| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এইচ, এম, পারভেজ
Request for everybody : If you like/love someone then tell him/her as soon as possible otherwise you will lost / miss him/her..... so pls....
![]()
স্থানীয় নাম :
সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে স্থানীয় বাঙালিরা এই শাকটিকে শান্তি শাক নামে ডাকেন।
মৌলভীবাজার জেলায় এই শাক মালঞ্চ শাক নামে পরিচিত।
ব্যবহার :
মূলত: পাতা ও কচি ডাঁটা শাক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কোথায় পাওয়া যায় :
বাংলাদেশের বিভিন্ন সমতল এলাকার গ্রামে পাওয়া যায়। শান্তি শাক গ্রাম বাংলার মানুষের একটি অতি প্রিয় উদ্ভিদ। সাধারণত বাড়ীর আশে পাশের ডোবা নালাতে এবং নিয়মিত বা অনিয়মিত পানি প্রবাহিত হয় এমন নরম মাটিতে এই শাক জন্মে। যেখানে জন্মে সেখানেই বিস্তৃতি দেখা যায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় এই শাকের বিভিন্ন নাম আছে।
দেখতে কেমন :
গাছটি মাটিতে বিছিয়ে থাকে এবং লম্বায় প্রায় চার/পাঁচ হাত হয়। বর্ষাকালে কিছূ অংশ মাটিতে ও কিছু অংশ পানিতে ভাসতে থাকে। পাত প্রস্হ পাঁচ/ছয় আঙ্গুল হলেই এই শাক খাওয়ার উপযোগী হয়। শাক হিসেবে গাছের আগা (সম্মূখভাগ) সংগ্রহ করার সাথে সাথে ছোট ছোট উপশাখা বের হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। গাছটির ফুলের রং সাদা ও ছোট আকারের ফুল গুলো কান্ডের সাথে লেগে থাকে। ফল সম্পর্কে স্থানীয়রা বলেন, এর বীজের রং কালো। তবে, তাদের মতে গাছটির কান্ডের শিকড় থেকেই নতুন গাছের জন্ম হয়। এই শাকের পাত প্রস্হ প্রায় দুই আঙ্গুল হয়। পাতার রং সবুজ ও কান্ড হালকা সবুজ রংয়ের হয়ে থাকে। বর্ষাকালে গাছগুলো বড় হয়ে থাকে এবং তখন পাতা গুলোও বড় হয়। ভরা বর্ষায় পানিতে ভেসে থাকা গাছের ডাঁটা গুলো বেশ মোটা ও ফাঁপা হয়ে থাকে। শীতকালে গাছগুলো অনেক ছোট হয়ে যায় এবং পাতা গুলোও ছোট হয়ে যায়। শীতকালের গাছের পাতা গুলো কালচে সবুজ রঙ ধারণ করে এবং পাতায় তেল চকচকে ভাব দেখা যায়। শীতকালে গাছগুলো অনেক নরম হয়ে যায়। এটি পরিবারের একটি সপুষ্পক বিরুৎ জাতীয় উভয়চর জলজ উদ্ভিদ। অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটে। প্রাকৃতিক পরিবেশে এমনিতেই জন্মানো এই শাক চাষ করার কোনো ঘটনা জানা যায় না।
কখন পাওয়া যায় :
সারা বছরই এই শাক কম-বেশী পাওয়া যায়। তবে, জৈষ্ঠ থেকে আষাঢ় মাসে এই শাক বেশী পাওয়া যায়।
কিভাবে খাওয়া যায় :
গাছের উপরের দিকের পাতা, আগার দিকের কচি কান্ড পাতাসহ তোলা হয়। শাক তোলার পর তাজা শাক ভাল করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এই শাক অন্যান্য শাকের মত তেল, মরিচ, পেয়াজ, লবন দিয়ে ভেজে খাওয়া হয়। এলাকাভেদে রান্নায় হলুদ-মরিচ বা অন্য মশলা স্বাদ মতো মেশানো যেতে পারে। শাক মিষ্টি স্বাদ, ছোট মাছ দিয়ে এই শাক রান্না করে খাওয়া যায়।
উপকারিতা :
• শাক পেট ঠান্ডা রাখে এবং মুখে রুচি বাড়ায়।
• হজমে সহায়তা করে।
অন্যান্য :
এই শাক বেশী পরিমানে একটি এলাকা থেকে আহরন করা যায় বলে অন্য শাকের সাথে মিশিয়ে খুব একটা খাওয়া হয় না। গ্রামীণ পর্যায়ে এই শাক মূলত নারী ও শিশুরাই সংগ্রহ করে থাকে। গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য এই শাক যেমন পরিবারের খাদ্য চাহিদা মেটায় একইভাবে তা পুষ্টি চাহিদাও দূর করে। স্থানীয় এলাকার সকল ধর্মের মানুষই এই শাক
খাবার হিসেবে গ্রহণ করে থাকে।
সতর্কতা :
• গাছে ফুল আসলে তখন সেই গাছের শাক খাওয়া হয় না, কেননা ফুল আসলে সেই গাছের শাক খুবএকটা স্বাদ হয় না।
• শাক তোলার পর বেশী সময় রাখা যায় না, তাজা থাকতে থাকতে রান্না করে ফেলতে হয়।
• পচাঁ ডোবা এবং ময়লা আবর্জনা ফেলা হয় যেসব জায়গায় সেখানকার শাক না খাওয়াই ভাল।
• রান্নার আগে শাক ভাল করে ধুয়ে নেয়া দরকার।
• শাক তোলার ক্ষেত্রে অবশ্যই এর বংশ যাতে একবারেই শেষ না হয়ে যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
• বর্ষাকালে অনেকে হেলেঞ্চা শাকের সাথে একে মিলিয়ে ফেলতে পারে। তাই সনাক্তকরণে সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়।
--------------------
কুড়িয়ে পাওয়া শাক : ১ শুষনি/শুনশুনি/আবুল ঘাস/ শুশুনি/শুনশুনিয়া শাক
Click This Link
কুড়িয়ে পাওয়া শাক : ২ = শ্বেতদ্রোণ/ দন্ডকলস/দল কলস/ ধুবরি/ দোর কলস/ কান শিশা/ কাউন শিশা/ ধুরপ/ দুলফি শাক : Click This Link
-----------------------------------------------------------------------------
তথ্যসূত্র : সিরাজগঞ্জ, মৌলভীবাজার এলাকার গ্রামীণ নারী এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল হার্বেরিয়াম।
United Nations Development Programme
-----------------------------------------------------------------------------
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:২৫
এইচ, এম, পারভেজ বলেছেন: না। হেলেঞ্চা তেতো।
সময় করে পড়ার ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
২|
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:০৭
নিশাচর ছেলে বলেছেন: প্লাস দিয়া গেলাম
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:২৩
এইচ, এম, পারভেজ বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩|
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:০৭
মেহবুবা বলেছেন: এ শাক সুস্বাদু । অনেক দিন আগে খেয়েছি , এখনো মুখে এর স্বাদ লেগে আছে । ঢাকায় জানি মালঞ্চ নামে । গন্ধটা ভাল ।
আপনার পোষ্টে এটির ফুলও দেখতে পেলাম , আগে দেখিনি কখনো ।
ধন্যবাদ ।
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:২১
এইচ, এম, পারভেজ বলেছেন: সময় করে পড়ার ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৪|
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:০৯
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: +++
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:২৩
এইচ, এম, পারভেজ বলেছেন: সময় করে পড়ার ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৫|
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:২১
আকাশের তারাগুলি বলেছেন: খাইতে ভালাই লাগে।
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:১২
এইচ, এম, পারভেজ বলেছেন: রান্না ভাল হলে খেতে ভালই লাগে।
৬|
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:২৪
মেহবুবা বলেছেন: @ দি ফিউরিয়াস ওয়ান , হেলেঞ্চা শাক তিতো হয় যতদূর মনে পড়ছে । তবে স্বাস্থ্যকর ।
৭|
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৩১
একলোটন বলেছেন:
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:২২
এইচ, এম, পারভেজ বলেছেন: thanks.
৮|
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪৩
হতাশার স্বপ্ন বলেছেন: ২য় ছবিটার জন্য ২টা পিলাচ ![]()
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:২০
এইচ, এম, পারভেজ বলেছেন: সময় করে পড়ার ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৯|
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:২১
ড্র্রাকুলা বলেছেন: ৩ নাম্বার ছবিটার জন্যে +++++!
শান্তি শাক কেন বলে?
১০|
১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৫
সুরঞ্জনা বলেছেন: সিলেটে এটাকেও হেলেঞ্চা শাকই বলে। স্থানিয় ভাষায় বলে হেইচা শাক। রোজার মাসে তিতা হেলেঞ্চার বড়ার খুব চাহিদা। আর এই শাকটি আলু দিয়ে বা এমনি ভাজি করলে খুব স্বাদ পাওয়া যায়।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:০৪
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: প্লাস।
হেলেঞ্চা শাকের সাথে গুলিয়ে ফেললে কী সমস্যা হয়? হেলেঞ্চা কি স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর? জানিনা তাই জিজ্ঞাসা করলাম।