নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ক্ষণিকের এ বন্ধ হাওয়ায় জীবন শুরু করা, কদিন বাদেই জীবন আমার হবে পাতা ঝরা।

পানি খোর তানভীর

পানি খাই। পানি চাই। পানি নাই। কোথায় পাই?

পানি খোর তানভীর › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি হরর কাহিনী

২৪ শে জুন, ২০১৩ বিকাল ৫:৩২

রাতে ইদানিং ঘুম হয়না। সিলিং ফ্যানের জন্য। গত কিছুদিন পূর্বে বলা নেই কওয়া নেই হঠাৎ ড্রয়িং রুম এর নতুন ফ্যানটা ছুটে পড়ে গেল। তবে সরকারি ও বেসরকারি হিসেবে কেও হতা হত হয়নি। এর পর থেকে রাতে শুয়ে ফ্যান এর দিকে তাকালেই ভয় করে। কক্ষণ খুলে পড়ে যায় আশ রাতে নিজের থেকেই যতক্ষণ চোখ বন্ধ না হয়। জেগেই থাকি। কখন ভেঙ্গে পড়ে এই আশংকায়। আব্বু আম্মু দের রুমে যে ফ্যানটা আছে তার বয়স আমার চাইতে বেশী। আমি মাঝে সাঝেই ফ্যানকে দাদা ডাকি। ইদানিং ফ্যান গুলা নকল হয়ে গেছে। কি করার আছে চাহিদার আধিক্য। সবার চাহিদা পূরন করতে হয়। অধিক উৎপাদন করতে হয়। এই যেমন নিচ তালার নতুন ভারাটিয়া মানুষ উৎপাদন এ নেমেছেন ৪ নম্বর এও থমেন নাই। ৫ নাম্বার টা প্রসেসিং এ আছে। ডেলিভারির আগে স্ত্রিকে বাড়িতে পাঠাইয়া দেন ভদ্রলোক। এ লোক হাসপাতালে যাইতে নারাজ। সেখানে নাকি এখন জোর পূর্বক সিজার করায়। দুইবার এর বেশী নাকি সিজার করা যায়না। এটা কুনো কথা হইল? মানুষ দুনিয়াতে আসা বন্ধ কইরা দিব নাকি সরকার? ভাত কি সরকার খাওয়াইব নাকি আমি? পিতা আমার রস এর ভান্ডার পিতা বলেছেন সরকার প্রধান দুইজনই মহিলা তো তাই সন্তান জন্মদিতে নারীর কষ্ট তারা বুঝেছেন তাই নারীর কষ্ট লাঘব করার চেষ্টা করছেন। সবই মায়ের মুখ থাইকা শুনা। আমি এবার বাসায় এসে অবাক দেখি ৩টি গাছ থাইকা খইসা পড়া অতি উচ্চ মানের লেঞ্জা বিহীন বান্দরের ২টা আমার ছোট ভাইরে বালিশ দিয়া চাইপা রাখছে আর একটা তাহার পাছায় সজোরে কিক দিতাছে। ছোট ভাই ফুটবল এর ন্যায় শক্তিতে হেরে কান্না চাপা দিয়া হি হি হি কইরা হাঁসতেছে। ধমক দিয়া আশ্চর্য হইয়া গেলাম। একটা কইল আঙ্কেল আয় মারামারি খেলি। ভাল কইরা খেয়াল করে বুঝলাম এইটা বান্দর না বান্দরনী এবং তিন বান্দর এর মধ্যে এইটা দ্বিতীয় আর আশ্চর্যজনক ভাবে এদের নেত্রী। আবার ধমক দেবার সুবাদে ছোট ভাই বেচারা মুক্ত হইল। মুক্ত হইয়া প্যান্ট ওপড়ে টানতে টানতে লাল হয়ে যাওয়া মুখে সে ঘোষণা করল সে ব্যথা পায় নাই। আর আমারে জিজ্ঞাসা করল কি আনছি? এই কথা শুনিয়া তাঁহাদের নেত্রী আমার কাছে উড়ে এসে পকেটে হাত দিয়া চেক করিতে চাইল। আমি শুধু আবাকই না বিরক্তি বোধ করলাম। তবে যখন সবগুলা এক সাথে ঘিরে ধরল তখন ই বুজছি আমার ছুটি এইবার খারাপ যাইবনা। কারণ পৃথিবীর কারো সাথে আমার না মিললেও বাচ্চাদের সাথে আমার মিলবেই। কারণ ওরা মাইন্ড করেনা। ছোট বড় সব দুষ্টুমি ওরা উপভোগ করে। ওদের হাসানো যেমন সহজ কাঁদানো আরো সহজ। কিন্তু এই বিচ্ছুদের আমি কান্দাইতে পারি নাই। বাসা থাইকা বাহির ও করতে পারি নাই। এদের মধ্যে নেত্রী আবার সবাইকে তুই করে ডাকে। যেমন আমার মাকে সরাসরি বলে ভাত দে নানি খামু। ল্যাপটপে কার্টুন এর একটা কালেকশন আনছিলাম বন্ধুর কাছ থাইকা তা না দেখাইতে চাওয়ার যে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হইছি তা বলতে চাইনা। লিখতে চাইলাম হরর কাহিনী আর কাহিনী কই আইসা দাড়াইল। যাইহোক হরর কাহিনী আরেক দিন শুনামু। আজ একটা কৌতুক বলে শেষ করি। এক লোকের পাচটা সন্তান। ৬ষ্ঠ সন্তান ডেলিভারির জন্য যখন হাসপাতালে গেছে তখন নার্স জিজ্ঞাসা করল ভাই ৫টা থাকতে আবার কেন বাচ্চা নিলেন? লোকের হাসি মুখের জবাব,”আমার শশুরকে কথা দিয়েছিলাম তার মেয়েকে কুনোদিন খালি পেটে রাখবনা, তাই রাখি নাই”। চট্রগ্রামে গিয়া ক্লাসমেট সামিল এর ভাতিজারে দেইখা আমরা সবাই একমত হয়েছিলাম। বান্দর পুলা একটাই যতেষ্ট। আমাদের ভারাটিয়া লোক কি করে তিন তিনটা নিরেট গেছো বান্দরকে ও একটি কোলের বান্দরকে পালেন তা তিনিই জানেন। তবে যাই হোক সব মিলিয়ে ছুটি খারাপ যায় নাই।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.