নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

www.oputanvir.com

অপু তানভীর

আমার চোখে ঠোঁটে মুখে তুমি লেগে আছো

অপু তানভীর › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঢাকার মানুষের জীবন

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:১৪


ঢাকাতে মানুষ বড় বিচিত্র ভাবে বেঁচে থাকে। নিয়মিত ঢাকার রাস্তার ঘুরে বেড়ানোর কারণে এই রকম অনেক কিছু আমার চোখে পড়ে। সেগুলো দেখে মনে হয় মানুষ কত ভাবেই না টিকে রয়েছে এই ঢাকাতে। আমার চলাচলে একটা নিয়মিত রুট হচ্ছে এফডিসি থেকে মগবাজার যাওয়ার রাস্তা। এই রাস্তায় বেশ ভালই জ্যাম পরে থাকে সব সময়। তাই এখানে অপেক্ষা করে থাকতে হয়। আমি সাইকেল চালালেও ফুটপাথে উঠতে আমার ইচ্ছে করে না। পারতপক্ষে আমি উঠিও না। অন্যান্য গাড়ির সাথেই সিগনালে অপেক্ষা করি। এই সময়েই নানান জিনিস আমার চোখে পড়ে। এই রাস্তায় তেমনই একটা ব্যাপার আমার চোখে পড়েছে।
এই রাস্তার মাঝামাঝি একটা জায়গায় ফুটপাতের একটা অংশ থেকে পানি বের হত। হয়তো পাইপে কিংবা ড্রেনে কোন একটা সমস্যা ছিল। সেটা সম্ভবত ফেটে গিয়েছিল। সেই ফাঁটা বা লিকের অংশ দিয়েই পানি বের হয়ে আসতো এবং কিছুটা অংশ রাস্তার উপরে দিয়ে অতিবাহিত হত সেই পানি তারপর আবারও ফুটপাতের অন্য এক অংশ টিকে আবার ঢুকে পড়ত। পুরো রাস্তার অন্য কোথাও পানি নেই কেবল এই অল্প অংশে পানির প্রবাহ চলত নিয়মিত। এটা ড্রেনে ময়লা পানি না। দেখে পরিষ্কার পানিই মনে হত। এমন দৃশ্য অবশ্য নতুন না ঢাকার জন্য। প্রায়ই আপনাদের চোখে পড়ার কথা। তবে এটা আলাদা ভাবে মনে রাখার কারণ হচ্ছে, এই পানি দিয়ে বেশ কয়েকজন মানুষ নিয়মিত গোসল করত। যেখানে দিয়ে পানিটা আবার ফুটপাতের ড্রেনের ভেতরে ঢুকে যায় ঠিক সেই অংশ মাটি দিয়ে একটা ছোট বাঁধ তৈরি করত। সেখানে কিছুটা পানি জমে যেত। এরপর সেই পানি থেকেই মগে করে পানি নিয়ে রাস্তার পাশে বসেই গোসল সেরে নিত মানুষ। এই মানুষগুলো মূলত এই রাস্তায় থাকে। এখানে রান্নাবান্না এখানেই ঘুমায় এবং এখানেই গোসল। ছেলে বৃদ্ধ মহিলা, দুপুরের পরে যখনই আমি এই রাস্তায় দিয়ে যেতাম কাউকে না কাউকে গোসল করতে দেখতাম। রাস্তা দিয়ে এতো মানুষ যাচ্ছে সেদিকে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ থাকত। পিচ্চিগুলো যখন গোসল করতো তখন ওরা পানি দিয়ে খেলাও করত। আমরা যখন ছোট বেলায় কলপাড়ে গোসলের সময়ে পানি আটকে খেলা করতাম ঠিক সেই ভাবে। এরা এভাবেই বড় হয়ে হচ্ছে।
সম্প্রতি সময়ে এই রাস্তার ফুটপাতটা সংস্কার করা হয়েছে। গত সপ্তাহে আমি যখন আবার এই রাস্তা দিয়ে গেলাম তখন দেখতে পেলাম সেই পানি আর বের হচ্ছে না। যেই লিক বা ফাঁটল ছিল সেটা সম্ভবত ঠিক ক্রএ ফেলা হয়েছে। আর পানির সমস্যা নেই। ঠিক সেই সময়েই আমার সেই মানুষগুলোর কথা মনে পড়ল। আচ্ছা, এখন ওরা কিভাবে গোসল করছে? সেই পিচ্চিগুলো কিভাবে পানি দিয়ে খেলা করছে!

Pic source


মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৪৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: শৈশব ঢাকায় কাটলেও এখন ঢাকা থেকে দূরে থেকেই সাচ্ছন্দ বোধ করি।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:০৬

অপু তানভীর বলেছেন: অনেকেরই একই মনভাব।

২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:০৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মানুষ যে কোনও পরিস্থিতির সাথে দ্রুত এডাপ্ট করতে পারে। ভাসমান মানুষরা তো আরো দ্রুত। কাজেই কোন না কোনভাবে তারা তাদের প্রাত্যাহিক কাজগুলো করবেই। এই বিষয়ে বেশী কৌতুহল থাকলে আপনি আশেপাশের মানুষগুলোকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। :)

পদ্মা ব্রীজ চালু করার সময়ে ঠিক এই ধরনের প্রশ্ন মানুষ করতো, আপনার মনে আছে নিশ্চয়ই!!!! অনেককেই তখন প্রশ্ন করতে শুনেছিলাম, যারা আগের জীবন-যাপনের সাথে, জীবিকার সাথে সম্পর্কিত ছিল......তারা এখন কি করবে?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:০৯

অপু তানভীর বলেছেন: তা তো অবশ্যই। মানুষ হচ্ছে জগতের সব থেকে ফ্লেক্সিবল প্রাণী। সব পরিবেশ পরিস্থিতির সাথে তারা যত সহজে খাপ খাওয়াতে পারে সেটা আর কোন প্রাণী পারে না। অন্যান্য প্রাণী তো নিজেস্ব পরিবেশ বদলে গেলেই বিলুপ্ত হয়ে যায়!

জিজ্ঞেস করলে হয়তো জানা যাবে। তবে তাদের কাছে গিয়ে যদি বলি আগে আপনারা এখানে গোসল করতে এখন কোথায় করেন তবে ব্যাপারটা কেমন হবে ভাবছি!

৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: তবে তাদের কাছে গিয়ে যদি বলি আগে আপনারা এখানে গোসল করতে এখন কোথায় করেন তবে ব্যাপারটা কেমন হবে ভাবছি! কিছুই হবে না। তারা ঢাকার রাস্তার বিভিন্ন পাগল দেখে অভ্যস্ত। একটা চওড়া হাসি দিয়ে আপনাকে উত্তর দিবে...........এই আর কি!!!! =p~

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩২

অপু তানভীর বলেছেন: এটা অবশ্য একেবারে ভুল বলেন নাই। তবে একেবারে যে অবাক হবে না সেটা কিন্তু বলা যাবে না। তারা পাগল দেখে অভ্যস্ত বটে কিন্তু শার্ট, প্যান্ত আর চশমা পরা পাগল তাদের সামনে খুব একটা আসে বলে মনে হয় না! :D

৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:২৩

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আমি যদিও ঢাকায় থাকি,কিন্তু কোলাহল পছ্ন্দ করিনা,ফাঁকা নির্জন,নিরিবিলি জায়গা আমার প্রথম পছন্দ,কিন্তু ঢাকায় গ্রামের থেকে ইদানিংভালো লাগছে ;)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৪

অপু তানভীর বলেছেন: ঢাকায় থাকতে থাকতে আমাদের অভ্যাস হয়ে গেছে। এটা অভ্যাসের পরিণতি বলতে পারেন। আমিও সারাজীবন নির্জনতা পছন্দ করে এসেছি। এখন ঢাকায় থাকি বারো মাসই। অভ্যাস হয়ে গেছে বলা যায়!

৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩১

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: এখন হয়ত তারা গোসল করার জন্য বিকল্প কোনো ব্যাবস্তা করে নিয়েছে,

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৫

অপু তানভীর বলেছেন: তা তো করে নিবেই। নিতে হবে। কিন্তু মাঝে মাঝে আমি সেই পিচ্চিদের যে পানি নিয়ে খেলা করতে দেখতাম সেই খেলা কি এখন করতে পারবে! এটাই জানার কৌতুহল!

৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ঢাকামুখীতা কমানো গেলে এই মানুষগুলো নিজের গ্রামেই কিছু করে খেতে পারত। আমার সব সময় ফ্লাইওভারের নীচে পাতা সংসারগুলো দেখতে খারাপ লাগে। কত নোংরা পরিবশে! একই সাথে কুকুরও ঘুমায়, বাচ্চারাও ঘুমায়...

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৭

অপু তানভীর বলেছেন: এই ঢাকামুখীতা কমানোর কথা সবাই বলে কিন্তু বাস্তবতা আসলে ভিন্ন। জীবিকার যত ব্যবস্থা ঢাকায় আছে আর কোথাও নেই এবং সত্যি বলতে এটা সম্ভবও না। মানুষকে ঢাকায় আসতেই হবে বেঁচে থাকার জন্য।

৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: তারা পাগল দেখে অভ্যস্ত বটে কিন্তু শার্ট, প্যান্ত আর চশমা পরা পাগল তাদের সামনে খুব একটা আসে বলে মনে হয় না! :D তা হয়তো আসে না, তবে তারা ঢাকার রাস্তায় যে কোন সময়ে যে কোনও চমক দেখার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে। কাজেই অবাক হবে না। বড়জোর আপনাকে প্রশ্ন করতে পারে.............ক্যান, আপনে কি নাহাইবেন? :P

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৫৫

অপু তানভীর বলেছেন: এই প্রশ্ন করতে পারে না, করবেই। তারা জানতে চাইবে আমিও গোসল করবো কিনা। লোকজন না থাকলে একবার চেষ্টা করে দেখা যাইতো যে গোসল দিয়ে কেমন লাগে ! :D

৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৫৩

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: লেখক বলেছেন। এটা অভ্যাসের পরিণতি বলতে পারেন। আমিও সারাজীবন নির্জনতা পছন্দ করে এসেছি। এখন ঢাকায় থাকি বারো মাসই। অভ্যাস হয়ে গেছে বলা যায়!
অভ্যনসের কারনেই চোর চুরি ছাড়তে পারেনা,পকেটমার পকেটমারি ছাড়তে পারেনা,ভিক্ষুক ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়তে পারেনা,আর ঢাকাইয়ারা ঢাকা ছাড়তে পারেনা।মানুষের প্রকৃতি বা ফিতরত অভ্যাসের সাথে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত এবং কানেক্টেড বলে আমার মনে হয়।আমিও অভ্যাসের কারনে অন্য কোথাও যেতে ভালো লাগেনা

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৫৬

অপু তানভীর বলেছেন: সবার বেলাতেই এমন।
তবে ঢাকায় থাকার ব্যাপারে অভ্যাসের সাথে অর্থনৈতিক কারণও জড়িত। এখানে যেভাবে আয় রোজগার হয় অন্য কোথায় এটা সম্ভব না।

৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:২১

একজন নিষ্ঠাবান বলেছেন: সময়ের সংগে সবকিছুই বদলায়।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০০

অপু তানভীর বলেছেন: হ্যা তা বদলায় তো বটেই।

১০| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৪০

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: অনেক পয়সা থাকলে ঢাকা ভালো না থাকলে গ্রাম বা ছোট শহর ভালো।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০২

অপু তানভীর বলেছেন: হ্যা। এখানে মানুষ থাকেই অর্থ আয়ের জন্য। তবে একবার অভ্যাস হয়ে গেলে ঢাকা ছাড়া মুশকিল।

১১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৩৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জাদুর শহর ঢাকা! এখানে মানুষের জীবনযাত্রা সিনেমাকে হার মানায়।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

অপু তানভীর বলেছেন: জাদুর শহর ঢাকা।

১২| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১২:০৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: মন খারাপ হয়ে যাওয়ার মত পোস্ট। আসলেই তো, ওই লোকগুলো এখন কিভাবে গোসল করছে, বাচ্চারাই বা কোথায় পানি নিয়ে খেলছে!

একসময় আপনার এই রুটে আমিও চলাফেরা করেছি। তখন কাওরান বাজারে আমার অফিস ছিল। রামপুরায় থাকতাম। তার আগে ছিলাম মগ বাজারে।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১২

অপু তানভীর বলেছেন: আমি আগে মগবাজারে টিউশনি করাতাম। এখান শান্তি নগরে যাই কাজের জন্য। এই একই রাস্তা দিয়ে যাই সাধারণত।

রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় অনেক কিছুই আমার চোখে পড়ে। পরপর একই জিনিস চোখে পড়লে যখন একদিন আর সেটা আগের স্থানে থাকে না তখন মনে প্রশ্ন জাগে যে কোথায় গেল সেটা !

১৩| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৩:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




খুবই জনগুরুত্বপুর্ণ একটি বিষয় নিয়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বিবরণ দিয়ে লিখেছেন ।
ধন্যবাদ মুল্যবান লেখাটির জন্য ।

প্রায়ই দেখা যায় রাজধানী ঢাকা শহরের রাস্তায় পানি সরবরাহ বা পয়নিস্কাণের পাইপে ফাটল বা ছিদ্র হয়ে
সেই ছিদ্রপথে পানি বের হয়ে সে জাযগা সয়লাব হয়ে যায় । সেই পানি অনেক সময় নগরের ছিন্নমুল মানুষেরা ,
ছোট ছোট বস্তিবাসী ছেলেমেয়েরা গোছলের কাজে বা অন্য কোন কাজে ব্যাহার করে । সে সমস্ত জায়গা অবশ্য
পরে নগর পিতা নিয়োজিত ঠিকাদারেরা সাময়িকভাবে ভেজাল সামগ্রি দিয়ে মেরামত করে । কিন্ত মাস/বছর
না গুরতেই সেটি আবার পুর্ববস্থায় ফিরে আসে । অবস্থা দৃস্টে মনে হয় এটা যেন ঠিকাদার ও নগর পিতাদের
স্থায়ী সোর্স অফ ইনকাম।

এই মন্তব্য লেখার সময় মনে জেগে উঠে এই বিয়য়ে একটি আবেগময়ী গনমুখী কবিতা কারে বলে যাই কিছু কথা ।
যেমনি ভাবা শুরু করে দিই লেখা । কবিতাটি বেশ বড় হয়ে যাওয়ায় কবিতাটি আমার ব্লগে পোস্ট করার বাসনা
সামলাতে না পেরে সেখানেই পোস্ট করতে মনস্থ করি । সময় পেলে কষ্ট করে দেখে আসার জন্য অনুরোধ থাকল ।

শুভেচ্ছা রইল

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩০

অপু তানভীর বলেছেন: যারা লম্বা সময় ধরে ঢাকাতে বসববাস করে তাদের কাছে এই সব সমস্যা খুবই স্বাভাবিক। বরং দির্ঘ্যদিন ধরে আমরা যদি এমন কোন সমস্যা না দেখি তখনই ব্যাপারটা আমাদের কাছে কিছুটা অস্বাভাবিক লাগে। তাই এসব নিয়েই আমরা ঢাকাতে বেঁচে আছি।
আপনার লেখা দেখে আসব আশা করি।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকুন সব সময়।

১৪| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:৪৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ঢাকা বিচিত্র নগরী। এখানে একক মানুষের একক রকম অবস্থান। সত্যি ভাসমান মানুষের জীবনটা খুবই কস্টের।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩২

অপু তানভীর বলেছেন: সত্যিই তাই

১৫| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:২৩

কিরকুট বলেছেন: দুই বছর আগে আমি হাতিরঝিল দিয়ে বোটে করে যাচ্ছিলাম । কিছুদুর যাবার পরেই দেখলাম একজন সাবান দিয়ে গা ডলে ডলে সাফ করে হাতির ঝিলের পানি দিয়ে কুলি করছে । ডুব দিচ্ছে সেই সাথে গড়গড়াও করছে । ঠক তার পাশ থেকে সুয়েরেজের পানি কলকল করে ঝিলে পরছে ।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩

অপু তানভীর বলেছেন: হাতিরঝিলে গোসল করা নিশেষ। যারা গোসল দিচ্ছি নিশ্চিত ভাবেই লুকিয়ে করছিল। গার্ডদের চোখে পড়লে দৌড়ানি দিবে।

১৬| ০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৮

আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: বুদ্ধিমানদের ঢাকা ছাড়া উচিত, সম্ভব হলে দেশ ও ছাড়া উচিত।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩২

অপু তানভীর বলেছেন: ঢাকা ছাড়া উচিৎ তবে অনেকেই চাইলেও পারে না।

১৭| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


মুল্যবান প্রতিমন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
কবিতাটি লিখার পরে সেদিন ভোর বেলায় পোষ্ট করতে গিয়ে দেখতে পাই প্রথম পৃষ্ঠায় খালেদা জিয়ার
শুকাবহ মৃত্যু সংবাদ । সে সময়ে কবিতা পোষ্ট করার মত মনের অবস্থা হারিয়ে ফেলি । তাই
লেখাটি আর সে সময় পোস্ট করা হয়ে উঠেনি । একটু স্বাভাবিক হলে লেখাটি পোস্ট করে জানান
দিব ইনসাল্লাহ ।

শুভেচ্ছা রইল

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩

অপু তানভীর বলেছেন: আমি কালকে একবার ঢুকে দেখলাম আপনার পোস্টটা। তবে আজকে দেখি আর নেই।

১৮| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

সদয় অবগতির জন্য
জমানো প্রতিশ্রুত লেখাটি পোস্ট করেছি।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩

অপু তানভীর বলেছেন: কোন কারণে সরিয়ে ফেলেছেন লেখাটা মনে হচ্ছে!

১৯| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



লেখাটি ছিল আপনার বদৌলতে । পোস্ট করার পর দিন মান পরে ছিল।
লেখাটি আপনি দেখেন নি তাই সরিয়ে ফেলেছিলাম , এটাকে সেখানে
রেখে আর কি লাভ । যদিও লেখাটি আহামরি কিছু নয় তবে মনে ছিল ভাবনা ,
যদি দেখতে চান তবে ফিরিয়ে আনব সেটিকে । ফিরিয়ে এনেছি এখন ।
ইচ্ছে হলে গিয়ে দেখতে পারেন ।

শুভেচ্ছা রইল

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪৩

অপু তানভীর বলেছেন: অবশ্যই পোস্টটি রেখে দিবেন। আমার পোস্ট পড়ে আপনার কিছু লিখতে ইচ্ছে হয়েছে এটা আমার জন্য বড় আনন্দের ব্যাপার। পোস্টটা থাকুক।

এখন আসলে নিয়মিত আগের মত ব্লগে আসাই হয় না। নানান রকম বুঝতেই পারছেন জীবিকার জন্য এদিক সেদিক যেতে হয়। অবসরের সময় আর কোথায় !

আবারো ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য।

ভাল থাকুন সব সময়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.