নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অবশেষে...

থমকে থাকা বাতাস আমার ভাল লাগেনা

মুখ বাঁধা শিশু

এখনও অনেক পথ বাকি

মুখ বাঁধা শিশু › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাহিনী ও চরিত্র সব কাল্পনিক,অনেক পুরোনো গল্প, কোথায় শুনেছি মনে পড়ছেনা

০৩ রা জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:১১

এক যে ছিলো ছোট্ট ছেলে, নাম তার ঝা ছিং!!জন্মের সময় তার একটা হাত ছিলোনা। এই এক হাতের জন্য তাকে সহ্য করতে হয় অনেক অপমান, বন্ধুরা তাকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করতো, সবাই কেমন চোখে তাকাত...

ঝা ছিং তাই চিন্তা করলো, সে এই এক হাতেই বড় কিছু করে দেখাবে। তার খুব ইচ্ছা ছিলো,কারাতে শিখবে। তাই সে গেল এক কারাতে ওস্তাদ “অ্যাল”-এর কাছে।যৌবনে হাজার হাজার বিখ্যাত যোদ্ধাকে কুপকাত করে,ঘরের আনাচে কানাচে পুরস্কারের স্তূপ বানিয়েছেন সেই ওস্তাদ।তার নাম ডাক ছড়িয়ে আছে সারা পৃথিবীতে। এখন বৃদ্ধ বয়সে সেই ওস্তাদ একা এক জঙ্গলে ঘর বানিয়ে ধ্যান করেন।

তো সেই বিখ্যাত ওস্তাদ তার ছাত্র ঝা ছিং কে কারাতে শেখানো শুরু করলেন অদ্ভুত একটা কায়দার নিজস্ব সংস্করণ “অ্যাল নাগাশিজুকি” দিয়ে। ঝা ছিং খোঁজ নিয়ে জানলো, নাগাশিকুজি অনেক পুরনো একটা কৌশল,এখন আর এটা তত কার্যকর না কারণ এই কৌশল ঠেকানোর অনেকগুলো উপায় কারাতে অভিধানে আছে। দিন গেলো, মাস গেলো....... কারাতে ওস্তাদ ওই অদ্ভুত কায়দাটাই অনুশীলন করালেন। ঝা ভাবলো, বুড়ো হয়ে উনার মাথা গেছে!হয়তো সবকিছু ভুলে যাচ্ছেন।এর কাছে কারাতে শিখতে আসাই ভুল হয়েছে। ঝা তাই ওই ওস্তাদের সঙ্গ ত্যাগ করে ভর্তি হল আরেক ওস্তাদ এর ক্লাসে।

নতুন ওস্তাদ পেশাদার প্রশিক্ষক, তো তিনি ছক বাঁধা সবকিছু ঝা কে শিখিয়ে দিলেন। কয়েক মাসেই ঝা কারাতে শিখে টিখে শেষ!! এবার সে নাম লেখালো কারাতে প্রতিযোগিতায়।

ঝা ভেবেছিলো, হয়তো প্রথম দিকের প্রতিযোগীরা একটু দুর্বল হবে, এক দু’জন প্রতিযোগীকে কোনোভাবে হারিয়ে দিলেই হবে, অন্তত বলতে তো পারবে অমুক কে আমি এই এক হাতেই হারিয়েছি!

কিন্তু বাস্তব চিত্র হল বড়ই করুণ!! প্রথম পর্বের প্রতিযোগী আরেক গ্রামের ভয়ঙ্কর শক্তিশালী এক যোদ্ধা “মিকা”,কোনোভাবেই ঝা তার সাথে পেরে উঠছিলোনা। খেলার নির্ধারিত সময় আর ঝা ছিং- এর জেতার সম্ভাবনা যখন প্রায় শেষ,হঠাৎ তার মনে পড়ল বুড়ো ওস্তাদের কাছে প্রথম শেখা সেই অদ্ভুত কায়দা “নাগাশিজুকি”-এর কথা।শরীরের শেষ শক্তি কাজে লাগিয়ে লাফিয়ে উঠল ঝা ছিং, আর প্রয়োগ করল সেই কৌশল।সবাইকে অবাক করে এবার ওই “মিকা” পিছু হটতে লাগলো এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই পরাস্ত হল!!

এরপরের প্রতিযোগীদের ক্ষেত্রেও সে একই কৌশল প্রয়োগ করলো এবং যেন অলৌকিকভাবে ঝা ছিং কে কেউ হারাতে পারলোনা, সবগুলো পর্বে জয়ী হয়ে প্রথম পুরষ্কার ছিনিয়ে নিল সে!

ঝা ছিং আবার ফিরে গেলো সেই পুরোনো শিক্ষকের কাছে। জানতে চাইল,কিভাবে এটা সম্ভব হল, কেন তাকে কেউ আটকাতে পারলনা, যেখানে এই কায়দা ঠেকানোর অনেকগুলো উপায় আছে।

বুড়ো ওস্তাদ বললেন, “এই মার ঠেকানোর জন্য তোমার এক হাত ধরে আরেক হাতে পাল্টা আঘাত করতে হতো। কিন্তু তোমার তো হাত একটাই, তাই কেউ তোমাকে পাল্টা আঘাত করতে পারছিলোনা।”

যেই এক হাত এতদিন ছিলো দুর্বলতা, এখন সেটাই ঝা ছিং এর অদম্য শক্তি হয়ে গেলো।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:৪৩

আম্মানসুরা বলেছেন: আসলেই দারুণ সুন্দর গল্প। ইস আমরা যদি আমাদের দুর্বলতা গুলোকে সবলতা বানাতে পারতাম।

০৫ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১:১৫

মুখ বাঁধা শিশু বলেছেন: :)

২| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৫

মাক্স বলেছেন: সুন্দর গল্প!

০৫ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১:১৫

মুখ বাঁধা শিশু বলেছেন: :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.