| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মানুষের মাঝে আলেমরাই অনুকরণ এবং অনুসরণযোগ্য। কোনো বিষয়ে জানার প্রয়োজন হলে আলেমদের শরণাপন্ন হওয়ার জন্য পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন,
‘তোমরা যদি না জানো তবে আলেমদের জিজ্ঞাসা করো। (নাহল : ৪৩)।
কিন্তু আজকে মুসলিম মিল্লাতের একটা বড় অংশ আলেমদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন।অল্প কিছু লোক,যারা দ্বীনের বুঝ রাখেন,কেবল তারাই আলেমদের সাথে সম্পর্ক রাখেন।
ব্রিটিশদের একটা বিরাট ষড়যন্ত্র এই ছিল যে তারা মুসলিম উম্মাহকে আলেমদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করবে।তারা সফলও বটে! ব্রিটিশরা চলে গেছে,কিন্তু তাদের গোলামরা যায় নি।ফলে ষড়যন্ত্র এখনো অব্যহত।
আজকে মুসলমানেরা,বিশেষ করে বাংলাদেশের মুসলমানেরা ইসলাম নিয়ে এক মারাত্নক অজ্ঞতার ভিতরে আছে।
তরুণদের প্রসংগ না আনলেই নয়।আমাদের তরুণ সমাজের সবচেয়ে বড় অংশ পাশ্চাত্যের নির্লজ্জ সংস্কৃতিতে বুঁদ হয়ে আছে।
আলেমদের কাছ থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন-এতটুকুর ভিতরে ক্ষয়ক্ষতি সীমাবদ্ব নয়।আরো মারাত্নক বিষয় হচ্ছে আজকে আমাদের সমাজ কিছু বর্ণচোরা নাস্তিকদের কাছে ইসলাম শিখছে।
থাবা'দের পরিচয় সুস্পষ্ট।তাদের উদ্দেশ্য সম্বন্ধে জনতা ১০০ ভাগ ওয়াকিবহাল।
কিন্তু মুসলমান নামধারী ইসলামবিদ্বেষী কিছু তথাকথিত সুশীল বান্দা খুব কৌশলের সাথে তরুণ সমাজের ভিতর নাস্তিকতার বিষ ঢুকিয়ে দিচ্ছে ।এই বিষ আর্সেনিকের মত,খুব ধীরে ধীরে প্রবেশ করানো হয়।
এই সমস্ত ইসলামবিরোধীরা কখনো নিজেদের নাস্তিক বলে সমাজে পরিচয় দেয় না।মুসলমানের একটা বিশেষ মুখোশ পরে থাকে।
যার ফলে আজকের সমাজ আলেমদের কাছ থেকে ইসলাম না শিখে ,শিখছে এই সব বর্ণচোরা নাস্তিকদের কাছে। জাফরীয় মতবাদ,আনিসীয় মতবাদ,আজাদী মতবাদকে ইসলামী মতবাদ মনে করা হচ্ছে।
জানি না এইসব বর্ণচোরা নাস্তিকগুলোর জায়গা জাহান্নামের কোন স্তরে হবে!
আল্লাহ,তুমি এদেরকে হেদায়াত দাও নাইলে ধ্বংস কর।-আমীন।
©somewhere in net ltd.