নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রাজাকারমুক্ত ব্লগ : ভুলেও ঢুকিস না!!!

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

অমি রহমান পিয়াল

বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ ........................ জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী : শেষ জমানায় কিছু প্রতারক সৃষ্টি হবে। তারা ধর্মের নামে দুনিয়া শিকার করবে। তারা মানুষের নিকট নিজেদের সাধুতা প্রকাশ ও মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য ভেড়ার চামড়ার পোষাক পড়বে (মানুষের কল্যাণকারী সাজবে)। তাদের রসনা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি। কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ের হৃদয়ের মতো হিংস্র। (তিরমিজী)

অমি রহমান পিয়াল › বিস্তারিত পোস্টঃ

কবি শামসুর রাহমানকে নিয়ে কিছু অপপ্রচার

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৭

খানিক আগে সুশান্তর সঙ্গে কথা হচ্ছিল। তার অল্প আগেই হাসান আল আবদুল্লাহর পোস্ট করা একটি ভিডিও দেখেছি। কবি শামসুর রাহমানের। নিজের কণ্ঠে আবৃতি করছেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ওপর রচিত অন্যতম এক ধ্রূপদ- স্বাধীনতা তুমি। গতকাল ছিলো কবির ৮০তম জন্মদিন, তাকে শুভেচ্ছা জানানো পোস্টে এমন একটি ভিডিও সংযোজন দুর্দান্ত এক ডকুমেন্ট হতে পারে মনে হচ্ছিল। সে প্রসঙ্গেই সুশান্ত বলে বসলো- শামসুর রাহমান তো প্রো পাকিস্তানী, অনেকেই বলে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া খুব খারাপ গালি দিয়েছিলাম ওই বলিয়েদের। সুশান্ত বললো সেক্ষেত্রে ভুলটা ভাঙানো জরুরী। ভুল ভাঙানোর দায় আমার নেই, কারণ যারা এমনটা বিশ্বাস করে তাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবশ্যই গলদ আছে, সেই গলদ থেকে উদ্ধার পেতে তার নিজেরই জানতে হবে সত্যিটা। আমি বরং মুক্তিযুদ্ধে আমাদের প্রিয় কবিকে নিয়ে কিছু বিভ্রান্তির ঘোর কাটানোর চেষ্টা চালাই।







শামসুর রাহমানকে নিয়ে অপপ্রচারের শুরু যখন জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে মাঠে নামলো বাঙালী। গোলাম আযমসহ কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের গন আদালতে বিচারের জন্য গঠিত জাতীয় তদন্ত কমিশনের সদস্য ছিলেন তিনি। দুটো ফ্রন্টে চলেছে এই অপপ্রচার। একটি (যা ব্লগেও ছাগুরাম ও মুরীদানদের তরফে বহুল প্রচারিত) শামসুর রাহমান তার কবিতায় আজানকে বেশ্যার হাসির সঙ্গে তুলনা করেছেন। কবির উগ্র জঙ্গীদের ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত হওয়ার পেছনে একটা বড় ভূমিকা ছিলো এই প্রচারণার। অথচ এই মাতোয়ালা রাইতে কবিতাটিতে সেই অপপ্রচারের কোনো সাক্ষ্যই মেলে না। নেশাতুর এক মাতালের বাড়ি ফেরার পথে প্রলাপে ভরপুর কবিতাটা তুলে দিলাম :



এই মাতোয়ালা রাইত



হালায় আজকা নেশা করছি বহুত। রাইতের

লগে দোস্তি আমার পুরানা, কান্দুপট্টির খানকি

মাগীর চক্ষুর কাজলের টান এই মাতোয়ালা

রাইতের তামাম গতরে। পাও দুইটা কেমুন

আলগা আলগা লাগে, গাঢ়া আবরের সুনসান

আন্দরমহলে হাঁটে। মগর জমিনে বান্দা পাও



আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার,

দেহস্ না হপায় রাস্তায় আমি নামছি, লৌড় দে;

না অইলে হোগায় লাথথি খাবি, চটকানা গালে।

গতরের বিটায় চেরাগ জ্বলতাছে বেশুমার।



হগলে আমারে কয় মইফ্যার পোলা, জুম্মনের বাপ

কয় হুস্না বাণুর খসম, বেহায়া গলির চাম্পা চুমাচাট্টি

দিয়া কয়, ব্যাপারি তুমি মনের মানু আমার

দিলের হকদার!



আসলি কেউগ্যা আমি, কোনহানতে আইছি হালায়

দাগাবাজ দুনিয়ায়? কৈবা যামু আখেরে ওস্তাদ?

চুরিহাট্টা, চানখারপুল, আশকজমাদার লেন

যেইহানেই মকামের ঠিকানা থাউক,

আমি হালায় হেই একই মানু

গুলগাল, মুখে ফুদ্দি দাড়ি, গালে কাঁটা দাগ

যেমুন আধুলি একখান খুব দূর জমানার।



আসমানী হুরীর বারাত; খিড়কির রৈদ, ঝুম

কাওয়ালীর তান, পৈখ সুনসান বানায় ইয়াদ।

এহনবি জিন্দা আছি, মৌতের হোগায় লাথথি দিয়া

মৌত তক সহি সালামত জিন্দা থাকবার চাই।



তামাম দালান কোঠা, রাস্তার কিনার, মজিদের

মিনার, কালের মুখ,বেগানা মৈয়ত, ফজরের

পৈখের আওয়াজ, আন্ধা ফকিরের লাঠির জিকির-

হগলই খোওয়াব লাগে আর এই বান্দাবি খোওয়াব!




শুনুন মাসুদ আখন্দের কণ্ঠে :









দ্বিতীয় অপ্রপচারটিও কম বিষাক্ত নয়। শামসুর রাহমান মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানীদের সেবা করেছেন, দালাল ছিলেন, স্বাধীনতার পর ভোল পাল্টেছেন। এটি বিশ্বাস করে বিভ্রান্ত হয় সুশান্তর মতো অনেকেই। তারা অবলীলায় কবিকে প্রো পাকিস্তানী বলে গালি দিয়ে বসে। ১৯৭১ সালের ১৭ মে দৈনিক পাকিস্তানে ৫৫জন বুদ্ধিজীবি সাক্ষরিত যে বিবৃতিটি পাকিস্তান সরকার মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কাজে লাগায় তাতে শামসুর রাহমানের সাক্ষর ছিল না। অথচ আহসান হাবীব, ফররুখ আহমেদ, সৈয়দ শামসুল হকদের ছিল। এদের বেশীরভাগই বন্দুকের মুখে সই দিয়েছেন। এমনকি সই দিয়েও মরতে হয়েছে মুনীর চৌধুরীকে। সেসময় দৈনিক পাকিস্তানে সাহিত্য পাতা দেখতেন শামসুর রাহমান। সম্পাদক ছিলেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন, যিনি সাক্ষরদাতাদের অন্যতম। অথচ অপপ্রচারে শামসুর রাহমানকেই সম্পাদক বানিয়ে দেয় অনেকে।







বাস্তবে শামসুর রাহমানকে প্রতিরোধ সংগ্রামের ফরাসি কবি পল এলুয়ার ও লুই আরাগঁর কাতারে অনায়াসেই ফেলা যায়। মার্চের উত্তাল দিনগুলোতে লেখক-শিল্পীদের সঙ্গে রাজপথে ছিলেন মিছিলে। ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা শুরু হলে কবি পরিবার নিয়ে আশ্রয় নেন নরসিংদির পাড়াতলী গ্রামের পৈত্রিক ভিটায়। এখানেই রচিত হয় তার অমর দুই সৃষ্টি- স্বাধীনতা তুমি এবং তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা নামে কবিতাদুটোর। জুনে তিনি ফিরে আসেন ঢাকা, যোগ দেন কাজে। কিন্তু কবিতা লেখা থামেনি। সেসব কবিতা কপি হয়ে হাতে হাতে পৌছে যেত মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে। ১৯৭১ সালের ২০ নভেম্বর কলকাতার সাপ্তাহিক দেশ পত্রিকায় ছাপা হয় শামসুর রাহমানের এই অবরূদ্ধ যাপনের অনুভূতি সম্বলিত কিছু কবিতা। আবু সয়ীদ আইয়ুবের ভূমিকাসহ সেসব কবিতা ছাপা হয়েছিল ছদ্মনামে। মজলুম আদিব বা নির্যাতিত কবি- দিয়েছিলেন আবু সয়ীদ নিজেই। এর একটি তুলে দিচ্ছি নিচে:



বন্দী শিবির থেকে



ঈর্ষাতুর নই, তবু আমি

তোমাদের আজ বড় ঈর্ষা করি। তোমরা সুন্দর

জামা পরো, পার্কের বেঞ্চিতে বসে আলাপ জমাও,

কখনো সেজন্যে নয়। ভালো খাও দাও,

ফুর্তি করো সবান্ধব

সেজন্যেও নয়।



বন্ধুরা তোমরা যারা কবি,

স্বাধীন দেশের কবি, তাদের সৌভাগ্যে

আমি বড়ো ঈর্ষান্বিত আজ।

যখন যা খুশি

মনের মতো শব্দ কী সহজে করো ব্যবহার

তোমরা সবাই।

যখন যে শব্দ চাও, এসে গেলে সাজাও পয়ারে,

কখনো অমিত্রাক্ষরে, ক্ষিপ্র মাত্রাবৃত্তে কখনো-বা।

সেসব কবিতাবলী, যেন রাজহাঁস

দৃপ্ত ভঙ্গিমায় মানুষের

অত্যন্ত নিকটে যায়, কুড়ায় আদর।



অথচ এদেশে আমি আজ দমবদ্ধ

এ বন্দী-শিবিরে

মাথা খুঁড়ে মরলেও পারি না করতে উচ্চারণ

মনের মতন শব্দ কোনো।

মনের মতন সব কবিতা লেখার

অধিকার ওরা

করেছে হরণ।

প্রকাশ্য রাস্তায় যদি তারস্বরে চাঁদ, ফুল, পাখি

এমনকি নারী ইত্যাকার শব্দাবলী

করি উচ্চারণ, কেউ করবে না বারণ কখনো।

কিন্তু কিছু শব্দকে করেছে

বেআইনী ওরা

ভয়ানক বিস্ফোরক ভেবে।



স্বাধীনতা নামক শব্দটি

ভরাট গলায় দীপ্ত উচ্চারণ করে বারবার

তৃপ্তি পেতে চাই। শহরের আনাচে কানাচে

প্রতিটি রাস্তায়

অলিতে-গলিতে,

রঙিন সাইনবোর্ড, প্রত্যেক বাড়িতে

স্বাধীনতা নামক শব্দটি আমি লিখে দিতে চাই

বিশাল অক্ষরে।

স্বাধীনতা শব্দ এত প্রিয় যে আমার

কখনো জানিনি আগে। উঁচিয়ে বন্দুক,

স্বাধীনতা, বাংলাদেশ- এই মতো শব্দ থেকে ওরা

আমাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখছে সর্বদা।



অথচ জানেনা ওরা কেউ

গাছের পাতায়, ফুটপাতে

পাখির পালকে কিংবা নারীর দু'চোখে

পথের ধুলায়

বস্তির দুরন্ত ছেলেটার

হাতের মুঠোয়

সর্বদাই দেখি জ্বলে স্বাধীনতা নামক শব্দটি।








১৯৬৯ সালের কোহিনুর কেমিকেল কোম্পানির একটি ডায়েরিতে লেখা কবিতাগুলোই নিয়ে পরবর্তীতে বের হয় বন্দী শিবির থেকে নামের কাব্যগ্রন্থটি যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অসাধারণ এক লেখচিত্রও বটে। তাকে নিয়ে যে কোনো ধরণের অপপ্রচারে আমাদেরই অপমান, এবং সেগুলো প্রতিহত করা অবশ্যই জরুরী। সবশেষে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই কবিকে। তিনি কবিতা হয়েই বেঁচে রইবেন আমাদের মাঝে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধেও।



কবির নিজের মুখে স্বাধীনতা তুমি :







ছবি কৃতজ্ঞতা: উইকিপিডিয়া (শুধু প্রথমটি) বাকিগুলো ব্যক্তিগত সংগ্রহ

কৃতজ্ঞতা : শব্দগুচ্ছ, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর, লাল দরজা ও শিমুল সালাহউদ্দিন

মন্তব্য ৮৯ টি রেটিং +৩৭/-১০

মন্তব্য (৮৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩১

স্পাইডার বলেছেন: মুক্তিযুদ্বে তাহলে অনেক ভূমিকা ছিল কবির, জানতাম না

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৬

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: জানার কুনু শেষ নাই, জানার চেষ্টা বৃথা তাই ;)

২| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৫

মেঘ দূত বলেছেন: অসাধারণ।

প্রিয়তে রাখলাম

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৭

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকেও

৩| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
ধন্যবাদ

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬

লিপিকার বলেছেন: আযান নিয়ে অপপ্রচারটা আমিও শুনেছি। ভুল ভেঙ্গেছে..........ধন্যবাদ। প্রিয়তে রাখলাম।

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৫| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

ব্যতিক্রমী বলেছেন: আযান নিয়ে অপপ্রচারটা আমাদের জামাতী ঘরনার মসজিদের ইমাম, যিনি এখন উপজেলা জামাতের সভাপতি তিনি প্রায় প্রতি শুক্রবারই খুৎবার আগে দেয়া বয়ানে চালাতেন। এই পোস্ট পড়ার আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে আমারও কিছু সন্দেহ ছিল। ভুল ভেঙে দেয়ার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

মুক্তিযুদ্ধ ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সত্য উদঘাটন করার জন্য আপনি যে সময় এবং শ্রম দেন তার জন্য আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব। আমি আমার সার্কেলের প্রায় সবাইকে আপনার লেখা পড়ার জন্য অনুরোধ করি। কারন, আপনার লেখাগুলো পড়লে সঠিক ইতিহাস সম্বন্ধে সম্যক ধারণা পাওয়া যায়।

ভালো থাকবেন পিয়াল ভাই।

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৩

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রেরণাদায়ী মন্তব্যটির জন্য

৬| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

জেনারেশন৭৫ বলেছেন: হাতে কলম থাকলেই যাকে ইচ্ছা তাকে সবকিছু বানানো যায়না।

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৪

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ওইটা তোমার আব্বাহুজুর হুজুরে আলা গোলাম আযম আর তার গেলমানগোরে কও। আমি কি বোর্ড দিয়া সত্যিটা লিখি। পারলে চ্যালেঞ্জ দিয়া আমার ভুল ধরাও

৭| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০১

ম্যাভেরিক বলেছেন: সুন্দর পোস্ট, সুন্দর তথ্য। ভালো লাগল।

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৫

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ

৮| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৩

একরামুল হক শামীম বলেছেন: কবির প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৫

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম

৯| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৭

হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: পিয়াল ভাইকে ধন্যবাদ দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে গেলাম। তাও আবারো ধন্যবাদ।

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২১

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১০| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১১

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: আহমেদ ছফার কথা গুলো কি তাহলে সবই মিথ্যা?

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৪

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সত্যি না মিথ্যা হিসেবে নিবেন সেইটা নির্ভর করে আপনার বিবেচনার উপর। যদি ভক্তি প্রবল হয়, যদি তারে পীর মানেন তা হইলে তার কথারে মিথ্যা মানবেন কেনো! তাছাড়া দুনিয়ার কোন মানুষটা আহমেদ ছফার প্রশংসা ধন্য হইয়া ইন্তেকাল ফরমাইছে সেইটা জানার তৃষ্ণা আমারও প্রবল

১১| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: 'বন্দি শিবির থেকে'র ভূমিকায় কবির নিজের কথাগুলও স্মরণ করা যেতে পারে। কবিকে নিয়ে এসব অপপ্রচার শক্ত হাতে প্রতিহত করা প্রয়োজন।

সুন্দর পোস্ট।

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ, আছে নাকি হাতের কাছে। সময় থাকলে যদি সংযুক্তি দেন কৃতজ্ঞ থাকবো

১২| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাতের কাছে নেই- বইটি ১৯৮১-৮২ সনে কিনেছিলুম, হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল কয়েক মাস পরই :):) তাঁর শ্রেষ্ঠ কবিতা' সংকলন খুঁজে দেখলাম- কিছু নেই।

পাঠকের জন্য 'তুমি বলেছিলে' থেকে কিছু অংশ :


দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে নতুন বাজার।
পুড়ছে দোকান-পাট, কাঠ,
লোহা-লক্কড়ের স্তূপ, মসজিদ এবং মন্দির।
দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে নতুন বাজার।
...
...

দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে নতুন বাজার,
আমাদের চৌদিকে আগুন,
গুলির ইস্পাতী শিলাবৃষ্টি অবিরাম।
তুমি বলেছিলে,
আমাকে বাঁচাও।
অসহায় আমি তাও বলতে পারি নি।



২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ তবুও। আরেকটি দিলাম।
পথের কুকুর

অবশ্য সে পথের কুকুর। সারাদিন
এদিক ওদিক ছোটে, কখনো-বা ডাস্টবিন খুঁটে
জুড়ায় জঠরজ্বালা, কখনো আবার প্রেমিকার
মনোরঞ্জনের জন্য দেয় লাফ হরেক রকম।
হাড় নিয়ে মুখে বসে গাছের ছায়ায়,
লেজ নাড়ে মাঝে-মধ্যে, ফুর্তিবাজ প্রহরে কখনো
ধূলায় গড়ায়। কখনো সে শূন্যতাকে সাজায় চিৎকারে।

আমি বন্দী নিজ ঘরে। শুধু
নিজের নিঃশ্বাস শুনি, এত স্তব্ধ ঘর।
আমরা ক'জন শ্বাসজীবি
ঠায় ব'সে আছি
সেই কবে থেকে। আমি মানে
একজন ভয়ার্ত পুরুষ,
সে অর্থাৎ সন্ত্রস্ত মহিলা,
ওরা, মানে কয়েকটি অতি মৌন বালক বালিকা-
আমরা ক'জন
কবুরে স্তব্ধতা নিয়ে বসে আছি। নড়ি না চড়ি না
একটুকু, এমনকি দেয়ালবিহারী টিকটিকি
চকিতে উঠলে ডেকে, তাকেও থামিয়ে দিতে চাই-
পাছে কেউ শব্দ শুনে ঢুকে পড়ে ফালি ফালি চিরে
মধ্যবিত্ত নিরাপত্তা আমাদের। সমস্ত শহরে
সৈন্যরা টহল দিচ্ছে, যথেচ্ছ করছে গুলি, দাগছে কামান
এবং চালাচ্ছে ট্যাঙ্ক যত্রতত্র। মরছে মানুষ
পথে ঘাটে ঘরে, যেন প্লেগবিদ্ধ রক্তাক্ত ইদুর।

আমরা ক'জন শ্বাসজীবি
ঠায় ব'সে আছি
সেই কবে থেকে। অকস্মাৎ কুকুরের
শানিত চিৎকার কানে আসে, যাই জানালার কাছে, ছায়া-প্রায়। সেই
পথের কুকুর দেখি বারংবার তেড়ে যাচ্ছে জলপাইরঙ
একটি জীপের দিকে, জীপে
খাকি উর্দিপরা নরঘাতকের দল। ভাবি, যদি
অন্ততঃ হতাম আমি পথের কুকুর!

২১ জুলাই, ১৯৭১

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২১

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:

১৩| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৪

ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আগেও আপনার কোনো এক পোস্টে বলছিলাম, জানের মায়া অনেক বড় জিনিস। অনেকে পরিবারের টানে যুদ্ধের সময় কিছুই করে নাই; পালিয়ে বেড়াইছে। তাতে তাঁরা মুক্তিযোদ্ধা না হোক, রাজাকার হয়ে যায় নাই। এই কুযুক্তি প্রায়ই হু.আ কিংবা জাফর ইকবালের বেলায় অনেকে দেয়। উনাদের অপছন্দ করার অনেক কারণ থাকতে পারে, যুদ্ধের সময় পালিয়ে বেড়ানো তার মধ্যে পড়ে না।

বন্দুকের নলের মুখে শামসুর রাহমান সই দিয়া থাকলেও আমি দোষের কিছু দেখি না। এমনকি তখনকার আমলে বন্দুক ছাড়া কোনো পাক মেজর আইসা সই করতে বললেও সই করাটাই আমার অপশন হতো। যতোজন শামসুর রাহমানের রাজাকারি নিয়া লাফায়, তারা নিজেরা ঐ জায়গায় থাকলে একই কাজ করতো। এটাই বাস্তব।

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৮

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আগের মন্তব্যটির পোস্টের লিংকও এই পোস্টটায় আছে। তবে সত্যিটা হচ্ছে শামসুর রাহমান সই করেননি, কিন্তু পেটের তাগিদে তাকে শহরে ফিরতে হয়েছে, কবির তেমন সহায়সম্পত্তি ছিলো না তখন

১৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৬

তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: মনটা বিক্ষিপ্ত থাকার কারনে স্ক্রল করতে করতে আমার মনে শামসুর রাহমানের বদলে হঠাৎ হুমায়ুন আজাদের কথা আসে। এখানে আমাকে বিভ্রান্ত ভাববার সুযোগ নাই। আপনি মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেন বলে আমি সবসময় আপনার লেখা পড়ি। সেই দাবিতে বলছি আমার কমেন্টগুলি মুছে দিন। আমার অজ্ঞতাকে এভাবে ধরে রাখার কোন মানে হয়না।

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৩

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মুছে দিছি।

১৫| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৭

পল্লী বাউল বলেছেন: এই পোস্টে ৬ টি মাইনাস দেয়ার কারনটা বোদগম্য নয়।

যে কবি আসাদের শার্ট, স্বাধীনতা তুমি কিংবা বর্ণমালা আমার দুঃখিনী বর্নমালা কিংবা বন্দী শিবির থেকে - এর মতো অসধারন কবিতা লিখতে পারেন তিনি রাজাকারদের সহযোগিতা করেছেন এটা পাগল ছাড়া কেউ বিশ্বাস করবে না।

চমৎকার পোস্টের জন্য পিয়াল ভাইকে ধন্যবাদ।

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৪

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: কারণ ছাগুরা একটিভ। ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য

১৬| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৮

ফয়সল রাব্বী বলেছেন: পিয়াল ভাই অসংখ্য ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য। ভাল্লাগলো প্রিয়তে গেলো।

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: কৃতজ্ঞতা সহকারে ধন্যবাদ

১৭| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৫

দন্ডিত বলেছেন: যে ছাগুগুলা মাইনাস দিছে তাগো গদাম দেওন দর্কার। আর মাইনাস দিয়াই প্রমান কর্ল যে তাগো প্রচারণা স্রেফ প্রোপাগান্ডা আছিল। সব অমেরুদন্ডী প্রাণীর বংশধর

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনার মন্তব্যে ঝাজা মাখানো বিপ্লব

১৮| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

কাঙাল মামা বলেছেন: হুমম। জানতাম না এসব

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: যাক কাউরে জানাইতে পারা মানে পোস্ট লেখার শ্রমটা বিফলে যায় নাই। থ্যাঙ্কস পড়ার জন্য

১৯| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লাল দরজা বলেছেন: দুনিয়ার সকল ব্লগ থিকা পিয়ালের ব্যান দাবী করিছি। পিয়াল ব্যান থাকলে এই সব ব্লগানি ফগানি আর বালের ব্লগ দেক্তে হইত না কারো। :P

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দাওয়াত খালি হুনি, চোখে আর দেখি না :(

২০| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

অন্ধকার বলেছেন: চমত্কার...

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৩

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ

২১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অসাধারণ। ১২'র সেকেন্ড পার্ট@

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৭

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হ্যা, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর প্রকাশ করেছে কবির সেই ডায়েরির ফটোকপি

২২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৭

লাল দরজা বলেছেন: :-B

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪২

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ঠিকাছে, আর কমু না

২৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
+++++

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪২

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ

২৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লাল দরজা বলেছেন: মাসের শেষে টান পইড়া গেছে একটু, কিছু এক্টা ব্যাবস্থা করতে হবে দেখছি পরিস্থিতি বুইঝা আওয়াজ দিমুনে। এক দিন হইবেআনে। রাগ করেন ক্য ম্যান, আমরা সবাই, আম্রা আম্রা না?

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আরে ব্যাপারস না, আমরা আমরাই তো ;)

২৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

মনির হাসান বলেছেন: আরেকটা উইকেট ফালায় দিলেন ... হা হা হা হা ...

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৮

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হ রোবোট আমার কোচ হওয়ার পর থিকা বোলিং ভালোই হইতাছে

২৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: তাহলে কি আহমেদ ছফাই দুই নাম্বার(আপনার ভাষ্য মতে)?

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আমি তারে দুই নাম্বার বলছি নাকি? নাকি আপনি বলাইতে চাইতেছেন? শান্ত আপনারে তো আপনার বিবেচনাবোধ ব্যবহার করতে বলছি। সেটাই ব্যবহার করেন বস। আপনার বিচক্ষণতার উপর আমার যথেষ্টই আস্থা আছে

২৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১২

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ওকে ভাইয়া!
ভালো থাকবেন
শুভকামনা সবসময় রইলো!

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২১

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন, শুভেচ্ছা

২৮| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৮

পার্থরূপ বলেছেন: ধনযবাদ

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২২

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনাকেও

২৯| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৭

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: একাত্তরে আল মাহমুদ কলকাতায় গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে জনমত সংগঠনের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। আওয়ামী রাজনীতি তাকে রাজাকার বানিয়ে ছেড়েছে। আর যুদ্ধকালে দেশে বসেই ছদ্মনামে দু একটি কবিতা লিখে শামসুর রাহমান রীতিমতো "মুক্তিযোদ্ধা"!
শামসুর রাহমানকে তার জীবদ্দশায় আমরা দেখেছি, একাত্তরের ভূমিকা নিয়ে বরাবরই তিনি ম্রিয়মান থাকতেন।
আমি তার একজন ভক্ত, তাঁর কবিতার পাঁড় ভক্ত। কিন্তু আমি মনে করি না যে, এজন্য তাকে টেনেটুনে "সেক্টর কমান্ডার" বানিয়ে ছাড়তে হবে। অনুমান করি, পিয়াল প্রয়াত শামসুর রাহমানের জন্য মুক্তিযোদ্ধার একটি সনদও হয়তো জোগাড় করে নিতে পারবেন! বাই দ্য ওয়ে, ১৯৬৯ সালে লেখা কবিতাগুলো কিভাবে "আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অসাধারণ এক লেখচিত্র" হয়, বুঝিয়ে বলবেন একটু?

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ১৯৬৯ সালে একটি ডায়েরি পেয়েছিলেন কবি, কোহিনুর কেমিকেলের। ১৯৭০ সালের নভেম্বর থেকে সেটা ব্যবহার করা শুরু করেন। বন্দী শিবির থেকে বইয়ের সবগুলো কবিতা সেই ডায়েরিতেই লেখা হয়েছিল। ডায়েরিটা মুক্তিঘর যাদুঘরে আছে।

ফিউশন ফাইভ, আপনার কাছে আমি এ ধরণের আলটপকা মন্তব্য (যদিও এটা আপনার অভ্যাস, কিঙবা আজকে হাত বদলাইছে নিকটা) অন্তত এই পোস্টে এইভাবে আশা করি না। আল-মাহমুদ অবশ্যই কলকাতায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেছেন। আর যুদ্ধকালে যারা দেশ ছাড়েনি তারা নিশ্চয়ই রাজাকার না। তাহলে কি নিহত বুদ্দিজীবিরা, যারা মরার আগ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের চাকুরী করেছেন, বেতন তুলেছেন তাদের আপনি সেটাই বলবেন। কবির লাশও রায়ের বাজারে মেলেনি এটাই তার দোষ!
তবে আল-মাহমুদরে আওয়ামীলীগ রাজাকার বানিয়ে ছাড়ে নাই। আল-মাহমুদ এখন পুরাদস্তর জামাতি কবি, জামাতে ইসলামীর টাকায় চলেন। এইটা আওয়ামী লীগ বলে না, উনিই কর্মকান্ডে প্রমাণ দেন। আর আরিফ জেবতিক এই নিয়া সচলায়তনে একটা লেখাও লেখছেন, আল মাহমুদের নিজের লেখা থেকে উদ্ধৃতি দিয়েই। খুজে পড়ে নেবেন যদি এত আগ্রহ থাকে

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: লিঙ্ক : আল মাহমুদকে কি মুক্তিযোদ্ধা কবি বলা যায়
http://www.sachalayatan.com/arifjebtik/17812

৩০| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭

রোহান বলেছেন: হে হে আজানের গুজব তো বাংলাদেশে হুজুরগো কমন ডায়লগ, আইজকাল শুনি কম তবে ছুডু বেলায় অনেক শুনতাম (চিটাগাং এ আছিলাম, হেইখানে এইসব কওনের লোকের অভাব আছিলো না)....

পিয়াল ভাইরে ধন্যবাদ দিতে দিতে কাহিল হয়ে গেলাম... আবারো ধন্যবাদ... এইসব সত্য সামনে আনতে এতো শ্রম আর সময় বোধহয় কেউ দেয় না...

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৬

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আমি তো আপনাগো কৃতজ্ঞতা জানাইতে একটুও ক্লান্তিবোধ করি না

৩১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬

রোবোট বলেছেন: আমি কোচ না ভাই, নেহাত ম্যাংগো ব্লগার।

শামসুর রাহমান বিপ্লবী না। তবে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ছিলেন এটা নেহাতই মিথ্যা। আওয়ামী লীগের কেউ আল-মাহমুদকে ৭১ সালে রাজাকার ছিলেন তা বলে না,তবে ৮০-৯০এর দশকে তার ভুমিকা রাজাকার-আলবদরদের সমরথন করেছে এটা "হাফপ্যান্ট থিওরূর জনক" কেন বুঝবেন না সেটা বুঝলাম না।

প্লাস।

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আরে না, আপনি আমার কোচ। এইটা পড়েন : আল মাহমুদকে কি মুক্তিযোদ্ধা কবি বলা যায়

৩২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৬

বিডি আইডল বলেছেন: কবিকে অতি মহিমান্নিত করা হয়েছে বলে মনে হলো...যার যতটুকু স্বীকৃত পাওনা ততটুকুই দেয়া উচিত...

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৯

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: এইখানে মহিমান্বিত করার কি দেখলেন। তারে নিয়া কিছু অপপ্রচার আছে, সেইগুলা খন্ডানো হইছে, বাকি সব প্রাসঙ্গিক। কিছু বাড়াইয়া লেখা হইছে মনে হয়?

৩৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৯

১৯৭১স্বাধীনতা বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৭

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: এই মাতোয়ালা রাইতের তুলনা হয় না! ব্যাপক কবিতা।

''এ কার মউত যায় আন্ধার রাইতে
কোন ব্যাটা বিবি বাচ্চা ফালাইয়া বেহুদা চিত্তরাইয়া আছে
একলা কাঠের খাটে বে-ফিকির, নওয়াব যেমুন!''

মহীদুলের কন্ঠে যতবার শুনি পুরান হয়না।

ওই আজানরে বেশ্যার আওয়াজ ইত্যাদি'র অভিযোগ যে ঠিক কোনথন উঠান হয় কে জানে!

শ্লার হুজুরদের আক্কেল দেইখা বাঁচিনা। ব্যাটা গাইল দিতে হয় তো আল মাহমুদরে দে, ওই কবি সাহেবের তো জায়নামাজে বইসা যৌনতার কথা মনে পরে।

------------
তয় আপনে যেমন কবির কবিতারে "আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অসাধারণ এক লেখচিত্র" বানাইয়া আর অনেকেই যেমন কবিরে `মুক্তিযুদ্ধের মহান কবি' বানায়া দিছে যেইভাবে, বোধ একই মাত্রার পর্যবেক্ষন থেইকা হুজুররা তারে `মুরতাদ' বানাইছে।
------------

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৪

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আমি বলছি, দায়িত্ব নিয়াই বলছি। ১৯৭১ নিয়া সেই সময়কালেই রচিত আমাদের কবিদের কবিতা যদি পড়া থাকে আপনার তাহলে আমার কথার ভুল ধরেন। আসেন আলোচনা করি এই প্রসঙ্গে যদি আপনার হাতে সময় থাকে। ব্যাপক জ্ঞানী মন্তব্য করছেনই যখন, চলেন পরস্পর ডিফেন্ড করি

৩৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪

সাপিয়েন্স বলেছেন: শামসুর রাহমান যে পাড়ায় থাকতেন, সেখানে শিল্পী ও শহীদ মিনারের নকশাকার হামিদুর রহমানের বাড়িও ছিল। ইউটিউবে দেখলাম কবি বলছেন কিভাবে হামিদুর রহমান তাঁর বন্ধু হয়েছিলেন এবং তাঁকে প্রথম কবিতা ছাপার প্রেরণা দিয়েছিলেন।

এই হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধেও পরবর্তীকালে অভিযোগ উঠেছিল যে তিনি পাকিস্তানের সমর্থক ছিলেন ! ভারতীয় বাহিনী ও প্রশাসন যখন ১৬ই ডিসেম্বর পরবর্তীকালে বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করে (শেখ মুজিব ফিরে এলে সে অবস্থার পরিবর্তন হয়), হামিদূর রহমান নাকি বিরক্ত হয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে চিরদিনের মত বিদেশে চলে যান।

যে অর্ধশত ব্যক্তির নাম (স্বাক্ষর?) ঐ তালিকায় আছে, তাদের একজন আমার আত্মীয়, এবং আমি শুনেছি কোন পরিস্থিতিতে তাঁকে স্বাক্ষর করতে হয়েছিল। অথচ বাংলা একাডেমী প্রকাশিত সেলিনা হোসেন সম্পাদিত 'চরিতাভিধানে' মুনীর চৌধুরীর মত তাঁর সম্বন্ধেও বলা হয়েছে যে তিনি "পাকিস্তানের অখন্ডতাকে সমর্থন দিয়েছিলেন", যদিও মুনীর চৌধুরী যেমন রাজাকারদের হাতে নিহত হয়েছিলেন , তেমনই আমার এই আত্মীয়ের নামও স্বাধীনতার পরে আল-বদরের পরবর্তী টার্গেটের কালো তালিকায় পাওয়া যায়।

অনেকেই এই বাধ্যতামূলক বিবৃতির সুযোগে নিয়ে নিজেদের জন্য সুযোগ-সুবিধা আদায় করেছেন - হে, হে, আমার নাম এই তালিকায় নেই, সুতরাং আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা, আমাকে ঐ পাকিস্তান-প্রেমিকের পদটি দাও।

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হ কাহিনীর শেষ নাই

৩৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:২৪

সুবিদ্ বলেছেন: এই মাতোয়ালা রাইত-এর ইংরেজী অনুবাদ করেছিলেন বোধহয় সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী......এজন্য উনাকে নিয়েও একসময় ছাগুরা কাউকাউ করেছিল......

ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ছাগুরা জাতীয় তদন্ত কমিশনের প্রতিটি সদস্য নিয়ে ম্যাতকার করে।

৩৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:২৯

লাল দরজা বলেছেন: @ সাপিয়েন্স, ভাইজান ইউ টিউবের লিংন্কটা একটু দেবেন দেখতে চাই।

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: শিল্পী ও মিনারের নকশাকার আর পাকিস্তান অবজারভারের মালিকরে এক বানাইয়া লাইছে হাহাহা। জামাতি কাহিনীগুলা মাশাল্লাহ সেইরকম হয়- আফগানিস্তান থিকা খাটি আফিমটা আসে।

৩৮| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

ফিনিক্সম্যান বলেছেন: এইটাও একটা অপপ্রচার:)

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০২

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হাহাহা, এইটা ভালো বলছেন :)

৩৯| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৭

সাপিয়েন্স বলেছেন: ব্লগ লেখকঃ অনুগ্রহ করে ওপরের ত্রুটিপূর্ণ লিঙ্কওয়ালা মন্তব্য মুছে দিন। এ রকম হবেঃ

শামসুর রাহমানের স্মৃতিতে হামিদুর রহমান

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ, দেখছি।

৪০| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

আশাবাদী মানুষ বলেছেন: এতদিন কবির এই অপপ্রচারের যে অংশের কারনে কবিকে ঘৃনা করতাম এই ঘৃনা এখন ধর্মান্ধ ধর্ম ব্যাবসায়ী ধান্ধাবাজদের উপর শতগুন হারে।

এই ধর্ম ব্যাবসায়ীদের কারনে আমাদের শান্তির ধর্ম আজ এতটা কলুষিত।

এতদিন কবিতাটা খুজে যাচ্ছিলাম। আজকে তথ্যসহ পেয়ে মনে হল মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি পেলাম।

আপনাকে ধন্যবাদ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৪১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লাল দরজা বলেছেন: খাইছে এইটা ত আমার তোলা! আমার বানাইনা টিভি অনুষ্ঠানের অংশ। ভাবতে ছিলাম, আমিত কবির এমন একটা স্বাক্ষাৎকার লইছিলাম মনে হয় কোন এক জীবনে। :P

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তাই নিকি! তাইলে তো চরম :-P

৪২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫০

এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: ভাইয়া Click This Link
আপনার এব্যাপারে মন্তব্য দরকার।

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪০

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দিলাম মন্তব্য।

৪৩| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:০০

পাপিয়া আক্তার বলেছেন:
ফিউশন ৫কে তো ভালো ব্লগার বলেই জানতাম!!!!!

৪৪| ১৫ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১০:৪২

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: আমাদের দেশের সব থেকে বড় প্রবলেম হচ্ছে কবিদের রাজনৈতিক দিক থেকে বিচার করা । পুরাই অর্থহীন । কবি তার যুদ্ধ করেন কলম দিয়ে মেধা দিয়ে । ফিউশন ফাইভ কে বলব - উনি যে স্বাধীনতা তুমি, তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা সহ আরো যে যুদ্ধভিত্তিক কবিতা গুলো লিখেছেন এটা আপনি কল্পনা করতে পারেন যুদ্ধের সময়ে লেখার কথা ?? যতই ছদ্দনামে হোক প্রকাশ পাওয়ার অর্থই মৃত্যুর পরোয়ানা । কিন্তু উনারা লেখে গেছেন । কারন উনারা কলম যোদ্ধা ।

তেমনি আল মাহমুদের ভূমিকাও অনস্বীকার্য । এনিয়ে দ্বিমত পোষণ করা ঠিক নয় । এই মূহুর্তে আল মাহমুদ জামাতি হয়েছেন তো কি ?? তার রাজনৈতিক আদর্শ হয়ত আমরা বর্জন করতে পারি কিন্তু তিনি কবি । কবি বর্জনীয় নয় কখনোই ।

তবে শামসুর রাহমানকে নিয়ে অনেক অপপ্রচার হয়েছে । এটা বন্ধ হওয়া উচিত । লেখক কে ধন্যবাদ ।

আমার ঘরে আসবেন

৪৫| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০০

লোডি বলেছেন: এই মাতোয়ালো রাইতে কবি আযান নিয়ে কিছু বলেননি-তাই সেখানে খুঁইজা কি লাভ আছে। কবির ‘জন্মান্ধের মতো’ কবিতা পইড়েন যাতে কবি লিখেছেন-
এবং মুয়াজ্জিনের ধ্বনি যেন ক্যানভাসের একটানা
অলজ্জিত বেশ্যাবৃত্তি অলিতে-গলিতে।
কারা যেন বাস্তবিক কুলকুচি করে ফেলে দেয় স্বপ্ন, স্মতি, মেদমজ্জা সুন্দরের

পরিক্রম, ৪র্থ বর্ষ, ১ম খন্ড, আবদুল গনি হাজারী সম্পাদিত, ঢাকা: বাংলা একাডেমী, লেখক সংঘ, ১৯৬৪

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.