নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পান বাবা জর্দ্দা

:-)

পান বাবা জর্দ্দা

ভুমিকা : পান বাবা জর্দ্দা ২০০৯ সালের মাঝামাঝিতে তাঁহার কিছু বন্ধুমহল কর্তৃক প্রভাবিত হইয়া তাঁহার জীবনের প্রথম জুকারের তৈরী বায়স্কোপে (ফেসবুক) আইডি খুলেন । সেই থাকিয়া বায়স্কোপের নেশা বাবাকে এর অলিগলি চিনাইয়াছে । আঁধার ও আলোক মিশ্রিত পথ ধরিয়া কত রকম মানুষের সহিত যে পরিচিত হইয়াছে এই নীল-সাদা পর্দার সুবাদে তাঁহার ইয়ত্তা নাই। হাতে গোনা গুটি কয়েক লেখকের চরম ভক্ত ছিলেন বাবা যদিও ব্যঙ্গের ছাতার মতন এখন অনেক লেখকেরই আগমন ঘটিয়াছে। এইটার যেমন আশার দিক রহিয়াছে তেমনি আছে নিরাশারও। আশার দিক চিন্তা করিয়া, নিরাশাকে ক্রসফায়ার ও বাবার গুরুজিবর্গের অনুপ্রেরণার নিভন্ত কাঠি হইয়া লেখালেখি শুরু করেন পান বাবা জর্দ্দা... বায়স্কোপের হিরো হইবার উদ্দেশ্যে নহে বরং তাঁহার নিজস্ব স্বকীয়তাকে সবার সাথে ভাগাভাগির সুখ সঞ্চার করিবার লক্ষ্যে পূরণের । যদিও বাবার লেখালেখির খুব একটা অভ্যেস নেই । নামকরণ ও জন্ম : "পান বাবা হইতে পারি কিন্তুক পান ক্ষর নহে" বাবার নামটি দেখিয়া আঁৎকি উঠিয়া সরাসরি ইনবক্সে পোক মারিয়া পানওয়ালা কিংবা পান দোকানি বানাইয়া দেন অনেকে, -বাবা একটা পান দেন্তো...! -জর্দ্দা কড়া কইরা এক্টা পান দে মামু...?! -এক্টা মিষ্টি পান হপে...?! বাবা বিচলিত নহে বরং তাঁহাদের উদ্দেশ্যেই আজকের এই লেখা । 'পান বাবা জর্দ্দা' নামকরণের একটা ছোট্ট গল্প আছে । একথা অনস্বীকার্য যে, বাবা পুর্বে প্রচুর পরিমানে পান ভক্ষণ করিতেন । একদা এক রজনীতে বাবা তাঁহার পরম দুই জিক্রি দোস্তের সহিত রাত্রি যাপন করিবার সিদ্ধান্ত নেন। নির্ঘুম সেই রজনীতে দোস্তদ্বয় বাবারে পান ছাড়িয়া দিবার জন্য রিমান্ড মঞ্জুর করে । প্রবল যুক্তিতর্ক সমৃদ্ধ সেই রিমান্ডেতে দোস্তদ্বয়ের প্রবল চাপের মুখে বাবা এক সময় এই সিদ্ধান্তে উপনীত হইলেন যে, তিনি আর কখনোই পান ভক্ষন করিবেন না । দোস্তদ্বয় বাবাকে পরম ভালবাসে কিনা ।।। এর ঠিক পরের দিবসে -২২শে আগস্ট ২০১৩ 'পান বাবা জর্দ্দা' নামটি জুকারের বায়স্কোপে নতুন করে যুক্ত হয় । এই দিনটাই বাবার জন্মলগ্ন ।।। নামের ব্যাখ্যা : বাবার নাম দেখিয়া মনে হইতেই পারে যে, বাবা সকলকে পান ভক্ষণ করিবার জইন্য প্রেরনা যোগায় ! কিন্তু বাবা কাহকেই পান ভক্ষণ করিতে উদ্বুদ্ধ করিতেছেন না বরং এই নামটি দিয়ে একটা কথা পরিস্কার ভাবে বলিতে চাহেন যে, "পানের সাথে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটা ঘনিষ্ট সম্পর্ক রহিয়াছে। পানের সাথে জর্দ্দা খাওয়া শরীরের জইন্য যেমন মারাত্মক ক্ষতিকর! তেমনি আমাদের সমাজেও ঘনিষ্ঠ হইয়া কিছু কু-মতবাদ, কু-আদর্শ ও অমানুষ সম্পর্কযুক্ত রহিয়াছে। যাহারা সমাজের জইন্য কেবল ক্ষতিই নহে বরং এদের জইন্য নেমে আসিতে পারে মহাবিপর্যয়!!! আর তাই ইহাদিগকে Shift Delete Enter মারিতেই 'পান বাবা জর্দ্দা' র ক্ষুদ্র প্রয়াস... ।

পান বাবা জর্দ্দা › বিস্তারিত পোস্টঃ

নাদের আলী মাঝি

১৩ ই মে, ২০১৪ সকাল ১১:১৯

দাদাবাড়ির মাঝি নাদের আলী বলেছিলো "ট্রানজিট দে, দেখিস একদিন তিস্তা দিয়ে দিবো। জঙ্গী হটা, বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে দিবো।" দাদা সব নিয়ে নিয়েছে। দেয়নি কিছু, আমাদেরও দেখা হয়নি কিছুই, 43 বছর কেটে গেল। বাজার গেছে, আকাশ গেছে, পত্রিকার পাতাগুলো গেছে, চিন্তা গেছে, সিনেমা হলটা বাকী ছিলো, এবার সেটাও যাচ্ছে। যে দেশের মন্ত্রীর একমাত্র এজেন্ডা মনে হয় ভারতের ছবি আমদানি (তাও আবার ভারতের সবচেয়ে অখাদ্য ছবিগুলো ), যে দেশের মন্ত্রী মনে করে বাংলাদেশের সিনেমার উন্নতির একমাত্র উপায় ভারতের ছবি আনা এবং আমাদের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক ভারতীয় কোনো সংস্থাকে দেয়া, সে দেশের ভবিষ্যত চরম উজ্জ্বল।



এইরকম চিন্তাশীল মানুষ যদি দেশ চালায়, সে দেশের ভবিষ্যত উজ্জ্বল না হয়ে পারে না। আশা করি অন্যান্য দেশও (যাদের সিনেমার অবস্থা খারাপ) আমাদের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে চলচ্চিত্র বিপ্লব সাধন করবে।



বিঃদ্রঃ পাশে বসা ছোটো ভাই বললো "দুই দেশের ছবি না বিনিময় হওয়ার কথা"। আমি তাকে পুনরায় "নাদের আলী"র কবিতা পড়তে বললাম।



খুশী হয়ে ছোট্ট ভাই আমাকে "জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জঙ্গী দমনের গুরুত্ব" বিষয়ে একটা বক্তৃতার রিপোর্ট ধরিয়ে দিয়ে বললো "দেশ চালাতে এইরকম প্রতিভাই আসলে দরকার"!



আমি বললাম "এইরকম একটা মন্ত্রী তুই ফুসলিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে দিয়ে দে। আমরা বেঁচে যাই"!

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.