের ফিমেল লিড ক্যারেক্টর তিলোত্তমা। তিলোত্তমা এবং মুসার প্রেম কবিতার মত।

আপনার জানতে চাওয়া আরেকটা বিষয় নিয়ে বলি, যে মানুষ একজনের সাথে সংসার করে সারাজীবন অন্য আরেকজনের প্রতি অনুরক্ত থাকে সেটাকে কোন টার্মে ফেলা যায় বুঝে উঠতে পারছি না। অবদমনের নামে দ্বিচারিতা! এটার জন্য আপনি একটা চলচ্চিত্র দেখতে পারেন 'পুনশ্চ' সৌমিত্র এবং রূপা গাঙ্গুলি অভিনীত। সিনেমাটা আমি অনেকবার দেখেছি। মানুষের মনের অভ্যস্ততা বিশাল ব্যাপার।

১৬| ০৭ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এতো দেখি রীতিমতো জেন্ডার পিডিয়া !

অনেক কিছু জানা হলো।

++++

০৭ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:০০

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: হা হা হা...
পড়াশোনা কি আমি একাই করবো?
তাই ভাবলাম সবাই মিলে পড়ি!

ধন্যবাদ ভাইয়া।

১৭| ০৭ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:২৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: মানুষের মনের অভ্যস্ততার মত মানুষের মনই একটা বিশাল জটিল বিষয়। হেলাল হাফিজ বলেছেন- 'নিউট্রন বোমা বোঝ/মানুষ বোঝ না!' খুবই সত্যি কথা।

ধন্যবাদ আপনার উত্তরের জন্য।

০৮ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:০০

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: আলফ্রেড নোবেল নিশ্চয় কবিতা ভালোবাসতেন, তারপরও ধ্বংসযজ্ঞে তার অবদান সুদূরপ্রসারী।

মন নিয়ে বেশি নাড়চাড়া না করাই ভালো, তাতে সেটা বিকল হওয়ার আশংকাই বেশি।

১৮| ০৮ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:০৭

নতুন বলেছেন: আমাদের সমাজে ট্রান্সজেন্ডার ট্রান্সসেক্সচুয়াল বা হোমসেক্সুয়ালের প্রতি খুবই খারাপ ধারনা রাখে।

হিজড়াদের সমাজে একঘুয়ে করে রাখার ফল বত`মানে সমাজ দেখছে।

উন্নত দেশে কিন্তু এরা সমস্যা না বরং বেশ ক্রিয়েটিভ কাজে এদের দেখা যায়।

০৮ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:১০

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: নতুন ভাই, এদেশের শিক্ষিত মানুষজনের সাথেও কথা বললে মনে হয় যে; তারা ভাবছেন না বলে এই সমাজে ট্রান্সজেন্ডার ট্রান্সসেক্সচুয়াল বা হোমসেক্সুয়াল মানুষ নেই, ছিলো না। এমনকি হবেও না কোনোদিন।

এদেশে তৃতীয় লিঙ্গের জীবন ভয়াবহ কষ্টের। সমাজের অধিকাংশ তো তাদের মানুষই মনে করে না। জন্ম যাদের আজন্ম পাপ!

ধন্যবাদ ভাইয়া।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.