| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১. আনলাকি থার্টিনঃ ইহুদী খৃষ্টানরা ১৩ কে আনলাকি বলে থাকে কারণ ১৩ সংখ্যার সাথে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম মুবারক জড়িত। ইংরেজীতে “MUHAMMAD” নাম মুবারকের আদ্যক্ষর হল M, যা ইংরেজী বর্ণমালার ১৩ তম অক্ষর। তাই ইহুদী খৃষ্টানরা বিদ্বেষবশতঃ ১৩ কে অশুভ বা আনলাকি বলে থাকে। এমনকি ইহুদী নাছারাদের প্লেনে, রেলে, জাহাজে, হোটেলে ১৩ নং কোন সিট বা রুম থাকে না কিন্তু মুসলমানদের কাছে ১৩ ই হল শুভ বা লাকি । কারণ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন,হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মান করা আল্লাহ পাকের নির্দেশ। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে সম্মান করবে সে জান্নাতী। আর জান্নাতী হওয়া হলো সৌভাগ্যের লক্ষণ। সে হিসেবে ১৩তম সংখ্যাকে (M) সম্মান ও মুহব্বত করা সৌভাগ্যের বা লাকী হওয়ার বিষয়।
২. লাকি সেভেনঃ আবার ইহুদী খৃষ্টানরা 7 কে লাকি বলে থাকে। কারণ G ইংরেজী বর্ণমালার ৭তম বর্ণ। তাদের God এর G-এর সাথে সম্পৃক্ত। কিন্তু মুসলামদের নিকট ৭ হল অশুভ বা আনলাকি কারণ God বিশ্বাস করার অর্থ হলো শিরক করা। কারণ God এর রয়েছে Goddess। এতে আল্লাহ পাকের সাথে শরিক করা হয়। যে শিরক করবে সে জাহান্নামী আর জাহান্নামী হওয়াটাই আনলাকি বা বদনছসীবের বিষয়।
৩. বিশ্ব ব্রহ্মান্ডঃ “বিশ্ব ব্রহ্মান্ড” শব্দটির মধ্যেও ঈমানহানীর ফাঁদ লুকায়িত রয়েছে। কেননা “ব্রহ্মান্ড” শব্দটি এসেছে “ব্রহ্মার আন্ডা” থেকে। বাংলা একাডেমী বিশ্বকোষ মতে, ব্রহ্মা বলতে হিন্দুদের একজন পৌরাণিক দেবতাকে বুঝায়। এই দেবতার আন্ডা(ডিম) রূপে এই ভূমি তথা পৃথিবীকে কল্পনা করে ওরা বলে থাকে বিশ্ব ব্রহ্মান্ড। তাই এই শব্দ পরিহার করে “কুল-ক্বায়িনাত”, “বিশ্ব”, “পৃথিবী”, “আসমান-যমিন” ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করতে পারি।
৪. মাংসঃ “মাংস” শব্দটি এসেছে “মায়ের অংশ” শব্দ থেকে। হিন্দুরা গরুকে তাদের মা হিসেবে মান্য করে। তাই গরুর গোশতকে তারা মায়ের অংশ তথা মাংস বলে থাকে। তাই কোন মুসলমানের উচিত নয় কোন প্রাণীর গোশতকে মাংস বলা।
৫. ঝোলঃ সাধারণত আমরা যে কোন তরকারীর তরল অংশটুকুকে আমরা “ঝোল” বলে থাকি। কিন্তুরা হিন্দুরা এ শব্দকে ভিন্ন অর্থে ব্যবহার করে থাকে। হিন্দুরা তাদের তৈরী খাবারকে তাদের পদ্ধতিতে পাক-পবিত্র করার জন্য গরুর গোবর ও প্রসাব মিশ্রিত তরল পদার্থ দিয়ে থাকে। হিন্দুরা এই তরল পদার্থকে “ঝোল” বলে থাকে। তাই মুসলমানদের উচিৎ ঝোল না বলে “সুরুয়া” বা “সূরবা” বলা।
৬. বিসমিল্লায় গলদঃ আমরা শুরুতেই ভুল এই কথাটি প্রকাশ করতে গিয়ে বলে থাকি, “বিসমিল্লায় গলদ”। কিন্তু সূক্ষভাবে বিচার করলে এর অর্থ দাঁড়ায় “বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম-এ ভুল” অর্থাৎ কুরআন শরীফ-এ ভুল। (নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক)। তাই এই শব্দ কোন মুসলমানের ব্যবহার করা মোটেও উচিত নয়।
৭. কষ্ট করলে কেষ্ট মেলেঃ “কষ্ট করলে কেষ্ট মিলে” এই প্রবাদটি মুসলমানরা হরহামেশাই ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু কোন মুসলমানই জানে না এই “কেষ্ট” হচ্ছে হিন্দুদের একটি দেবতার নাম। তাই এ প্রবাদ ব্যবহার করা উচিত নয়।
৮. ধান ভানতে শিবের গীতঃ “ধান ভানতে শিবের গীত” এই প্রবাদটিও মুসলমানের ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ “শিব” হিন্দুদের দেবতার নাম আর “গীত” বা গান মুসলমানের জন্য হারাম।
৯. Rx: সব ডাক্তারাই রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্রে “Rx” লিখা থাকে। অথচ “Rx” অর্থ হল “Referred To Jesus Christ” অর্থাৎ প্রভু যিশু সমীপে সোপর্দ করে। নাছারাদের “প্রভু যিশু”-এর কাছে আত্ননিবদনের পক্রিয়া অনুসরণের কারণে ঈমান হারিয়ে যে কাট্টা কাফির, মুরতাদ পরিণত হতে হয়, তা মুসলমান ডাক্তারদের ভোঁতা মগজে নেই।
১০. Md/Mohd: অনেকে তাদের নামের Muhammad শব্দটিকে সংক্ষেপে Md. অথবা Mohd. লিখে থাকে। আর এই সংক্ষিপ্তকরণের মাধ্যমে একদিকে মুসলমানেরা নিজেরাই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম মুবারককে ইহানত বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে, আবার এর ফলে ইহুদী-নাছারারাও এটি নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের সুযোগ পাচ্ছে। যেমন- সংক্ষিপ্তাকারে লিখিত Md. অথবা Mohd. কে তারা প্রচার করছে Mouth of Dog বলে।(নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক) তাই Md. বা Mohd. পরিহার করতে হবে।
১১. Mecca: এমনিভাবে মুসলমানেরা মক্কা শব্দটি ইংরেজীতে Mecca লিখে থাকে। অথচ এই শব্দ দ্বারা ইহুদী-নাছারারা Bar অর্থাৎ শরাবখানা বুঝিয়ে থাকে। তাই মুসলমানদের উচিত Mecca না লিখে Makkah লিখা।
১২.Mosque: একইভাবে মুসলমানেরা মসজিদ শব্দটিকে ইংরেজীতে Mosque লিখে থাকে। অথচ এই শব্দ দ্বারা ইহুদী-নাছারারা House of Mosquito অর্থাৎ মশার ঘর বুঝিয়ে থাকে। তাই মুসলমানদের উচিত Mosque না লিখে Masjid লিখা।
১৩. মৌলবাদীঃ মৌলবাদ শব্দের অর্থ হলো “যে কোন ধর্ম বা মতবাদের মূলতত্ত্ব, মৌলিক বা মূল বিষয়সমূহ অথবা মৌলিক বা মূল মতবাদসমূহ”। আর ব্যবহারিক অর্থে ধর্মান্ধ চরমপন্থী আমেরিকান খৃষ্টান প্রোটেষ্ট্যান্ট সম্প্রদায়ের বাইবেল সম্পর্কীয় মতবাদকে মৌলবাদ বলে এবং এ অর্থেই এটা ব্যাপকভাবে পরিচিত। আর এই ধর্মান্ধ চরমপন্থী আমেরিকান খৃষ্টান প্রোটেষ্ট্যান্ট সম্প্রদায়ই মৌলবাদী বলে পরিচিত। কাজেই মুসলমানদেরকে মৌলবাদী বলা বা মুসলমানগণ নিজেদেরকে মৌলবাদী বলে দাবী করা কখনো কোন মতেই শরীয়তসম্মত হবে না। কারণ এটা খৃষ্টানদের শেয়ার বা চিহ্ন বা আলামত মৌলবাদ।
১৪. গুণকীর্তনঃ “গুণকীর্তন” শব্দটিও মুসলমানদের পরিহার করা উচিত। কারণ গুণ শব্দের সঙ্গে কীর্তন শব্দ রয়েছে যা হিন্দুদের এক ধরনের গান। তাই মুসলমানরা প্রসংশা করা বলতে পারে।
১৫. ইসলামিক রাষ্ট্রঃ ইসলাম একটি পুনাঙ্গ দ্বীন। অন্যদিকে রাষ্ট্রের ধারণার উৎপত্তিস্থল হলো গ্রিসে। রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত যত মতবাদ সব বিধর্মী মতবাদ। আর রাষ্ট্রের সংজ্ঞা হিসেবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর চারটি বিষয় উল্লেখ করেছেন। ১. নির্দিষ্ট ভূখন্ড ২. জনসমষ্টি ৩. সার্বভৌমত্ব ৪. সরকার। রাষ্ট্রের এ সংজ্ঞার মাঝে ইসলাম নির্দিষ্ট ভূখন্ড,জনসমষ্টি এবং কথিত রাষ্ট্রীয় সরকার বা সংবিধান এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব ক্ষমতা কোনটাই স্বীকার করে না। সুতরাং ইসলামে কখনই ইসলামিক রাষ্ট্র বলে কোন শব্দ নেই। তবে খিলাফত ব্যবস্থা ইসলামে রয়েছে।
১৬. ওরসঃ “ওরস” শব্দের আভিধানিক অর্থ “ওলীমা বা বিবাহের খানা, জিয়ারত, বিবাহের দাওয়াত, বাসর যাপন” ইত্যাদি। পারিভাষিক ও রূপক অর্থ “কোন আউলিয়া-ই-কিরাম ও বুযুর্গানে দ্বীনের ইন্তকালের দিন ফাতিহা পাঠ উপলক্ষ্যে খাওয়া, ওয়াজ-মাহ্ফিল, মীলাদ-ক্বিয়াম ইত্যাদির ব্যবস্থা করা”। পূর্ববর্তী যামানায় ওরস শব্দ ব্যবহার করাকে ওলামায়ে হক্কানী-রব্বানীগণ দোষণীয় মনে করেননি। কিন্তু পরবর্তী যামানায় ওরসের নাম দিয়ে বেপর্দা, বেহায়াপনা, গান-বাজনা, মেলা ইত্যাদি বেশরীয়তী কাজ করার কারণে পরবর্তী যামানার হক্কানী-রব্বানী আলিমগণ ফতওয়া দিয়েছেন যে, কোন নেক বা দ্বীনী কাজে ওরস শব্দ ব্যবহার করা না করে “ঈসালে সাওয়াব” বা “সাওয়াব রেসানী” শব্দ ব্যবহার করতে হবে।
১৭. লাউঃ কদু হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রিয় খাবার। অনেকে কদুকে লাউ বলে থাকে। কিন্তু লাউ শব্দের খারাপ অর্থ আছে বিধায় কুদকে লাউ বলা মুসলমানদের উচিত নয়।
১৮. God: প্রায় সকল বইতে “আল্লাহ পাক” শব্দটিকে ইংরেজীতে লিখার সময় প্রতিশব্দ হিসেবে “God” লিখে থাকে। কিন্তু এই শব্দটি মোটেও ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ “God” শব্দটির স্ত্রী বাচক শব্দ “Goddess” আছে। অপরপক্ষে আল্লাহ পাক হচ্ছেন সমাদ বা বেনীয়াজ অর্থাৎ তিনি সমস্ত কিছু থেকে পবিত্র। তাই আল্লাহ পাক ইংরেজীতে লিখার সময় (সকল অক্ষর বড় হরফে) “ALLAH PAK” লিখতে হবে। প্রসংগত উল্লেখ যে, আল্লাহ পাক ইংরেজীতে লিখার সময় pronoun বা সর্বনাম হিসেবে HE লিখা যাবে না যা দ্বারা মুলত পুরুষ বাচক শব্দ বুঝানো হয়। তাই প্রত্যেকের উচিত সকল বাক্যে “ALLAH PAK” শব্দটি ব্যবহার করা।
১৯. Prophet: প্রায়ইশ দেখা যায়, “নবী” শব্দটির প্রতিশব্দ হিসেবে হুযুর পাক ছল্ললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনার নাম মুবারকের পূর্বে “prophet” শব্দ ব্যবহার করে থাকে যা স্পষ্টতঃ উনাকে ইহানতে শামিল। কারণ “prophet” শব্দটি ধর্মীয় শব্দ ছাড়াও অর্থনীতে ও সমাজ বিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে ব্যক্তিগত সাফল্যের ক্ষেত্রে “prophet of greed” শব্দটি ব্যবহার করা হয়। আবার সমাজ বিজ্ঞানে সংকট সংশ্লিষ্ট বিষয়ে “prophets of doom” শব্দটি ব্যবহার করে। তাই আল্লাহ পাক, উনার পরে যাঁর মুবারক স্থান, উনার নাম মুবারকের পূর্বে “prophet” শব্দটি কখনোই ব্যবহার করা উচিত নয়। তার পরিবর্তে উনার লক্বব মুবারক ব্যবহার করা উচিত।
২০.Messenger: হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনাকে রসূল বুঝাতে ইংরেজীতে “Messenger” শব্দটি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু “Messenger” শব্দটি দ্বারা কেবল “বার্তা বাহক” বুঝানো হয় যা কখনই “রসূল” শব্দটির সমার্থক শব্দ নয়। তাই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনাকে সহ সকল রসূল আলাইহিমুস সালাম, উনারদের ক্ষেত্রে ইংরেজীতে “Rasul” শব্দ মুবারকটি ব্যবহার করতে হবে।
২১.Mohhamaden: অনেকে মুসলমান শব্দটির প্রতিশব্দ হিসেবে “Mohhamaden” ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু শব্দটি দ্বারা মুলতঃ মুসলমানদেরকে তাচ্ছিল্য অর্থে বুঝানো হয়ে থাকে। তাই শব্দটি পরিহার করে “Muslim” শব্দটি ব্যবহার করা উচিত।
২২.রামঃ আমরা বড় কিছু বুঝাতে অনেক শব্দের সাথে “রাম” শব্দটি যুক্ত করে বলে থাকে। যেমনঃ রামদা, রামছাগল ইত্যাদি। কিন্তু “রাম” শব্দটি দ্বারা মুলত হিন্দুদের দেবতাকে বুঝানো হয়ে থাকে। তাই “রাম” শব্দটি পরিহার করে “বড়” শব্দ ব্যবহার করা উচিত। যেমনঃ বড় দা, বড় ছাগল ইত্যাদি।
২৩.লক্ষীঃ আমরা প্রায়শ ভাল কিছু বুঝাতে “লক্ষী” শব্দটি ব্যবহার করি। যেমনঃ ভাগ্য লক্ষী কিংবা ঘরের লক্ষী। কিন্তু “লক্ষী” শব্দটি দ্বারা মুলত হিন্দুদের দেবীকে বুঝানো হয়। তাই “লক্ষী” শব্দটি পরিহার করা উচিত।
২৪.জলঃ “পানি” শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে আমরা “জল” শব্দটি ব্যবহার করে থাকি যা । যেমনঃ অশ্রু জল, জল দাগী ইট, জিভে জল আসে ইত্যাদি কিন্তু এই শব্দটি হিন্দুদের জন্য খাছ শব্দ। তাই এই শব্দটি পরিহার করে “পানি” শব্দটি ব্যবহার করা উচিত। যেমনঃ চোখের পানি, পানি দাগী ইট, জিভে পানি আসে ইত্যাদি।
২৫.হরিলুটঃ বড় ধরনের লুটপাট বুঝাতে “হরিলুট” শব্দটি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই শব্দের হরি অংশটি মুলত হিন্দুদের সাথে সংশ্লিষ্ট। তাই “হরিলুট” শব্দ পরিহার করা উচিত।
২৬.কালিজরাঃ অনেকে কালোজিরাকে কালিজিরা বলে থাকে। যবন, ম্রেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দুদের দেবী কালি কালো বলে তাকে কালি বলা হতো। (যদিও সব কাল্পনিক) তাই কালি জিরা না বলে কালো জিরা বলা উচিত।
২৭. Sufism: Sufism অর্থাৎ সুফীবাদ শব্দটি একটি ভূল শব্দ কারণ Sufi শব্দের সাথে ইংরেজী “ism” প্রত্যয় যুক্ত আছে। আর “ism” অর্থ হলো মতবাদ অর্থাৎ মানব সৃষ্ট ধারণা। কিন্তু সূফী তথা তাসাউফ সম্পর্কিত ধারণা সম্পূর্নরূপে ভাবে রূহানী সংশ্লিষ্ট। তাই Sufism শব্দটি পরিহার করে বাতেনী জ্ঞান কিংবা তাসাউফ চর্চা ব্যবহার করা যেতে পারে।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৩
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: যারা নিজেকে মুসলমান বলে তারা ইহা মানবে , যারা মুনাফিক তারা মানবেনা ।
২|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:১৪
বি হিউম্যান বলেছেন: চমৎকার একটি পোস্ট, এটি নির্বাচিত অংশে রাখা উচিত।
৩|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২২
রিপেনডিল বলেছেন: এত জ্ঞান নিয়ে ঘুমান কেম্নে?! আপনার মাথায় তো দেখি অনেক ঝোল!
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৪
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: যার সাধারন আকল আছে সেও বুঝবে । বেকুব লোক ইহা বুঝবেনা ।
৪|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৫
ড্যানিশ কনডেন্সড মিল্ক বলেছেন: আচিপ ভায়া ক্যামন আচেন :>
৫|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৮
আমিগো বলেছেন: সরোজ রিক্ত বলেছেন: গাধা
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৮
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: যারা নিজেকে মুসলমান বলে তারা ইহা মানবে , যারা নামধারী মুসলমান তারা মানবেনা ।
৬|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৬
কাজী রহমতুল্লাহ বলেছেন: ভাই, মন্দ লোকের মন্দ কথায় কান দিয়েন না। আপনি চালায়া যান!
এই রকম জ্ঞানী পোষ্ট আরও আরও আরও চাই! ক্ষনে ক্ষনে চাই।
আপনি একদম সমস্যার মূলে হাত দিছেন!
৭|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪০
ক্যাচাল বাজ বলেছেন:
এই পুষ্টে ক্যাচাল লাগার সম্ভাবেলিটি দেখতাছি!!!!!!!!!
৮|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪১
সেল্ফ রিলায়েবল বলেছেন: এই লেখা পড়ে বুঝা যাচ্ছে যে আপনি এই বিষয় গুলো জেনেছেন কোন উৎস থেকে। তাই দয়া করে উৎস উল্লেখ করুন, যাতে আমরা এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আরো ভালভাবে জানতে পারি।
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪০
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: উৎস তো বলাই আছে । কথাগুলোই তো উৎস ।
৯|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪২
পুরান পাগলা বলেছেন: কাজী রহমতুল্লাহ বলেছেন: ভাই, মন্দ লোকের মন্দ কথায় কান দিয়েন না। আপনি চালায়া যান!
এই রকম জ্ঞানী পোষ্ট আরও আরও আরও চাই! ক্ষনে ক্ষনে চাই।
আপনি একদম সমস্যার মূলে হাত দিছেন!
১০|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪৬
ডাঃ নাসির বলেছেন: বে-খেয়ালে আমরা কতই না ভুল করি এই ব্লগটি তারই প্রমাণ। আন্তরিক ধন্যবাদ।
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪১
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: শুকরিয়া ।
১১|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪৭
জায়েদ ইকবাল বলেছেন: পছন্দ হইছে । যারা নিজেদের মুসলমান বলে দাবি করবে এবং আল্লাহ ও রাসূলকে স্বীকার করবে তারা মানবে অবশ্যই । বাকিদের খারাপ লাগতেই পারে এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই ।
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪২
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: শুকরিয়া ।
১২|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫২
আধারের কবি বলেছেন: অনেক গুলা ঠিক আছে তবে কিছু অতিরিক্ত হয়ে গেছে
১৩|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৯
ৎঁৎঁৎঁ বলেছেন: অসাধারন পোস্ট, এইভাবে যে চিন্তা করা যায় এটাই আমার মাথায় আসেনি! পোস্ট জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে স্টিকি করার দাবী জানালাম।
১৪|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১১
শোয়েব হাসান বলেছেন: Darun apnk onk onek thanks.
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪২
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: শুকরিয়া ।
১৫|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৭
রিপেনডিল বলেছেন: লেখকের জ্ঞানের ঝোলে একটু পানি ঢেলে দেই,
আনলাকি ১৩- মুহাম্মাদ (সঃ) এর জন্মের বহু আগে থেকেই আনলাকি ১৩ এর ধারনা চলে আসছে। ঈসা (আঃ) বা যিশুর "লাস্ট সাপার" এ ১৩ জন মানুষ ছিল বলে যিশু মারা যায় কিংবা নর্স মিথোলজিতেও এমন একটি ঘটনা দেখা যায় যেখানে ১৩তম অথিথিয়ার আগমন অশুভ ছিল। এগুলো মহানবীর জন্মবের এমন কি ইংরেজী ভাষা জন্মেরও বহু আগের ঘটনা! এমনকি ইংরেজী ভাষাটাও ইহুদীদের ভাষা না। তাদের নেটিভ ল্যাঙ্গুয়ায়েজ ছিল হিব্রু। এই আনলাকি ১৩ এর ব্যাপারটি আসলে কুসংস্কার তাই অনেকে এটিকে এড়িয়ে চলেন, তাই বহু রেস্টুরেন্ট, হোটেল, প্লেন বা বাসের সিট ইত্যাদিতে সংখ্যাটি এড়িয়ে চলতে দেখা যায়। সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Friday_the_13th
লাকি ৭- এটিও অনেক আগে থেকে চলে আসা একটি কুসংস্কার। বাইবেল অনুসারে ৭ দিনে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে, আবার সপ্তাহে ৭ দিন, হিন্দুদের আছে সাত পাক ঘোরা, সাত চক্র, সপ্তর্ষী ইত্যাদি, ইসলাম ধর্মে আছে সুয়া ফাতেহায় ৭ আয়াত, সাত আসমান, কাবা শরীফ তাওয়াফ করা ৭ বার, হজ্জ এর সময় সাফা মারওয়া পাহাড়ের মাঝে ৭ বার দৌড়ানো, ৭ বেহেশত, ইত্যাদি, এভাবে ইহুদীদেরও আছে। তাই বলাই বাহুল্য সব ধর্মেই এই সংখ্যাটা প্রাধান্য পেয়েছে ইতিবাচকভাবে।
বিশ্ব-ব্রহ্মান্ড- ব্রহ্মান্ড শব্দটি ব্রহ্মা থেকে আসতে পারে, অস্বাভাবিক কিছু নয়, কিন্তু বাংলা ভাষার বেশিরভাগ শব্দ সংস্কৃত থেকে সরাসরি বা পরিবর্তিত ভাবে গৃহিত, এভাবে বাদ দিতে থাকলে পুরো বাংলা ভাষাই বিলুপ্ত হয়ে যাবে! কোন হাদিস কুরআনে পাইছেন যে অন্য ধর্মাবম্বীদের ভাষা ব্যাবহার করলে জাত চলে যাবে?!!!!! তবে শুনুন, আরবি ভাষা কিন্তু এসেছে ইসলাম ধর্ম আসার আগেই, ঐ ইহুদী নাসারাদের ভাষাই ছিল আরবি। ইসলাম শুধু আরবদের জন্য আসেনি, এসেছিল সব ভাষার সব দেশের মানুষের জন্য। নিজ নিজ ভাষাকে ত্যাগ করতে কখনো বলা হয়নি বরং জ্ঞান আহরনের জন্য সারা বিশ্বের ছড়িয়ে পড়ে সবার সংস্কৃতি আর জ্ঞানের অংশীদার হবার জন্যেই বলা হয়েছিল জ্ঞান অর্জনের জন্য চীনে যাও।
বাকি শব্দগুলোর ব্যাপারেও সুষ্পষ্ট ব্যাখ্যা ছিল কিন্তু আপাতত ধৈর্যে কুলাচ্ছেনা বলে লিখলাম না। বুদ্ধিমান হলে বাকিগুলো বুঝবেন। এইসব সস্তা প্রচারনা বাদ দিয়ে বিভ্রান্তি আর মুসলমানদের বেকুবি প্রমাণের চেষ্টা করবেন না। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪৯
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: সবগুলো আসমানী কিতাবে হুযুরে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের সুসংবাদ ছিল । কাফিরগুলো জেনেই করেছে । আরবি স্বতন্ত্র ভাষা । আল্লাহ পাক আরব্দের জন্য পুর্ব থেকেই ইহা ঠিক করে রেখে ছিলেন ।
আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, "কাফির মুশরিকরা হিংসাবসত চায় কিভাবে মুসলমানের ঈমান আনার পর আবার কাফির বানিয়ে দিতে "।
এইসব তার একটা উপকরন ।
১৬|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩৪
অপরাজেয় বিদ্রোহি বলেছেন: ড্যানিশ কনডেন্সড মিল্ক বলেছেন: আচিপ ভায়া ক্যামন আচেন ![]()
১৭|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৯
অদিব বলেছেন: ℞ সম্পর্কে এখানে পড়ু্ন।লেখকের কথার সত্যতা পাওয়া গেলো না।
ক্লিক করেন
১৮|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৯
কাজী রহমতুল্লাহ বলেছেন: @রিপেনডিল: আপনার দেখছি সাধারন আকল নাই।
লেখক তো বলেই দিয়েছেন "বেকুব লোক ইহা বুঝবেনা ।" :#>
১৯|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫২
রিপেনডিল বলেছেন: @ কাজী ভাই, ঠিকই কইসেন, উনার কাছে একটূ ঝোল ধার নিতে আসছিলাম আর কি
২০|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৪
অদিব বলেছেন: ভাই,আপনার সাথে সম্পুর্ন একমত হতে পারলাম না।আপনি 'জল' শব্দের ভিতরেও হিন্দু-মসুলমান পান কি করে তা বুঝলাম না!আর আপনি যখন 'হিন্দু' শব্দ নিয়ে এত বিচলিত তখন বাংলা বলা ছেড়ে দেন!
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৫০
ওয়ান টু নাইন বলেছেন: কোন হিন্দু সহজে পানি বলেনা ।
২১|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৮
কাজী রহমতুল্লাহ বলেছেন: @রিপেনডিল: আমরা তো এমন জ্ঞানীর সান্নিধ্য পাওয়ার জন্যই সামুতে পড়ে থাকি।
লেখক ভাই, মন্দ লোকের মন্দ কথায় কান দিয়েন না। আপনি চালায়া যান!
২২|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০১
হাসান মাহবুব বলেছেন: কিব্বিনোদন! আনন্দমেলা ফেল!
২৩|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০৩
কাজী রহমতুল্লাহ বলেছেন: @অদিবঃ ঝোল খেয়ে খেয়ে আপনি "আকল" হারিয়েছেন।
লেখক তো বলেই দিয়েছেন "বেকুব লোক ইহা বুঝবেনা ।" :#>
২৪|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০৫
কাজী রহমতুল্লাহ বলেছেন: হাসান মাহবুবঃ জ্ঞান তো আনন্দেরই হাট। এমন জ্ঞানীর সান্নিধ্য পাওয়া তো ভাগ্য।
২৫|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১৪
নষ্ট ছেলে বলেছেন: আপনার ভাই-ব্রাদার থাকলে সামুতে নিয়া আসেন। আজকাল সামুতে বিনুদুনের কিঞ্চিৎ ঘটতি পরছে।
২৬|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১৫
এ্যাপোলো৯০ বলেছেন: Rx এসেছে গ্রিক দেবতা জিউসের এর থেকে আমি যতটুকু জানি।লাস্ট সেমিস্টারে আমাদের এটাই পড়িয়েছে।আপ্নি যশু কই থেকে আনলেন
২৭|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩২
শিপু ভাই বলেছেন:
জ্ঞানের সাগরে ডুইবা গেলামতো!!!
SOS
SOS
SOS!!!
২৮|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪৯
অলোক মিস্ত্রী বলেছেন: হালায় কয় কী???
২৯|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:০৬
নতুন বলেছেন: যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, ক্বাইয়্যুমুয্ যামান, সকল অপদার্থের শেষ ঠিকানা, কুতুবুল আলম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, দেরিতে পিউবিক হেয়ার গজানো বালকদের নেতা, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, মাহিউল বিদয়াহ, রসূলে নুমা, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল উমাম, সাইয়্যিদুল খুলাফা, ইহুদি'নাসারাদের নেট ব্যবহার করা ধর্মগুরু, আস সাফফাহ, মুর্শিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ্, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম কলুরবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলাহ আলাইহিস সালাম বলেন,
এই সব জিনিস যারা মানেন না তারা ুদাই... শুধু ঝোল ওয়ালা রাজারবাগীরাই সব বোঝে
@ লেখক >>>
আনলাকি ১৩ >> যীষু খৃস্টের নাম শুনেছেন কখনো? তাকে যেই লোক ধরিয়ে দিয়েছিলো যে লাস্ট সাপারের সময় ১৩ নং ব্যক্তি ছিলৈা... সেই খান থেকে আনলাকি ১৩ শব্দ এসেছে...
মহানবীর জন্মের ৫৭০ বছর আগে ঘটে ঐ ঘটনা.... সেটা থেকে আনলাকি ১৩ এর প্রচলন...
বাকি গুলি বেশির ভাগই বাংলা শব্দ>>> বাংলা শব্দ এসেছে পালী..সাংস্কৃতি ভাষা থেকে... তাই এইটা হিন্দু ভাষা...
আপনি যদি একটু কস্ট কইরা আরবীতে কথা বলতেন তবে ভাল হইতো...
১৭. লাউঃ কদু হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রিয় খাবার। অনেকে কদুকে লাউ বলে থাকে। কিন্তু লাউ শব্দের খারাপ অর্থ আছে বিধায় কুদকে লাউ বলা মুসলমানদের উচিত নয়।
আরবী ভাষায় কি কোন খারাপ শব্দ নাই? সেইগুলান বললেই নেকি হবে?
৩০|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৮
েদশীদাবাং বলেছেন: সরোজ রিক্ত বলেছেন: গাধা
রিপেনডিল বলেছেন: এত জ্ঞান নিয়ে ঘুমান কেম্নে?! আপনার মাথায় তো দেখি অনেক ঝোল!
কাজী রহমতুল্লাহ বলেছেন: ভাই, মন্দ লোকের মন্দ কথায় কান দিয়েন না। আপনি চালায়া যান! ![]()
এই রকম জ্ঞানী পোষ্ট আরও আরও আরও চাই! ক্ষনে ক্ষনে চাই।
আপনি একদম সমস্যার মূলে হাত দিছেন!
হাসান মাহবুব বলেছেন: কিব্বিনোদন! আনন্দমেলা ফেল!
ভাই আপনার মতো লেখক আছে বলেই এই ব্লগ এখোনো বিনোদোন দিয়া যাইতাছে.......................
৩১|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ২:২০
সেই-সময় বলেছেন: মাংস যদি মায়ের অংশ হয় তাহলে ছাগু শব্দটা কি হবে .....
ছাগলের গু ??
এত জ্ঞান নিয়ে ঘুমান কি করে ???
.....
নির্মল বিনোদন দেবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ......
৩২|
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৩
মুদ্রাগণক বলেছেন: না বলে দিলাম , কিন্তু আনাএকটু পইরা দেকেন...
চরম জিনিস
http://www.sachalayatan.com/udash/44669
৩৩|
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৫
৩৪|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৪০
আশফাক সুমন বলেছেন: পুরোপুরি একমত নই আপনার সাথে।
তবে বিশ্ব ব্রহ্মান্ড/বিসমিল্লায় গলদ/ কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে/ধান ভানতে শিবের গীত ইত্যাদি সম্পর্কে আপ নার ব্যাখ্যা যুক্তিপূর্ণ ।
ধন্যবাদ ভাই ।
৩৫|
২৯ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৫
চুরি যাওয়া আগুন... বলেছেন: পুরান পাগলা বলেছেন: কাজী রহমতুল্লাহ বলেছেন: ভাই, মন্দ লোকের মন্দ কথায় কান দিয়েন না। আপনি চালায়া যান!
এই রকম জ্ঞানী পোষ্ট আরও আরও আরও চাই! ক্ষনে ক্ষনে চাই।
আপনি একদম সমস্যার মূলে হাত দিছেন!
ৎঁৎঁৎঁ বলেছেন: অসাধারন পোস্ট, এইভাবে যে চিন্তা করা যায় এটাই আমার মাথায় আসেনি! পোস্ট জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে স্টিকি করার দাবী জানালাম।
![]()
নষ্ট ছেলে বলেছেন: আপনার ভাই-ব্রাদার থাকলে সামুতে নিয়া আসেন। আজকাল সামুতে বিনুদুনের কিঞ্চিৎ ঘটতি পরছে।
শিপু ভাই বলেছেন:
জ্ঞানের সাগরে ডুইবা গেলামতো!!!
SOS
SOS
SOS!!!
সেই-সময় বলেছেন: মাংস যদি মায়ের অংশ হয় তাহলে ছাগু শব্দটা কি হবে .....
ছাগলের গু ??
এত জ্ঞান নিয়ে ঘুমান কি করে ???
.....
নির্মল বিনোদন দেবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ......
![]()
৩৬|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৮:২৩
সৌরভ বাগচী বলেছেন: আপনার কথা অনুযায়ী পানি শব্দটি মুসলিমরা ব্যবহার করতে পারবে না কারণ এটি একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ এবং সংস্কৃত শব্দ 'পানীয়' থেকে পানি শব্দটির উৎপত্তি। এছাড়া ভারতের বেশিরভাগ হিন্দু (বাঙালী বাদে) জলকে পানি বলে সম্মোধন করে।
৩৭|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১৩
প্রণব দেবনাথ বলেছেন: এতো জ্ঞান!!!!! কম্পিউটার,চেয়ার,মাউস,ব্লগ,ইন্টারনেট,টুথপেস্ট,ব্রাশ,বাস,টেক্সি,অটো,বাইক,মোটর এরকম প্রচুর শব্দ আছে যেগুলো আমরা রোজ ব্যবহার করি এগুলোতো ইংরেজি ইহুদি,খ্রিস্টান দের ভাষা এগুলো কেন বাদ দিলেন!!!!!! খাবার,পোষাক, চলাফেরা এসব নিয়েতো চলছিলই এবার ভাষাও বাদ যাবেনা!!!!!এধরনের ঠুনকো মানসিকতা নিয়ে নিজের ঘরেই থাকা ভাল,বাইরে এলে না খেতে পেয়ে মরে যাবেন। ![]()
৩৮|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২০
প্রণব দেবনাথ বলেছেন: আর একটা উত্তর দিয়েছেন হিন্দুরা পানি বলে না,হা এটা সত্যি কারন বাঙালি হিন্দুরা বলে না এর কাওন বাংলায় জল আছে কিন্তু হিন্দিভাষী যারা তার তো পানি বলে।আর হিন্দি তে দাদা- দাদি, নানা-নানী এসব শব্দ আছে, আমার বাঙালি হিন্দুরা মা বাবা বলে সম্বোদন করে মুসলিমরা কি বলে আব্বা আম্মা?তামিল তেলেগু তে বাবা কে আব্বা মা কে আম্মা বলে ওসব ও তো হিন্দু দের ভাষা তাহলে মুসলিমদের এগুলো বলা কি উচিত!!!
৩৯|
২৮ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১:২৮
এ.আর. শ্রাবণ বলেছেন: বিনোদন
৪০|
৩১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:১০
মোহাম্মদ এন ইউ ইসলাম নাজিব বলেছেন: সঠিক বিষটা তুলে ধরেছে।
৪১|
১২ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:১২
নূর আলম হিরণ বলেছেন: কি জ্ঞান মাইরি!!
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০৬
সরোজ রিক্ত বলেছেন: গাধা