নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর হবেই ...

রাজায় রাজায় যুদ্ধ করে, উলুখাগড়ায় প্রাণান্ত ।

ঐতিহাসিক

প্রতি দিনই চঞ্চল, কখনওবা শান্ত, রোজ রোজ নিশ্চিত, কখনওবা ভ্রান্ত ।

ঐতিহাসিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাতাসে মাংস পোড়া অথবা বিহারী চাপ-কাবাবের গন্ধ

১৬ ই জুন, ২০১৪ রাত ১২:১৫

বোধ করি, আমাদের খুব প্রিয় মুখরোচক খাবারের মধ্যে চাপ, পরোটা, বট, তিল্লি, খিরি এগুলো থাকবেই । খাবারগুলো গরু, ছাগল কিংবা মুরগির বিভিন্ন অংশ নানা পদ্ধতিতে পুড়িয়ে বানানো । সাথে থাকে জবরদস্ত মশলার বাহার । খুবই সাধারন পরিবেশন পদ্ধতি, মুখে অমৃতের স্বাদ দেয় । লাইন ধরে আমরা খাই । ঢাকার দূর দুরান্ত থেকে এসে লাইন ধরে, অপেক্ষা করে খাই । যখন অপেক্ষা করি অথবা ঐ এলাকার পাশ দিয়ে যাই, বাতাসে মাংস পোড়া গন্ধটা পেটের ক্ষুধা টা আরও বাড়িয়ে দেয় ।



কিন্তু আজ এ মাংস পোড়া গন্ধটা টানছে না কেন ? কেন একই এলাকাতে পোড়া মাংসের গন্ধে যেখানে ক্ষুধা বেড়ে যেতো, সেখানে মাংস পোড়া গন্ধে আজ বমির উদ্রেক হচ্ছে । রুচি বেড়ে যাওয়ার বদলে খাওয়ার ইচ্ছাটাই চলে যাচ্ছে কেন ? এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না । কচি গরুর চাপ যেখানে জিভে লালা এনে দেয়, সেখানে কচি শরীরের মাংস পোড়া গন্ধটা এমন বুক ভারী করে দিচ্ছে কেন ?



জনাদশেক বিহারী আগুনে পুড়ে মারা গেলো । এই শালাদের তো অনেক আগেই পুড়িয়ে মারা দরকার ছিল । আজ যখন স্বপ্ন বাস্তবায়ন হলো, আজ কেন বুক ফেটে যেতে চায় । একাত্তুরে এই অমানুষ গুলোই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাঙালি নিধনে মত্ত হয়েছিল, আজ এতো বছর পর তাদের এই পুড়ে মরা শান্তি স্বস্তি কিছুই দিতে পারছে না কেন ?



ওরা সংখ্যায় এতটাই কম যে, দশজন পুড়ে মরা মানে প্রতিবাদকারী দশজন কমে যাওয়া । আজ যদি বাঙালি বা পাহাড়ি এতগুলু মানুষ মারা যেতো তবে প্রতিবাদ করার অনেক মানুষ থাকতো । চাই কি দু চার দিন টানা হরতাল দিয়ে অচল করে দেওয়া যেতো জেলা, বিভাগ, দেশ । তাদের জন্য তো প্রতিবাদ করার লোকও হাতে গোনা । তবুও নিজের অমানুষ আচরনে নিজেকেই কেন ভয় পাচ্ছি?



৪০ বছরের বেবি আক্তার, ২৪ বছরের শাহানা, ২০ বছরের আফসানা, ১৮ বছরের রোকসানা, ১৪ বছরের যমজ লালু আর ভুলু - ঠিক এরাই তো ছিল সেদিন, সেই একাত্তুরে । আজ ৪৩ বছরের ও বেশী সময় পর সুযোগ পেয়েছি । একদম উচিত জবাব । পুইড়া ঝামা হইয়া গেছে । ঠিকই আছে । ওহ দুঃখিত, এদের মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক জনেরও বয়স ৪০ বছর । তিন চার বছর কম পরে যাচ্ছে একাত্তুর হতে । তাতে কি হলো !?! এদের জাতি ভাই তো ছিল ! ঐ যে ইশপের গল্পে নেকড়েটা ভেড়ার বাচ্চার ঘাড় মটকেছিল, কারণ ভেড়ার বাচ্চাটির দাদা নেকড়ে যে নদীর পানি খাচ্ছিল, তার পানি মুখ লাগিয়ে নোংরা করেছিলো ।



আরে ধুর, এতো দূর যাওয়া লাগবে না । এখন কি কম কারণ আছে ? শব-ই-বরাত এলেই পটকার শব্দে কানে তালা লেগে যায় । প্রতি সেকেন্ডে ওরা কমপক্ষে একটা করে পটকা ফুটায় ।

- ওটা তো আশে পাশের বাঙালি কিশোরেরাও ফুটায় ।

ওহ আচ্ছা, যাই হোক, বিহারী কিশোরেরই বেশী করে এইসব । তার উপর ওরা বিজাতীয় ভাষায় কথা বলে । বাংলাদেশে থেকে ক্রিকেট খেলায় পাকিস্তানের সাপোর্ট করে ।

-কই ইদানিং তো ওরা বাংলাদেশ ও সাপোর্ট করে ।

ওহ আচ্ছা, যাই হোক, বেশীরভাগ বিহারিরাই খেলায় পাকিস্তান সাপোর্ট করে । আর তাছাড়া অযথাই কবে থেকে ঢাকার অর্ধেক জায়গা নিয়ে বসে আছে, এখানে হাউজিং ব্যাবসা করলেও তো অনেক লাভ । ঐ মিরপুর ডি ও এইচ এস এর রোড সংযোগকারি উড়ালসেতু হওয়ার পর জায়গার যা দাম হয়েছে, কোনও ধারনা আছে । শালারা জায়গাটা দখল করে বসে আছে । আবার বিদ্যুৎ চায় । নেতার সাথে তর্ক করে, নেতার আদেশের পাত্তা দেয় না । ফাইজলামি নাকি !?!?



কিন্তু এতো যুক্তির পরও কেন শান্তি শান্তি লাগছে না। কেন নিজেদের কাপুরুষ খুনি মনে হচ্ছে । কেন আয়নায় নিজের চোখে নিজে চোখ রাখতে পারছি না । কেন পেটের ভেতর থেকে এতদিনের খাওয়া চাপ পরোটা গুলু বের হয়ে আসতে চাচ্ছে জোর করে ?



নাহ ! আসলে এতো এতো যুক্তির কোনটাই এতগুলো ঘুমন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারার যথার্থ কারণ দেয় না । জায়েজ করে না ভোরবেলা ঘুমন্ত মানুষ গুলার ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে আগুন লাগিয়ে দেওয়াকে । এই লোকগুলি এমনিতেই প্রচণ্ড মানবেতর জীবন যাপন করে । এরা ভোটের সুযোগ পেলো সেদিন, যদিও দুষ্ট লকে বলে তাদের মানুষ হিসেবে কদর করে নয়, বরং ভোট ব্যাংক হিসাবে সুযোগ টা দেওয়া হয়েছিল । শিক্ষার সুযোগ পেলো এইতো সেদিন ২০০০ কিংবা ২০০২ সালের দিকে। শিক্ষা আলোর পথ দেখায় সে আলোয় আসার সুযোগটাই বা আমরা দিলাম কোথায়, এদের দুহাতে বুকে টেনে না নিয়ে, এদের সমাজে অন্তর্ভুক্ত করার কোনও প্রয়াস না করে, শুধু দোষ ধরে আঘাত করে যাওয়া – ঘৃণার আগুনে ঘি ঢালা বৈ আর কিছু নয় ।



ছবিঃ Click This Link

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জুন, ২০১৪ রাত ১২:৩৪

ভাইটামিন বদি বলেছেন: মানুষ দাবীদার এই আমরা কত সহজেই না পশুর চেয়ে খারাপ হয়ে যাই!!!

১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:২৬

ঐতিহাসিক বলেছেন: বড়ই পরিতাপের বিষয়, ঠুনকো স্বার্থে মনুষ্যত্ব বিকিয়ে দেই আমরা ।

২| ১৬ ই জুন, ২০১৪ ভোর ৫:২১

কুকরা বলেছেন:

১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:২৯

ঐতিহাসিক বলেছেন: কিসের মধ্যে কি, পান্তা ভাতে ঘি ।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে, বিহারী বাঙালি সকলের নিরাপত্তার দায়িত্ব উনার ।
কোনও যুক্তিতেই এতুগুলো প্রানের অকাল প্রয়াণ মানা যায় না ।

৩| ১৬ ই জুন, ২০১৪ ভোর ৫:২৯

কুকরা বলেছেন:

১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৩০

ঐতিহাসিক বলেছেন: ওদের তখন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয় নি, ভোট ব্যাংক হিসেবে বিবেচনা করা হয় শব সময় ই ।

৪| ১৬ ই জুন, ২০১৪ সকাল ৮:৫০

রাতুলবিডি৪ বলেছেন: কিন্তু আজ এ মাংস পোড়া গন্ধটা টানছে না কেন ? কেন একই এলাকাতে পোড়া মাংসের গন্ধে যেখানে ক্ষুধা বেড়ে যেতো, সেখানে মাংস পোড়া গন্ধে আজ বমির উদ্রেক হচ্ছে । রুচি বেড়ে যাওয়ার বদলে খাওয়ার ইচ্ছাটাই চলে যাচ্ছে কেন ? এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না । কচি গরুর চাপ যেখানে জিভে লালা এনে দেয়, সেখানে কচি শরীরের মাংস পোড়া গন্ধটা এমন বুক ভারী করে দিচ্ছে কেন ?

- masala nei , tai.

১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৩১

ঐতিহাসিক বলেছেন: জীবন পোড়া, প্রান পোড়া য় মনে হয় কখনওই কোনও মসল্লা স্বাদ এনে দিতে পারে না । ধিক আমাদের প্রতি ।

৫| ১৬ ই জুন, ২০১৪ সকাল ৯:৪৬

আম্মানসুরা বলেছেন: এই লোভের আগুনে বাংলাদেশের অনেক বস্তিও পুড়েছে।

আমি অবাক হয়ে যাই, যখন কিছু মানুষ এই হত্যাকে সমর্থন করে। কিভাবে পারে? নৃশংসতার কোন জাতিভেদ নেই। বেলা শেষে এটাই উপলব্ধি!

১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৩২

ঐতিহাসিক বলেছেন: ঠিক তাই ।
নৃশংসতার কোন জাতিভেদ নেই। বেলা শেষে এটাই উপলব্ধি!
সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই ।

৬| ১৬ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১১:০৯

লাবনী আক্তার বলেছেন: মানুষের মানবিকতা এখন নেইতো। থাকলে এসব ঘটত না। প্রকৃত শিক্ষা কয়জন অর্জন করেছি আমরা জানতে মন চায়।

এরা বিহারি না বাঙালি সেটা বড় কথা না এরা মানুষ এটাই বড় কথা। ঘৃনা তাদের প্রতি যারা মানুষ হত্যার রাজনীতি করে।


লেখাটা ভালো হয়েছে। ভালো লাগল পড়ে।

১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৩৩

ঐতিহাসিক বলেছেন: "এরা বিহারি না বাঙালি সেটা বড় কথা না এরা মানুষ এটাই বড় কথা। ঘৃনা তাদের প্রতি যারা মানুষ হত্যার রাজনীতি করে।"

ধন্যবাদ ।

৭| ১৬ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৫

jiad82 বলেছেন: +

১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৩৪

ঐতিহাসিক বলেছেন: ধন্যবাদ, সমর্থনের জন্য ।

৮| ১৬ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৮

nurul amin বলেছেন: শামীম ওসমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন , ' মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উনি এখন অলি আউলিয়ার পর্যায়ে পৌছে গেছেন, কেউ উনার কিচ্ছু করতে পারবেনা। '
শামীম ওসমান যখন এই কথা বলেন তখন স্পিকার কিংবা যার উদ্দেশ্যে এই কথা বলা হচ্ছে এই দুজনের কেউ কোন আপত্তি জানান নি। কাজেই সাংবিধানিক ভাবে এদেশে অলি অাউলিয়া হিসাবে তিনিই বলবত হয়েছেন । প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মরহুম জিল্লুর রহমান তাঁর নেত্রীকে সর্বদা নির্ভুল এবং প্লেটো এরিষ্টটল হিসাবে উল্লেখ করে তেলের ডিব্বাটি জমিনে রাখলেও শামীম ওসমান তা আসমানে তুলে ফেলেছেন।
এই মুরিদের মত সরবে উচ্চারণ না করলেও খোন্দকার মোশতাক নামের অন্য এক মুরিদ তার অলিকে বোধ হয় একই ধরনের কথা নিরবে বলেছিলেন। তা নাহলে বাকশালের তিন নম্বর মুরিদ হওয়া তার পক্ষে সম্ভব হতো না । তিনি ও তার সঙ্গে থাকা অপরাপর মুরিদ মিলে তাদের পীরকে বাকশাল নামক বাঘের পিঠে চড়িয়ে দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, এই মুরিদ (মোশতাক) কে এখন যতটুকু খারাপ লাগছে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের আগে তেমন খারাপ লাগত না।
আমি এটা বলছি না যে সব মুরিদই খোন্দকার মোশতাকের মত হবেন। কিন্তু মোশতাক এবং নন-মোশতাক টাইপ মুরিদদের মধ্যে পার্থক্য করা আসলেই কঠিন। এই সব পীর নিজেদের কেরামতি দিয়ে বাংলাদেশে বসে মক্কা শরীফের দরজা থেকে কুত্তা তাড়াতে পারেন । কিন্তু ভাতের নিচে মাছ রাখলে এই অলিগণ তা দেখতে পারেন না।
অলির এই অলিত্বে শামীম ওসমান ভরসা রাখলেও সৈয়দ বংশের আশরাফুল ইসলাম ভরসা রাখতে পারছেন না। তিনি আশংকা করছেন যে আবারো একটি ১৫ই আগষ্ট সৃষ্টির পায়তারা চলছে।
১৫৩ জন ফাও এমপি ও বাদবাকি আসনে শতকরা ৫ভাগ ভোটের বদৌলতে এই সরকার সৃষ্টি হয়েছে। স্বভাবতই এই সরকারকে টিকিয়ে রাখতে শামীম ওসমান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, নিজাম হাজারীর মত মুরিদদের উপরই নির্ভর করতে হবে। জেনে শুনেই এবার এই ধরনের মুরিদদের সামনে আনা হয়েছে।সুতরাং এ ধরনের ঘটনা ঘটবেই।

১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৩৭

ঐতিহাসিক বলেছেন: আমার মনে হয়, আমাদের বর্তমান রাজনৈতিক দলের মধ্যে যেটাই থাকতো, ঘটনা এক ই হতো ।
বিষয়টা যতোটা না রাজনৈতিক, তার চাইতে বেশী নৈতিকতার ।
মনুষ্যত্ব গুলে খেয়ে হজম করে ফেলেছি আমরা ।

৯| ১৬ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২১

স্নিগ্ধ শোভন বলেছেন:
:( :( :( :(

গত বুধবার কি বৃহস্পতিবারে কালসি কালা পানির ক্যান্টিন যাওয়ার সময় দেখলাম নতুন রোডের মসজিদের সামনে রিক্সা প্রাইভেট সব দাড়িয়ে আছে সামনে পুলিশের গাড়ি আর অনেক মানুষের ভিড়। রিক্সা থেকে নেমে দেখতে পেলাম বিদ্যুতের তার কাটা নিয়ে গণ্ডগোল। সামনে একজন কে জিজ্ঞেস করার পর বলল বিদ্যুতের নাম দিয়ে বস্তি সরিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র। শবেবরাতের পর আতশ বাজী নিয়ে মারামারি খুনাখুনি। মূল কারণ কি ?? অচিরেই বের করা দরকার।

১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৩৯

ঐতিহাসিক বলেছেন: গুজব শুনা যাচ্ছে ঐ ঘটনাও একটা কারণ ।

সৎ তদন্ত ও প্রকৃত দোষীদের দ্রুত বিচার চাই ।

১০| ১৬ ই জুন, ২০১৪ রাত ৮:২৭

সায়েদা সোহেলী বলেছেন: পাকিস্থানিরা নিজেদের স্বার্থ মোহে মানুষকে "বাঙ্গাল কি জাত " বানিয়েছিল , আজ আবার সেই বাঙ্গালিরাই যার যার ব্যক্তি কেন্দ্রিক স্বার্থে মানুষকে " বিহারি কি জাত " বানাচ্ছে !!!


খেলা খারাপ না , মানুষ বলে একনামে চেনার আর কোন অবকাশ থাকলো না এই যা

১১| ১৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৪০

ঐতিহাসিক বলেছেন: ঠিক তাই ।
"মানুষকে মানুষ বলে একনামে চেনার আর কোন অবকাশ থাকলো না ।"

সৎ তদন্ত ও প্রকৃত দোষীদের দ্রুত বিচার চাই ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.