| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হৃদয়ে বাংলাদেশ.....
প্রিয় ব্লগার ভাইয়েরা,
আমার এক বন্ধু তার বিবাহিত স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে চান(স্ত্রীয়ের স্বেচ্ছাচারিতার জন্য) ।কিভাবে দিলে ভালো হয়?
উল্লেখ্য তার স্ত্রী এই বলে হুমকি দিচ্ছেন যে তাকে ডিভোর্স দিলে তার নামে নারী-নির্যাতনের মামলা দিবে বা অন্য কোন হয়রানীমুলক মামলা দিবে।(বন্ধুটি সরকারী চাকুরী করেন।)
আইনজ্ঞ ব্লগারবৃন্দ সাহায্য করুন।
২|
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ রাত ১২:১৫
আনীলা বলেছেন: আহা কেন? কেন? ডিভোর্স কেন?
একটা সম্পর্ক কতো স্বপ্নগুচ্ছ নিয়ে তৈরি হয়!
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ রাত ১২:১৯
অলিন্দ বলেছেন: স্বপ্ন ভেঙ্গেগেলে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা এক বিরম্বনা..প্লিজ কিছু জানা থাকলে জানান।
৩|
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ রাত ১২:৩০
জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: আপনার বন্ধু আদালতে বিবাহবিচ্ছেদ মামলা করতে পারেন।
শ্বশুর দেশের এলাকার চেয়ারম্যানের কাছে এ ব্যাপারে অভিযোগ করতে পারেন। নোটিশ পাঠাতে পারেন বিবাহ বিচ্ছেদ চেয়ে।
নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তালাক রেজিস্ট্রি করে চেয়ারম্যানের কাছে নোটিশ পাঠাতে পারেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, আপনার বন্ধু যৌতুক নিয়েছিল কিনা। দেনমোহরের টাকা সব পরিশোধ করেছিল কিনা। এর ওপরই নির্ভর করবে কীভাবে তালাক কার্যকর হবে।
তালাক দিতে চাইলে আইন আপনার বন্ধুকে বাধা দিতে পারবে না। খোরপোষ, দেনমোহর নিয়ে ঘাপলা হবে।
উত্তম পদ্ধতি হলো দুপক্ষ আপসে ছাড়াছাড়ির চুক্তি করলে। স্ত্রীপক্ষ অসাধু হলে নানা ভাবেই আপনার বন্ধুকে নাকাল করতে পারে।
যে কাজির মাধ্যমে বিয়ে হয়েছিল সেও ভাল পরামর্শ দিতে পারে।
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ রাত ১২:৫৫
অলিন্দ বলেছেন: "সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, আপনার বন্ধু যৌতুক নিয়েছিল কিনা। দেনমোহরের টাকা সব পরিশোধ করেছিল কিনা।"
যৌতুক নেয় নি। দেনমোহর বাকি আছে।(তবে যেকোনো সময় পরিশোধ করবে, কি প্রসেসে পরিশোধ করবে?)
"স্ত্রীপক্ষ অসাধু হলে নানা ভাবেই আপনার বন্ধুকে নাকাল করতে পারে।"
এটাই ভয় ওর। নিজেকে কিভাবে যথাসম্ভব বাচাবে তার পরামর্শ দিন।
৪|
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ রাত ১:১৩
প্রবাসী১২ বলেছেন: বন্ধুটি কে? আপনি নিজে?
৭/৮ মাস আগে পরিচিত একজন আমার কাছে একই বিষয়ে পরামর্শ চেয়েছে, আমি বলেছি ইস্তেখারা করতে। ১৫/২০ দিনপর যখন জিজ্ঞেস করলাম কি খবর, বল্লো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন। আপনাকেও বলছি ইস্তেখারা করুন, হয়তো আপনিও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন।
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ রাত ১:৩১
অলিন্দ বলেছেন: বন্ধুটি কে? আপনি নিজে?
নিজে কেমনে বন্ধু হওয়া যায়?
আপনাকেও বলছি ইস্তেখারা করুন, হয়তো আপনিও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন।
ইস্তেখারা মানে কি অপেক্ষা বা ধের্যধারণ করা? ও ২/২.৫ মাস আলাদা আছে। বিয়ে ২ বছরের বেশী সময় হয়েছে। এই দু বছরে অনেকবার ও ডিভোর্স দিতে চেয়েছে। আমরা বুঝিয়ে শুনিয়ে আটকিয়েছি... এবার ও কোনো ভাবেই মানতে নারাজ। ওর যত চিন্তা হয়রানী নিয়ে...
৫|
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ রাত ১:৫০
প্রবাসী১২ বলেছেন: ইস্তেখারা আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো কল্যান প্রার্থনা করা। অর্থাত আপনি যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সংশয়ে আছেন, সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্তটি আপনার জন্য কল্যাণকর সে বিষয়ে সরাসরি আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা। ইস্তেখারার একটি দোয়া আছে। দুরাকাত নফল নামাজ পড়ে দোয়াটি পড়তে হয়। তিন বার ইস্তেখারা করলে আপনি অবশ্যই মানষিকভাবে একটি দিক নির্দেশনা পাবেন। সাহাবিদের মাঝে এর বহুল প্রচলন ছিল।
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ সকাল ৮:২১
অলিন্দ বলেছেন: প্রিয় ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ। আসলে পোস্টে আইনি পরামর্শ চাওয়া হয়েছে।
৬|
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ সকাল ৮:৪৫
জাফরুল মবীন বলেছেন: ডিভোর্সের পূর্বে আরেকটি বার চেষ্টার অনুরোধঃযেহেতু মেয়েটি ডিভোর্স চাচ্ছে না সুতরাং শেষ চেষ্টা আরেকবার করা যেতে পারে প্রফেশনাল ব্যক্তির সাহায্যে।স্বেচ্ছাচারিতা বলুন আর সহ্যসীমা অতিক্রম করে যাওয়ায় বলুন উভয়টি মানসিক দূর্বলতা কিংবা অসুস্থতা নির্দেশ করে।এক্ষেত্রে উভয়কে একজন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের পরামর্শ নিতে বলুন;তিনিই এর কারণ উদঘাটন ও প্রতিকারের সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।এমনকি তালাকের ক্ষেত্রে পরস্পরের প্রতি প্রতিশোধমূলক আচরণ যেন না করেন সে বিষয়েও তিনি প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিতে পারবেন।ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টরা শুধু রোগ নয়,ব্যক্তিগত সমস্যার ব্যাপারেও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।আপনি পিজি হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগে বা জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন.,শ্যামলীতে এ সাহায্য পাবেন।তাছাড়া ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টদের ব্যক্তিগত চেম্বারেও এ সেবা পাবেন।
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ সকাল ৯:০২
অলিন্দ বলেছেন: আপনার পরামর্শটি সুন্দর। দেখি ওরে মানানো যায় কিনা?
আপনি কি কয়েকটি ঠিকানা দিতে পারবেন। কতদিন আগে এপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়? ওরা দুজনেই ঢাকার বাইরে থাকে....
৭|
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ দুপুর ১:০৯
প্রবাসী১২ বলেছেন: আইন তখনই প্রয়োজন হবে যখন ডিভোর্সের বিষয়টি আসবে, হতে পারে ডিভোর্সই হবেনা, তারা আগের মত ঘর করতে সম্মত হবে। আপনি আপনার বন্ধুকে ইস্তেখারা করার পরামর্শ দিন।
৮|
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ দুপুর ২:০৫
রাহুল বলেছেন: ডিভোর্সের আগে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের পরামর্শ নেয়া উত্তম।সংসারটা আবার জোড়া লাগতেও পারে।
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ দুপুর ২:১৮
অলিন্দ বলেছেন: ভাই তাহলে, কয়েকটি ঠিকানা দিন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের।
৯|
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ দুপুর ২:৩০
আহসানের ব্লগ বলেছেন: :-(
১০|
১১ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:১২
লেখোয়াড় বলেছেন:
ডিভোর্স নেওয়ার দরকার কি?
১১|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩০
খেলাঘর বলেছেন:
আপনার জন্য হলে দিতাম; বন্ধুর পথ বন্ধু খুঁজে নেব।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ রাত ১২:১৩
অলিন্দ বলেছেন: হয়রানীমুলক মিথ্যা মামলা থেকে বাচার উপায় কি?
সে নাকি শুনেছে ওর স্ত্রী নারী নির্যাতনের মামলা দিলেই নাকি তার হাজতবাস হবে...পরে বিচারে যাই হোক।
আর বিচারে নাকি অধিকাংশ মামলাতে মেয়েরাই জয়ী হয়....আইনের পাল্লা নাকি মেয়েদের দিকেই কাজ করে।
প্লিজ হেল্প করুন। আমার বন্ধুটি খুব আতন্কিত।