| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সম্মানিত ভাগ্যবান
ছিন্নমূল মানবতার সেবায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনায় সাংবাদিকতায় নিয়োজিত....
মহান আল্লাহ্ পাক থেকে আমাদের জন্য প্রতিটি উদাহরনই অবিশাস্য রকামের শিক্ষনীয়, তবে তা , শুধু উনাদের জন্য শিক্ষনীয় যারা সত্যিকারের জ্ঞানী এবং মুক্তচিন্তার অধিকারী। নমরূদ ছিল ওবামার মতই একক পরাশক্তির অবিশংবাদী ক্ষমতাধর রাজা। ওবামার সাথে তার তফাৎ শুধু এই টুকুই যে, সে নিজেকে খোদা হিসাবে ঘোষণা দিয়েছিল যা ওবামা এখনও দেয়নি। তবে ওবামাও কম কিসে? বাইবেলে নিষেধ থাকা সত্ব্যেও ওবামা সম লিঙে বিবাহের জন্য তার দেশে আইন করেছে, এবং পৃথিবী জুরে তা ছড়িয়ে দিতে সে আজ বদ্ধ পরিকর। যা সৃষ্টিকর্তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণারই সামীল। অবাক হওয়ার কিছু থাকবেনা, যদি সে তার ২য় পর্বে ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়ে নমরূদের মত নিজেকে খোদা দাবী করে ঘোষণা দিয়ে বসে! তার দেশীয় এবং বিদেশী ভাব শিষ্য (গোলামেরা) এক মুহুর্ত দেরী করবেনা তা মেনে নিতে। তারা বরং প্রতিযোগীতায় লিপ্ত হবে যুক্তি তর্কের মাধ্যমে প্রমাণ করতে যে, আসলেই ওবামার খোদা ঘোষণাটা যুক্তি যুক্ত। (নাউযুবিল্লাহ!)
গত ২৫ জানুয়ারীতে জাতীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপনের সময় দেখা যায় যে, একটি খুব বেয়ারা ধরনের মাছি বিশ্বের কথিত সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তির মুখমন্ডলে বার বার আক্রমণ করতে দেখা যায়, যা বিশ্ববাসী ক্যামেরার সুবাদে টেলিভিশনের মাধ্যমে অবলোকন করে। নমরূদের আমলে বিশ্ববাসী হয়ত দেখতে পায়নি মশার আক্রমনের মাধ্যমে ক্ষমতাধর নমরূদের কি করুণ পরিণতি হয়েছিল! তবে বর্তমানে মানুষ তা দেখতে পায়। শুধুমাত্র হিদায়েত প্রাপ্ত, মুক্তচিন্তা সম্পন্ন জ্ঞানীরাই বুঝতে সক্ষম যে, অর্থনৈতিকভাবে বিশ্ব ফকির আমেরিকার এই ক্ষমতাধর ব্যক্তির জন্য উক্ত মাছি কি অশনি সংকেত বিশ্ববাসীকে প্রদান করতে চেয়েছে। মহান আল্লাহ পাক থেকে বিশ্ববাসীর কাছে কি ইংঙ্গিত ছিল ঐ মশার আক্রমনের মাধ্যমে। প্রমাণিত সত্য যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে পচা/নোংরা জিনিসের উপরেই মাছি বসে, সে ক্ষেএে ওবামার মুখে বার বার মাছি বসাটা কি আমেরিকান সভ্যতার দ্রুত পচনশীলতারই ইংগিত বহণ করছে?
©somewhere in net ltd.