| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর পদ্মা নদীর মাঝী যখন ইন্টার লেভেলে ভাজা ভাঁজি করছিলাম তখন প্রথম ফ্র্যয়েডের কাম তত্বর সাথে পরিচয় ঘটে। কপিলার সাথে কুবের মাঝীর ময়না দ্বীপ এ পালিয়ে যাবার পেছনের কারণ নাকি ফ্রয়েডের কাম তত্ব কাজ করেছে। যার কথা হইলো মানুষের সকল কাজ এর পেছনে যে শক্তি বা উদ্দেশ্য কাজ করে তা হইল সেক্স বা কামপ্রবৃত্তি। যদিও আমার মত ছিল কুবের সাহেবের চরিত্র অনেকটা এরশাদের ন্যায় হবার কারনেই এ ঘঠনাটা ঘটাতে পেরেছিল। তা ছাড়া পরকীয়ায় নাকি আলাদা ফিলিংস। যদিও আমি পরকীয়াকে খুব বড় অপরাধ হিসেবে দেখিনা। পুরুষ বা মহিলার সেক্সুয়াল চরিত্রের উপরই নির্ভর করে তার সাথী কোন চরিত্রের হবে। এ কথা ১০০% সত্যি। নিজের দুর্বলতার কারনেই মানুষ তার সঙ্গীকে হারায় সেটা হতে পারে দৈহিক বা মানসিক। যাই হোক এ ফ্রয়েডের সে ফালতু থিউরি যে ধর্ম হতে পারে তা জানা ছিল না। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে জানলাম। কারণ প্রগতিশীল ও সেকুলার এ ক্যম্পাসে সেক্সুয়ালিতি অবাধ। লালন শাহ্ কে তা সবার জানা। লালন সাই কে সাইজি বা শাই ডাকে যে শব্দের অর্থ স্রষ্টা। যাই হোক সে অধ্যাতিক ও মরমী সঙ্গীত সাধক মনের খুশিতে বাস্তব দর্শনে যে সকল গান রচনা করে গেছেন। অতি পণ্ডিত লালন ভক্তরা এখন সে সব গান থেকে এখন একটি ধর্ম কে বাহির করে আনছেন। সে ধর্মের নাম
সাধু সঙ্গ বা শাঁই সাধক। এ ধর্মের মূল বিষয়টি হইলো জীবনের সব কিছুর মূল বিষয় সেক্স। আমার হলের চার পাশে রয়েছে বেশ কিছু গম্বুজ। আর হলের গেটে স্বাধীনতা স্তম্ভ। সে সব লালন সাধকের সেক্স ফ্রয়েডের মত মাথার এত উচ্চতায় পৌঁচেছে যে গম্বুজ ও স্তম্ভ দেখলে নাকি দৈহিক উত্তেজনায় ভোগেন। তাদের সকল কথাই যে কোনো শিক্ষিত ও সুস্থ মানুষের মাথার তালুর চামড়া গরম করে দেবার মত। কোরআন,পুরান,বাইবেল,বেধ, সব গুলু থেকে বেছে বেছে কিছু অংশের এমন গাঁজাখুরি ব্যখ্যা করে যে দুর্বল মনের মানুষ স্ট্রোক করবে। তাদের ভাষ্য মতে নারী সর্বজনীন এখানে কেও বাদ নেই। আল্লাহ নাকি মুহাম্মদ (সঃ) কে ব্যাবহার করেছেন' নবী তার কন্যাকে, নাউজুবিল্লাহ। আর বাকি গুলো বলা যাচ্ছে না। আমি মনে করেছিলাম এ পাগল শুধু একটি আমাদের হলেই আছে। কিন্তু খবর নিয়ে জানলাম তারা প্রচুর টাকা পায় ও তাদের সঙ্গ বেশ বড়। সোহোরাওযারদি উদ্যানে তারা সাধু সঙ্গ নামে আসর বসায়। বেশ জনপ্রিয় হয়ে যাচ্ছে তারা দিনে দিনে। উদ্যানের ভতরে গাঁজার আখড়া। পুরু উদ্যানের সব গাঁজা খোররা গান শুনতে যায় তাদের কাছে। এবং তখন তাদের দীক্ষা দেয়া হয় তাদের।তাছাড়া ফ্রি বাঁশি গাঁজা খাওয়া তো ফ্রি আছেই। আগামীতে এ মুক্ত বাঁধনহীন এ ক্যম্পাসে একটি প্রভাবশালী ধর্ম হচ্ছে লালনের কাম তত্ব।
![]()
২|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১০:০৬
সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: ..'কামাচার বা মিথুনাত্মক যোগসাধনাই বাউল পদ্ধতি। বাউল সাধনায় পরকীয়া প্রেম এবং গাঁজা সেবন প্রচলিত। বাউলরা বিশ্বাস করে যে, কুমারী মেয়ের রজঃপান করলে শরীরে রোগ প্রতিরোধক তৈরি হয়। তাই বাউলদের মধ্যে রজঃপান একটি সাধারণ ঘটনা। এছাড়াও তারা রোগমুক্তির জন্য স্বীয় মূত্র ও স্তনদুগ্ধ পান করে। সর্বরোগ থেকে মুক্তির জন্য তারা মল, মূত্র, রজঃ ও বীর্য মিশ্রণে প্রেমভাজা নামক একপ্রকার পদার্থ তৈরি করে তা ভক্ষণ করে। একজন বাউলের একাধিক সেবাদাসী থাকে। এদের অধিকাংশই কমবয়সী মেয়ে। (বাংলাদেশের বাউল : পৃষ্ঠা ৩৫০, ৩৮২)
লেখক: ডক্টর আহমদ শরীফ
Click This Link
৩|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৩
সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: ভাইজান পোষ্ট এখনও আছে ?
আমি তো লালন সাধকরে নিয়ে পোষ্ট দিয়া ভালই ধরা খাইছি! পোষ্ট গায়েব ...
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৮:৩৬
মিটুল বলেছেন: ভাই কি শুনাইলেন!!! তাহলেতো, সর্বানাশের কিছু বাকি নেই। এখন কি উপায়?