নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না, কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন! [email protected]

নূর আলম হিরণ

ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না, কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন!

নূর আলম হিরণ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমরা ধর্ম আল্লাহ\'র মত করে পালন করিনা, করি আমাদের নিজেদের মত করে!

২২ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯


পবিত্র কোরআন-এ শূকরের মাংস খেতে নিষেধ করা হয়েছে চারটি জায়গায়। কিন্তু দেখুন, আমরা মুসলমানরা এই নির্দেশটি আজ পর্যন্ত অক্ষরে অক্ষরে পালন করে আসছি। পৃথিবীর প্রায় সব মুসলিমকে আপনি চেষ্টা করলেও শূকরের মাংস খাওয়াতে পারবেন না। ভুলক্রমে খেয়ে ফেললেও গলায় আঙুল ঢুকিয়ে বমি করে সেটা বের করে দিতে চাইবে! কিন্তু কেন আল্লাহ্‌র এই নির্দেশ আমরা মুসলিমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে আসছি?

কোরআনে তো আমাদের জন্য আরও অনেক বিধি-নিষেধ আল্লাহ্ দিয়েছেন। সেগুলো কেন আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছি না?

আল্লাহ্ সুবহানাহু তাআলা শুধু গীবত নিষেধ করার জন্যই পুরো একটি সূরা নাজিল করেছেন— “সূরা আল-হুমাযাহ”। আমরা কি সেই নিষেধ মান্য করি?

এছাড়াও জিনা, ব্যভিচার, মিথ্যা কথা বলা, মানুষ হত্যা, ধর্ষণ, ঘুষ, ওজনে কম দেওয়া— এগুলো নিয়েও কঠিন থেকে কঠিন নিষেধাজ্ঞা বহুবার এসেছে। কিন্তু এগুলো কি আমরা শূকরের মাংস হারাম হওয়ার মতো করে অনুসরণ করি? না, করি না। এর কারণ কী?

আসলে আমরা ধর্ম পালন করি অনেক সময় আমাদের সুবিধামতো। যে বিধি-নিষেধগুলো পালন করতে আমাদের শারীরিক কষ্ট হবে, মানসিক কষ্ট হবে কিংবা স্বার্থে আঘাত লাগবে, সেগুলো আমরা মানতে চাই না। আর যেগুলো মানতে এসব সমস্যা সৃষ্টি হয় না, সেগুলো আমরা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলি। যেমন শূকরের মাংস খাওয়ার বিষয়টি— আপনি শূকরের মাংস না খেলেও এর বিকল্প হিসেবে আরও অনেক কিছু খেতে পারেন। তাই এটি মেনে চলা খুব বেশি কঠিন কিছু নয়।

দেখুন, শেষ জামানায় নাকি ঈমান ধরে রাখা এমন কষ্টকর হবে, যেন হাতের তালুতে জ্বলন্ত কয়লার টুকরো ধরে রাখা।

কালেমা পড়া, দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, বছরে ৩০ দিন রোজা রাখা, সামর্থ্য থাকলে জীবনে একবার হজ করা, যাকাত দেওয়ার মতো অর্থ থাকলে যাকাত দেওয়া— এগুলো কি খুব কঠিন কাজ? যে কেউ মন স্থির করলে নিয়মিত এগুলো করতে পারবে।

কিন্তু এবার ভাবুন— মিথ্যা কথা না বলা, সুদ না দেওয়া ও না নেওয়া, ঘুষ না দেওয়া ও না নেওয়া, গীবত না করা, প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা, ওজনে কম না দেওয়া, হত্যা-ধর্ষণ থেকে বিরত থাকা, অহেতুক তর্ক-বিতর্ক না করা— এখন ঈমান ধরে রাখতে কোন কাজগুলোকে জ্বলন্ত কয়লার টুকরো হাতে ধরে রাখার মতো কঠিন মনে হচ্ছে?

আল্লাহ্ সুবহানাহু তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

জুম্মা মোবারক।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: শেষ জামানায় নাকি ঈমান ধরে রাখা এমন কষ্টকর হবে,
যেন হাতের তালুতে জ্বলন্ত কয়লার টুকরো ধরে রাখা।

..............................................................................
আপনি কি মনে করেন আমরা শেষ জামানায় চলে এসছি !

২২ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:০২

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আমি তেমন মনে করি না, আমি শুধু আমাদের ইসলাম ধর্মে যেভাবে আছে সেটা ধরেই বলতে চেয়েছি এই কথাটি।

২| ২২ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ওমর খাইয়াম আপনাকে নিয়ে কবিতা লিখেছেন ।

২২ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:০২

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আমি দেখেছি, আপনাকে ধন্যবাদ।

৩| ২২ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: যথার্থ লিখেছেন।
শিরোনাম ১০০% সঠিক।

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:৩৬

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব নুর।

৪| ২২ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:০১

আহমেদ জী এস বলেছেন: নূর আলম হিরণ,




একদম সঠিক বলেছেন --- আমরা ধর্ম আল্লাহ'র মত করে পালন করিনা, করি আমাদের নিজেদের মত করে!
কারনটিরও যথার্থ ব্যাখ্যা করেছেন।

২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:৩৭

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে প্রিয় ব্লগার।

৫| ২৩ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- পোস্টে প্লাস + রইলো। একেবারে শতভাগ সত্যি কথা হচ্ছে ধর্মকে আমরা আমাদের সুবিধামতো মানার চেষ্টাই করি।

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:১৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

৬| ২৩ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৪১

রাসেল বলেছেন: সবকিছুতেই নিজের সুবিধা মতো ব্যাখ্যা দেই, ফলে নিজের ভুল অপরাধ খুজে পাই না।

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:১৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আসলেই ধর্মের বিধি নিষেধ গুলি পালন করতে গিয়ে আমরা নিজেরা নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা তৈরি করে নিই। এজন্যই দেখবেন কোরআন হাদিসের এত পরিমাণ তাফসীর আছে একটার সাথে আরেকটার অনেক সময় বিপরীত ব্যাখ্যা তৈরি হয়ে যায়।

৭| ২৩ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:১৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:২১

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: বেশিরভাগ মানুষ ধান্ধাবাজ!

৯| ২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:০৩

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: পোস্ট ভালো হয়েছে, তবে আমার ব্যক্তিগত অভিমত হচ্ছে- ধর্ম মানুষের কমন সেন্স লোপ করায় আর তাই ধর্ম থেকে দুরে থাকুন এবং সুস্থ থাকুন।

বর্তমান সময়ে এসব প্রাচীন গ্রন্থ অনুসারে জীবন যাপন সম্ভব নয় আর তাই মানুষ আজকাল নিজ নিজ সুবিধা অনুসারে ধর্ম পালন করে আমি এখানে দোষের কিছুই দেখি না।

যেমন- কুরবানীটা আজকাল কালচারে পরিণত হয়ে গেছে- আর কয়েক বছর পর কুরবানী যে একটা ধর্মীয় রীতি মানুষ তা ভুলে যাবে, নামাজও আর পাঁচ ওয়াক্ত থাকবে না এটা ১ ওয়াক্ত হয়ে যাবে..এমনকি মানুষ সাপ্তাহে ১ বার নামাজ পড়বে। এভাবে সবকিছু বিবর্তিত হচ্ছে। ধর্মগুলো পুরোপুরি বিলিন হতে আরও ৫/৬ শত বছর লেগে যেতে পারে। তবে আমাদের মত গারীব দেশগুলোতে ধর্ম হয়তো টিকে থাকবে আরও হাজার বছর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.