নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

be polite with people when you go up because you will meet them when you go down....

অপ্রস্তুত যুদ্ধ

খোঁড়ো আমার ফসিল,অনুভুতির মিছিল/প্রতিক্রিয়াশীল কোনো বিপ্লবে,শোনো তুমি কি আমার হবে...........? Let me introduce myself I'm a social disease I've come for your wealth leave you on your knees No time for feeling sorry, I got here on my own I won't ask for mercy, I choose to walk alone What's yours is mine and what's mine is mine too, If you shake my hand better count your fingers....... I'm guilty haunted by my fear and the only consequences Are Dread and the Fugitive Mind.......

অপ্রস্তুত যুদ্ধ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গুন্ডালীগের সাথে নাকে রুমাল দিয়ে হলেও আজকের হরতালে থাকুন।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:৪৩

ব্যক্তিগতভাবে আমি ছাত্ররাজনীতি পছন্দ করি না । কারণ আমি মনে করি, মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন হয়েছে কলেজ ও ভার্সিটিগুলোতে স্বাধীনভাবে ছাত্রদের জ্ঞান-বিজ্ঞান অনুশীলনের জন্য কোনো রাজনৈতিক দলের ফুটফরমায়েশ খাটার জন্য না । এদেশে এখন কোনো কলোনীয়াল শাসন বা স্বৈরতন্ত্র চলছে না যে ছাত্রদের বিপ্লব করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে হবে । একটি স্বাধীন দেশ হচ্ছে একটি স্বাধীন স্বপ্ন । মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক শক্তি ও দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক রাজনীতিবিদরা এই দেশ চালাবেন এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন কাংখিত লক্ষ্যে । গণতন্ত্রে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সকল জনতা প্রতিবাদ করবে ; এক্ষেত্রে ছাত্রসমাজ এবং বুদ্ধিজীবি শিক্ষকসমাজ নেতৃত্ব দিবে । এই নেতৃত্ব দিতে তাদের কোন রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে না । কারণ রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনগুলা কেবল তাদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নেই ছাত্রদের কাজে লাগায়, দেশের সত্যিকারের অগ্রগতির জ্ন্য নয় ।



কিন্তু এ কোন আজব দেশে আছি আমরা । এখানে মুক্তিযোদ্ধারা বৃদ্ধ বয়সে রিকশা চালায় আর রাজাকাররা মন্ত্রী হয় । রাজাকার বাহিনীর ছাত্রসংগঠন আবার হরতাল, অবরোধ করে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করে তোলে । শুধু তাই নয় , ক্ষেত্রবিশেষে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উৎখাত করার চেষ্টাও করে থাকে ।



এবার আসল কথায় আসি । শাবিপ্রবিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভাষ্কর্য স্থাপন করা হবে । যেখানে একজন মা তার সন্তানকে মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণের আগে আর্শিবাদ করছেন । এইবার সকল মৌলবাদী স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির আঁতে ঘা লেগে গেল । তারা বলতে শুরু করল যে সিলেট হচ্ছে শাহজালালের পূর্ণভূমি, মূর্তি স্থাপন করা ইসলামে হারাম ইত্যাদি ইত্যাদি । শাবিপ্রবির কিছু মাথা মোটা শিক্ষকও সাথে সাথে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করা শুরু করল । এর ভিতর ছাত্রজীবনে শিবির করা শিক্ষকরাই প্রধান । গাধার বাচ্চারা ইতিমধ্যে স্থাপিত “চেতনা একাত্তর” নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ভাষ্কর্যটা আছে, তা কি দেখতে পায় নাই ? ক্যাম্পাস বন্ধের দিন সিলেটের সাধারণ মানুষ ঘুরতে এসে কাউকে তো দেখলাম না যে “চেতনা একাত্তরে” পূজা অর্চনা করছে । বরং আমরা রাতে ঐখানে বসে আড্ডা দেই এবং বাইরের লোকরা ঐখানে ফটোশেসন করে । এটা শুধুমাত্র একটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক ছাড়া আর কিছুই না । এখানে এসে কেউ শিরক করে না বা মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয় না । তাহলে কেন এই ছাত্রসংগঠন ও পূর্বতন কর্মী থেকে শিক্ষক হওয়া ছাগলেরা ম্যাঁ ম্যাঁ করা শুরু করেছে । কারণ তারা আসলে একাত্তরের পরাজয়টা মেনে নিতে পারছে না ।



আমার একজন ছাগল শিক্ষকের ক্লাস করার সুযোগ হয়েছে । সেই ছাগল ৭৫ পরবর্তী স্বৈরশাসক প্রেসিডেন্টের সুনাম আর বর্তমান সরকারের সমালোচনা করা ছাড়া আর কিছুই পড়ায় না । মাঝে মাঝে পাকিস্তানী স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের গল্প বলতেও সে গর্বে গর্ববতী হয়ে যায় । শেখ মুজিব নিয়ে কটুকথা বলতেও সে চাতুরতার আশ্রয় নেয় । নেলসন মেন্ডেলার শ্বেতাঙ্গদের ক্ষমা করাকে বুদ্ধিমানের কাজ বলে পরোক্ষভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতা করে । আমরা আমজনতা ছাত্র , আমাদের কোনো প্রতিবাদ করার ক্ষমতা নাই । আমরা কোন ছাত্ররাজনীতির সাথে যুক্ত না তাই প্রতিবাদ করে রগ কাটার শিকার হতে ভয় পাই । কিন্তু আর কত ???????????



গতবছরের শুরুর দিকে যখন অতিশয় ভালো ধর্মব্যবসায়ী একটি ছাত্রসংগঠনকে আওয়ামী গুন্ডারা হল ছাড়া করেছিল, তখন আমি দেশস্বাধীন হওয়ার আনন্দ কিছুটা হলেও অনুভব করেছিলাম । কিন্তু যখন এই ধর্মব্যবসায়ীরাই যখন আমার ক্যম্পাসের দেশপ্রেমের চেতনাকে নিয়ে হরতাল ডাকে তখন আমি পরাধীনতার ভয়ে ভীত । কুত্তালীগ বা গুন্ডালীগ যে নামেই ডাকুন না কেন, এই পরাধীন ক্যাম্পাসে এখন তারাই আমাদের মত সাধারণ ছাত্রদের ত্রানকর্তা । বামপন্থীদের ভাব এমন যে এরা হচ্ছে বূর্জোয়াদের পোষা কুত্তা । কিন্তু তাদের জন্য বলতে চাই এই গুন্ডারা না থাকলে ক্যম্পাসে মার্ক্স-লেনিন কপচানোর একজন লাল বিপ্লবীও মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুঁজে পাওয়া যেত না । তাই দয়া করে কালকের হরতালের ইস্যুতে নাকে রুমাল দিয়ে হলেও ডাস্টবিনের আবর্জনা কুত্তালীগের পাশে থাকুন । আমরাও আপনাদের সাথে থাকব । ভাষ্কর্যের জাহানারা ইমাম ও রূমিকে যে আমাদের খুবই দরকার । রূমি যদি দেশের জন্য বুয়েটে পড়া বিসর্জন দিতে পারে তবে আমরা কেন শাবিপ্রবির পড়া বিসর্জন দিতে পারব না ।

“জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু”

মূল লেখকের লিঙ্ক : View this link



এইবার একটু নিজের কথা বলি যেই সব বামরা এখন তাত্ত্বিক আলোচনা করছেন, আপনাদেরকে বলছি, লেনিন-মার্কস ও তাদের জীবনে আপনাদের মত এতো বড় তাত্ত্বিক ছিল না, যদি হত তাহলে লেনিন বলশেভিক বিপ্লব করতে পারতো না, আর জারদের ক্ষমতা থেকে নামাতে পারতো না। আপনারা এখনও মানুষের ভাষা বোঝার ক্ষমতা অর্জন করতে পারছেন না, এই দেশের জামাতের রাজনীতি শুরু সেই ব্রিটিশদের সময় থেকে আর বামদেরও সেই অনেক কাল থেকে, কিন্তু জামাত আজকেও এই দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায় নি এককভাবে, আপনারাও পান নি!!! কিন্তু জামাত ইস্যু কে আমি রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব বলে মনে করি আর আপনাদেরটাকে কি মনে করি জানেন??? তাহলে একটু ছোট গল্প বলি, আমার ক্লাসে পজিশন ছিল সবসময় ১০ এর বাহিরে আমার অনেক ভাই বন্ধু ছিল যারা সারাক্ষণ পড়াশুনা নিয়েই থাকতো আর তাদের মত এতো তাত্ত্বিক ছিলাম না তাই পিছিয়ে পড়তাম, তাদের মধ্যে আরেকটা জিনিস ছিল আমরা অন্য সবার থেকে আলাদা, আমরা সব বিষয়ে অগাধ জ্ঞানের অধিকারী, আমরা যা বলবো তা শুদ্ধ এবং বিশুদ্ধ, আর বাকি সবারটা বালচাল, পরে দেখা গেল উচ্চ শিক্ষার সর্বক্ষেত্রে তারা ভর্তি পরীক্ষায় পাস মার্কসই তুলতে পারে নাই!!! চান্স তো বহুত দূরের কথা, তাদের দেখলে আমার আজ স্রেফ করুণা ছাড়া আর কিছু দেওয়ার থাকে না, আমাদের বামদের জন্যও আজকে স্রেফ করুণা আর দীর্ঘশ্বাস ছাড়া কিছুই ছাড়তে পারি না।

সব শেষে দূর্যোধন দা এর মত একটা অনুরোধ করবো, আর একটা বার শুধু আর একটা বার জেগে উঠুন আর একটা বার জামাত-শিবিরকে রুখে দেন।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৬:৫০

বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: কুত্তা লীগ ভাল হইয়া যদি শিবিরের মতো নামাজ কালাম ও পড়ে তবুও অগো থেইক্যা ১০০ হাত দূরে থাকুম। বাঘে ছুইলে ১০ ঘা আর কুত্তালীগে ছুইলে ঘা হওনের জন্য যে শরিরি টা দরকার হেই টাই পাইবেন না।

২| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:০৬

অপ্রস্তুত যুদ্ধ বলেছেন: হও ঠিক কইছ তোমার মত আবাল গুলার এখনো ঐ বিচি হয় নাই, যেইটা কুত্তা লীগের আছে, কারণ কুত্তা লীগের বিচি ছিল বইলাই তোমার রাও ফরমান আলির বীর্য বাবারা ৭১ এ সেই সোগা মারা খাইছিল, এতো তাড়াতাড়ি ভুইলা গেছো, তাই তুমি দূরে যাও, আপাতত কাঁঠাল পাতা চিবাইলেই চলবে।

৩| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:১২

১১স্টার বলেছেন: বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ।

৪| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:২০

অপ্রস্তুত যুদ্ধ বলেছেন: বন্ধ করলে কি কোন ফলাফল আসবে মনে করেন??? লক্ষ্য করবেন গট ১ সপ্তাহ আগের প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠায় টানা দুই দিন গণপিটুনির চিত্র আসছে, সেইখানে লক্ষ্য করবেন সবাই ছিল সাধারণ জনতা, এর মধ্যে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মারা গেছে, তারা যেইভাবে হত্যা করেছে, বিশ্বজিত স্টাইলের চেয়েও জঘন্য, কিন্তু কেউ টুঁ শব্দটিও করে নি , কেন??? আসল কথা বলি আমাদের মজ্জাগত কিছু সমস্যা আছে, যা আমরা দূর করতে না পারলে কখনো ঠিক হবে না, ছাত্রলীগ ছাত্রদল কোন ঘটনায় জড়িত থাকলে সেইটা নিয়ে উচ্চবাচ্য করবো, কিন্তু এই সকল ঘটনায় কিছুই বলবো না, এখন নিষিদ্ধ হোল, তারপর যখন এই রকম অবস্থা চলবে, তখন কাকে নিষিদ্ধ করবেন??????????

৫| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪৮

কান্না হাসি বলেছেন:

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৩১

অপ্রস্তুত যুদ্ধ বলেছেন: আফসুস এতো নিদর্শন থাকার পরও, জামাতি ছাগু গুলা মানুষের মনে আস্থা তৈরি করতে পারে নাই, সেই ব্রিটিশদের সময় থেকে যাদের রাজনৈতিক পদযাত্রা শুরু, আর তোদের পাকি বাবারা থাকার সময় রাষ্ট্র ক্ষমতা কি জিনিস টের পাও নাই এক বারের জন্যও, এইটা থেকে কি প্রমাণ হয় না তোমাদের দেউলিয়াত্ত, এর চেয়ে বড় আর কি উত্তম নিদর্শন দেখাবে তোমরা।

এইগুলা শেয়ার দিয়া লাভ নাই, আজকের পত্রিকা খুললেই এই রকম জামাত শিবিরের অসংখ্য ছবি দেখতে পাইবা, মাথা খাটাও কাঁঠাল এর পাতা কয়দিন।

৬| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৫০

পালা গান বলেছেন: কুত্তালীগ নিপাত যাক। শিবির জিন্দাবাদ।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:২৭

অপ্রস্তুত যুদ্ধ বলেছেন: কে নিপাত যাবে আর কে থাকবে, সেইটা সময়ই বলে দেবে, ছাগুর পাল, আপাতত তুমি কাঁঠালের পাতা চাবাও

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.