| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একটু আগে আমার চট্টগ্রামের এক বন্ধুর সাথে ফেসবুকে chat করছিলাম।কুশলাদির পর সে বলল, আজকে নাকি সে চাদে সাইদির মুখাবয়ব দেখেছে নিজ চোখে।আমাদের chat ছিল নিম্নরুপ-
বন্ধুঃ cad e saidi k dke jacce
আমি: mane?
বন্ধুঃ hmm. ami ekn dke asci. japsa dka jai
আমি: ooo
sydi r valo vokto mone hocche?
বন্ধুঃ na. sokale sunci bliv kori ni. ekn nije dklam.
এই ছিল আমার স্কুলফ্রেন্ডের সাথে আমার chat এর কিছু অংশ। আমি অবাক হয়ে যাই...কি পরিমান brainwash খাইলে মানুষ illusion দেখা শুরু করে।আমি খুব ভাল করেই জানতাম, সাইদিই হল তুরুপের তাস...লীগের ও জামাত উভয়ের জন্য।কারন জামাত-শিবির এই ধরনের গুজব-অপপ্রচার চালিয়ে এই দেশের একটা বড় সঙখক মা্নুষের মনে সাইদির মহামানব রুপ দাড় করিয়েছে।এমনকি অনেক খাস লীগ supporter কেও আমি সাইদির গুনগান গাইতে দেখেছি।এই ফাকে আমার পরিচয়টা একটু দিয়ে রাখি।আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি ছাত্রদল শাবিপ্রবি শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য।
![]()
জামাত-শিবিরের অপপ্রচারের আরেক নমুনা দেখলাম তাদের বাশের কেল্লা নামক ফেসবুক পেজে। একটি status দেয়া হয়েছিল এইরকম যে,কুড়িগ্রামে নাকি এক আওমি লীগ নেতা সাইদির অডিও টেপ পদদলিত করেছিল। পরেরদিন সকাল থেকে নাকি তার জবান বন্ধ হয়ে গেসে।দেখেন অবস্থা!
সাইদির মত নিম্নমানের কুরুচিশম্পন্ন বক্তার মাহফিলে এত লোক কিভাবে হত তার একটা ব্যাক্ষা হয়ত চিন্তা করলেই দাড় করাতে পারবেন।আমার এলাকা চাদপুরে দেখতাম, সাইদির মাহফিলে লোক্ সংখা ,হাসিনা বা খালেদা জিয়ার জনসভার থেকেও বড় হত।আমি তার কিছু ওয়াজ এর ভিডিও দেখেছিলাম, কারন আমি শুনেছিলাম তার ওয়াজ শুনে নাকি অনেক বিধরমি ,মুসল্মান হয়েছে।তার চট্টগ্রামের একটা ওয়াজের কথা মনে আছে আমার, যেখানে তার ভাষনের পরে মাইকে ঘোষনা দেয়া হল যে এখন ১০৬ জন শপথ নিবেন কলেমা পরে মুসল্মান হবার জন্য।এখানে আমি ৩ টা বিষয় খেয়াল করলাম-
১।এই মানের ভাষন শুনে মানুষ কিভাবে ধরমান্তিত হতে রাজি হতে পারে, বরং তাদের ত ইসলাম সম্পরকে ভুল ধারনা হওার কথা।
২।যারা শপথ ধরেছে তাদেরকে একবারের জন্যও দেখান হয় নাই।
৩।আমি মাঠের রাজনিতি করি বলে খুব ভাল করেই জানি, ১০৬ জনের সম্মিলিত শব্দের কি তিব্রতা হতে পারে...সেই তিব্রতা আমি সেখানে পাই নাই।
তাই সকল্কে বলছি, সাবধানে থাকবেন আর চোখ কান খোলা রাখবেন।নাহলে কিন্ত এই নব্য রাজাকারদের(ও ইসলামের শত্রু)অপপ্রচারের “মেশিন চলবেই”।
২|
০৩ রা মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:১৬
ইউআরএল বলেছেন: এমতাবস্থায় বিশ্বমানবতার কাছে আমার আকুল আবেদন, চাঁদের বুড়ির ইজ্জত রক্ষার জন্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হউক।....হা হা হা শেষ....
মজা পেলাম....। খানকি শিবির দের চুদে চাদে পাঠিয়ে দে্যা হক
৩|
০৩ রা মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:২১
রাজুবিডি বলেছেন: আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি ছাত্রদল শাবিপ্রবি শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য!!! কিছুটা অবাক হলাম। যাই হোক এই ধরনের ফালতু কথা একমাত্র নেশাগ্রস্থ লোকেরাই বলতে পারে।
০৩ রা মার্চ, ২০১৩ সকাল ১০:০১
নোমান১৯৯২ বলেছেন: কেন ভাইয়া? অবাক হওার কি আছে? আমি বিশ্বাস করি শিবি্র দারা সবচেয়ে খতিগ্রস্থ সংগঠন হল ছাত্রদল। পরিসংখান কিন্তু তাই বলে। তাছাড়া আমার আরেকটা পরিচয় হল আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমি যতটুকু জানি ছাত্রদল এই আন্দলনে সম্প্রিক্ত হতে পারছে না ২ কারনে-
১। এই আন্দোলনের নেত্রিত্ত এমন লোকদের হাতে আছে, যাদের আন্ডারে আসা মানে, ছাত্রদলের সংগঠন হিসেবে হীন্মন্নতায় ভোগা।
২। বিএনপি যতক্ষন না জামাত কে ছাড়ছে , তার আগে ছাত্রদলের এই আন্দোলনে যুক্ত হওা মানে অনেক্টা ঘোড়া ডিঙ্গিয়ে ঘাসখাওার মত।
আমি মনে করিয়ে দিতে চাই, এই ছাত্রদল ই কিন্তু ১৯৯৩ সালে চট্টগ্রামে মহাসমাবেশ করেছিল, জাহানারা ইমামের সমরথনে এবং জামাত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে।
৪|
০৩ রা মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:২৭
লুকার বলেছেন: উনি ভুল দেখেছেন। আসলে তার মেশিনসহ ছবি চাঁদে দেখা যাবে ফাঁসি দেওয়ার পরে, যখন উনি স্বর্গবাসি হবেন। অপেক্ষা করতে বলেন সে কয়দিন।
৫|
০৩ রা মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:১৭
এম হুসাইন বলেছেন: লুকার বলেছেন: উনি ভুল দেখেছেন। আসলে তার মেশিনসহ ছবি চাঁদে দেখা যাবে ফাঁসি দেওয়ার পরে, যখন উনি স্বর্গবাসি হবেন। অপেক্ষা করতে বলেন সে কয়দিন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:০৩
আলী বলেছেন: মেশিনম্যান চুইদীরে চান্দে দেখা গেছে। ছাগু-গেলমানের অনেকেই চাক্ষুষ সাক্ষী। ছাগুরা নিজের চোখে দেখছে। এমতাবস্থায় বিশ্বমানবতার কাছে আমার আকুল আবেদন, চাঁদের বুড়ির ইজ্জত রক্ষার জন্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হউক।
কতটা ফ্রাস্টেটেড হলে তখন মানুষ এইসব করে? সাঈদির ছবি নাকি চাঁদে? আল্লাহ্, চাঁদ থেইকা দড়ি ফালাও, বাইয়া চাঁদে উঠি! আমার তো মনে হয় যাগো চাঁদে যাওয়ার খায়েশ ছিল, তাগো মনডাই নষ্ট হইয়া গেছে। শুনলাম ঘটনা শুইনা এডউইন অলড্রিন ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠেন। মাইকেল কলিন্স তো বজ্রাহত। পুরাই তব্দা লাইগা গেছে। নিল আর্মস্ট্রং-এর কবর থেকেও নাকি গোঙ্গানির মত আওয়াজ শোনা গেছে... কেউ কেউ নাকি নিল আর্মস্ট্রং-এর কবরটি সামান্য নড়ে উঠতেও দেখেছে। ওড়ে... কেউ আমার লাইগা গরম পানির সাথে ট্যাং মিশায়া নিয়া আয়... আরেকটা বিষয়, আজীমপুর কবরস্থান থেইকা কে বা কারা যেন ৫০০০ জ্বিন নাজান ফেরেসতার একটা মিছিল দেখছে! দেইখাই বুইঝা ফেলছে ওইখানে সংখ্যায় ৫০০০ ই ছিল! (চাচা চৌধুরীর মগজ দেখি কম্পুটারের চেয়ে প্রখর!) বুঝতেছিনা, ইদানি খাদ্যভাসে পরিবর্ত আসছে কিনা? এতদিন তো শুধু ফরমালিন মেশাইতো, ইদানিং কী ডাইলও মেশানো শুরু করলো কিনা!
বিশ্বমানবতার কাছে আকুল আবেদন, চাঁদের বুড়িরে রক্ষা করেন