নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

www.oputanvir.com

অপু তানভীর

আমার চোখে ঠোঁটে মুখে তুমি লেগে আছো

অপু তানভীর › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্পঃ ভৌতিক বয়ফ্রেন্ড !!

০২ রা আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ২:৩৯



-এভাবে বাচ্চা মেয়েদের মত মন খারাপ করলে চলে ?

আমি খানিকটা চমকালাম । সত্যি আমার মন খারাপ । সকাল বেলা আব্বু আমাকে আচ্ছা করে বকেছে । আর পরিস্কার বলে দিয়েছে নতুন কোন মোবাইল তিনি কিনে দেবেন না । তখন আমার খুব রাগ হয়েছিল বাবার উপর ।

কেবল তো মোবাইলই সে চেয়েছিলাম । এখনকার মোবাইল টা পুরানো হয়ে গেছে । বান্ধবীদের কাছে সব নতুন নতুন ফোন । আর আমারটা কত পুরানো । সকালবেলা আব্বুকেও আজে বাজে বলেছি ।

একটা মোবাইল কিনে দিতে পারে না !



-কি ব্যাপার নীলু কথা বলছো না কেন ?

আরে এই লোকটা কে ? আর এ কেমন করে জানে যে আমার মন খারাপ ?

আমি নম্বরটা আর একবার দেখলাম । আননোন নাম্বার ।

-কে আপনি ?

লোকটার আমার কথা মনে হল কানে গেল না ।

লোকটা বলল

-তুমি যে সকালবেলা করে তোমার বাবার সাথে এমন খারাপ ব্যবহার করলে এটা কি ঠিক হয়েছে ? তোমার বাবার মন কিন্তু খুব খারাপ হয়েছে ।

সত্যি সকালবেলা করে আব্বুর সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে ।

-সে সব সময়ই তো তোমার ইচ্ছা পুরন করতে ট্রাই করে । তুমি কি জানো তোমার জন্য মোবাইল কেনার জন্য তোমার রফিক আংকেলের কাছ থেকে টাকা ধার করার কথা ভাবছে । এটা কি ঠিক হল বল ? আর তুমি তার সাথে কি ব্যবহারটাই না করলে !



এইটুকু বলেই লোকটা লাইন কেটে গেল । আর আমার মাঝে এক অনুশোচনা বোধ দেখা দিল ।

ছিঃ কি করলাম আমি ? সামান্য একটা মোবাইলের জন্য আব্বুকে এমন ভাবে কষ্ট দিলাম ?

চোখে হাত দিয়ে দেখি চোখ দিয়ে পানি পড়ছে । কাঁদতে কাঁদতেই আব্বুকে ফোন দিলাম ।



-হ্যালো আব্বু !

-কি রে ? কি হয়েছে ?

-আই এম সরি আব্বু । আমাকে তুমি মাফ করে দেও ।

-আরে বোকা মেয়ে কাঁদছিস কেন ? তুই তো এমন কিছু করিস নি ।

-না আব্বু আমি খুব খারাপ কাজ করেছি । তোমার সাথে এমন ব্যবহার করা আমার একদম ঠিক হয়নি । আমাকে তুমি মাফ করে দেও ।

আগে কান্না থামা । আমি কিছু মনে করি নি । আর তুই আমার কাছে চাইবি না তো কার কাছে চাইবি বল !



কান্না সামলাতে কিছু সময় লাগলো । বললাম

-আব্বু আমার কোন মোবাইল লাগবে না । আর তুমি খবরদার রফিক আংকেলের কাছ থেকে টাকা ধার করবে না ।

-কি বললি ?

-হ্যা আমার মোবাইল লাগবে না ।

-আচ্ছা ঠিক আছে লাগবে না । কিন্তু আমি যে রফিকের কাছ থেকে টাকা ধার করবো তুই কিভাবে জানলি ?

-জেনেছি । ও তোমার শুনতে হবে না ।

-আচ্ছা ঠিক আছে । করবো না । এখন রাখি । পরে কথা বলি ?



ফোন রাখার পর আমার মনটা ভাল হয়ে গেল আপনা আপনি । ঠিক তখনই আবার ফোনটা বেজে উঠল । সেই অপরিচিত নম্বর । ফোন রিসিভ করলাম ।

-এই তো গুড গার্ল । এখন কত ভাল লাগছে না ?

-হু ।

-আপনি কে বলুন তো সত্যি করে । এতো কিছু কিভাবে জানেন ।

-জানি । আমি তোমার সব কথা জানি । আর তুমি একটা খুব ভাল কাজ করেছ তোমার বাবা টাকা ধার করতে মানা করে । রফিক সাহেব লোকটা ঠিক সুবিধার না ।

আরে এই লোকটা এতো কিছু জানে কিভাবে ? আসলেই রফিক আংকেল কে আমি একদম পছন্দ করি না । আমাদের বাসায় কয়েক বার এসেছে । কেমন যেন একটা চোখের দৃষ্টি । আমার দিকে কেমন করে তাকায় । আমি ওনার সামনেই যাই না । আমি আবার বলি

-কে আপনি ? আমার সম্পর্কে এতো কিছু জানেন কিভাবে ?

-বললাম না আমি তোমার সব কিছু জানি ।

লোকটা হাসতে থাকে । কেন জানি লোকটার হাসি আমার কাছে খুব ভাল লাগে ।



এরপর থেকে আবীররের ফোন নিয়মিত আসতে থাকে ।

হ্যা । ও নিজের নাম আবীর বলে । আবীর আমার সম্মন্ধে সব কিছু জানে । আমি কথন কি করি না করি কি খাই না খাই সব কিছু । প্রথম প্রথম খুব অবাক লাগতো তারপর সব স্বাভাবিক হয়ে যায় । আমি মোটামুটি ওর কথা তেই চলতে থাকি । ওর সব কিছুই ঠিক আছে ।

কিন্তু দেখা করতে চাইলেই কেন জানি গরিমসি করে ।

আমি বলি

-তুমি আমাকে প্রতিদিন দেখ আর তোমাকে দেখতে পারি না । তুমি যদি আমার সাথে দেখা না কর তাহলে কিন্তু তোমার সাথে আমি আর কথা বল বলবো না । তোমার ফোনও ধরবো না ।

শুনে আবির হাসে । বলে

-যদি ফোন না ধরে থাকতে পারো তাহলে ধরো না ! তবে আমি যতদুর জানি তুমি পারবে না । কিছুতেই পারবে না ।

কথা সত্যি । ও ফোন করলে আমি না ধরে থাকতে পারবো না । এভাবেই চলতে থাকে ।



কিছুদিন পর । আমি আমার কলেজে যাবো । নবীন বরন অনুষ্ঠান হবে । সেজেগুজে বের হব তখন আবীরের ফোন ।

-তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে ।

-তুমি আমাকে কিভাবে দেখো বল তো ?

-দুরবীন দিয়ে দেখি বুঝেছ ?

-বুঝলাম ।

মনে মনে রাগ লাগে । আবীর বলল

-শোন এখন কলেজে যেতে হবে না ।

-কেন ? কলেজে যাবো না কেন ?

-আজ কলেজে মারামারি হবে । যেতে হবে না ।

-বলেছে তোমাকে ? কে বলেছে তোমাকে ?

-শোন বেশি কথা বলবে না ।

গলায় অনেকটা কর্তৃতের সুর ।

-যা বলছি কর । এখন গেলে বিপদ হবে ।

-হলে হবে । আমি যাবো ।

আবীর খুব জোড়ে একটা ধমক লাগাল । বলল

-তুমি যদি যাও তবে আমি কিন্তু আর কোন দিন তোমাকে ফোন করবো না ।



কি করবো । কলেজে যেতে পারলাম না । ঘন্টা খানেক পর মা ঘরে আসে । বলল

-তোর বাবা ফোন করেছিল । তোদের কলেজে নাকি খুব গোলমাল হচ্ছে । তুই যাসনি শুনে স্বস্তি পেয়েছ । আমি আবার অবাক হই ।

মা ঘর থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে ফোন বেজে ওঠে ।

-কি বলেছিলাম ম্যাডাম । আমার কথা বিশ্বাস হলতো !



এভাবে আবীর আমাকে নিয়মিত ফোন করতে থাকে । আমি কখন কি করবো না করবো ওই আমাকে বলে দেয় । আমিও সব কিছু ওর উপর ছেড়ে দিই । মাঝে মাঝে ও আমার কথা ছলে আদর করে । মাঝে মাঝে ধমক দেয় । আমার খুব ভাল লাগে ।



সেদিন আবীর সারাদিন ফোন করে নি । কি যে অস্বস্থির লাগছিল । অবশ্য আগের দিন রাতেই ও বলেছিল কি এক কাজ আছে সারাদিন ব্যস্ত থাকবে । রাতে ফোন দিবে । তবুও আমি খুব অস্বস্থির হই । যতবার ফোন দিতে যাই বন্ধ আসে ওর ফোন । ভাল লাগে না । বিকেল বেলা আব্বু আম্মু দুজনেই ডাক্তারের কাছে যায় । পুরো বাসায় আমি একা । তখন ওর কথা আরো বেশি করে মনে পড়ে ।

কি এমন কাজে বিজি সে ?

একটা বার ফোনও করা যায় না । খুব রাগ হয় । চোখ ফেটে কান্না আসতে চায় । কিন্তু কিছুতেই কিছু ভাল লাগে না ।



এমন সময় কলিংবেল বেজে ওঠে । এতো জলদি আব্বুরা চলে আসলো । কিন্তু দরজা খুলেই দেখি রফিক আংকেল । এই লোকটা কে দেখে আরো রাগ হয় । বললাম

-আব্বু তো বাসায় নাই ।

-আমি ফোন দিছিলাম । একটু পরেই চলে আসবে । আমাকে ওয়েট করতে বলেছে ।



কি আর করা ঘরে ঢুকতে দিতে হয় । কিন্তু আমার মনের কাছে কেন জানি ভাল লাগছিল না । আমি আংকেল কে বসতে বলি ।

আংকেল বলেন

-বাসায় আর কেউ নাই ?

-জ্বি না আর তো কেউ নাই ।

কেমন জানি ওনার চোখ চকচক করে ওঠে । আমার একদম ভাল লাগে না । কি বিশ্রি চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে । এমন সময় আমার ফোন বেজে ওঠে ।

আবীরের ফোন । আংকেল কে বললাম

-আমার এক বন্ধু ফোন করেছে । আমি একটু কথা বলে আসি ।

বলেই আমি নিজের ঘরে চলে আসি ।

-এতোক্ষন লাগে ফোন ধরতে ।

ওর কণ্ঠে কেমন যেন একটা এক বেপরয়া ভাব ।

-কি হয়েছে ? এমন ভাবে কথা বলছো কেন ?

-তুমি এখনই তোমার ঘরের দরজা বন্ধ করো । এখনই কর । এই রফিক ব্যাটার মতলব খারাপ । জলদি করো ।

আমি কেমন যেন একটা দিশেহারা অনুভব করলাম । ফোন রেখে দরজা বন্ধ করতে যাবো এমন সময় দেখি রফিক আংকেল ঘরে ঢুকছে । মুখে এক কি বিশ্রি হাসি । ঘরে ঢাকেই উনি দরজা বন্ধ করে দিলেন ।

-কি ব্যপার আপনি দরজা বন্ধ করছেন কেন ।

উনি আরার সেই শয়তানের মত হাসি দেন । বলেন

-বুঝতেছো না কি জন্য করতেছি । অনেক দিন ধরে টকে ছিলাম আজ তোমারে পাইছি ।

-আমি কিন্তু চিত্কার করবো

-কর । তোমার মান সম্মান যাবে । তারপর দেখি তুমি সমাজে কি ভাবে থাকো । আর লোকজন আসতে আসতে যা হবার হয়ে যাবে । এর থেকে চুপচাপ থাকো । কেউ জানবে না । কোন সমস্যা হবে না ।



আমি এখন কি করবো । ঐ শয়তান টা লোল ফেলতে ফেলতে আমার দিকে এগিয়ে আসে । আর আমি আতংকে নীল হয়ে যাই । কি করবো মাথায় কিছুই কাজ করে না ।



এখন আমাকে কেবল আবীর বাঁচাতে পারে । জোড়ে জোড়েই বলি

-আবীর কোথায় তুমি ? আমাকে বাঁচাও । আমাকে বাঁচাও ।

শয়তান টা হেসে উঠল ।

-কোন আবীর ফাবীর তোরে বাঁচাতে পারবে না ।

আমার কাছে চলে আসে । আমাকে ধরতে যাবে ঠিক এমন সময় একটা কাজ হয় ।

আমার ঘরে আলো গুলো নিভে যায় । খুব মিষ্টি একটা গন্ধে সারা ঘর সুরভিত হয়ে যায় । হঠাত্ করেই মনের সব ভয় কোথায় যেন গায়েব হয়ে যায় । মনে হয় আবীর এসেছে । আমাকে বাঁচাতে এসেছে ।



আর তখন আমি শুনতে পাই চড়ের শব্দ । যেন খুব জোড়ে কেউ কাউকে চড় মাড়ল । তারপর ভারী কিছু পড়ার শব্দ সাথে সাথে ঐ শয়তানটার গোঙানীর শব্দ ।

অন্ধকার কিছুটা সয়ে গেলে আমি ঘরে মধ্যে দুইটা সেইপ দেখতে পাই । একজন আর একজন কে মাথা তুলে আছাড় মারছে । শয়তানটাকে চিনতে পারলাম । তাহলে এই আবীর । কি বলিষ্ট সেই শরীর । যদিও দেখা যাচ্ছিল খুবই বলিষ্ট আর সুঠম দেহের অধিকারী সে ।



একটু পর সব শান্ত হয়ে গেল । আমি আবিরের সেই সেইপ টা হারিয়ে ফেললাম । প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই আরো ফিরে এল । দেখি ঘরে কেউ নাই । না আবীর না ঐ শয়তান টা ।

গেল কোথায় ?

আবার ও ফোন বেজে উঠল ।

-কোথায় গেলে তুমি ?

-আমি আছি আশে পাশে ।

-কেন ? আশে পাশে কেন ? আমার সামনে এসো । আমি তোমাকে দেখবো ।

-নীলু একটু বোঝার চেষ্টা কর ।

-না আমি কিছু বুঝতে চাই না । তুমি আমার সামনে এসো । এসো ।

-এভাবে আসা যায় না । আমার জগত থেকে তোমার জগতে এভাবে যাওয়ার নিয়ম নেই । একটু বোঝার চেষ্টা কর ।

-তাহলে একটু আগে কেমন করে এলে ?

-আমি নিয়ম ভেঙ্গেছি । এজন্য আমাকে শাস্তি পেতে হবে ।

-আমি কিছু বুঝতে চাই না । আমি তোমাকে সামনে দেখতে চাই ।



এই বলে আমি ফোন রেখে দিই । আবীর আরো অনেক বার ফোন করে আমি ধরি না । আমি জানি তুমি অন্য কোন জগতের । কিন্তু তবুও তোমাকে ছাডা যে কিছুই ভাবতে পারি না । তোমাকে কাছে পাবার জন্য যে মন আমার কেমন করে ।

একটু সামনে আসলে কি হয় ? আমি তোমাকে যে এই বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরতে চাই ।



পরদিন রাতে আমি বান্দায় বসে আছি । এমন সময় ওর ফোন । সারা দিনে একবারও ফোন ধরি নি । এখন ধরি ।

-খুব কি রাগ করেছো ?

আমি কিছু বলি না ।

-নীলু কাল তোমাকে বলেছিলাম না আমি নিয়ম ভেঙ্গেছি । আমাকে শাস্তি পেতে হবে ।

মনটা কেমন যেন অস্থির হয়ে ওঠে ।

-কি বলছ তুমি ?

-হু এটাই আমার শেষ ফোন তোমার কাছে ।

বুক ফেটে কান্না আসে।

-আমাকে তোমাদের এই জগত্ থেকে অনেক দুরে পাঠানো হচ্ছে । অনেক দুরে ।

আমি কোন কথা বলতে পারি না। কেবল দুচোখ দিয়ে পানি পড়তে থাকে ।

-তবে যাবা আগে একটা ইচ্ছা আমি পুরন করবো । আমাকে না তুমি জড়িয়ে ধরেত চেয়েছিলে । বায়ে তাকাও।

আমি বারান্দায় কোনার দিকে তাকালাম । কালকের সেই বলিষ্ঠ শেইপ তৈরি হচ্ছে । আর সেই মিষ্টি গন্ধটাও । বারান্দায় কোনাটা যেন আরো বেশি অন্ধকার হয়ে গেছে ।

অন্য কেউ হলে হয়তো ভয়েই মরে যেত । কিন্তু আমার কেন যানি কোন ভয় লাগল না । কোন কিছু না ভেবেই আমি ওকে জড়িয়ে ধরলাম ।

কই ঠান্ডা না তো ! আমি তো এতো দিন জেনে এসেছি যে এদের শরীর নাকি খুব ঠান্ডা হয়।

-কই তুমি তো ঠান্ডা নাও।

আবীর আমাকে দু হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে।

-ঠান্ডা হব কেন ?

-না এতো দিন তো শুনেছি তোমাদের শরীর ঠান্ঠা হয়।

ও হাসে ।

-ভুল শুনেছ।

-আমি তোমাকে যেতে দেবো না । কিছুতেই যেতে দেবো না । দেখি তুমি কিভাবে আমাকে ছেড়ে যাও। আবীর কোন কথা বলে না ।

কিছুক্ষন পর ও বলল

-যেতে হবে ।

-না না । আমি যেতে দেবো না ।

-এমন করলে কি হয়!



ও আমার সামনে দাড়ায় । আমি এখনও ওকে দেখতে পাচ্ছি না । কেবল একটা ছায়াই দেখছি ।

-নীলু । এই অনুভুতির কোন তুলনা হয় । আমি আমার বাকিটা জীবন এই অনুভুতি নিয়েই থাকবো । আর তুমি !

আমি কোন কথা বলতে পারি না । কেবল চোখ দিয়ে পানি পড়তে থাকে ।

ও বলল

-তুমি যথন বিশ্ববিদ্যালয়ে উঠবে আবীর নামেরই একজন তোমাকে অনেক ভালবাসবে । আমার মতই তোমাকে ভালবাসবে । তুমি ভাল থেকো ।

-না না আমি তোমাকে যেতে দেবো না।



কিন্তু যেতে দিতেই হয় । ধীরে ধীরে ওর ছায়াটা মিলিয়ে যায় ।







(অনেক পুরাতন গল্প । আজকে কেন জানি আবার গল্পটা দিতে মন চাইলো ! কিছু ভুল ছিল । এডিট করে দিলাম !)



গল্পটা এখানে আছে

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ২:৪২

শায়মা বলেছেন: এ্যাস্পার্জার সিন্ড্রোম...... #:-S

০২ রা আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ২:৪৬

অপু তানভীর বলেছেন: মানে কি ?
বাংলায় বলো আপু । বুঝি না ! #:-S #:-S 8-| 8-|

২| ০২ রা আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৩:০৪

শুঁটকি মাছ বলেছেন: আপনার গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে বেশ ভাল লিখেছেন।

০২ রা আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৩:০৮

অপু তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ !! :):):):)

৩| ০২ রা আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৩:৩১

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: শিরোনাম দেখে আতঙ্ক পাইছি! গল্প ভাল্লাগছে

০২ রা আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:১৪

অপু তানভীর বলেছেন: আতঙ্ক পাওয়ার কিছু না !

:):)

৪| ০২ রা আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৯

দুঃখ হীন পৃথিবী বলেছেন: অনেক সুন্দর লিখছেন অপু ভাই,

০২ রা আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:১৬

অপু তানভীর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ !! :):):):)

৫| ০২ রা আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:৫২

ইরফান আহমেদ বর্ষণ বলেছেন: :) :)

০২ রা আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:৫৯

অপু তানভীর বলেছেন: :):):)

৬| ০২ রা আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:২৩

কুট্টুশ বলেছেন: অনেক আগে একবার পড়ছি...।আরো একবার পড়ে আরো ভাল লাগলো ......

০২ রা আগস্ট, ২০১৩ রাত ১১:১০

অপু তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ !! :):):)

৭| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৩ রাত ১:২১

আজ আমি কোথাও যাবো না বলেছেন: গল্প ভালো লেগেছে। :)

০৩ রা আগস্ট, ২০১৩ রাত ৩:২৯

অপু তানভীর বলেছেন: :):):):)

৮| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৫:০৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর ++

০৩ রা আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৩

অপু তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ ! :):)

৯| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৬:৩৬

শাফ্‌ক্বাত বলেছেন: ওয়াও, তারপর তারপর? বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা কি আরেক পর্বে পাওয়া যাবে?

০৩ রা আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৪

অপু তানভীর বলেছেন: সেইটা হয়তো অন্য কোন গল্প !! :):):)

১০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৩ রাত ১২:৩৮

কামরুল আহসান খান বলেছেন: শায়মা বলেছেন: এ্যাস্পার্জার সিন্ড্রোম...... #:-S


মাই সুপার এক্স বয় ফ্রেন্ড :-* /:) :-B

আমি কিন্তুক ভয় পাইনাই :-0

গল্পের এন্ডিং পইরা ঘাম দিয়া জ্বর ছাড়ল |-)

মচতকার হইসে :)

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:৩৭

অপু তানভীর বলেছেন: আপনারে ধন্যবাদ !! :):):):)

১১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৪

সিয়ন খান বলেছেন: ভাল হইচে +++

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৩৪

অপু তানভীর বলেছেন: :):):):)

১২| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১:২০

বটবৃক্ষ~ বলেছেন: শেষে জড়িয়ে না ধরলে একদম মাইনাস দিতাম ! হুম!!! X(

সুন্দর হয়েছে বাবু!! :)

২১ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৩৫

অপু তানভীর বলেছেন: হুম !! :):)

১৩| ২১ শে আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৭

আহমাদ জাদীদ বলেছেন: ভালো হইছে । এস্পার্জার সিন্ড্রোমটা কি একটু সার্চ দিয়া দেখি এখন :-0

২১ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৩৮

অপু তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ !! :):)

এস্পার্জার সিন্ড্রোমটা জিনিসটা আসলেই যে কি আমি নিজেই জানি না !!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.