| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হযরত উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক বদরের জিহাদের দিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মুশরিকদের দিকে তাকিয়ে দেখলেন যে, তারা সংখ্যায় এক হাজার আর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ছিলেন, তিনশ তের জন।
তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ক্বিবলামুখী হলেন, অতঃপর তিনি দু’হাত মুবারক উঁচু করে উচ্চ আওয়ায মুবারক-এ মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার কাছে দোয়া করতে লাগলেন, আয় আল্লাহ পাক! আপনি আমাকে যে ওয়াদা দিয়েছেন আমার জন্য তা পূরণ করুন। আয় আল্লাহ পাক! আপনি আমাকে যা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা প্রদান করুন। (অর্থাৎ তিনি কাফির-মুশরিকদেরর বিরুদ্ধে) তারা যেন ধ্বংস হয়ে যায়, নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় এই জন্য বদদোয়া করলেন।
যেটা মুসলিম শরীফ-এ অন্যত্র এসেছে, হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বদর যুদ্ধে নিহত লোকদেরকে তিন দিন পর্যন্ত এভাবেই রেখে দিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি তাদের নিকট এসে তাদের লাশের সম্মুখে দাঁড়ালেন এবং তাদেরকে আওয়াজ দিয়ে বললেন, হে হিশামের পুত্র আবূ জাহল, হে উমাইয়া ইবনে খালফ, হে উতবা ইবনে রবীআ, হে শায়বা ইবনে রবীআ! তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের সাথে যা ওয়াদা করেছেন তোমরা কি তা সঠিক পাওনি? আমার রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার সাথে যে ওয়াদা করেছেন আমি তা সঠিক পেয়েছি। অর্থাৎ তিনি আমাকে বিজয় হাদিয়া করেছেন এবং তোমাদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছেন। আয় আল্লাহ পাক! যদি মুসলিমদের এই ক্ষুদ্র সেনাদল ধ্বংস হয়ে যায়, তবে পৃথিবীতে আপনার ইবাদত করার মতো আর কেউ থাকবে না। তিনি এমনিভাবে দু’হাত মুবারক উঁচু করে ক্বিবলামুখী হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অনর্গল উচ্চ আওয়ায মুবারক-এ দোয়া করছিলেন। এক পর্যায়ে উনার কাঁধ মুবারক থেকে চাদর মুবারক পড়ে গেল। এরপর হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার কাছে এসে উনার চাদর মুবারকখানা উনার কাঁধ মুবারক-এ পুনরায় তুলে দিলেন। তারপর তিনি পিছন মুবারক থেকে উনাকে ধরে বললেন, হে আল্লাহ পাক উনার নবী! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার এতটুকু দোয়াই যথেষ্ট। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার সাথে যে ওয়াদা করেছেন, তা অচিরেই পূর্ণ করবেন।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি এই আয়াত শরীফ নাযিল করলেন, স্মরণ করুন ঐ সময়ের কথা, যখন আপনারা আপনাদের রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সাহায্যের জন্য দোয়া করেছিলেন; তিনি তা কবুল করেছিলেন এবং বলেছিলেন আমি আপনাদেরকে এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করবো, যাঁরা একের পর এক আসবেন।” (মুসলিম, তিরমিযী, মুসনাদে বাযযার, মুসতাখরাজে আবী আওয়ানা, ইযালাতুল খফা, আবূ দাউদ, দালাইলুন নবুওওয়াহ লিলবাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ লিলবাগবী, ছহীহ ইবনে হাব্বান, মুছান্নাফে আবী শায়বাহ, খছাইছুল কুবরা, সুবুলুল হুদা ওয়ার রুশাদ ইত্যাদি)
এই হাদীছ শরীফ থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাফির-মুশরিকদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করার বিষয়টি এবং উনার মুবারক দোয়ার বদৌলতে কাফির-মুশরিকরা যে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে সেই বিষয়টি।
সেই সুমহান সুন্নতী কায়দায় কাফির-মুশরিক, ইহুদী, খ্রিস্টান, মুনাফিক ও উলামায়ে ছূ’দের বিরুদ্ধে বদদোয়া করা সকল মুমিন মুসলমান উচিত এবং সে দোয়ার বদৌলতে সমস্ত কাফির, মুশরিক, ইহুদী-খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসী, মুনাফিক্ব ও উলামায়ে ছূ’রা নিশ্চিহ্ন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। সুবহানাল্লাহ!
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৮
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: দোয়ার গযবে তো ঠিকই মরে ।
২|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৩
বীরেনদ্র বলেছেন: এটাই হল আপনার পবিত্র ইসলাম ধর্ম। অন্য ধর্মের লোকজন কে বদদোয়া দিতে হবে?
আপার মহিমা। নুরের জ্যোতি ছুটতেছে ধর্ম দিয়া ? এই জ্যোতি এমন এক অবস্থায় টেনে নিয়ে গেছে আপনাদের যেখান থেকে উঠে আসার উপায় নেই। থাকবে কি করে? অতি পবিত্র বদদোয়া, অতি পবিত্র বেহেস্ত, হুরী শরাবন তহুরা এগুলো নিয়েই থাকবে আপনার মত ধার্মিকেরা। অন্যকে গালি দিয়ে নিজের মহিমা প্রচার?
ফলাফল তো হাতে নাতেই দেখেন। মাত্র ৭০ লক্ষ ইহূদীর কাছে ১২ টি দেশে সাচ্চা বানাদারা নাজেহাল।
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৯
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: যতদিন কাফিরেরা মুসলমান্দের উপর অত্তাচার বন্ধ না করবে ততদিন কাফিরদের বিরুদ্ধে বদ দোয়া করতে হইবে ।
গযবে যে সকল কাফিরেরা ধংস হচ্ছে তা তো চোখ ঠিক থাকলে দেখতে পাবে ।
৩|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৫
ধূসর পৃথিবী বলেছেন: কোন পীরের মুরিদ ভাই সেইটা অাগে কন??????
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪০
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: দোয়া করতে পীরের মুরিদ হইতে হয় ?
৪|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০৪
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: স্বয়ং ফেরেশ্তাগন অভিশাপ দিতে পাড়ে আর মুসলমান হয়ে কাফিরদের অভিশাপ দিব এইটা আর এমন কি ব্যাপার? অবশ্যই অভিশাপ দিব। কিন্তু দুঃখের বিষয় প্রাগৈতিহাসিক যুগে অভিশাপ কাজে লাগলেও এখন আর লাগে না। বুশ ওবামারে কত অভিশাপ দিলাম, কিন্তু মরল লাদেন।
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০৯
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: আল্লাহ পাকের ধরা অত্তন্ত কঠিন ।
নম্রুদ , ফিরাউন , সাদ্দাদ এদের ধংস করার আগে আল্লাহ পাক সু্যোগ দিয়েছেন ।
কাফিরদের সেই সুযোগ শেস । এখন ধংসের পালা ।
৫|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৭
জেট টু এ বলেছেন: বেশি বেশি কইরা করা উচিত ।
৬|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৩০
অনিক আহসান বলেছেন: এই তুমি কোন গুহায় বাস কর?
৭|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৩৮
রব্বানীইন বলেছেন: যারা এইসকল কাফিরদের পক্ষালম্বন করবে তাদেরও একই পরীনতি হইবে ।
৮|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৩৯
শিপু ভাই বলেছেন:
বুশ ওবামারে কত অভিশাপ দিলাম, কিন্তু মরল লাদেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৯
কনিফউজড_েনিটেজন বলেছেন: শকুনের দোয়ায় গরু মরেনা