নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

নূর মোহাম্মদ নূরু

দেখি শুনি স্মৃতিতে জমা রাখি আগামী প্রজন্মের জন্য, বিশ্বাস রাখি শুকনো ডালের ঘর্ষণে আগুন জ্বলবেই। ভবিষ্যৎকে জানার জন্য আমাদের অতীত জানা উচিতঃ জন ল্যাক হনঃ ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ। তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সামুর পাঠকদের জন্য আমার নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’। জন্ম-মৃত্যু, বিশেষ দিন, সাথে বিশ্ব সেরা গুণীজন, এ্ই নিয়ে আমার ক্ষুদ্র আয়োজন

নূর মোহাম্মদ নূরু › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইতিহাসের দুর্ধর্ষ এক সিরিয়াল কিলার জাভেদঃ বলৎকারের পর ১০০ শিশু হত্যা

০২ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:০৯


সিরিয়াল কিলার বলা হয় সেই সকল কুখ্যাত ব্যক্তিদের যারা একের পর এক মানুষ হত্যা করেছে নিজ হাতে। নিজের রাগ, ক্ষোভ, যৌন চাহিদা, দুনিয়ার প্রতি ঘৃণা, ভালবাসায় ব্যর্থতা সহ বিভিন্ন কারণে কুখ্যাত সিরিয়াল কিলাররা এই ধরনের মানুষ হত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন। জাভেদ ইকবাল তেমনি এক সিরিয়াল কিলার। পাকিস্তানের ইতিহাসের বিকৃত মস্তিষ্কের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ এবং কুখ্যাত এক সিরিয়াল কিলার জাভেদ ইকবাল। যিনি অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার একজন খুনী ছিলেন। তাকে দেখে কেউ কোনোদিন ভাবতেও পারেনি, ভদ্রবেশে তিনি শিশুদেরকে বলৎকার ও হত্যা করতে পারেন! জাভেদের জীবন সম্পর্কে ইতিহাসে তেমন কোনো তথ্য নেই। ধারণা করা হয় ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের লাহোরে জন্মগ্রহণ করেন জাভেদ ইকবাল। তিনি বাবা-মায়ের ছয় সন্তানের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন। তার বাবা মোহাম্মদ আলী ছিলেন একজন নামকরা ধনী ব্যবসায়ী। জানা গেছে, সাদামাটা জীবন ছিল জাভেদের। সুখেই জীবন কাটছিল তার। ১৯৭৮ সালে তিনি ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন এবং কলেজে থাকাকালীন ব্যবসা শুরু করেন। খুবই ধনাঢ্য ব্যক্তি তার বাবা একজোড়া ভিলা কিনেছিলেন, যেখানে জাভেদ ইকবাল তার স্টিল-রিস্টাটিং ব্যবসায পরিচালনা করতেন। ব্যাবসায়িক জীবনের শুরু থেকেই বিভিন্ন যৌন অপরাধে অভিযুক্ত হন তিনি। তবে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে ঠিকই নিজেকে বের করে আনেন। কিন্তু ধর্ষণের এক মামলায় জেলে যেতে হয় তাকে। এ ঘটনায় কেঁদে কেটে মারা যায় তার মা। জাভেদ তার মাকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। মায়ের মৃত্যুতে শোকাগ্রস্ত জাভেদের মনে ক্রোধের আগুন জ্বলে ওঠে। খুনের নেশা মাথায় চাপে তার। তিনি নিজের সঙ্গেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন যে, ১০০ শিশুকে হত্যা করবেন ও তাদের মায়েদের কাঁদাবেন। জাভেদ ভয়ানক সেই প্রতিজ্ঞা পূরণে ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের টার্গেট করতেন। কোনো শিশুকে একলা পেলেই তাকে প্রলোভন দেখিয়ে ভিলায় নিয়ে বলৎকারের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করতেন জাভেদ। এমনকি তিনি লাহোরের রাস্তায় ঘোরাফেরা করা দরিদ্র ছেলেদেরকেও একের পর এক ধরে এনে একইভাবে হত্যা করেন। মাত্র ১৮ মাসে সে প্রায় একশ বালককে হত্যা করে । জাভেদের ভাষ্য মতে, তার সব ক্ষোভ ছিল শিশুদের উপর। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, ইকবাল শুধু ছেলে শিশুদেরকে বলৎকার করে হত্যা করতেন। তিনি কোনো কন্যাশিশুর ক্ষতি করেননি। তিনি বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে ছেলে শিশুদেরকে কাছে ডাকতেন। বালকদের আকৃষ্ট করতে জাভেদ একটি ভিডিও গেমসের দোকান খুলেছিল। সস্তায় বা বিনামূল্যে গেমস খেলার টোকেন দেয়া হতো সেখান থেকে। এভাবে স্থানীয় বালকদের আখড়া হয়ে ওঠে দোকানটি। সেখানে মাঝে মাঝে মেঝেতে ১০০ রুপির নোট ফেলে রাখতো জাভেদ। এরপর ১০০ রুপি চুরি হয়েছে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে তল্লাশি করতো। এভাবে চোর সাব্যস্ত করে পাশের একটি ঘরে নিয়ে বলৎকার করতো। একের পর এক শিশুকে বলৎকার ও নির্যাতন করে নির্মমভাবে খুন করতে থাকেন। পরে অবশ্য গেমসের দোকানটি বন্ধ করে দিতে হয় জাভেদকে। এলাকাবাসীরা তাদের সন্তানদেরকে আর গেমসের দোকানে যেতে দেননি, এতে অনেক অর্থ খরচ হচ্ছিলো অবিভাবকদের। পরে ভিডিও গেমসের দোকানের ফেলা টোপ থেকে সরে গিয়ে জাভেদ একটি অ্যাকুরিয়ামের দোকান ও জিমনেসিয়াম খুলেন। এরপর জাভেদ গরিব, রাস্তায় রাত কাটানো বালকদের টার্গেট করা শুরু করে। আবার পত্রিকা মারফত পত্রমিতালি করেও বালকদের ফাঁদে ফেলে অপহরণ করতো জাভেদ। এরপর নিজের বাসায় নিয়ে ওই বালকদের বলৎকার এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করতো। হত্যার পর মৃতদেহগুলোকে কেটে টুকরো টুকরো করে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ব্যবহার করে দ্রবীভূত করে ফেলতেন জাভেদ। আমেরিকান সিরিয়াল কিলার জেফ্রি ডাহারও এই অ্যাসিডের ব্যবহার করে মৃতদেহ নষ্ট করতেন। এসিডে ডুবিয়ে রাখার ফলে শরীরের অংশগুলো তরল হয়ে গেলে তিনি সেগুলোকে আবর্জনা স্তূপে ফেলে দিয়ে আসতেন। প্রচণ্ড দুর্গন্ধ হয়ে যতক্ষণ না পর্যন্ত তার প্রতিবেশীরা তাকে অভিযোগ করতো ততদিন পর্যন্ত তিনি এই দেহবাশেষ পরিষ্কার করতেন না। শরীর পচে গন্ধ হয়ে গেলে তিনি সেগুলো রাভি নদীতে ফেলে দিতেন।

১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে জাভেদ ইকবাল তার কৃতকর্মের কথা স্বীকার করে বিষদ আকারে একটি চিঠি লিখেন। এরপর চিঠিটি তিনি পুলিশ এবং স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রেরণ করেন। ১৯৯৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর ধরা দিয়েছিলেন জাভেদ। তবে সরাসরি পুলিশ স্টেশনে না গিয়ে উর্দু সংবাদপত্র ডেইলি জাঙ-এর অফিসে হাজির হন তিনি। তিনি নিজের পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করেননি। সেখানে গিয়ে নির্লিপ্তভাবে তিনি বলেছিলেন, আমি জাভেদ ইকবাল, ১০০টি বাচ্চার হত্যাকারী। ” I am Javed Iqbal, killer of 100 children … I hate this world, I am not ashamed of my action and I am ready to die. I have no regrets. I killed 100 children. ” তিনি তার অপরাধের বিষয়ে স্বীকারও করেন আদালতে। তিনি এই পৃথিবীকে ঘৃণা করেন, তিনি আর বাচতে চান না তিনি মরার জন্য প্রস্তুত। তিনি ১০০ জনকে হত্যা করেছেন এর জন্য তার কোনও পরিতাপ নেই। তিনি লিখেছিলেন তার ঘরে তার নিজের লেখা একটি ডায়েরী ও ৩২ পৃষ্ঠার নোটবুক আছে, যেটিতে তিনি প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত লিখে রেখেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি চাইলে ৫০০ শিশুকেও হত্যা করতে পারতাম কিন্তু তা করিনি। এটা আমার জন্য কঠিন ছিল না। কারণ আমি চেয়েছিলাম ১০০ শিশু পর্যন্তই সীমাবদ্ধ রাখতে। এরপর জাভেদ ইকবাল ভরা আদালতে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। এমনকি তিনি কোন শিশুদেরকে হত্যা করেছেন সে বিষয়েও তালিকা করে রাখেন। সব প্রমাণ এবং স্বীকারোক্তি আদালতে জানান ইকবাল। জাভেদের দেওয়া তথ্য অনুসারে খোঁজ নিয়ে পুলিশ মাত্র দুইটি মৃতদেহের কঙ্কাল উদ্ধার করে। বিচারের রায় ১৭ বছরের সাজিদ আহমেদ ছিলেন জাভেদ ইকবালের প্রধান সহযোগী। আরও দুই যুবককেও সহযোগী হিসেবে রেখেছিলেন জাভেদ। সবাইকেই পুলিশ পরবর্তীতে গ্রেফতার করেন ১০০ শিশুকে হত্যার দায়ে।

এমন ঘটনা সামনে আসতে পাকিস্তানে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম হয়। জাভেদকেও শিশুদের যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, সেভাবে হত্যার দাবি তুলতে থাকে মানুষজন। পরে ২০০০ সালের ১৬ মার্চ বিচারপতি আল্লাহ বকশের প্রাথমিক রায়ে মানুষজনের আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটে। শরিয়াহ আইন মেনে তিনি রায় দেন, ভুক্তভোগীদেরকে তিনি যেভাবে হত্যা করেছেন; তাকেও ঠিক সেভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। যে চেইন দিয়ে শ্বাসরোধে ১০০ শিশুকে হত্যা করেছেন জাভেদ; সেটি দিয়েই তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। এরপর তার দেহকে ১০০ টুকরো কেটে মৃত ছেলেদের অভিভাবকের সামনে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে ডুবিয়ে দেওয়া হবে। তবে বিচারকের এ রায় রায় বাস্তবায়নের আগেই ২০০১ সালের ৮ অক্টোবর জাভেদ ইকবাল এবং তার প্রধান সহযোগী সাজিদ আহমেদ জেলখানায় আত্ম হত্যা করেন। এভাবেই যবনিকাপাত হয় ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলার জাভেদের উপাখ্যান।
সূত্রঃ পৃথিবীর ইতিহাসের পনেরজন কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার নম্বর-১৩

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
ব্রেকিং নিউজ২৪.কম :-& ফেসবুক-১ :-& ফেসবুক-২
[email protected]

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:



পাকিস্তানে শরিয়া আইনে বিচার হয়েছিলো? ওদের ক্রিমিনাল কোর্ট নেই?

০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১২:০১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ওদের সব কোর্টই আছে
পাকিস্তানের ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ধর্ষণ প্রমাণিত হলে
সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে তাদের ধারণা
আল্লাহর আইন শরিয়া প্রয়োগ করলে দেশ থেকে ধর্ষণ উঠে যাবে

২| ০২ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:২৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: বাপরে কী ভয়ংকার মানুষ ছিলো

০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১২:০০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
দুর্ধর্ষ, ভয়ংকর ও কুখ্যাত মানুষ ছিলো
জাভেদ ইকবাল। সে তার পাপের শাস্তি
ভোগ করেছে।

৩| ০২ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:৩৬

এভো বলেছেন: তার জন্ম সম্ভবত ১৯৫৬
তার বাবা মূঘল আমলের একজন নাম করা ধনী ব্যবসায়ী
এতটুকু পড়ার পর আর পোড়লাম না।

০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১২:০৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

না পড়ে ভালোই করেছেন।
তবে এসব কাহিনী সবাই এড়িয়ে
যেতে পারেনা। চুম্বকের মতো টানে!

৪| ০২ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:৩৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যিনি, উনি, তিনি........অর্থাৎ আপনি করে বলা হয় সন্মানীত ব্যক্তিদেরকে। এই হারামজাদা সাইকোপ্যাথকে আপনি করে লেখার কারন কি? শিশু বলাৎকার আর খুন কি কোন সন্মানের কাম? X(

০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১২:০৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

আপনার যুক্তি যথাযথ নয়।
আমাদের মামুনুল হক বা আনভীর সাহেব
তাদের কৃত কর্মের জন্য সমাজেন ঘৃনীত।
তাই বলে তাদের তুই তোকারি করতে পারবেন?

৫| ০২ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:৫৬

জটিল ভাই বলেছেন:




ভুয়া মফিজ বলেছেন: যিনি, উনি, তিনি........অর্থাৎ আপনি করে বলা হয় সন্মানীত ব্যক্তিদেরকে। এই হারামজাদা সাইকোপ্যাথকে আপনি করে লেখার কারন কি? শিশু বলাৎকার আর খুন কি কোন সন্মানের কাম?

০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১২:১০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
কাউকে সম্মন জানানো বা না জানানো
যার যার নিজস্ব রুচির ব্যাপার। কেউ তার
নিজের স্ত্রী বা ছোট বাচ্চাদেরও আপনি করে
বলেন্এতে তিনি ছোট হয়ে যানন। সে ঘৃনার
কাজ করেছে কিন্তু আপনি কেন করবেন।

৬| ০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১২:০৭

বাবুরবাপ বলেছেন: সাংঘাতিক!!!



নতুন ব্লগে এসেছি। সবার সহযোগিতা চাই........

০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১২:১০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
শুভ কামনা রইলো।

৭| ০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১২:১২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: যাক পাকি বিশ্বে এই দিকেও উপরে

০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১২:১৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

আমাদের রসু খাঁকে কি ভুলে গেলেন
আর নব্য দানবীর ! কামেনুলদের কথা
তো এখন টক অবদা কান্ট্রি !!

৮| ০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১২:৫৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ভয়ানক সাইকোপ্যাথ!!! তার মৃত্যুটা কার্যকর হলে শান্তি লাগতো

০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১:৪৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
যার যে ভাবে মৃত্যু নির্ধারিত
তার বাইরে যাবার সাধ্য কারো নাই।
এ কথা আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে
দৃঢ়তার সাথে। আপনাকে ধন্যবাদ
সোনাবীজ ভাই মন্তব্য প্রদানের জন?

৯| ০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১:৩৭

শেহজাদী১৯ বলেছেন: শয়তানটা নিজেই নিজের মৃত্যু ঘটালো। মানে কাউকে খুন করার না পেয়ে শেষে নিজেকেই। কারণ অন্যের সামনে মরতে উনার ইগোতে লাগলো। এই পশুকে সন্মান দিয়ে পশু উপাধি দেওয়া হোক।

০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ১:৫০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ শেহজাদী১৯ মন্তব্যের জন্য।
তাকে পশু উপাধি দিলে পশুদের ইগেতো লাাগতে
পারে কারণ পশুরাও তার থেকে মানবিক।
তাই তাকে পশু বলা থেকে বিরত রইলাম।

১০| ০২ রা মে, ২০২১ দুপুর ২:৫২

ইসিয়াক বলেছেন: কি ভয়ংকর!!!

০২ রা মে, ২০২১ বিকাল ৩:০৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

নৃশংস, পৈশাচিক,
অমানবিক, ভয়ংকর

১১| ০৩ রা মে, ২০২১ সকাল ১০:৫৩

নতুন নকিব বলেছেন:



১০০ শিশুর খুনী। ভয়ঙ্কর অপরাধী।

০৩ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:৩৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

বিশ্বাসই করা যায়না !! এমন মানুষও
পৃথিবীতে আছে ! আপনাকে ধন্যবাদ
মন্তব্য প্রদানের জন্য।

১২| ০৩ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:০২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
যদিও ঘটনাটা আগেও পড়েছি তবে বিশদ পড়ে ভাললাগলো। +++

এমন মানুষের কঠিন বিচার হলেই ভাল হতো।

০৩ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:৪২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

আমার আগের পোস্টে
পৃথিবীর ইতিহাসের পনেরজন কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার সিরিয়াল নং ১৩ সংক্ষিপ্ত আকারে
লিখেছিলাম আজ বিস্তারিত ভাবে দেওয়া
হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য।
তিনি তার উপযুক্ত শাস্তিই পেয়েছেন যা
তার জন্য্ নির্ধারিত ছিলো।

১৩| ০৩ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:১৪

তারেক ফাহিম বলেছেন: কি অমানবিক, কি ভয়ংকর!

০৩ রা মে, ২০২১ সকাল ১১:৪৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

মানুষের পর্যায়ে পড়ে না বলেই এরা
অমানবিক কার্য কলাপ করে থাকে।
এটা সত্যিই ভর্য়ংকর ও পৈশাচিক!!

১৪| ০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১:৪৫

নতুন বলেছেন: এই রকমের সাইকোপ্যাথ আমাদের সমাজেরই মানুষের মতন। ভাবতেই কস্ট হয়।

০৫ ই মে, ২০২১ দুপুর ১:৫৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

সত্যিই ভাববার বিষয়!
ধন্যবাদ নতুন ভাই
মন্তব্য প্রদানের জন্য।

১৫| ০৪ ঠা মে, ২০২১ বিকাল ৫:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: জাভেদকে নিয়ে আপনি আগেও সম্ভবত পোষ্ট দিয়েছিলেন।

০৫ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:০০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

সে কথা লেখার পাদদেশে সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে
তবে সেটা ছিলো সংক্ষিপ্ত আকারে আর এটা বিস্তারিত ভাবে।

১৬| ০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১০:১১

রাজীব নুর বলেছেন: মুরুব্বী আপনি কোথায়? আমি কমেন্ট ব্যান মুক্ত হয়েছি।

০৫ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:০২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

আপনার মুক্তির জন্য শুভেচ্ছা
এবার থেকে একটু ভেবে চিন্তে
মন্তব্য করবেন। সংখ্যা গুরু লোকের
ধর্মকে নিয়ে ব্যঙ্গ করা থেকে বিরত থাকুন।
শুভ ব্লগিং !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.