| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি অবাক হই! দেখি বিস্ময়ভরা চোখে।
বিশাল পাশাল় ঈদগাহ জুড়ে লাখো মুসল্লিদের ঢল। নামাজি লোকের জোয়ারে জোয়ারে টইটুম্বুর পুরো ঈদগাহ। এমন ঈদগাহ পৃথিবীতে হাজারো আছে। আমাদের দেশেও আছে শত শত।
আমি দেখি। দেখি বিস্ময়ভরা চোখে।
বিশাল মসজিদ ভরা মুসল্লি। গিজগিজ করছে লোক। উচু তাকবির ধ্বনি অনুরনিত হচ্ছে পুরো মসজিদে। কারুকাজ খচিত সুরম্য এই মসজিদ হলো আল্লাহর ঘর। মুসলমানরা এই মসজিদকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে। তাই গভীর আবেগ দিয়ে তারা নির্মাণ করে মসজিদ। পাড়া় ,এলাকা কিবা শহরের সব লোক এক জোট হয়ে অঢেল টাকা উজাড় করে নির্মাণ করে এই মসজিদ। এমন মসজিদ পৃথিবীতে আছে অগণিত। আমাদের বাংলাদেশেও আছে শত শত। আজ আমাদের ঢাকা হলো 'মসজিদের শহর'।
জুমার দিনে মসজিদ পানে ছুটে আসে অগণিত ধর্মপ্রাণ মুসলমান। ছুটে আসে মুসল্লিদের জোয়ার। ছুটে আসে কিশোর তরুণ যুবক বৃদ্ধ। আর ছোট-ছোট শিশু। যে শিশুগুলো আল্লাহর হুকুমত কায়েমের ইঙ্গিত এখনো পায়নি। বাকি যারা পেয়েছে,তারা এখনো বোঝেনি, ইসলাম কী? ইসলামী হুকুমত কাকে বলে ?কিবা বুঝেও হয়তো ইসলাম তারা মানেনা। ইসলাম চায়না।
প্রতিদিন মসজিদে মসজিদে, পৃথিবীর পর়তে পর়তে অগণিত মুসলমান আল্লাহর কুদরতি পায়ে সেজদা দেয়। কুঁকিয়ে কাঁদে। আল্লাহর সকাশে মিনতি করে। সুন্দর জীবন যাচে তার কাছে।
এত মানুষ!এত মুসলমান! এত ঈমানের ডাক!
এত মসজিদ! এত মাদ্রাসা! এত ঈদগাহ !
এত পীর!এত মুরিদ! এত মাজারগাহ!
এত ওলি!এত আশিকে রসুল! এত সুন্নী! এত ঈমানী দল! এত দীন তাবেদার আর ইসলামের নিশান-বরদার থাকতেও কেন পৃথিবীর মুসলিম দেশে-দেশে ইসলামী হুকুমত কায়েম হচ্ছে না? কেন আমাদের দেশেও কায়েম হয়নি আজও আল্লাহর হুকুমাত? যে আল্লাহর পায়ে সেজদা করি, মাথা নোয়াই, তাঁকে খুশি করার জন্য একটিবারও কি আমরা পারি না আল্লাহর হুকুমাত কায়েম করতে? তাহলে কি বুঝবো আমরা মুসলমান নই? নামকে-ওয়াস্তে মুসলিম নাম রেখেছি? মসজিদে মোনাজাতে শুধু মায়াকান্না আর মিনতি করি আল্লাহর কাছে? এত মুসলিম মোরা! তবু কেন ইসলাম কায়েম হবে না?তবে কি আমরা প্রকৃত মুসলিম নই? আজ এসব ভেবেই আমি অবাক হই। বিভ্রান্ত হই।
আসলে আমরা কেউই ইসলাম চাইনা। আমরা চাই ক্ষমতা পদবি। তাই হয়তো আমরা দাড়ি রাখি। নামাজ পড়ি। বাইরে বরণে ভালো সেজে ভেতরে ভেতরে ঠিকই আমরা শয়তানের পূজা করি। পূজা করি গণতন্ত্রের। পূজা করি আব্রাহাম লিংকনের। অথচ এক আল্লাহর গোলাম হয়ে ইসলাম কায়েমে,তাঁর হুকুমত কায়েমে আমরা মোটেও আগ্রহি হই না।আগ্রহ দেখায় না। আমরা এতই নীচ! এতই নাফরমান!
কেনো আমরা ইসলাম কায়েমে আগ্রহী নই?
কারণ ইসলাম কায়েম হলে চুরিতে আমাদের হাত কাটা যাবে। ঘুষ খেয়ে কাটা যাবে নাক। জিনা ব্যভিচারে উবে যাবে প্রাণ। মেয়েঘেঁষার সুযোগগুলোও বন্ধ হয়ে যাবে। স্কুল কলেজ ভার্সিটিতে সহপাঠ হয়ে যাবে বন্ধ। বন্ধ হয়ে যাবে ব্যাংকে, অফিসে আদালতে কিবা গার্মেন্টসে একযোগে কাঁধে কাঁধ রেখে নারীর সাথে কাজ করা। চোখে চোখ রাখা। অযথা গালগপ্পো করে সময় পার করা। বন্ধ হয়ে যাবে নাটক সিনেমা অশ্লীলতা। ফ্রি টক টাইমে প্রেমালাপ। আর আঁটসাঁট ছোট কাপড়ের বিশাল বাজারও হয়ে যাবে বন্ধ। যে কাপড় অকাপড়ের নামান্তর। যে কাপড়গুলো গায়ে় পরেও অর্ধনগ্ন হয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় আমাদেরই কিশোরী-তরুণী যুবতী মেয়ে বা বোন। আমরা আমাদেরই স্বার্থে ইসলাম মানি না।চাই না কভু ইসলাম দিয়ে রাষ্ট্র চলুক। তাই আমরা সবাই স্বার্থবাজ। সবাই ধোঁকাবাজ। আমরা আল্লাহকে ধোঁকা দিচ্ছি। তাঁর রাসুলকে ধোঁকা দিচ্ছি।
গণতন্ত্রের থিউরি হচ্ছে---জন স্বীকারোক্তি। জন সমর্থন প্রথা। ইসলামের সাথে যার কোনো মিল নেই । কোনো সংযোগ নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠ বা তুলনামূলক বেশি জনগণ যাকে ভোট দিবে,সমর্থন করবে, সে-ই হবে দেশের সরকার। সে-ই হবে ক্ষমতাবান। নির্বাচনে সে-ই হবে বিজয়ী। চাই সে শিক্ষিত হোক কিবা মূর্খ। যোগ্যবান হোক কিবা অযোগ্য। সে-অর্থে একটি দেশের অধিক সংখ্যক মানুষ যদি চোর হয়,তাহলে সে দেশের সরকারও হবে চোর। জনগণ ডাকাত হলে সরকারও হবে ডাকাত। জনগণ সুদখোর ঘুষখোর কিবা দুর্নীতিবাজ হলে সরকারও তা-ই হবে। কেননা স্বার্থের এই দুনিয়াতে সবাই নিজ স্বার্থটাকে প্রাধান্য দেয় এটাই স্বাভাবিক। আর তাই চোর তার হাত বাঁচাতে এমন লোককেই ভোট দিবে, যে সরকার হয়ে তার হাত কাটবে না। ডাকাত এমন লোককেই ভোট দিবে,যে কখনো তাকে জেলে ভরবে না। তেমনি শিক্ষিত, ডিগ্রিধারী,আইনজীবী, বুদ্ধিজীবী, ব্যাংকার, প্রশাসনিক চাকরিজীবী কিবা
২|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৩৫
পবিত্র হোসাইন বলেছেন: অনেক ভালো লিখেছেন। স্বাগতম আপনাকে।
অনেক বড় কমেন্ট করার জন্য দুঃখিত।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৩২
পবিত্র হোসাইন বলেছেন: সহীহ মুসলিম (ইফাঃ) ১
দাসী তার প্রভুর জননী হবে; আর নগ্নপদ, বিবস্ত্রদেহ দরিদ্র মেষপালকদের বিরাট বিরাট অট্টালিকার প্রতিযোগিতায় গর্বিত দেখতে পাবে।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ৪৮
বাঁদী যখন তার প্রভুকে প্রসব করবে এবং উটের নগণ্য রাখালেরা যখন বড় বড় অট্টালিকা নির্মাণে প্রতিযোগিতা করবে।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ৫৭
ইল্ম লোপ পাবে, অজ্ঞাতার বিস্তৃতি ঘটবে, মদপান ব্যাপক হবে এবং ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়বে।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ৮১
ইল্ম কমে যাবে, অজ্ঞতার প্রসার ঘটবে, ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়বে, স্ত্রীলোকের সংখ্যা বেড়ে যাবে এবং পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে, এমনকি প্রতি পঞ্চাশজন স্ত্রীলোকের জন্য মাত্র একজন পুরুষ হবে তত্ত্বাবধায়ক।
সহীহ মুসলিম (ইফাঃ) ৫
দাসী তার প্রভূকে জন্ম দেবে। এটি কিয়ামতের আলামতের একটি। বিবস্ত্রদেহ, নগ্নপদ লোক হবে জনগণের নেতা ; এটা কিয়ামতের আলামতের একটি। আর রাখালদের বিরাট বিরাট অট্টালিকার প্রতিযোগিতায় গর্বিত দেখতে পাবে, এটিও কিয়ামতের একটি আলামত।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ২৭২৬
আবূ নুমান (রহঃ) আমর ইবনু তাগলিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কিয়ামতের আলামত সমূহের একটি এই যে, তোমরা এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যারা পশমের জুতা পরিধান করবে। কিয়ামতের আর একটি আলামত এই যে, তোমরা এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যাদের মূখ হবে চওড়া, যেন তাদের মুখমন্ডল পিটানো চামড়ার ঢাল।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ২৯৫২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কিয়ামতের পূর্বের ছয়টি আলামত গণনা করে রাখো। আমার মৃত্যু, তারপর বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয়, তারপরও তোমাদের মাঝে ঘটবে মহামারী, বকরীর পালের মহামারীর মত, সম্পদের প্রাচুর্য, এমনকি এক ব্যাক্তিকে একশ’ দ্বীনার দেওয়া সত্ত্বেও সে অসন্তুষ্ট থাকবে। তারপর এমন এক ফিতনা আসবে যা আরবের প্রতি ঘরে প্রবেশ করবে। তারপর যুদ্ধ বিরতির চুক্তি-যা তোমাদের ও রোমকদের (খৃষ্টানদের) মধ্যে সম্পাদিত হবে। এরপর তারা বিশ্বাসঘাতকতা করবে এবং আশিটি পতাকা উত্তোলন করে তোমাদের মোকাবিলায় আসবে; প্রত্যেক পতাকা তলে বার হাজার সৈন্য দল থাকবে।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ৩৬৫৪
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (১) কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সর্বপ্রথম লক্ষণ হল লেলীহান আগুন যা মানুষকে পুর্বদিক থেকে পশ্চিম দিকে ধাওয়া করে নিয়ে যাবে এবং সবাইকে সমবেত করবে। (২) সর্বপ্রথম আহার্য যা জান্নাতবাসী ভক্ষণ করবে তা হল মাছের কলীজার অতিরিক্ত অংশ (৩) যদি নারীর আগে পুরুষের বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান পিতার আনুরূপ হয় আর যদি পুরুষের আগে নারীর বির্যপাত ঘটে তবে সন্তান মায়ের অনুরূপ হয়।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ৪৮৫১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ল্লহ্ -কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের আলামতের মধ্যে রয়েছে ইল্ম উঠে যাবে, অজ্ঞতা বেড়ে যাবে, ব্যভিচার বৃদ্ধি পাবে, মদ্য পানের মাত্রা বেড়ে যাবে, পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে এবং নারীদের সংখ্যা এত অধিক হারে বেড়ে যাবে যে, একজন পুরুষকে পঞ্চাশজন নারীর দেখাশোনা করতে হবে।
সহীহ মুসলিম (ইফাঃ) ৭
যখন দেখবে, দাসী তার মুনিবকে জন্ম দেবে, এটা কিয়ামতের একটি আলামত। আর যখন দেখবে নগ্নপদ, বস্ত্রহীন, বধির ও মূকেরা দেশের শাসক হয়েছে, এটিও কিয়ামতের একটি আলামত। আর যখন দেখবে, মেষপালক বিরাট বিরাট অট্টালিকার প্রতিযোগিতায় গর্বিত, এটিও কিয়ামতের একটি আলামত।
সহীহ বুখারী (তাওহীদ) ৫০
বাঁদী যখন তার প্রভুকে প্রসব করবে এবং উটের নগণ্য রাখালেরা যখন বড় বড় অট্টালিকা নির্মাণে প্রতিযোগিতা করবে।
মুসনাদে আহমেদ ৫
ক্রীতদাসী (বাঁদী) তার প্রভূকে প্রসব করবে এবং তুমি দেখতে পাবে খালি মাথা ও খালি পায়ে ছাগলের পালের রাখালরা (অর্থাৎ অশিক্ষিত মূর্খ, অর্বাচীন ও নীচু স্তরের লোকজন) বিশালকায় প্রাসা’দর অধিপতি হয়ে বসবে।
মুসনাদে আহমেদ ৭
যখন তুমি দেখতে পাবে ক্রীতদাসী (বাঁদী) তার প্রভুকে (ছেলে বা মেয়ে) প্রসব করবে (অর্থাৎ বাঁদীর গর্ভে জন্ম গ্রহণকারী সন্তান উত্তরাধিকারী সূত্রে ঐ বাঁদীর মালিক হবে এবং তাকে আযাদ না করে তার সাথে দাসীসূলভ আচরণ করবে) এবং মেষ অথবা ছাগপালকদেরকে দেখতে পাবে তারা বড় বড় প্রাসা’দর অধিপতি হয়ে বসেছে; আরও দেখতে পাবে খালি পা খালি মাথা ক্ষুধার্থ লোকেরা মানুষের নেতা হয়ে বসেছে।
সহীহ মুসলিম (ইফাঃ) ৬৫৪১
কিয়ামতের আলামত সমূহের অন্যতম হল ইলম উঠে যাওয়া, মুর্খতা প্রতিষ্ঠিত হওয়া, মদ্যপান ও ব্যাভিচারের প্রসার ঘটা।
সহীহ মুসলিম (ইফাঃ) ৬৫৪২
কিয়ামতের আলামত সমূহের অন্যতম হচ্ছে ইলম উঠে যাবে, মূর্খতা প্রকাশ পাবে, যিনা বিস্তৃত হবে, মদ্যপান প্রচলিত হবে, পূরুষ (এর সংখ্যা) হরাস পাবে, নারীরা অবশিষ্ট থাকবে, এমনকি পঞ্চাশ জন নারীর জন্য একজন পুরুষ তত্ত্বাবধায়ক থাকবে।
সহীহ মুসলিম (ইফাঃ) ৭১০৬
দাজ্জালের আবির্ভাব…
সুনানে নাসাঈ ৬৮৯
সুওয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-মসজিদের ব্যাপারে লোকের পরম্পরে গর্ব করা কিয়ামতের আলামতের অন্তর্ভুক্ত।
সহীহ বুখারী (তাওহীদ) ২৯২৭
০আমর ইবনু তাগলিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের আলামতসমূহের একটি এই যে, তোমরা এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যারা পশমের জুতা পরিধান করবে। কিয়ামতের আর একটি আলামত এই যে, তোমরা এমন এক জাতির বিপক্ষে যুদ্ধ করবে, যাদের মুখমন্ডল হবে চওড়া, তাদের মুখমন্ডল যেন পিটানো চামড়ার ঢাল। (৩৫৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭১২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৭২৩)
সহীহ বুখারী (তাওহীদ) ৩৯৩৮
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (১) কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সর্বপ্রথম আলামত লেলিহান অগ্নি যা মানুষকে পূর্বদিক হতে পশ্চিম দিকে ধাবিত করে নিয়ে যাবে এবং সবাইকে একত্র করবে। (২) সর্বপ্রথম খাদ্য যা জান্নাতবাসী খাবে তা হল মাছের কলিজার বাড়তি অংশ (৩) যদি নারীর আগে পুরুষের বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান পিতার মত হয় আর যদি পুরুষের আগে নারীর বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান মায়ের মত হয়।
সহীহ বুখারী (তাওহীদ) ৬৯৩৫
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না এমন দু’টি দল পরস্পর লড়াই করবে, যাদের দাবী হবে অভিন্ন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৬)
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ৫৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যখন আমানত নষ্ট করা হয় তখন কিয়ামতের প্রতীক্ষা করবে। সে বলল, কিভাবে আমানত নষ্ট করা হয়? তিনি বললেনঃ যখন কোন কাজের দায়িত্ব অনুপযুক্ত লোকের প্রতি ন্যাস্ত হয়, তখন তুমি কিয়ামতের প্রতীক্ষা করবে।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ৮০
ইমরান ইবনু মায়সারা (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, কিয়ামতের কিছু নিদর্শন হলঃ ইল্ম লোপ পাবে, অজ্ঞাতার বিস্তৃতি ঘটবে, মদপান ব্যাপক হবে এবং ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়বে।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ৮১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের কিছু নিদর্শন হলঃ ইল্ম কমে যাবে, অজ্ঞতার প্রসার ঘটবে, ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়বে, স্ত্রীলোকের সংখ্যা বেড়ে যাবে এবং পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে, এমনকি প্রতি পঞ্চাশজন স্ত্রীলোকের জন্য মাত্র একজন পুরুষ হবে তত্ত্বাবধায়ক।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ৯৭৯
আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামত কায়েম হবে না, যে পর্যন্ত না ইল্ম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। (হারজ অর্থ খুনখারাবী) তোমাদের সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ১০০০
মুহাম্মদ ইবনু আলা (রহঃ) আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণ হল, তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় উঠলেন এবং কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন। এরপর তিনি মসজিদে আসেন এবং এর আগে আমি তাঁকে যেমন করতে দেখেছি, তার চাইতে দীর্ঘ সময় ধরে কিয়াম, রুকু ও সিজদা সহকারে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। আর তিনি বললেনঃ এগুলো হল নিদর্শন যা আল্লাহ পাঠিয়ে থাকেন, তা কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে হয় না। বরং আল্লাহ তা’লা এর দ্বারা তাঁর বান্দাদের সতর্ক করেন। কাজেই যখন তোমরা এর কিছু দেখতে পাবে, তখন ভীত বিহ্বল অবস্থায় আল্লাহর যিকর, দু’আ এবং ইস্তিগফারের দিকে অগ্রসর হবে।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ)১৩২৯
আবূল ইয়ামান (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না তোমাদের মধ্যে সম্পদ বৃদ্ধি পেয়ে উপচে না পড়বে, এমনকি সম্পদের মালিকগণ তার সা’দকা কে গ্রহণ করবে তা নিয়ে চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়বে। যাকেই দান করতে চাইবে সে-ই বলবে, প্রয়োজন নেই।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ১৩৩০
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ রাহাজানির অবস্থা এই যে, কিছু দিন পর এমন সময় আসবে যখন কাফেলা মক্কা পর্যন্ত বিনা পাহারায় পৌছে যাবে। আর দারিদ্র্যের অবস্থা এই যে, তোমাদের কেউ সা’দকা নিয়ে ঘোরাফিরা করবে, কিন্তু তা গ্রহণ করার মত কাউকে পাবে না। এমন সময় না আসা পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ১৪৯৮
বায়তুল্লাহর হাজ্জ (হজ্জ) বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না।
সহীহ বুখারী (ইফাঃ) ২৩১৪।
আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, ইবনু মারয়াম (ঈসা আ) তোমাদের মাঝে ন্যায়বিচারক হয়ে অবতরণ না করা পর্যন্ত কিয়ামত হবে না। তিনি এসে ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকর হত্যা করবেন এবং জিযয়া কর তুলে দিবেন। তখন ধন-সম্পদের এত প্রাচুর্য হবে যে, তা গ্রহণ করার মত কেউ থাকবে না।