![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি যদি আমার সম্পর্কে অবগত হইতাম, তাহলে লিখতাম।
‘লালসালু’ একটি সামাজিক সমস্যামূলক উপন্যাস তা আমরা অনেকে জানি, কিন্তু এ.এইচ.পি টিভি সামাজিক সমস্যামূলক উপন্যাস না হলেও বলা যেতে পারে ধর্মভীরু মানুষ ঠোকানার একটি বাস্তবিক চলমান উপন্যাস। “লালসালু” লেখকের দুঃসাহসী প্রচেষ্টার সার্থক ফসল বলে বিবেচনা করা হয়। তেমনি করে এ.এইচ.পি টিভি ও আমি মনে করি পেয়ার ভাইয়ের একটি দুঃসাহসী প্রচেষ্টার সার্থক ফসল। কিন্তু তপাৎটা হলো লেখকের প্রচেষ্টা চিল মানুষকে সচেতন করা আর পেয়ারী ভাইয়ের প্রচেষ্টা ছিল মানুষকে বোকা বানানো। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে যেমন-গ্রামে গিয়ে বসতি নির্মাণ করতে চায় তেমনি করে পেয়ারী সাহেব ও নিজের সপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিলেন। যুগে যুগে সব বদলাই, মন-রুচিবোধ ও বদলাই। হইতো এই কারণে লালসালু্র চিন্তা বাদ দিয়ে পেয়ার সাহেবের মাথায় প্রযুক্তির ধারণাটাই ছিল মূলমন্ত্র, যাতে করে তিনি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত হতে পারেন অতি তাড়াতাড়ি।
“.........হয়তোবা অনেকে বলবেন এখানে আমরা কোনরকম প্রতারণা করছি কিনা? ইনশাল্লাহ, না। আপনারা প্রতারণার স্বীকার হবেন নাএবং আমরা অতীতের অনেক প্রমাণ দিয়েছি...” আহসান হাবীব পেয়ার
Ahsan Habib Pair এই নামে উনার ফেচবুক আইডি পরিচিত। নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোর্ট ইউনিয়নে তার বাড়ি। মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে উঠা ৫ ভাইয়ের মধ্যে ছোট হলেন আহসান হাবীব পেয়ার। ৫ ভাইয়ের মধ্যে ৪ জন গ্রামের বাড়িতে থাকেলেও সে থাকেন ঢাকার খিলগার তিলপা পাড়ার একটি বাড়ীর ৫ তলায়।
পূর্বের ফেচবুক আইডি হেক হওয়ায় ২০১৫ সালে নতুন করে ফেচবুক আইডি খুলেন এবং প্রায় ২ বছরের মাথায় পৌঁছে যান জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। ফেচবুক ফলোয়ারস হয়ে উঠেন আজ সকাল ১০.৪০ পর্যন্ত(চাইনা টাইম)২৩৭,১৪৪ জন।
২০১৫ সালের দিকে তার বর্তমান আইডিতে কোন পোষ্ট না থাকলেও ২০১৬ সাল থেকে যথারিতিতে ইসলাম এবং ধর্মীয় দিক থেকে দেখলে যা আসলেও মর্মান্তিক তা নিয়ে পোষ্ট করতে থাকেন। তার আপলোডকৃত ভিডিও ফুটেজগুলো কিংবা ছবিগুলোর বেশীর ভাগই ছিল অসহায় ও গরীব মানুষদের নিয়ে। কখনো তিনি ছুটে যেতেন নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের জন্য, কখনো বা রাস্তার পাশের অসহায় মানুষের অন্য যোগাড় করে দিতেন, কখনো বা টাকা দিয়ে সাহায্য করতেন। সব কিছু মিলিয়ে এই দিনের হাতেমতাই বা হাজী মুহাম্মদ মহসীন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন আমজনতার কাছে এই আহসান হাবীব পেয়ার।
Ahp tv নামক ইউটিউব চ্যানেল, Daily Amar ALo নামক পত্রিকা, Radio Pair, শেফায়ে কুরান-Amole Quran নামক পেইজ, এই সকল কিছু পেয়ার সাহেব নিজেই পরিচালনা করেন। তার ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার রয়েছে ৯০,৮১৪ জন এবং রয়েছে ১৩৪টি ভিডিও যার মধ্যে রয়েছে গজল, গান, শর্ট ফিল্ম, ইসলামিক বিভিন্ন ভিডিও, দুঃস্থ মানুষদের সহযোগীতার ভিডিও, এবং মানুষের কষ্ট-ভারক্রান্ত জীবনের মহুর্তের ভিডিও। এছাড়াও তিনি অদ্ভুত হাজী নামের একটি নাটকে অভিনয় করেন এবং তার কণ্ঠের গাওয়া গান ফোনের কলার টিউন হিসেবে পরিচিত লাভ করেন।
ফেচবুকঃ Click This Link
Ahp tv: Click This Link
Daily Amar ALo: Click This Link
এছাড়াও রয়েছে ৩টি দোকান, ১টি কম্পিউটারের, ১টি মোবাইলের, ১টি মোবাইলের পার্টস এর। আল হাদিস নামের একটি অ্যাপসও বের করেন যার মধ্যে ২৫ টি হাদিসের বই, প্রায় সব হাদিসের আরবি ইবারত, বিষয়ভিত্তিক হাদিস, অনলাইন বুকমার্ক সংরক্ষণ সিস্টেম, সর্বশেষ পঠিত হাদিস সমূহ ইত্যাদি বিদ্যমান।
পরিচিতি, সুনাম, বিশ্বাস এই দিকগুলো থেকে বিবেচনা করলে সত্যি তিনি এক অসাধারণ ব্যক্তিত্বের মানুষ। তাকে অনুসরণ করাটাও সাঁজে বটে। চলুন দেখে নেই মানুষের এই বিশ্বাস কে কি করে পূঁজি বানিয়ে ব্যবসার জমজমাট পরিপূর্ণরূপ দান করলেন তা দেখা যাক।
সবকিছুই ঠিকঠাক চলেছে ২০১৫-২০১৬ সাল পর্যন্ত তার ফেচবুক ঘাটাঘাটি করে দেখলাম সত্যিই তো মানুষের জন্যে করছে ইসলামের দিকগুলো অনেক সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলছে, যাইহোক মহৎ কাজ।
৩ মার্চ ২০১৭ সালে তিনি ফেচবুকে একটি ছবি আপলোড করেন যা ৩২ বার শেয়ার হয়-
“একজন অসহায় মানুষকে বাঁচাতে এগিয়ে আসবেন এটাই আমাদের কামনা।
বিস্তারিত জানতে অপেক্ষা করুন! ভিডিওটি আপলোড করা পর্যন্ত।
দোয়া চাই আল্লাহ যেন পিছনের অসুস্থ মানুষটি কে সুস্থ করে দেন! আমিন”
একিদিন তিনি একটি ভিডিও আপলোড করেন যা ৭৫০০ জন দেখে এবং ৪২৭ বার শেয়ার হয়-
“সমাজের বিত্তবান ব্যাক্তিদের দৃস্টি আকর্শন করছি
এই অসহায় মানুষটিকে বাঁচাতে আপনারা এগিয়ে আসুন!
একটি দরিদ্র পরিবারকে বাঁচাতে এগিয়ে আসবেন এটাই আমাদের কামনা।
আপনার একটু সাহায্য বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ, একটি পরিবার...”
৫ মার্চ ২০১৭ সালে তিনি ফেচবুকে একটি ভিডিও আপলোড করেন যাতে তিনি নিজের নম্বরটি বিকাশ পারসোনাল হিসেবে প্রথমে উল্লেখ করেন যদিও আগের ভিডিও গুলোতে বিকাশ পার্সোনাল উল্ললেখ করেন নাই।
“২৭হাজার ৬০০টাকা দিয়েছেন আপনারা, লাগবে প্রায় ১লক্ষ ৫০হাজার টাকা মাত্র? আরো যারা দিতে চান বিকাশ পার্চনাল! 01723300900
দোয়া চাই আমরা যেন বিজয়ী হতে পারি।” এমনটা উল্লেখ করেন।
১০ই মার্চ এর মধ্যে মানুষের আমানত ৬৩হাজার ২শত ৫০টাকা এই অসহায় মানষটির জন্যে সংগ্রহ হয় এবং তা পৌঁছানোর জন্যে নোয়াখালী যান। ১১ই মার্চ এর একটি ভিডিও তে তিনি ঐ রুগীকে নিয়ে লাইভ ভিডিও করেন যা ফেচবুকে ১৭৩৮ বার শেয়ার হয় এবং ভিওয়ার্স হয় 57k।
অর্থাৎ ৮ দিনের মাথায় প্রায় 55.5% গুন বেশী শেয়ার হয় বিরোল রোগে আক্রান্ত জামাল নামের লোকটিকে নিয়ে বানানো ভিডিওটি।
আরো ৭ দিনের মাথায়, ১৮ই মার্চ তার ফেচবুক ফলোয়ারস হয়ে উঠেন ১লক্ষ ৩০হাজার। তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি মানুষের পেয়ার নিয়ে এতটুকো, তাইতো বলেছিলেন “নামই মানুষের প্রকৃত অর্থ বহন করেন।”
আর এই সুযোগটাকে কাজে লাগালেন পেয়ারী পেয়ার ভাই ২০ মার্চ। পোষ্ট দিলেন জামাল সাহাবের ঢাকা মেডিকেলের বিচানায় শোয়া একটি ছবি, আর তাতেই ১লক্ষ ৫০হাজার টাকার হিসেব দ্বিগুণ হয়ে গেল। প্রায় ৩লক্ষ টাকার প্রয়োজন।
তাহলে আগের চিকিৎসার টাকার হিসেব কি পেয়ারী ভাই নিজেই বানালেন? নাকি মানুষ বিশ্বাস করবেনা বলে টাকার অংকটা কমিয়ে বলেছিল আর সেবার সর্বোত্তম দিক মানব সেবাই নিজেকে নিয়োজিত করলেন আর মানুষের কাছে হয়ে গেলেন অতিপরিচিত একটি মুখ? হইতোবা ঘটনা সত্যিই ছিল নতুবা ঘটনার সত্যতা মিলবে হয়তো ঢাকা মেডিকেল থেকেই। যাইহোক এখন পর্যন্ত তিনি একজন সমাজসেবক হিসেবেই আছেন আমার কাছে।
তারপরে তিনি একজন রিক্সাচালকের জীবন তুলে ধরেন, যাকে তিনি ফাইভস্টার হোটেলে নিয়ে খাওয়ান, আরো দেখা যায় তিনি মানুষের পাঠানো টাকায় দরিদ্র মানুষের জন্যে খাবারের ব্যবস্থা করছেন তার ভিডিও। আর নিচে উল্লেখ করে দিলেন তার ব্যক্তিগত বিকাশের পার্সোনাল নম্বর। এখনো তিনি একজন সমাজ সেবক ই রয়ে গেলেন।
তারপর ৮ই এপ্রিল একটু জোর পূর্বক ভাবে লিখলেন একটি ভিডিও আপলোড দিয়ে, যা শেয়ার হয়েছিল ১২৫৭ বার-
“জাতির বিবেক আজ খামছে ধতে সেই পুরানো শকুন!
মাত্র ৮বছয় বয়সের ছেলে চানাচুর ব্যবসায়ী কি ভাবে সম্ভব! উত্তর দিন!
আল্লাহ আপনার দান কে কবুল করেন! আমিন!- যারা এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চান শুধু তারাই ফোন দিন! 01723300900”
হয়তো কেউ কেউ এতো দিনে বুঝে গেছেন তিনি ফ্রড, হইতো মানুষের কথা না শুনতে হয় তাই বললেন যারা এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চান শুধু তারাই ফোন দিন!
১১ই এপ্রিলের একটি ভিডিও পোষ্ট এ তিনি তার বিকাশ নম্বরটি ব্যবহার করেন নি যা ছিল একটি রবি নম্বর যা কিনা রোগীর ভাইয়ের বিকাশ নম্বর হিসেবে উল্লেখ ছিল।
মাঝে মাঝে এমন ভাবে “মা” শব্দটিও ব্যবহার করতেন তিনি, তাতে যদি আরেকজন মায়ের সপ্ন পূরণ হয়। “আপনার মায়ের নামে সাহায্য করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন! 01723300900”
সব কিছু মিলিয়ে এখনো পেয়ার ভাই মানুষের হৃদয়ের পেয়ারী ভাই হিসেবে রয়েগেলেন।
২২ জুন এখানেও অসুস্থ শিশুর বাবার নম্বরের সাথে তার নম্বর দিয়ে দেন। না, ডাল মে কুচ কালা নেহি হে কিউকি পেয়ারী ভাই লোক সাঁচ্চা মানকা থা। ইসলিয়ে উনকা সোপেদ মান মেয়ে কোয়ি কালা নেহি হে, অর হামেশা আপনে পেয়ারী ভাই সোপেদ জামাই পেহেনতি হে।
৫ ও ৭ জুলাইয়ের দুইটি পোষ্ট এ তিনি এক জৈনক হুজুরের পার্সোনাল নম্বর লিখতে গিয়ে নিজের পার্সোনাল বিকাশ নম্বরটিও হুজুরের বলে চালিয়ে দেন...।
তারপর মুক্তামনির পাশেও দাড়ালো পেয়ার ভাই, ৮০ হাজার টাকাও দিলেন। তার মানে বুঝা গেল আমি এখনো তার কোন খারাপ দিক ই তুলে ধরতে পারিনি।
এইবার হল একটি ভিডিও লিংক দিলাম আর বাকিটা ইতিহাস।
Investigation 360 HD: https://www.youtube.com/watch?v=RZ6_XXliLf8
লেখায় কোন ভূল তথ্য থাকলে অনুগ্রহপূর্বক ক্ষমাস্বরূপ দৃষ্টিতে দেখবেন।
ছবি গুগোল
১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪৭
অজানা তীর্থ বলেছেন: ঠিক বলেছেন নতুন আপনি। হয়তো সামনে অন্য কেউ সময় উপযোগী আরো নতুন কিছু নিয়ে এই আমজনতার সহজ সরল মনকে আবার পূঁজি করবে, কিন্তু লাভ আছে কি? সবার পরিণতি পেয়ার সাহেবের মতই হবে তাও তারা করবে। ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।
২| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৩৩
জগতারন বলেছেন:
এই লোক (আহসান হাবীব, পিয়ার)-এর ভি-ডি-ও' দেখে এ বছরের প্রথমে দেয়া আমার মন্তব্য ছিলঃ
এই বকর বকর করা আহসান হাবীব, পিয়ার'কে স্মরন করায়ে দিতে চাই যে, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) নামটি উচ্চারন করার সাথে সাথে তাহার প্রতি দুরুদ পড়া আবশ্যক। লিখতে হবেঃ (সাঃ) বা (দঃ) বা বলতে হবেঃ আল্লাহর তরফ থেকে তাহার প্রতি শান্তি বর্ষিত হওক।
আমার তো মনে হয় এই আহসান হাবীব, পিয়ার, ইসলামের নাম নেয়া, চোখে কাজল বা সুরমা দিয়ে আদ্ধাতিকতা দেখায়ে, মুখে দাড়ী ও আলখেল্লা পরা এক ভণ্ড প্রতারক কিনা!!!
এর ভি-ডি-ও'তে মুহাম্মদ (সাঃ) নামটি উচ্চারন করার পর তার প্রতি যথাযত সম্মান প্রদর্শন করা হয়নি দেখে; আমি তার দেয়া ভি-ডি-ও' দেখা শেষ করি নি। দর্শকদেরও বলব তার ব্যাপারে ভালোভাবে না জেনে তার কোন ভি-ডি-ও’ দেখা থেকে বিরত থাকুন।
এখন মন্তব্যঃ
আসলে নিকৃষ্ট নোয়াখাল্লাদের উতকৃষ্ট উদাহরন হইলো এই ভন্ড আহসান হাবীব, পিয়ার।
১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:৪৪
অজানা তীর্থ বলেছেন: আসলে নিকৃষ্ট নোয়াখাল্লাদের উতকৃষ্ট উদাহরন হইলো এই ভন্ড আহসান হাবীব, পিয়ার।
নোয়াখালীর মানুষ ই নিকৃষ্ট হয়? স্থান দিয়ে মানুষ কে বিচার করলেন আপনি? যাইহোক ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।
৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:০৮
রানার ব্লগ বলেছেন: এক জন পিয়ারকে ধরলে হবে, এমন হাজার হাজার পিয়ার বাংলার আনাচে কানাচে লুকিয়ে আছে।
১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৯
অজানা তীর্থ বলেছেন: সেটাই মুখ্য কিন্তু যুগে যুগে লালসালু কথাটার সমাপ্তি হবেনা, কি করবো আমাদের বিশ্বাস একদিন হবে। ধন্যবাদ রানার ব্লগ।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:১৬
নতুন বলেছেন: আমাদের দেশের মানুষের ধম` ভীরুতাকে পুজি করে পীর/মাজার ওয়ালারা অনেক ব্যবসা করে যাচ্ছে....
পেয়ার ও পারতো কিন্তু উনার নারী আসক্তিরই করনেই পতন হয়েছে...
শিগ্রহী নতুন কোন পেয়ার এই রকমের ভন্ডামী নিয়ে আসবে...
কারন জনগন এখনো সহজ সরল মনেই সাহাজ্যের জন্য এগিয়ে আসে...