নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আখ্যাত

আমি একজন মন্দ মানুষ বলেই নিজেকে জানি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার উদারতা।

আখ্যাত › বিস্তারিত পোস্টঃ

বলবো বলবো করে বলাই হচ্ছেনা

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:১০


ভালো একটা চিন্তা এসেছে মাথায়। বলবো বলবো করে বলাই হচ্ছেনা। সব ডিপার্টমেন্টের ভাই বোনদেরকে দেয়ার জন্য প্রস্তাব টি মুখস্থ করে রেখেছি, সুযোগ পাওয়া মাত্রই যেন গড় গড় করে বলে ফেলা যায়। ভণিতা না করে কথায় আসি-

আমাদের ভালো ছাত্ররা সারা ছয় মাস ধরে মনের মমতা দিয়ে যে নোট গুলো তৈরি করেন, পরীক্ষার আগের দিন সেগুলোর জনপ্রিয়তা থাকে আকাশচুম্বী। ফটোকপির হিড়িক পড়ে যায় এখানে ওখানে। নোটকর্তাদের আদর কদর বেড়ে যায় হু হু করে।

পরীক্ষা চলে গেলে এই ফটোকপিগুলো অদরকারী হয়ে যায় অনেকের কাছে । আর অনেকে যত্ন করে বান্ডিল বেঁধে রেখে দেয়, পরের ব্যাচের ছোট ভাই বোনদের হাতে তুলে দিয়ে তাদের কৃতজ্ঞতার হাসি উপভোগ করার জন্য ।

ভাল মানের নোটের কপিগুলো বার বার কপি হতে হতে একসময় তার পাঠোদ্ধার করা আর সম্ভব হয়না। এভাবেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে মূল্যবান নোটের কপিগুলো।

অবশ্য নোটকর্তাদের মূল পাণ্ডুলিপিগুলো একটু বেশি দিন বাঁচে। কিন্তু যত্ন করে সেলফবন্দী করে রাখা এই নোটগুলো পরবর্তীদের কোন উপকারে আসেনা। আমৃত্যু কারাদণ্ড ভোগ করে সেগুলিও বিলুপ্তির অনিবার্য ভাগ্য বরণ করে।

প্রস্তাব? এক্ষুণি দিচ্ছি- “আপনার প্রাণপ্রিয় নোটগুলিকে বহু কাল পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখার লক্ষ্যে একটি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার প্রস্তাব দিচ্ছি।”।
আপনাকে যা করতে হবে-
• ক্লাসের লেকচারগুলো উপভোগ করার চেষ্টা করুন।
• স্যারের মুখনিঃসৃত দরকারী কথাগুলো কোনভাবেই যেন হাতছাড়া না হয়— সব দরকারী কথাই যেন নোট করা হয়।
• স্যারের লেকচার, অনলাইন রিসোর্স, গ্রুপ স্টাডি, সর্বোপরি নিজের উপলব্ধি ও মনের মাধুরী মিশিয়ে সবচেয়ে সুন্দর নোটটি তৈরি করুন। বছরের পর বছর যেন এগুলোর চাহিদা অক্ষুণ্ন থাকে।
• ক্লাস, পরীক্ষা, অধ্যয়ন ও নিয়মিত কাজের ফাঁকে ফাঁকে নোটগুলো টাইপ করতে থাকুন।
• নোটগুলোকে সময় সুযোগ মত আপনার নিজের ওয়েব সাইটটিতে সাজিয়ে রাখুন। তারপর লোকজনকে (বিশেষ করে ছোট ভাই বোনদেরকে) আপনার ওয়েব সাইটে দাওয়াত করুন।

সবার কাছে নোট আহ্বান করে, সবার পাঠানো ভালো নোটগুলোর সাহায্যে একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহশালা গড়ে তোলার আনকমন উদ্ধোগটি গ্রহণ করতে পারে সামু?

আমাদের দলে যোগ দিন

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০১

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: আমি বিশ্ববিদ্যালয় লাইফ শেষ করেছি এই সব নোট পত্রের ঝামেলা ছাড়াই। সহজ কিছু কাজ করতাম।
১। আমার এটেন্ডেন্স ১০০% থাকতো।
২। সব সময় ক্লাসের মাঝামাঝি দিকে বসতে চেষ্টা করতাম।
৩। ক্লাস লেকচার প্রচন্ড মনোযোগ দিয়ে শুনতাম। এই টাইমে গার্লফ্রেন্ডরেও পাত্তা দিতাম না।
৪। প্রতিদিন ৪/৫টা ক্লাস হতো। ক্লাস শেষে প্রতিদিন লাইব্রেরীতে গিয়ে মাত্র ৩০-৪০ মিনিট এই গুলা একবার দেখতাম।
৫। এরপর আর নাড়াচাড়ায় যেতাম না। যতক্ষণ না ক্লাস টেষ্ট হয়। ক্লাস টেষ্টের আগেও পড়তাম না; পড়াতাম। সবার সমস্যা গুলি সমাধান করবার চেষ্টা করতাম তাদের সাথে বসেই।

ব্যাস, আমার পড়া অটো হয়ে যেতো, আর নোট ফোটের ঝামেলায় পড়া লাগতো না!

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৩২

আখ্যাত বলেছেন:

জিএফ কে উপেক্ষা করে লেকচার শোনে যারা
তারাই সংসারে গিয়ে বউকে উপেক্ষা করে বই নিয়ে পড়ে থাকে :D
সে যাই হোক
সবার সমস্যা সমাধানের সময় (গুপস্টাডি) যে আনকমন থিওরীগুলি মাথায় আসে
লিখে না রাখলে সেগুলো আঁতুড় ঘরেই মারা যায়
লিখে রাখার বিকল্প নেই
পরবর্তি জেনারেশনগুলোকেও উপকৃত করতে চাইলে লিখতেই হবে

২| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:২০

রাজীব নুর বলেছেন: নোট আমি দিতে পারবো না।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৩৩

আখ্যাত বলেছেন:
পঞ্চাশ টাকার নোট দেন একটা

৩| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:১৭

বাংলার মেলা বলেছেন: আজকাল ফাঁকিবাজ টিচারের সংখ্যা মারাত্মক বেড়ে গেছে। নকল করে পাস করে একেকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার আর এসিস্টেন্ট প্রফেসর হয়ে যায় - স্টেজে দাঁড়ালে এদের পড়াশোনার কথা কিছু মনে পড়েনা। কেবল সুন্দরী ছাত্রীদের দিকে তাকিয়ে থাকে আর প্রভাব খাতিয়ে কিভাবে একে যৌন হয়রানি করা যায় সেই বুদ্ধি আঁটতে থাকে।

পরীক্ষায় পাশ করতে হলে এটেন্ডেন্স দিয়েও কিছু হবেনা, লেকচার ফলো করলেও কাজ হবেনা। নোটই ভরসা।

৪| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৫

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: বেশি কষ্ট পেলে যা হয়! একদম ভেতর থেকে কথা গুলো বের হইয়া গেছে

৫| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭

অয়ন নাজমুল বলেছেন: আমি ফাঁকিবাজ ছিলাম। একটা খাতায় সব সাবজেক্টের নোট তুলতাম। সেমিস্টার শেষ হয়ে যাইতো কিন্তু খাতা শেষ হইতো না। বছরে যে টাকার ফটোকপি করতাম তা দিয়া চার তালা দালান উঠানো যাইতো।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৩৪

আখ্যাত বলেছেন:
কর্মব্যাস্ত জীবন
নোট করার সময় কই
এত এত ফটোকপির দোকান থাকতে নোট করার দরকারই বা কী

৬| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বাজারের গাইড বই এই চোথা সংস্কৃতির উফরে নির্ভর করিয়াই গড়িয়া উঠিয়াছে ! ইহারই কারণে ইনটেনসিভ লার্নিংয়ের ইয়ে মারা গিয়াছে , আবার ইহারই আর্কাইভ তৈরী করিতে চাহিতেছেন ? ইহা এক করিয়া বসুন্ধরা কোম্পানিরে দিয়া দেন , টয়লেট পেপার বানাইবে !

লার্নিং রিসোর্স টেক্সট, রেফারেন্স, রিসার্চ আর্টিকেল আর শিক্ষকের লেকচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকিলে যথেষ্ট হইবে। গ্রূপ বা সিঙ্গেল স্টাডি করিয়া উহা আয়ত্বে আনা যাইতে পারে।

শিক্ষকদের উচিত এভালুয়েশন মেথড এমন করা যেন চোথা পড়িয়া ছাগল উৎপাদন না হয় !!

প্রস্তাবটা সংশোধন করিয়া বরং লার্নিং গ্রূপ খুলুন , কাজে দিবে ভাইডি !!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.