নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর আমজাদ

ওমর আমজাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি ভোট একটি সমর্থন

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩৫

আপনি ভোট কাকে দিবেন? সেটা আমি জানতে চাই না। সে অধিকারও আমার নেই।
পত্র-পত্রিকায় কলামের পর কলাম লিখে, ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট দিয়ে সবাই শুধু শান্তির পক্ষে ভোট চাইছে। উন্নতি,প্রগতি ও শৃঙ্খলার প্রতি জনমত তৈরি করছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের কামনা করছে। আর এই সবকিছুই করছে দুদিনের এই দুনিয়ার জন্য। পার্থিব কিছু ভোগ বিলাসের জন্য। যা মেকি , অসুন্দর ও কদর্যতায় ভরপুর।

গণতন্ত্রকে ইসলাম কখনোই সমর্থন করে না। শুধু গণতন্ত্র কেন? কোনো মতবাদেই ইসলাম বিশ্বাসী নয়। কেননা পৃথিবীতে যারা যত মতবাদের উত্থান ঘটিয়েছে, তাদের মাঝে ও তাদের মতবাদের মাঝে শতকরা ৯৯% ভুল রয়েই গেছে। যার দরুন নির্বাচনের আগেই জনসাধারণ হিমশিম খাচ্ছে বিভিন্ন বিভীষিকাময় বিষয় নিয়ে।
ইসলাম চায় কুরআন দিয়ে দেশ পরিচালিত হোক। কুরআনের অনুশাসনে দেশের আমির ও ফকির শাসিত হোক। একমাত্র কুরআনেই আছে মানুষের সর্বাঙ্গীন বিষয়ের সমাধান। কেননা কুরআন তো এক আল্লাহর বিধান। অন‍্যদিকে মানুষের গড়া এসব তন্ত্র-মন্ত্র সৃষ্টিই হয়েছে কেবল আপন আপন স্বার্থের প্রতি লক্ষ করে। যে কারণে একবার ক্ষমতায় গেলে কোনো দলই চায় না আর গদি থেকে নামতে।

আপনি জানেন, একটি ভোট মানে একটি সমর্থন। একটি স্বীকারোক্তি। চায় প্রার্থী ন‍্যায়ের পক্ষে হোক কিংবা অন‍্যায়ের। আপনি তাকে ভোট দিলেন মানে তাকে সমর্থন করলেন। তার আদর্শ অনুসরণ করলেন। উপরন্তু তার কাজের সহযোগীও হলেন।
এখন আপনার ভোট দেয়া প্রার্থী যদি বিজয়ী নির্বাচিত হয় আর সে দেশের শাসক হয়ে শহরের অলিগলিতে পতিতা পল্লির লাইসেন্স দেয়, থানায় থানায় বড় বড় সিনেমা হল গড়ে তোলে, ইন্টারনেটে ঢালাওভাবে পর্ণোগ্রাফির ওয়েবসাইট খুলে দেয়, মদ গাঁজা হিরোইন ইত‍্যাদির বাজারজাতে সাহায্য করে, দেশের সরকারি ব‍্যাংক থেকে কোটি টাকা ব‍্যয় করে অশ্লীল সিনেমা তৈরিতে যোগান দেয়, সিনেমার নগ্নপাপীদেরকে তারকা খেতাব দিয়ে পুরস্কৃত করে বা ইসলামে নিষিদ্ধ এমন কাজ সে সরকার দেশে চালু করে, তবে তার সমর্থক হিসেবে আপনি মরেও শান্তি পাবেন না। গুনাহের একটি অংশ আপনি কবরে বসেও পাবেন!

আপনি ও আমি মুসলিম। গণতান্ত্রিক নিয়মের দিকে তাকালে এই ভোট আমাদের আমানত। যদিও ইসলাম কখনোই গণতন্ত্রকে বৈধতা দেয় না। কিন্তু আপনি ও আমি হঠাৎ করেই সবকিছু উপড়ে ফেলতে পারবো না। তাই আমাদের উচিত এমন লোককেই ভোট দিয়ে সরকার নিযুক্ত করা,যার দ্বারা উপরোল্লেখিত পাপের কাজগুলো কখনোই সংঘঠিত হবে না। যাতে হাশরের কঠিন ময়দানে যিনা না করেও যিনাকারী হিসেবে আল্লাহর সামনে না দাঁড়াতে হয়। মনে রাখবেন! একটি ভুল ভোট ও ভুল সমর্থনই পারে আপনাকে জাহান্নামের দোর গোড়ায় পৌঁছে দিতে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.