নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

[email protected]

পি মুন্সী

পাঠ ও মন্তব্যের জন্য সকলকে স্বাগতম। কোন পুরানো পোষ্টেও নির্দ্বিধায় মন্তব্য করতে পারেন; সাড়া পাবেন।

পি মুন্সী › বিস্তারিত পোস্টঃ

"আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি" - রাসেল... এর ব্যবচ্ছেদ

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৮

আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না - বলে নিক রাসেল... এর একটা পোষ্ট Click This Link তিন দিন ধরে ঝুলে আছে। বিস্তর কথাবার্তা চলছে ওখানে। মন্তব্য দিতে গিয়ে দেখি, আমি দেরিতে। ভাঙ্গা হাট মনে হচ্ছে। তাই এখানে ঐ মন্তব্য আরও কিছু কথা শেষে সংযোগ করে এখানে দিলাম।

>>>>>>

আমি সরি, রাসেল আপনার ব্লগপোষ্ট পড়ে নিশ্চিত হয়েছি - ল্যাম্পপোষ্ট আপনার ইস্যু না। আপনি টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক। হতেই পারেন কেউ সমর্থক হতে চাইলে তাকে আটকে রাখে কে! তবে বলব আপনি ল্যাম্পপোষ্টের 'আচরণের' সমর্থক কী সমর্থক না এদিক থেকে কথা তোলার আড়াল নেবার দরকার কী? আপনার বিপ্লব ভাবনার দিক থেকে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ বিপ্লবী না হঠকারী এসব কথা তোলারই বা কী প্রয়োজন? আপনার লেখা পোষ্ট আনওয়ান্টেড কনসিভের মত, এই প্রশ্নগুলোর জন্ম দিয়ে ফেলেছে।

আপনি একদিকে টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক অন্যদিকে আপনার আবার নিজস্ব একটা বিপ্লবের আকাঙ্খা ও পদ্ধতি-বিষয়ক ভাবনা আছে। যেখানে দাড়িয়ে আপনি দেখছেন, আপনার মনে হচ্ছে ল্যম্পপোষ্ট হঠকারি। সমস্যা হলো ল্যম্পপোষ্টের তৎপরতা (সে সঠিক-বেঠিক, হঠকারি-বিপ্লবী যাই হোক), এ'আপনাকে যে দুই বিষয়কে (বাঁধের সমর্থক আবার নিজস্ব বিপ্লবীবোধ) নিয়ে আপনি ভালই ছিলেন, ঘর করছিলেন, এ'দুইয়ের কোন বিরোধ আছে বলে আপাত মনে হচ্ছিল না এই শান্তি শান্তি অবস্হায় থাকতে দেয় নি, দিচ্ছে না। দুইয়ের মধ্যে যে আসলে ঠোকাঠুকি ও ভালো বিরোধ-সংঘাত আছে আপনার অবস্হানের সেই আপাত ভারসাম্যে ল্যাম্পপোষ্ট আঘাত করেছে। যে ঠুনকো ভারসাম্য করে সংঘাতকে চাপা দিয়ে রাখতে পেরেছিলেন, টের পাচ্ছিলেন না, দেখা যাচ্ছিল না - ল্যাম্পপোষ্টের তৎপরতার সামাজিক প্রভাব একে উদোম করে সংঘাতটা প্রকাশ করে দিয়েছে। ল্যাম্পপোষ্টের তৎপরতার, ছোট্ট কাজের তাৎপর্য এখানেই। আমাদের প্রায়-নিস্তরঙ্গ সমাজের চিন্তার স্হবিরতার সুযোগ নিয়ে আমরা যার যেমন, করে খাওয়ার জীবন যাপন করছিলাম, বিজনেস এজ ইউজুয়ালে চালিয়ে যেতে পারছিলাম - ল্যাম্পপোষ্টের তৎপরতা নিঃসন্দেহে এদের শান্তি নষ্ট করেছে। আমাদের সমাজ (আপাতত এখানে ব্লগ সমাজ) যেন সমাজের শত্রু-মিত্রের ভেদাভেদের কোন না কোন পক্ষে অবশ্যই অবস্হান নেয়, ভেদ-লাইনের উপর দাড়িয়ে অবস্হান লুকানোর সুযোগ না পায় - আমাদের সবাইকে একাজে বাধ্য করেছে। এখন সিদ্ধান্ত যার যার; কে কোন পক্ষ নেবে। বিচারের ভার নিজের নিজের - স্বার্থ মোতাবেক।

শেখ মুজিবের ছয় দফা আমাদেরকে সমাজের বিভিন্ন কোণায় ধাপে ধাপে এভাবেই পক্ষ নিতে পোলারাইজেশনে বাধ্য করেছিল। যদিও আমাদের বেশির ভাগের কাছেই কাজটা সহজ ছিল না। কারণ এর মাত্র বিশ বছর আগেই আমরা না বুঝেছিলাম - ইসলামের মধ্যস্হতায় আমরা উভয়ে মুসলমান বলে সে বাস্তবতার সুযোগে দুই পাকিস্তান ভুখন্ডের জনগোষ্ঠি একটা এ্যালায়েন্স করে একটা রাষ্ট্র কায়েম করেছিলাম। ফলে আমাদের অনেকের কষ্ট হয়েছিল ছয় দফার দাবির সমর্থক হতে। কারণ যদিও দাবির মধ্যে সরাসরি আলাদা হবার কোন কথা কোথ্থাও নাই। কিন্তু আলাদা হিসাব-কিতাব, আয়-ইনকামে কার কী অবদান সে ভিত্তিতে বরাদ্দ-বাজেটের কথা তোলা হয়েছিল। এমনকি আলাদা কারেন্সি। সবার মনে শঙ্কা জেগেছিল যদি এভাবে বিরোধ মীমাংসায় সফল না হওয়া যায়, ফেল করে - তাহলে কী হবে? এসব চিন্তা করে, বাঙালি মুসলমানের আবার বাঙালি বলে আত্ম-পরিচয়ের পক্ষে দাঁড়াতে, বিকাশ ঘটাতে এটাকে সমাধানের পথ বলে মেনে নিতে বহু কষ্ট হয়েছিল। অনেকের কাছে বিভ্রান্ত মনে হয়েছিল। ঠিক ভাগ চাননি কিন্তু শেখ মুজিবকে নেতা মেনে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের পরের অবস্হা আমাদের শেষ সব্বাইকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছিল। আর নির্ভাগ ফেলে রাখতে, থাকতে দেয়নি। যারা পারেনি এদেরকেই আমরা মুসলিম লীগার বা জামাতে ইসলামি বলে চিনি। ওদেরকেও পক্ষ নিতে হয়েছিল বলে ওরাও সশস্ত্র হয়েই প্রতিরোধে নেমে পরেছিল। কাউকে ছাড়েনি, কারও নিস্তার হয়নি। পক্ষে অথবা বিপক্ষে যেতে হয়েছিল, নিরপেক্ষতার কোন পাটাতন অবশিষ্ট ছিল না। ইতিহাস এভাবেই পথ করে নিয়ে আগায়।

আমার এই ভাগাভাগির কথা আপাতত ব্লগ-জগতকে নিয়েই। রাসেল... যদি ব্লগার না হত হয়ত এতটা গভীরে ভাগাভাগির ভিতরে তাঁর না পড়লেও চলত। তবে এটা মানতে হবে, রাসেল... সেনসেটিভ। তাই সে ল্যাম্পপোষ্টের জ্বরে আক্রান্ত; পক্ষে অথবা বিপক্ষে।



রাসেল... কে আমি টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক - বলেছি। বলেছি এটাই তার বাকি সব অবস্হানের কারণ, অবস্হানের কেন্দ্র, ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ নয়। অনেকে আমার একথা মানতে আপত্তি করতে পারেন।

রাসেল নিজেকে স্পষ্ট করতে পেরেছে, (১৭ নম্বর মন্তব্যে তাঁর জবাব দেখুন) এখানে। বলছেন,

"আমিও একই কথাই বলছি পরিবেশগত প্রভাবের কথা যেভাবে বলা আছে সেখানে তাতে তেমন বড় কোনো আশংকার কথা নেই, বরং আশাবাদের কথা আছে, ব্যারেজ নির্মানের প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে কি না সেটাও বলা নেই, এটাও হাওয়ার উপরে রুটি ভাজার মতো বিষয়"।

উপরে মন্তব্যকারী প্রথম আলো ব্লগের একটা রেফারেন্স দিয়েছিল। খুব শক্ত কোন যুক্তি নয়। তবে রাসেল... যেখানে বারবার তাঁর যুক্তি শানাচ্ছিল এই বলে যে,

"ভারত সিদ্ধান্ত নিয়ে বাস্তবায়ন শুরু করলে এই প্রতিবাদ হয়তো একটা বিষয় হতে পারতো। তবে এখনও কাজ শুরু হয় নি, দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে, তথ্য আদানপ্রদান হবে, বিশ্লেষণ হবে, এবং চুক্তিপত্রে দস্তখত হবে। অনেকগুলো পর্যায় এবং পর্যালোচনার প্রয়োজন আছে"

অথবা

"এমন কোনো স্পষ্ট প্রোপোজাল নিয়ে আলোচনা নেই, অনেকগুলো যদি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, শেষও হয়েছে অনেকগুলো যদি দিয়ে"।

অর্থাৎ - ভারত সিদ্ধান্ত নেয় নি, তথ্য নাই, চুক্তি নাই, স্পষ্ট প্রোপোজাল নাই, বাঁধের কোন কাজ শুরু হয় নাই - (অনেকটাই মন্ত্রী রমেশের কথার মত তবে আরও গুছিয়ে) সব তর্ক-বিতর্ক নাকি "যদি"র উপরে চলছে ইত্যাদি যুক্তির উপর রাসেল... দাড়িয়ে ছড়ি ঘোরাচ্ছিল। কিন্তু মন্তব্যকারি ইনটারনেট ঘেটেই মৌলিক তথ্য দিয়ে প্রমাণ করলো - টেন্ডার হয়ে এই প্রকল্পের কাজও NEEPCO জিতেছে, ফলে প্রকল্প আর কেবল প্রস্তাবের (প্রস্তাব মানে স্পষ্টতই স্পষ্ট প্রোপোজাল) জায়গায় নাই - এবার রাসেল... এক স্টেপ ব্যক ফুটে খেলেছে। বলছে,

"পরিবেশগত প্রভাবের তেমন বড় কোনো আশংকা নাই, বরং আশাবাদের কথা আছে, ব্যারেজ নির্মানের প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে কি না সেটাও বলা নেই, এটাও হাওয়ার উপরে রুটি ভাজার মতো বিষয়"।

এটা নব্বুই এর দশকে বুশের কিয়োটো (বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের দুনিয়া তাতানোর আকামের বিরুদ্ধে ) প্রটোকলে স্বাক্ষর না করার যুক্তির মত। বুশের কাছে আমেরিকান শিল্প ব্যবসায়ীদের দেয়া যুক্তি ছিল আরও বিশ বছর পরে এসব ভাবা যেতে পারে। দুনিয়া তাতছে আর একটু তাতায় নেই - এতে ইউরোপ, চীন জাপানের চেয়ে শিল্পে আমাদের আগিয়ে থাকা নিশ্চিত করে নেই তার পর দেখা যাবে। শিল্প প্লান্টের সাথে পরিবেশ রিসাইক্লিং এর খরচ জুড়ে দিলে আমাদের মুনাফা কমে যাবে। "তার চেয়ে দুনিয়া জাহান্নামে যাক আগে কামায় লই, পরে দেখা যাইব"। আমরা তাই প্রচার হতে দেখেছিলাম, "পরিবেশগত প্রভাবের তেমন বড় কোনো আশংকা নাই, আমেরিকান শিল্পের উন্নতি হবে, কত লোক কাজ পাবে বরং আশাবাদের কথা আছে"। একই রকম আশাবাদ, অবশ্যই। কাজেই আশাবাদ দেখা টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক রাসেল... এটাই ওর অবস্হানের কেন্দ্র, ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ নয় - এর স্বাক্ষর ওর নিজের পোষ্ট।

টিপাইমুখ নিয়ে IUCN এর ডঃ আইনুন নিশাতের একটা সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছিল প্রথম আলো তে। ব্লগে কোথায় এটার রেফারেন্স চোখে পরেনি। বাংলাদেশের পক্ষে অনেক শক্ত টেকনিক্যাল যুক্তিগুলো ওখানে আছে। জানি না রাসেল... দেখেছেন কী না।



অনেক বড় হয়ে গেছে, শেষ করতে হবে। রাসেলের বিপ্লব বা আন্দোলনের প্রতি যে ঝোঁক আপাত আকুলতা আছে, এটাকে গুরুত্ব দিতে রাসেল নিজেই না করেছে। জানাচ্ছে "আমি সে লাইনের মানুষ না"। দেখুন মূল পোষ্টে বলছে,

"বস্তুবাদী দর্শণ এবং রাজনৈতিক মতবাদ নিয়ে আলোচনা করছি না আমি, পার্টি পলিসি কিংবা থিসিস এন্টি থিসিস নিয়ে বিশাল বক্তৃতা দেওয়া সম্ভব না আমার পক্ষে। আমি সে লাইনের মানুষ না। আমার নিজস্ব পরিচিত অতিবিপ্লবীদের দেখে এটা আমার উপলব্ধি বলা যায়"।



"বরং যখন জনগণের সমর্থন থাকতো ভারত যখন শত্রু রাষ্ট্র চিহ্নিত হয়েযেতো সে সময়ে এই আন্দোলনের বিপক্ষে যাওয়ার মতো পত্রিকা পাওয়া যেতো না"।



কাজেই তাঁর বিপ্লবের ভাবনা পথ পদ্ধতি, হঠকারি বলা নিয়ে আর কথা সময় নষ্ট করছি না।

>>>>>>

এটা খুবই দুঃখজনক যে রাসেলের পোষ্ট সবই আছে কিন্তু পিনাকের মন্তব্যের কথা

রাসেলের সবকথা যদি সত্যিও হয়, শিষ্টাচারের সীমা ছারানি পিনাকের বক্তব্য রাসেল আপনার কেমন লেগেছে? সব প্রসঙ্গ থাকলেও এপ্রসঙ্গটা আপনার পোষ্ট নাই কেন?

যে কোন ফরমাল সভাতে ভিন্নমত অবস্হানের লোকজন থাকে, ভিন্নতা প্রকাশও করে। তার ভাষাও আছে। একটা শালীনতা, শিষ্টাচারের কথা সবার মনে থাকে। কারণ সবাই জানে তাঁরা কেউই পালোয়ান নন আর ঐ সভাও বক্সারের রিং নয়।

আবার রাজনৈতিক দলের সভা ভিন্ন। পিনাক ভারতের "ময়দান" এ বক্তৃতা দিতে আসেন নি আর তিনি রাজনৈতিক নেতাও নন। পিনাক মনে করেছেন, বাংলাদেশের সাথে আবার কূটনৈতিক শিষ্টাচার কী?

কোন আত্মমর্যাদা সম্পন্ন নাগরিক পিনাকের বক্তব্য শুনে প্রতিক্রিয়া না হয়ে পারে না। টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক হলেও নয়।

আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর উপস্হিতিতে পিনাক অপমানজনক কথা বললেও অতিথি দূতের সম্মানের কথা ভেবে আমাদের মন্ত্রী দিপুমণি হয়ত ভ্যাবাচেকা খেয়ে কিছুই বলতে পারেনি। অথচ তিনি যে ভ্যাবাচেকা খেয়েছেন এটাই বলতে পারতেন। অন্তত বলতে পারতেন, "আমি বিব্রত"। কুটনীতি মানেই হলো, শক্ত রাষ্ট্র-স্বার্থের কথা ভাষার কারিগরিতে মোলায়েম করে তুলে ধরা। সপ্তাহ দুয়েক পড়ে সেই বোধোদয় হয়ে আর এক মুশিবত খাড়া করলেন তিনি। পাবলিকলি যদি স্বীকার করেন যে পিনাক শিষ্টাচার বজায় রাখেননি তো এই বক্তব্যেরও একটা ফলোআপ পরিণতি আছে। পিনাককে তাহলে "পারসন নন গ্রাটা" হিসাবে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারত সরকারের কাছে চিঠি দিতে হবে। যে দাবী ন্যায্যত পররাষ্ট্র-বিষয়ক সংসদীয় কমিটিতে উঠেছিল। ফলে আবার আর এক মন্ত্রীকে সেয়দ আশরাফকে দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বেঠিক বলতে হলো। ফলাফল দাড়াল, হাটে কেনাবেচার বস্তুর একটা সম্মান আছে, জাতীয় সম্মান এতই সস্তা যে তার চেয়েও নীচে।

টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক হলেও রাসেল অন্তত এই একটা কারণেও পিনাকের বক্তব্যের প্রতিবাদ বা ল্যম্পপোষ্টকে বাহবা দিতে পারেনি।



রাসেল বলছে "দুত অবধ্য "। এর মানে কী পিনাককে কেউ বধ করতে গিয়েছিল নাকি? বড়ই হাস্যকর।

রাসেল আরও বলছে, "পুলিশ লাঠিপেটা করেছে, এবং এটাই স্বাভাবিক রীতি- যেকোনো দুতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করলে সাধারণত রাষ্ট্রীয় পুলিশ শক্ত হাতে বিক্ষোভ দমন করে"। আচ্ছা রাসেল তাহলে কলকাতায় বঙ্গভূমি আন্দোলনকারীদের বাংলাদেশ হাইকমিশন "ঘেরাও" কর্মসূচীতেও ভারতেরও ওদেরকে লাঠিপেটা করা উচিত না? দেখেছেন কখন? আমি বিষ্মিত, সত্যি আপনার যুক্তি অদ্ভুত! অথচ, ওটা র' এর কোচরের আন্দোলন হলেও আমাদের পুলিশের লাঠিপেঠার বিরোধী হওয়া উচিত।

টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক আপনি হতেই পারেন কিন্তু অন্তত পক্ষে নিজের সম্মানের সাথে হন, দেশের কথা নাইবা তুললাম।



মন্তব্য ১৭৫ টি রেটিং +৩৫/-৭

মন্তব্য (১৭৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৬

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভাইজান ওই একই পোস্ট আমার প্রথম দুইটা মন্তব্য প্রসঙ্গে কিছু বলবেন? কেউ কিছু বললো না, সবাই এড়াইয়া গেলো :(

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৪

পি মুন্সী বলেছেন: না একই নয়। বাড়তি অনেক কিছু আছে। শেষে। একটু কষ্ট করবেন।
আপনার 'মন্তব্য প্রসঙ্গ' বুঝি নাই।

২| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১১

চয়ন কান্তি বলেছেন: পড়লাম। আসলেই খুব খারাপ লাগে যখন কিছু মানুষের কাছে এখনও ভারতের স্বার্থ নিজের দেশের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩০

পি মুন্সী বলেছেন: হ্যা তাই।
প্রথম সমস্যা গোলামি মন।
দ্বিতীয়ত, বাঙালি বা আওয়ামি লীগ বলে যতটা গর্ব করতে দেখা যায় "বাংলাদেশ রাষ্ট্র" এটা ততই যেন উপেক্ষিত। নিজের রাষ্ট্র-বোধ কাজ করে না। রাষ্ট্র মানেই আলাদা স্বার্থ, আলাদা জন গোষ্ঠির স্বার্থ। ফলে রাষ্ট্র স্বার্থের বিরোধ থাকাটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের শত দূর্বলতা সত্ত্বেও এসব কথা সত্যি।
এই বোধ যার নাই যে, বাঙালি বাঙালি বলে যতই চিৎকার করুক, সব মেকি।

৩| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৮

রাসেল ( ........) বলেছেন: পি মুন্সী যখন আমাকে একটা পক্ষে ফেলে দিয়ে নিশ্চিত ভাবেই ব্লগ থেকে বিদায় নিলেন তখন আসলে আমার ফিরতি জবাব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
পি মুন্সী অবশ্য অনেক খোঁজ খবর রাখেন, তার এন্টেনা ভালো, অনেক ছবি, অনেক চ্যানেল সেখানে সংবাদ সম্প্রচার করে। তবে নিপকোর ২০০৯-২০১০ সালের মেমোরেন্ডাম ওফ আন্ডারস্ট্যান্ডিংটি দেখলাম। এখনও প্রোজেক্ট ক্লিয়ারেন্স নেই। সিসিইএ এপ্রুভালের জন্য অপেক্ষা করছে এই প্রোজেক্ট।

হাওয়ার উপরে তাওয়া ঘুরিয়ে রুটি না ভেজে বরং একটু আলোচনাগুলো খতিয়ে দেখেন। আইনুন নিশাতের সাক্ষাৎকারের শেষাংশে তার বক্তব্যটি মনে আছে, নাকি রুটি ভাজতে গিয়ে মাথা থেকে সেই শেষাংশ খসে পড়েছে পি মুন্সী সাহেব।

টিপাইমুখ নিয়ে এ পর্যন্ত অন্তত ৪ জন সাক্ষাৎকার দিয়েছে, এবং সকলের সকল আশংকার শেষাংশ ছিলো বিস্তারিত বলা যাবে প্রোজেক্ট প্রোপোজাল হাতে পেলে।

এইসব নিয়ে পি মুন্সীর মাথা ব্যথা নেই তেমন, তিনি আমাকে একটা অবস্থান দিয়ে আনন্দিত। আমিও অবশ্য আনন্দিত। অন্তত আমার একটা জায়গা খুঁজে পেলাম।

টেন্ডার হয়ে এই প্রকল্পের কাজও NEEPCO জিতেছে, তবে এখন অর্থ সংস্থান হয় নি এই প্রকল্পের, ঢাক ঢোল পিটিয়ে মানমোহন সিং প্রোজেক্টের উদ্বোধন করে আসলেও এখনও নির্মাণ শুরু হয় নি,পরিবেশের উপরে ক্ষতিকর হবে না, এমন একটা অনুমোদন তারা পেয়েছে। তবে গত ৫ বছরেও তারা কাজ শুরু করবার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পায় নি।


http://www.amarblog.com/ehhamida/68190

আপনার অনেক জ্ঞান, আপনি জ্ঞানের মধুতে আষ্টেপৃষ্টে আটকে আছেন। তবে বেশী মধু শরীরের জন্য ভালো না, শুধু উত্তেজনা বাড়ায়। এখন আপনার আসলে টিপাইমুখ বাঁধ কিংবা পানি বিদ্যুত প্রকল্প নিয়ে না ভেবে গোমুখাসন নিয়ে ভাবা প্রয়োজন। সেটা করলে হয়তো নিজের মধুর উত্তেজনা কমাতে পারবেন। আর তা সম্ভব না হলে হাতে লিখে ফেলেন, হাবিব মহাজন পরম গুনীজন একটা চমৎকার কথা বলেছিলেন, তীব্র যৌনাকাঙ্খাই অসহনীয় মাথা ব্যথার কারণ। বারাক নদী নয় আরও সংকীর্ণ কিছু খুঁজে মাথা ঠান্ডা করেন ভাইটি।
আপনাকে ধন্যবাদ।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬

পি মুন্সী বলেছেন: আপনার কথা উপস্হাপনের ধরণ আমার ভাল লাগে নি। তাই বিরত রইলাম।
আপনার শুভ কামনায়।

৪| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৮

মেটালিফেরাস বলেছেন: মুন্সী, রাসেল সম্ভবত বায়োস সিস্টেমের কোন মাকর্সবাদ আর রোবট চালিত বাম রাজনীতি আবিষ্কার করেছেন! তা না হলে রক্সি এ্যানালাইসিস আসে কি ভাবে ? তার মানে ফুস মন্তর দিয়ে আগেভাগেই গণনা করে দেখতে হবে...এই আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কী ? আজব!

অনেক খেটেছেন। ধন্যবাদ।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪২

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল।
এটা একা রাসেলের সমস্যা বলে আমার মনে হয় না।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৩

রাসেল ( ........) বলেছেন: Click This Link

Click This Link

Click This Link

একটু কষ্ট করে পড়েন। ভালো না লাগলেও পড়েন। হয়তো আলোচনার সুযোগ পাবেন, পক্ষ বিভাজনের সুযোগও বিস্তর মিলবে।
আপাতত ঘুমাতে যাই, অযথা কপচাতে ভালো লাগছে না, উজবুকদের সাথে দীর্ঘ মেয়াদী সংলাপে যাওয়ার অনীহা আমার অনেক পুরোনো।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯

পি মুন্সী বলেছেন: আপনার ভাষা খুবই আপত্তিকর।

৬| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৫

মেটালিফেরাস বলেছেন: টাইপোঃ রিক্স এ্যানালাইসিস***

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫১

পি মুন্সী বলেছেন: ঠিক আছে। এবার বুঝেছি।

৭| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৪

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: একটা এ-কার বাদ পড়ছে তাই বিভ্রান্তি। বুঝতারছি। রাসেলের জবাবের পর আর কথা থাকে না। বিপ্লবীরা আইসা পড়ছে, জেহাদীরা আসে নাই এখনো। প্লাস দিছি

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:০৫

পি মুন্সী বলেছেন: কথা না থাকলে, ভাল। তবে ধরে নিচ্ছি রাসেলের সাথে আপনার ভাব এক হলেও ভাষা অন্তত আলাদা।

বিপ্লবী, জেহাদী সব বুঝলাম - আপনি কোনটা?

একটা কথা জিজ্ঞাসা করি, ব্যক্তিগত মনে হতে পারে, তবে না। তবে পোষ্টের অপ্রাসঙ্গিক। আশির দশকে আপনি কী আব্দুর রাজ্জাকের মত রক্তের উত্তরাধিকার মানি না - বলতে পেরেছিলেন?
এটা স্রেফ আপনার সম্পর্কে আমার ধারণাকে আরও একটু অবয়ব দেয়া, আমার জানার কৌতুহল। এই উদ্দেশ্যে। উত্তরটা নাও দিতে পারেন। আমার ধারণাটা বলে, হ্যা।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:০৭

পি মুন্সী বলেছেন: প্লাস, মাইনাস আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
তবু, প্লাস দিলেন কোন বিবেচনা থেকে? জানতে পারলে ভাল লাগত।

৮| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫১

ত্রিভুজ বলেছেন: রাসেল ( ........), এই বিষয়ে তো আপনি বিশেষজ্ঞ নন। ঠিক এই বিষয়টাতে পিএইচডি করছেন এমন একজন ব্লগার বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছু পোস্ট দিয়েছিলেন। এই ড্যামের টেকনিক্যাল ডকুমেন্টস অনলাইন ওদের সাইটেই পাওয়া যায়। ওটা ডাউনলোড করে পড়েই তারা এই বাঁধের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছিলেন।

যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নাই সেটা নিয়ে কথা না বললে হয় না?

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:০৯

পি মুন্সী বলেছেন: ত্রিভুজ আপনার বিশেষজ্ঞের কথা তুলাই আমি ভয় পেয়েছি। আমিও টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ নই।

৯| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫৩

ত্রিভুজ বলেছেন: যারা টিপইমূখীর পক্ষে না বুঝে কথা বলছেন তারা নিচের পোস্টটা পড়েন-
Click This Link

যারা ভারত মাতারর ঋণ শোধ দেয়ার চেষ্টা করছেন তাদের পড়ার দরকার নাই।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২০

পি মুন্সী বলেছেন: আমি জানি সময়ে মাথা ঠিক রাখা কঠিন। তবু পারতে হবে।
আপনাকে এগ্রেসিভ মনে হচ্ছে। যে টিপাইমুখের পক্ষে তাঁর সাথেও তো আমাদের কথা বলতে হবে, বলার সুযোগ সদব্যবহার করতে হবে।। পাঠককে আগেই শত্রু বিবেচনা করে আগানোর এ্যাপ্রোচটা কম ফল দেয় বলে আমার বিশ্বাস।

বিষয়টা প্রাণ, প্রকৃতি ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। এটা ধরে নিয়ে আমি আগাতে চাই।

১০| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১৫

ত্রিভুজ বলেছেন: @পি মুন্সী
আমিও বিশেষজ্ঞ না। তাই এটা নিয়ে কোন পোস্টও ঝাড়িনি। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন এটা আমাদের জন্য ক্ষতিকর হবে। যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর তার বিরুদ্ধে থাকাই স্বাভাবিক। আমরা তাই বড়জোর অন্যের রেফারেন্স আর যুক্তির উপরে ভিত্তি করে কথা বলতে পারি। সেটাই করছি, যতদূর সম্ভব। কিন্তু যারা পত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই বাঁধের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন তাদের ঘটনা কী?

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২২

পি মুন্সী বলেছেন: এটাই স্বাভাবিক। এবং তাদের মোকাবিলা করতে হবে।

১১| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

মনজুরুল হক বলেছেন:

একটা ব্যাপার বোঝা গেল। টাইম ফ্রেমও একটা বিষয় বটে! অর্থাৎ যেহেতু এখনই বাঁধ হচ্ছে না (মতান্তরে ফান্ড রিলিজ হয়নি) তাই এখনই এর বিরোধীতা করা বেকুবি(!)
যখন হবে তখন আমাদের মহামহিম শাসকরা "একযোগে ঝাপাইয়া পড়িয়া উহার সমাধান করিবেন, আমাদিগের বিশেষ বিচলিত হইবার প্রয়োজন নাই!" ব্যাপারটা কি এরকম ?

মুন্সি। ধন্যবাদ।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২৯

পি মুন্সী বলেছেন: ঘর পোড়া গরুর উদাহরণ কেউ আগে মন্তব্যে দিয়েছিল, ফারাক্কার কথা মনে করে। শেখ মুজিবের কাছ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর অনুমতি আদায় করে, সেই ফারাক্কা এখনও চলছে, যখন ভারতের জনগণই এটা ভেঙ্গে ফেলার পক্ষে বলার সময় হয়ে গেছে।

এগুলোকে বায়িং টাইম ষ্ট্রাটেজি বলে।

১২| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯

জেনারেশন৭৫ বলেছেন: ব্লগে দালালদের একটা লিষ্ট করা দরকার।

@অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:............বিপ্লবীরা আইসা পড়ছে, জেহাদীরা আসে নাই এখনো। দালাল রা কি এসেছে সবাই?

ব্লগে টি-পাই মুখ বিরোধ কারিদের ব্লগিয় রাজাকার বা দালাল উপাধি দেয়া হউক। কারো কোন মন্তব্য যদি ব্লগে টি-পাই মুখ বিরোধ বা বাংলাদেশের স্বার্থ বিরধি হয় তবে তাকে ব্লগিয় দালাল বলে উপাধি দেয়া হউক।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

পি মুন্সী বলেছেন: আওয়ামি সমর্থকদের জন্য হাসিনা তাদের কঠিন পরীক্ষার মধ্যে ফেলে দিয়েছেন সন্দেহ নাই।
যারা রাজনৈতিক হওয়া বলতে দলবাজি বুঝেন এদেরকে বলব, দল সমর্থন নিজের জায়গায় থাকুক কিন্তু নিজের বুদ্ধি বিবেচনা বিবেক বন্ধক দেওয়াটার প্রয়োজন নাই হবে তাদের জন্য আত্মঘাতি। মানুষের ইন্দ্রিয়পরায়ণ সেনসিটিভিটি গুণ তারা নিজেরাই নিজেরটা নষ্ট করবেন। আমার দেখায়, এদের একটা বড় অংশ দোদুল্যমান।

আর যারা নিজের পেটি স্বার্থের জন্য সমর্থক এরা হেদায়েতের বাইরে।

১৩| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:০৫

বাঙ্গাল বলেছেন: যে কারনে রাসেলের ব্লগ প্রিয়তে নিছিলাম, সেই একই কারনে এইটারেও নিলাম। পড়ে এনালাইজ করবো। তকলিফ কইরা পোষ্ট ছাড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২২

পি মুন্সী বলেছেন: এনালাইজ করার সময় বোধহয় একটু বেশি নিচ্ছেন।
ধন্যবাদ

১৪| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৩৩

ত্রিভুজ বলেছেন: @পি মুন্সী
কিছুটা এগ্রেসিভই বলতে পারেন। তবে কারণ আছে। এই ব্লগে দিনমজুর যখন টিপাইমুখী নিয়ে বিশাল একটা পোস্ট দিয়েছিলেন তখন সেটাকে স্টিকি করা হয়েছিলো। বেশীর ভাগ ব্লগার তখন থেকে টিপাইমুখী বাঁধ নিয়ে পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু একটা গ্রুপ সেসময় টিপাইমুখীর বিরেধী ঐ পোস্টের বিরুদ্ধে একযোগে ব্লগীয় আন্দোলন শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতা এখন্য বিদ্যমান। তাদের এই ভারত প্রেম একদিন দুইদিনের বিষয় না। সাড়ে দিন বছর ধরে নিয়মিত ব্লগিং করে আসছি এখানে। আপনি এদের ভারত প্রেম দূর করতে পারবেন না।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭

পি মুন্সী বলেছেন: আপনার কথা আমি মানি। সত্যিই এটা ভয়ংকর।

মাঠে এগ্রেসিভই হতে হবে সন্দেহ নাই। এরা জানে না নিজের ভিটামাটির বিরুদ্ধে কিভাবে নিজেই নিজের শত্রু।

তবু আওয়ামি সমর্থক হওয়ার কারণে যারা দোদুল্যমান এমন কিছুদের জন্য একটা জায়গা খুলে রাখার পক্ষপাতি আমি। যাতে অন্তত একটা ডায়লগের সুযোগ থাকে।

১৫| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২১

রামন বলেছেন: দেখা যাচ্ছে টিপাইমুখ বাঁধ একটি রাজনৈতিক ইস্যু। যুদ্ধাপোরাধীদের বিচার রোধ এরং সরকারকে রাজনৈতিক ভাবে ঘায়েল করার জন্য একটি মহল পরিকল্পিত ভাবে আন্দোলনের নামে এই ইস্যুটিকে ঘোলাটে করছে। ইতিমধ্যে এদের কেউ কেউ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতনের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে।বর্তমান সরকার জনগনের বিশাল মেনডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে এবং সরকার বরংবার বলে আসছে দেশ ও জাতির স্বার্থের পরিপন্থী এমন কিছুই তারা করবে না। যখন সরকার সমস্যাটি সরকারী পর্যায়ে কুটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে মিমাংসা করার চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখন সেটি দেখার অপেক্ষা না করে আলোচনার পথ রুদ্ধ ও ভন্ডুল করার জন্য ষড়যন্ত্রকারী দেশেরশত্রুরা দুতাবাস ঘেড়াও ও হামলা করা পরিকল্পনা করে। তারা জানে এই ফালতু আন্দোলন দিয়ে টিপাই বাঁধ নির্মান বন্ধ করতে পারবে না কিনতু সরকারকে বেকায়দায় ফেলার কৌশলটি সার্থক হবে যেমনটি গার্রমেন্স সেক্টরে হয়েছে।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৫

পি মুন্সী বলেছেন: আপনার মন্তব্যটাকে একটা দলবাজি বক্তব্য হিসাবে নেওয়া ছাড়া কোন পথ রাখলেন না।

"তারা জানে এই ফালতু আন্দোলন দিয়ে টিপাই বাঁধ নির্মান বন্ধ করতে পারবে না" - এই কথাটা বুঝিনি।
আপনি কী মনে করেন বাংলাদেশের স্বার্থে টিপাই বাঁধ নির্মান বন্ধ করা দরকার? হাসিনা তাই করতে চাচ্ছে?

১৬| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩

সরকার সেলিম বলেছেন: টিপাই বাঁধ নির্মান বন্ধের জন্য ১০০% মানুষের সাপোর্ট দরকার। চোর, ডাকাত, খুনি, সন্ত্রাসি, সর্বহারা, যুদ্ধাপোরাধী, মুক্তিযোদ্ধা সহ ক্ষতিগ্রস্ত সবাই হবে, কেউ বাদ যাবে না। সব মানুষের সার্পোট নিতে হবে। দুরবার প্রাচীর গড়ে তুলতে হবে।

@রামন: দালালি কইরেন না। ইতিহাসের লাথি খাবেন। ইতিহাসের আস্তাখুড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন। যুদ্ধাপোরাধীদের বিচারের জন্য আইন আছে আদালত আছে আর সেইটা আদালতের কাজ। যুদ্ধাপোরাধীদের বিচার করতেছি এখন আর কিছু করা যাবে না সেই ইস্যু তুলে মানুষের মুখে কি কুলোপ লাগাতে চান নাকি? টিপাই বাঁধ নির্মানে আন্দোলন করলে যুদ্ধাপোরাধীরা বিচার হবে না, এই রকম ফালতু কথা বলবেন না। তোমাদের ভারত তোষনের রাজনীতি জনগন বুঝে। নিজের বাপের বিচারের কাজ তো এখনও শেষ করতে পরেননি !! যান ইন্ডিয়াকে আব্বা আব্বা বলে ডাকেন গিয়ে।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৯

পি মুন্সী বলেছেন: ১০০% সমর্থন বাস্তবে কোথাও হয় না। তাই, আপনার কথাটার স্পিরিটের দিক থেকে নিলাম। একমত, সকলকে ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করতে হবে।

১৭| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩২

সোনার বাংলা বলেছেন:

লেখক বলেছেন:

প্রথম সমস্যা গোলামি মন।
দ্বিতীয়ত, বাঙালি বা আওয়ামি লীগ বলে যতটা গর্ব করতে দেখা যায় "বাংলাদেশ রাষ্ট্র" এটা ততই যেন উপেক্ষিত। নিজের রাষ্ট্র-বোধ কাজ করে না। রাষ্ট্র মানেই আলাদা স্বার্থ, আলাদা জন গোষ্ঠির স্বার্থ। ফলে রাষ্ট্র স্বার্থের বিরোধ থাকাটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের শত দূর্বলতা সত্ত্বেও এসব কথা সত্যি।
এই বোধ যার নাই যে, বাঙালি বাঙালি বলে যতই চিৎকার করুক, সব মেকি।


++++++

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৭

পি মুন্সী বলেছেন: হ্যা সব মেকি। বলা যায়, সে একটা পেটি স্বার্থের দলবাজ।

১৮| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩

বৃত্তবন্দী বলেছেন: @রামন- টিপাইমুখ বাঁধ রাজনৈতিক ইস্যুর থেকেও বড় কিছু। এটা রাষ্ট্রীয় ইস্যু। আমাদের অস্তিত্ত্বের ইস্যু। যেমন রাষ্ট্রীয় ইস্যু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০১

পি মুন্সী বলেছেন: রামনকে কী বুঝাতে পারবেন। ও এখন বড় জোড় একজন দলীয় সমর্থক। এসবের বাইরে তাঁর নিজের একটা অস্তিত্ব আছে, তাঁর নিজের বুদ্ধি, বিবেচনা বিবেক আছে, জাতীয় স্বার্থের প্রসঙ্গে একজন হিসাবে ভাববার দায়িত্ব আছে - এগুলো আর কাজ করে না।

১৯| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৫০

ত্রিভুজ বলেছেন: সরকার গঠনের সাথে সাথে সম্ভব হলে প্রথম মাসেই যদি যুদ্ধাপরাধী বিচারটা সম্পন্ন করে ফেলতে পারতো তাহলে ভাল হতো। অন্তত রামন'রা টিপাইমুখীর বিষয়ে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ পেতো না।

২০| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

রোহান বলেছেন: টিপাইমুখ নিয়া আন্দোলন হইলো রাষ্ট্রের আন্দোলন, এর মাঝে অন্য ইস্যু আসে কেমনে??? আজব :(

তবে একেবারে ভারত রে মাইরা কাইটা উড়ায় দিমু - এমন মনোভাব নিয়া আগাইলে লাভ নাই। মজার কথা হলো রাজনীতিবিদরা যে যার মতো খেলতাছে এই ইস্যু নিয়া। আম্লীগ তো পিনাকরে হালাল করার জন্য আশরাফরে দিয়া দিপুমনিরে ধমক খাওয়াইলো, অহন নাকি ফাউল রাজ্জাকরে নিয়া টিম বানায় পাঠাইবো ভারতে, সেই মুলা আবার ঝুলায় রাখছে... বিন্পি আরেক কাঠি সরেস, হেগো টাইমে NEEPCO টেন্ডার জিতা কাম পাইলো, হেরা তখন সাউন্ড দেয় নাই, অহন লাফ দিতাছে.. তাও যদি কামের লাফ হইতো, এইখানেও ধান্দাবাজি, আমগো নিজেগো বিশেষঅজ্ঞ নাও নাইলে খেলুম না ;) আর যথারীতি কমন ধান্দাবাজ জামাত তো আছেই, কয় যুদ্ধাপরাধীর বিচার মানবাধিকার লংঘন, টিপাইমুখ নিয়া আন্দোলন কইরা ভারত দখল করবে... হালের হিজবুত তেহারী নাকি একদিনে লং মার্চ কইরা সিলেট না কই চইলা গেছে (কেমনে করলো কয় নাই), অহন হেগো খিলাফত আইনা ইন্ডিয়ারে বয়কট করতে হইবে...

এই হলো যাদের হাতে এখন কিংবা অতীতে দেশের দায়ভার ছিলো তাদের সামগ্রিক অবস্থা। মাঝখানে আমরা আমজনতা হাবলার মতো চিল্লাচিল্লি করতাছি... লাভের লাভ কি হবে কে জানে, সমাধানের পথ তো কেউ দেখায় না :( সবাই বলে একত্রিত হতে হবে, এই একত্র করবে টা কে :( কেউ তো সত্যিকারের দেশপ্রেম নিয়ে সামনে আসে না, সবারই তো একেক রকম ধান্দা :(

আচ্ছা রাসেল ভাই এর পোষ্টে পিয়াল ভাই ও কমেন্ট করছিলেন ল্যাম্পপোষ্টের ঐ প্রতিবাদ ছিলো আসলে লালগড়ে মাওবাদীদের উপর দমনপীড়নের (তাদের ভাষায় সংগ্রামী জনগনের উপর ইন্ডিয়া রাষ্ট্রের নির্যাতন) প্রতিবাদ, টিপাইমুখ ছিলো সেকেন্ড ইস্যু। ল্যাম্পপোষ্টের প্রেরণ করা এসএমএস এর ভাষাও তাই ছিলো নাকি। নাম্বারও দেওয়া ছিলো... এই নিয়ে কেউ কি কিছু আলোচনা করবে???

@ ত্রিভুজ ও সরকার সেলিম: যুদ্ধাপরাধের বিচার না করিয়ে এই সরকার গদি ছাড়তে চাইলেও ছাড়তে দেওয়া হবে না। মন খারাপ কইরেন না, আব্বা হত্যার বিচার থেকে শুরু করে গোআ সবার বিচার হবে.. আওয়ামী লীগ না চাইলেই নতুন প্রজন্মই করিয়ে ছাড়বে ;)

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫

পি মুন্সী বলেছেন: ঠিকই বলেছেন, টিপাইমুখ নিয়া আন্দোলন হইলো রাষ্ট্রের আন্দোলন - আমাদের বাঁচা মরার, জাতীয় স্বার্থের আন্দোলন। "এর মাঝে অন্য ইস্যু আসে কেমনে"? যুদ্ধাপরাধ তার নিজের জায়গায় থাকুক। যুদ্ধাপরাধ নিয়ে অবসেশন সুস্হতার লক্ষণ না।

২১| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২৫

দ্বিতীয়নাম বলেছেন: রোহান এর মন্তব্যে সহমত। আসলেই নেপোয় মারে দই ;)

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩

পি মুন্সী বলেছেন: আপনি বা রোহান যদি সিদ্ধান্ত নেন যে দূরে দাড়িয়ে দাড়িয়ে "নেপোয় মারে দই" দেখবেন, সমাজে এটাই আপনাদের ভুমিকা তাহলে একসময় এমন আসবে যখন কাউকে দাড়িয়ে দেখার জন্য কেউ থাকবে না, কোন স্কোপ থাকবে না।।
১৯৭১ কাউকে দাড়িয়ে দেখার সুযোগ দেয়নি; হয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অথবা বিপক্ষে। তবে, আপাতত এই দূরে দাড়িয়ে দেখাটাই নেপোর দই মারার পক্ষে সহায়ক পরিস্হিতি তৈরি করে রাখছে।

২২| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

ত্রিভুজ বলেছেন: @রোহান, যুদ্ধাপরাধী বিচার যতদ্রুত সম্ভব শেষ হোক। আওয়ামী লীগ এটা নিয়া প্রচুর রাজনীতি করে ফেলছে ইতিমধ্যে। এইযে এখন টিপাইমুখীর বিষয়েও এটাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করতেছে। এইসব আর ভাল লাগে না।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮

পি মুন্সী বলেছেন: রোহানের মন্তব্যের জবাব দেখতে পারেন।

২৩| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪

ফারহান দাউদ বলেছেন: মনজুরুল হকের ১১ নম্বর কমেন্ট পইড়া হাসতেই আছি,জায়গামত হিট।

দ্বিতীয়নাম, নেপোয় ক্যামনে দই মারে সেইটা নানা পোস্টে আঁতকা আইসা আপনের দই মারা দেখলেই বুঝা যায়। :)

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল জবাব। উইটফুল।

২৪| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

রোহান বলেছেন: রাসেল ভাই এর পোষ্টে পিয়াল ভাই ও কমেন্ট করছিলেন ল্যাম্পপোষ্টের ঐ প্রতিবাদ ছিলো আসলে লালগড়ে মাওবাদীদের উপর দমনপীড়নের (তাদের ভাষায় সংগ্রামী জনগনের উপর ইন্ডিয়া রাষ্ট্রের নির্যাতন) প্রতিবাদ, টিপাইমুখ ছিলো সেকেন্ড ইস্যু। ল্যাম্পপোষ্টের প্রেরণ করা এসএমএস এর ভাষাও তাই ছিলো নাকি। নাম্বারও দেওয়া ছিলো... এই নিয়ে কেউ কি কিছু বললেন না? ঘটনা যদি সত্য হয় তবে এইডাও তো এক অর্থে দেশপ্রেম হইলো না বরং নতুন মোড়কে আর সবার মতো ধান্দাই হলো তাই না :(

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

পি মুন্সী বলেছেন: পিয়াল যে রেফারেন্স দিয়েছে ওখানেই ওর একটা রফা হয়ে গেছে। আমার মনে হয়, "ঘটনা যদি সত্য হয়" বলে তাতানোর দরকার কী?

আর মূল ইস্যু টিপাইমুখ বাঁধ, ল্যাম্পপোষ্ট তারই সেকেন্ডারি। ল্যাম্পপোষ্টের বিলয় ঘটলেও টিপাইমুখ বাঁধ জাতীয় স্বার্থের ইস্যু হয়েই থাকবে।

২৫| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮

সরকার সেলিম বলেছেন: যুদ্ধাপরাধী ইসুটা আঃলীগের জন্য সোনার ডিম পাড়া হাস এইটা কি এত সকালে তারা খটম করবে । দেখেন টিপাইমুখীর আন্দোলনকে বিতর্কিত করার জন্য কি ভাবে তারা এটাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহারের করতেছে.....

@রোহান ভাই: টিপাইমুখ নিয়া আন্দোলন হইলো রাষ্ট্রের আন্দোলন, এর মাঝে অন্য ইস্যু আসে কেমনে???
.....................
ঠিক বলেছেন

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল।

২৬| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪

রোহান বলেছেন: আপনি বা রোহান যদি সিদ্ধান্ত নেন যে দূরে দাড়িয়ে দাড়িয়ে "নেপোয় মারে দই" দেখবেন, সমাজে এটাই আপনাদের ভুমিকা তাহলে একসময় এমন আসবে যখন কাউকে দাড়িয়ে দেখার জন্য কেউ থাকবে না, কোন স্কোপ থাকবে না।।

আমি কমেন্ট করলাম কি আর আপনি বুঝলেন কি কে জানে? যাই হোক দূরে দাঁড়িয়ে থাকার কথা যখন বললেনই তখন কাছে থেকে দাঁড়িয়ে আরেকটু যদি বুঝিয়ে বলেন টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে কি পর্যায়ে আন্দোলন এই সময়ে প্রযোজ্য, সেটা কার ব্যানারে হতে পারে, কাদের থেকে আন্দোলন শুরু হওয়া উচিত, এর গতি প্রকৃতি কি হটে পারে, সরকারি পর্যায়ে কি করা উচিত, সরকার কতটুকু করতে পারে আর কতটুকু করা উচিত ছিলো, আগের সরকারে যারা ছিলো তাদের ব্যার্থতাকে এড়িয়ে যাওয়া আমাদের জন্য ভবিষ্যতে আত্মঘাতি হলো কিনা --- এইসব। আর প্লিজ থিওরী নয় বাস্তববাদী কিছু বইলেন, ৭১ এর মতো আরেকটি যুদ্ধ করে ভারত জয় করে নিবো এমন কীবোর্ড দিয়া উজির নাজির মারার গল্প শুনাইয়েন না :)

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭

পি মুন্সী বলেছেন: আওয়ামি লীগ ভাল না বিএনপি, কার বেশি দোষ - এই দলবাজির জায়গায় দাড়িয়ে টিপাইমুখ বাঁধ ইস্যুর কিছুই বুঝা যাবে না। আওয়ামি লীগের বিএনপিকে বসিয়ে দিলেই সব সমস্যা মিটে যাবে এমন কোন আলামত নাই। আমাদের অভিজ্ঞতাও তাতে সায় দেয় না। কারণ ইস্যুটা দলবাজির না, জাতীয় স্বার্থের। পানি, প্রকৃতি, সার্বভৌমত্বের।
আপাতত এটুকু পরিস্কার হলেই আপনি নিজেই নিজের প্রশ্নের উত্তর আমার চেয়ে ভাল দিবেন।

২৭| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০

রোহান বলেছেন: @সেলিম ভাই: যুদ্ধাপরাধী কারা সেটাই তো আপনে জানেন না, রাজাকার, আলবদর এর নেতা কারা আছিলো সেটাও তো জানেন না বলেই কোথায় জানি কমেন্ট করেছিলেন মনে পড়ে। অপেক্ষা করেন, সবুরে মেওয়া ফলে... অনেক পরিচিত চেহারাই কাঠগড়ায় দেখতে পাবেন ইনশাল্লাহ :)

আপনারে যারা প্রবাসে আছেন, তারা তো যার যার বিশ্ববিদ্যালয়ে টিপাইমুখ নিয়ে জনসচেতনতা গড়তে পারেন, ছোট একটা বোর্ডে কিছু ইনফরমেশন, কেনো এটা আমাদের জন্য ক্ষতিকর এসব কিছু লেখা পেষ্ট করে ভার্সিটির কোথাও ঝুলায় রাখলেই হয়.... আন্দোলনের শুরুটা এভাবেই হোক না কেনো... ওখানেও অনেক ভারতীয় ছেলে মেয়েরা পড়ে হয়তো, অন্তত তাদের একজনের মাঝেও যদি আসল ঘটনা ঢোকানো যায় তাহলেও তো অনেক লাভ।

ইনফরমেশন এর জন্য বোধ হয় সামুর পোষ্ট গুলাই যথেষ্ট... আরও লাগলে আওয়াজ দিয়েন আমার ব্লগে আইসা ;) কোলাবরেটর লিষ্ট লাগলেও বইলেন... খিকজ :)

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

পি মুন্সী বলেছেন: কোলাবরেটর লিষ্ট নিয়ে আপনাদের খোঁচাখুচি এখানেই শেষ হোক।
মন্তব্যকে প্রসঙ্গে রাখুন।

২৮| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫

রোহান বলেছেন: ইস্যুটা দলবাজির না, জাতীয় স্বার্থের। পানি, প্রকৃতি, সার্বভৌমত্বের।
আপাতত এটুকু পরিস্কার হলেই আপনি নিজেই নিজের প্রশ্নের উত্তর আমার চেয়ে ভাল দিবেন।

এটাও তো এক রকম দই মারাই হোলো তাই না :)

কেউ সমাধানের পথ বলে না... অধ্যক্ষ মোজাফফর বুইড়াও বলে সরকার গদি ছাড়ো, আরে নানা গদি ছাড়া কি সমাধান নাকি, সবখানে নাক যখন গলাবেন সমাধান কিংবা লজিক নিয়া তবেই না আসবেন... পল্টনের ডায়লগ আর সূধী সমাবেশ এক হইলো নি? সমাধান কিন্তু অজানাই থেকে যায়... ফারাক্কা নিয়া আওয়ামী লীগরে গাইল পাড়ি কারন মুজিবে নাকি ফারাক্কা বানাইছে, মাঝের এতোগুলান সরকার কি করছে কেউ জিগাই না... আম্লীগও বেশী কথা কয় না, ফুটা তো সবার পকেটেই তাই না...

দোষ দেবার বেলায় সবাই আসে, কীবোর্ড আছে না... সমাধান কি জিগাইলেই কয় নিজ বুদ্ধি দিয়া বুইঝা নেন... বুঝি তো সবই, কিন্তু স্রেফ আমার আপনার বোঝা দিয়ে কি সমস্যার সমাধান এমনি হয়ে যাবে?

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯

পি মুন্সী বলেছেন: ধন্যবাদ

২৯| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: রাসেল সহ টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী আন্দোলন ও চেতনার মধ্যে যারা কুয়াশা সৃষ্টি করছেন, যারা মূল ইস্যু ক্লিয়ার করায় একটি বাক্যও না লিখে যখন বিরোধিতাকারীদের বিরোধিতা করেন, এবং যাকে বলে ছিদ্রসন্ধানে জোট বেঁধে নিবিড় অধ্যাবসায় চালান, তাদের রাজনীতি তো বটেই মানবিক অবস্থান নিয়েই সন্দেহ আসে।

আমার অভিযোগ দুটি: ১. তারা জাতীয় স্বার্থ বলতে আলীগ সরকারের কিছু ব্যক্তির (সরকার ও দলের মধ্যেও অনেক দেশপ্রেমিক লোক আছেন ধরে নিয়ে বলছি) স্বার্থকেই বোঝেন। এবং সেই অবস্থান থেকে জাতীয় স্বার্থ বিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেন। রাসেল নিজেকে তাদের ব্লগীয় মুখপত্র হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন।

অধিকাংশ জনগণের স্বার্থ এরা মানেন না। রাষ্ট্রকে তারা ওপরের তলার লোকদের স্বার্থ দিয়ে বুঝতে চান, যেকোনো বিদেশি চুক্তি, খনিজ লুন্ঠন, এনজিও সুদীকারবার ও সম্পদধ্বংসী ডেভেলপমেন্টে যাদের ফায়দা আসে। যাদের রুটি-রুজি ও জীবিকা এবং যাদের স্বার্থ দেখার জন্য এই রাষ্ট্র টিকে থাকার ও তাকে সঠিক লাইনে রাখার প্রয়োজন রয়েছে, সেই অবস্থান থেকে তারা একে দেখে না। সেজন্যই আপনার সঙ্গে একমত যে,

''বাঙালি বা আওয়ামি লীগ বলে যতটা গর্ব করতে দেখা যায় "বাংলাদেশ রাষ্ট্র" এটা ততই যেন উপেক্ষিত। নিজের রাষ্ট্র-বোধ কাজ করে না। রাষ্ট্র মানেই আলাদা স্বার্থ, আলাদা জন গোষ্ঠির স্বার্থ। ফলে রাষ্ট্র স্বার্থের বিরোধ থাকাটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক।''

এর সঙ্গে যোগ করতে চাই এলিট মহলের একাংশের মুসলিম পরিচয় নিয়ে জাতগর্বী প্রতারণাটিও।

দ্বিতীয় অভিযোগ হলো: ল্যাম্পপোস্টকে হঠকারী বা ক্রিমিনাল বা বিভ্রান্ত বলতে গিয়ে আসন্ন টিপাইমুখ বিরোধী গণজোয়ারকে দমনের যে উদ্বোধন সরকার করেছে (বলাবাহুল্য এই সরকারের এটিই প্রথম রাজনৈতিক আন্দোলন দমনের দৃষ্ঠান্ত) তারা তার পক্ষে দাঁড়িয়ে মানবাধিকার এমনকি প্রকারান্তরে বিরোধীদের জীবনের অধিকারকেও হুমকিগ্রস্থ করেছেন।

একটি গ্রুপ যখন ন্যায্য ও শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ করে, ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে ভারতের জনগণ ও সরকারের কাছে তাদের ফরিয়াদ পৌঁছাতে গিয়ে নিপীড়নের শিকার হয়, যখন তাদের সদস্যরা কয়েকজন জেলে বাকিরা দৌড়ানির শিকার এবং মিডিয়ার মাধ্যমে যখন তাদের শুটিং টার্গেটে নিয়ে আসা হয়, তখন তাদের ‌'হঠকারী' বিভ্রান্ত, চরমপন্থি ইত্যাদি বলে আসলে নিপীড়কের হাতকেই শক্তিশালী করা হচ্ছে, নিপীড়নকেই বৈধতা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে এখন এক ধরনের তারুণ্য সৃষ্টি করা হয়েছে নব্বই পরবর্তী সময়ে, যাদের কেবল নিজস্ব দেহ-মন আর বাসনার পরিতৃপ্তি ছাড়া আর কিছুর প্রয়োজন নাই। যাদের মন-মজ্জা দেশ মানুষ ও মাটির ওপর দাঁড়ানো নাই। যাদের আত্মসম্মান কেবল ইগোর অহংকার, যারা মনে করে কোনো কিছুই কোনোদিন বদলাবে না, সুতরাং হতাশার বটিকাই বাসনার একমাত্র সেবিকা। এই গোত্রে রাসেলকে ভাবা আমার জন্য কষ্টকর। সেটা করছিও না, কিন্তু তাঁর সাম্প্রতিক অবস্থান তাঁর নিজের কাছেই নিজেকে অগ্রহণীয় করে তুলবে। যতই তা ঘটবে ততই সে চিন্তার জায়গায় ক্রোধ, সমালোচনার জায়গায় গালি ইত্যাদি চলে আসতে থাকবে।

কিছু করবার নাই, আলোচনা চলুক। পি মুন্সী আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। লেখাটার স্পিরিটের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

পি মুন্সী বলেছেন: ধন্যবাদ ফারুক লম্বা একটা মন্তব্য দেবার জন্য।

৩০| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬

মাহবুব সুমন বলেছেন: পোস্টের সাথে একমত।

ল্যাম্পপোস্ট ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে প্রতিবাদ করাতে অনেকের হোগা জ্বলছে বোঝা যাচ্ছে :-)

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

পি মুন্সী বলেছেন: ধন্যবাদ সুমন।

৩১| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২

ছু-মন্তর বলেছেন: মাহবুব সুমন বলেছেন: পোস্টের সাথে একমত।

ল্যাম্পপোস্ট ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে প্রতিবাদ করাতে অনেকের হোগা জ্বলছে বোঝা যাচ্ছে :-)................

+++

@রাসেল: সময় থাকতে পাড়ি দেন। নাইলে পিছে কাপড় থাকবে না।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০১

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল।

৩২| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

অসম সাহস বলেছেন: ল্যাম্পপোস্ট বিষয়ে জনবা রাসেল যে অবস্থান নিয়েছেন তা তার কোন বিবেচনার প্রকাশ নয়। এটি তার বহুল প্রদর্শিত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। আমি যতোদূর তারে জানি তিনি এমনই।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ যে হাইব্রিড তরুণদের দেখা মেলে তারা ছাত্রদল কিম্বা ছাত্রলীগের তৈয়ার নয়। এটি রাসেলদের মতো সিপিবি মার্কা কিছু বামেদের। তারা বিপ্লবী রাজনীতিকে একটা ফ্যাশন গণ করেন। সে মতে তারা তৈয়ার হোন এবং একটা পর্যায়ে প্রতিবাদের ও প্রতিরোধের সব অর্জনকে মাল গণ্য করে কর্পোরেট দুয়ারে ঢেলে দিয়ে এসে পকেট পুরেন।

অমি রহমান পিয়ালের ব্যাপারেও কথা থাকে। তিনি যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে এই যে এলেমদার হয়েছেন এইটারে ওয়েলকাম না জানায়া উপায় নাই। কিন্তু যতোদূর জানি কোন বিষয়ে নিজের লাভ বুঝে সোজা-সাপ্টা সমর্থনের স্লোগান যুগিয়ে যাওয়া তার এবাদত। এর ফলে একদিকে সমাজে খাড়া হওয়ার উপর তলার ঝগড়াটেরা তার প্রতি খুশি হন। সাথে সাথে তার দানাপানিও জুটে যায়।

আমি যতোদূর ব্যক্তিগতভাবে জানি এবং বুঝি পিয়াল ঢাকাই বাজারে একজন ছা পোষা মানুষ। ওর টিপাইমুখ বাধ বিরোধী আন্দোলনটা কোনভাবে জনমতের কিম্বা দেশে সক্রিয় কোন শ্রেণী বা গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে না।

ভার্চুয়াল পিয়াল ও রাসেলদের মোকাবেলা করতে গিয়ে আমরা যে মেহনত করি বাস্তবিক পিয়াল ও রাসেলদের চুপ করাতে ঢাকাই লোকাল বাসের কন্ডাক্টররা অনৈক কম খরচ করেন।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

পি মুন্সী বলেছেন: অসম সাহসের কথা জানলাম।
আমি তবু ওর গালাগালির স্বভাবটা ছাড়া ওকে সময় দেবার পক্ষপাতি।

৩৩| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমি অতশত বুঝি না! টিপাইমুখ আমাদের অস্তিত্বের বিরোধী। ঐটা নির্মান করা যাবে না! যেভাবেই হোক রুখতে হবে!

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

পি মুন্সী বলেছেন: এভাবে তখনই বুঝা সম্ভব যখন নিজের পেটি স্বার্থের উর্ধে নিজের চিন্তাকে স্বাধীন ও মুক্ত রাখবেন।

ধন্যবাদ তায়েফ।

৩৪| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২২

অসম সাহস বলেছেন: 'নিশ্চয় পরম করুনাময় ওদের কর্নকুহরে মোহর মেরে দিয়েছেন।'

সময় আপনি দিতে পারেন। কিন্তু কুত্তার লেজ সোজা করার কারবার ঘটে যাবে। পেটি বুর্জোয়ারে হেদায়াত করার চেয়ে কারওয়ান বাজারে ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ করা সুখকর।


তারপরেও করেন।
মনে রাইখেন তারা ব্লগে আসেন মতামতের নামে বাহাদুরি দেখাতে। কারণ তারা যে গ্লানির জীবন বেছে নিয়েছেন তারে কেউ পোছে না। এখন ব্লগে তাদের ঠিক করার কিভাবে সম্ভব??

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১

পি মুন্সী বলেছেন: আপনি, বা ফারুক ওয়াসিফ মনে হয় রাসেলকে কাছে থেকে চেনেন। মনে হচ্ছে হয়ত আপনার কথা ঠিক। আপনার ধারণায় পয়েন্ট আছে।

কিন্তু আমি একটা কথা বুঝেছি রাসেল এখনও সংবেদনে সাড়া দিতে পারে। ভোতা হয়ে যায়নি বলেই আমার বিশ্বাস । এই ভরসায় আমার কথাগুলো বলে রাখতে চাই - রাসেলকে মানানোর জন্য নয় জানিয়ে রাখার জন্য।
সৎ চিন্তার প্রথম শর্ত হলো, চিন্তাকে স্বাধীন ও মুক্ত রাখতে পারা।

মানুষই একমাত্র নিজেকে বদলাতে পারে, যদি চায়।

৩৫| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

রাসেল ( ........) বলেছেন: বিপ্লবাসক্তি এবং নেশাগ্রস্তদের দেখা মজা লাগছে, এমন গরম গরম আলোচনা মন্তব্য অনেক দিন দেখি নি,

কর্মপন্থার দিক থেকে মূলত জেএমবি আর পূর্ব বাংলা কম্যুনিস্ট পার্টির পার্থক্য সামান্য-

বিশেষত কর্মীদের অনেকেই অনেকের সাথে বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ, এখন কে যে কার পরিবারের সদস্যের জন্য কাঁদছে এটা বুঝতে পারছি না।

চালায়া যান। আমি মজা আর মজমা দেখি। আর আপনাদের আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য অগ্রিম সমবেদনা।

ওয়াসিফ ভাই- আপনের বক্তব্যটা জটিল হইছে, আমি নিজেই নিজেকে ঘৃণা করা শুরু করছিলাম এই বক্তব্য পড়ে।

মঞ্জুরুল ভাই- অতি উত্তেজনা মাঝে মাঝে ক্ষতিকারক, তবে আপনি যদি বিশ্বাস করে এইসব আমাদের দাবী নিয়ে যাওয়া ল্যাম্পপোষ্ট ভাইদের মূল দাবি যখন মাওবাদীদের উপরে নিপীড়ণ, টিপাইমুখ যখন তাদের তৃতীয় দাবি, সে মুহূর্তে এখানে এই আলোচনা করে লাভ আছে? না কি আপনি বিশ্বাস করেন মাওবাদীদের উপরে নির্যাতন থামালে তারাই টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধ করে দিবে?

অন্য সবাইকে ভালোবাসা। আমি এত তালেবর এইটা বুঝি নাই।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৭

পি মুন্সী বলেছেন: আপনার পোষ্টেও দেখেছি এখানেও দেখছি একটা আগাম ধারণা আপনার কথায় আছে। যেটার উপর দাড়িয়ে আছে আপনার কথা। কথাটা হলো,
আপনি ধরে নিয়েছেন, টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী ভাবনা ল্যাম্পপোষ্টই শুরু করেছে এবং আগামি দিনে ল্যাম্পপোষ্টই এটা শেষ করবে।

একথাটা কোন দিক থেকেই সত্যি না। কোন কারণও নাই। অথচ আপনার সমস্ত যুক্তি এই আগাম ধরে নেয়া ধারণার উপর দাড়িয়ে আছে।

টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী ভাবনা, আলোচনা ফলাফলে ক্ষোভ - ল্যাম্পপোষ্টের রাস্তায় প্রতিবাদের আগেও ছিল পরেও আছে। আগামিতে থাকবে। ল্যাম্পপোষ্টের তৎপরতা চার দেওয়ালের মধ্যে বসে বসে জমানো এই ক্ষোভকে প্রকাশের প্রতিনিধি হতে পেরেছে যেহেতু এটা বাইরে বেরোনোর রাস্তা আগে আর কেউ করেনি।
এই প্রতিনিধিত্ত্ব সাময়িক। সাময়িক বললাম এজন্য যে এটা পরে আর কী হবে, কনটিনিউ করবে কী না তা এখনও একদমই অস্পষ্ট। বরং এখন পর্যন্ত কোন আলামত নাই, বিষয়ই নয় এটা। তবে এখনই বলা যায় ল্যাম্পপোষ্ট আন্দোলনকে ধারণ ও বয়ে বেড়ানোর মত চিন্তা বা সাংগঠনিক কোনভাবেই ভাবেই কিছু নয় এখনও।

তাহলে ল্যাম্পপোষ্ট নিয়ে এত হৈ চৈ পড়ছে কেন? কারণ, ১. এই সামান্য প্রতিবাদকে সরকারের কঠোর হাতে দমন নিপীড়নের চেষ্টা। সরকার প্রমাণ করেছে সে কত ভীরু, অনৈতিক ও পা-চাটা। ২. ফলে এই নিপীড়ন এর মানে হয়ে গেছে ল্যাম্পপোষ্টের ১০-১২টা প্রতিবাদকারিকে নয় সকলে, যারাই টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী ভাবনা ধারণ করে সকলকে নিপীড়ন। যেন আমাদের সকলে এই জাতীয় ভাবনা, ক্ষোভ রাখি বলে আমাদের বদলে মারটা ল্যাম্পপোষ্টের কয়েকটা প্রতিবাদকারির উপরে পড়েছে।
টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী ভাবনা ধারণকারিদের সাথে ল্যাম্পপোষ্টের সাথীদের একাকার হওয়া কারণ এতটুকুই।
এর মানে এই না যে টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী ভাবনার সকলে নিশ্চিত করছে যে ল্যাম্পপোষ্টই তাদের আন্দোলনের আকাঙ্খার বাহিকা। এসবের কোনকিছুই কোন প্রায়, সবটাই একেবারে অস্পষ্ট।

তাহলে কেন ল্যাম্পপোষ্টে আমাদের সমর্থন কুড়িয়েই চলেছে? এটার তো থেমে যাবার বা থিতিয়ে পড়ার কথা।
কারণ, প্রথম আলো বা আপনার মত যারা প্রচার প্রতিক্রিয়ায় নিজেদের ভয় পাওয়া প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। ল্যাম্পপোষ্টের গায়ে কালি লাগানোর চেষ্টা। যতই চেষ্টা করেছেন টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী ভাবনা ততই ল্যাম্পপোষ্টকেই সমস্ত আক্রমণের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য বুক পেতে দিয়েছে।
সব চেয়ে ভয়ঙ্কর হলো, ল্যাম্পপোষ্ট মাওবাদী ঐ ধূয়া তুলে সস্তা সমীকরণ দাড় করাতে চেয়েছেন,
ল্যাম্পপোষ্ট খারাপ তাহলে টিপাইমুখ বাঁধের পক্ষে দাড়ানো জায়েজ - এই হলো সেই অসৎ সমীকরণ।
এমনকি মাওবাদীদের সাথে ইসলামিষ্টরা মিলে যেতে পারে এই ভয় অনেকে পেয়েছেন, সে ভয় ছড়িয়েছেন। এই ভয় যত ছড়াবেন ঘটনা সত্যি না হলে সত্যি হবে।

বিভিন্ন মতের রাজনৈতিক কর্মীদের পাস্পরিক ঐক্য আসলে মাঠেই হয়। পরস্পরকে চিনতে শেখে, গুরুত্ব অনুভব করে। এক সাথে কাজে বিভেদ আপনাতেই কমে একটা জায়গায় দাঁড়ায়।

গ্রামের একটা প্রবাদ আছে, গাই আর বাছুরের মিল থাকলে গোয়ালে না বনে গিয়ে বাছুরকে দুধ দিবে, গরুর মালিক চাইলেও ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।

আগামিতে ল্যাম্পপোষ্টকে অপছন্দ করেন কিন্তু টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী ভাবনার পক্ষে সত্যি সত্যিই লড়াকু - এমন অনেকেই হয়ত থাকতে পারেন।

আসলে, আগে টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী ভাবনার বিষয়ে আমাদের পক্ষ অবস্হান নিতে হবে। এরপরেও কেউ মাওবাদ বিরোধী, কেউ ল্যাম্পপোষ্ট কেউবা ইসলামিষ্ট বিরোধী থাকতে পারে।

কিন্তু উল্টো করে যদি কেউ বলে আমি মাওবাদ বিরোধী, আমি ল্যাম্পপোষ্ট বা ইসলামিষ্ট বিরোধী - সেজন্য আমি টিপাইমুখ বাঁধের পক্ষে - এটা একটা শঠতা। মাওবাদ, ল্যাম্পপোষ্ট বা ইসলামিষ্ট বিরোধীতার ছুতো তুলে নিজের পক্ষকে আড়াল নেবার সুযোগ নাই।



৩৬| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: আপনি তালেবর এবং কলেবর দুটোই রাসেল......। আপনার উদ্দেশ্য সার্থক হয়েছে :)। আপনি চাঁদ সওদাগুরের মতো মনসাকে বাধ্য হয়ে শত্রুজ্ঞানে ভজনা করেছেন। এটাই বা কম কী? এতে ল্যাম্পপোস্টের সমর্থনের জোয়ারটা বারেবারে বাড়িয়ে দিয়ে গেলেন। ল্যাম্পপোস্ট কর্মীদের উচিত আপনাকে ফুলমাল্য পরিয়ে দেওয়া।

আপনার কলেবর বৃদ্ধি পাক, যারা আপনাকে শিখন্ডী বানাচ্ছে তারা বেশ দিলবার আছে বোঝা যাচ্ছে। :)

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৪

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল।

৩৭| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: না মুন্সীজী, রাসেলকে আমি অত ভাল করে জানি না। তার আগের অনেক লেখা লেগেছে একটা মাত্রা পর্যন্ত। কিন্তু চিন্তা বা তৎপরতার কেন্দ্র যতক্ষণ না ওর সুতীব্র অহং থেকে রাজনৈতিক বোঝাপড়ার জায়গায় খাড়া হচ্ছে, ততক্ষণ আমার মনে হয় এই ধারাই চলবে। তবে, বিতর্কের নিয়মে আপনার অ্যাপ্রোচটাই যথাযথ এখানে।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৭

পি মুন্সী বলেছেন: দেখা যাক।

৩৮| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

রাসেল ( ........) বলেছেন: ওয়াসিফ ভাই, এইটা সর্দির মতো ব্যধি নয় বরং অনেকটা ডায়ারিয়া টাইপ সাময়িক গন্ডগোল কিংবা ব্যমো। শুখার সময়ে অনেক রোগী আসে, তবে তাপ কমে গেলে এমনি এমনি ঠিক হয়ে যায়।আপাতত ল্যাম্পপোষ্ট ব্যধি কিছু ক্রনিক ডায়ারিয়াভোগা মানুষের পেটে থাকলেও এটার অস্তিত্ব আর ৩ দিন।

তবে সে ৩ দিনের জন্য অনেকেই জীবন দিয়ে দিতে রাজী, খ্যাতির মোহ মারাত্মক, অনেককেই জীবন দিতে হয়েছে।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪১

পি মুন্সী বলেছেন: আমি শুনতে আশা করেছিলাম এই তিন দিন পরে কী হবে? টিপাইমুখ ইস্যুতে আমরা সংগঠিত হতে, কোন কিছু করতে পারব না? নাকি করাটাই ঠিক হবে না?
"ল্যাম্পপোষ্ট ব্যধি" মুক্ত হয়ে গেলে বা প্রভাব মরে গেলে টিপাইমুখ ইস্যুর কী হয়?

৩৯| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৬

রাসেল ( ........) বলেছেন: আসেন আমরা আলোচনা করি-

এইটা একটা মন্তব্য থেকে তুলে দিলাম, কষ্ট করে পড়ে জানাইবেন জনাব ফারুক ওয়াসিফ এবং অন্যান্য ল্যাম্পপোষ্টীগণ

১৯৯১-১৯৯৩ সালে নর্দার্ন রিজিওনাল ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্টের অধীনে সিডার অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকারের জন্য এই রিপোর্ট টি প্রকাশ করা হয়!! ১৯৯৪ সালে!!
Initial Environmental Evaluation, Appendix to the Northeast Regional Water Management Plan, Bangladesh Flood Action Plan 6 (IEE NERP FAP 6)
Client: Government of the People’s Republic of Bangladesh, Bangladesh Water Development Board, Flood Plan Coordination Organisation
Donor: Canadian International Development Agency
Consultants: SNC Lavalin International & Northwest Hydraulic Consultants Ltd., in association with Engineering and Planning Consultants Ltd., Bangladesh Engineering and Technological Services, Institute For Development Education and Action, and Nature Conservation Movement
Report written by: Dr. Sara Bennett, Mr. Mujib Huq, and Dr. David McLean.
The final version of this report was published in 1994 by NERP FAP-6. Published version is authoritative. Online version (draft final dated May 1994) is for general information only.

এই রিপোর্টের চ্যাপটার ৮ এর বেশীরভাগ জুড়ে ছিল টিপাইমুখি বাধ!!
http://bicn.com/wei/resources/nerp/iee/
টিপাইমুখ বাধ সম্বন্ধে বিশেষ অংশগুলো নিচে তুলে ধরলাম!!
8.3 TIPAIMUKH DAM/CACHAR PLAIN IRRIGATION PROJECT IN INDIA
8.3.1 Project Description
India has recognized the potential for constructing a major dam on the Barak River at Tipaimukh gorge for many years. In recent years a proposal has been advanced for a multi-purpose project that would provide hydro-power and flood control (see Regional Plan, Chapter 4, for project data). Information obtained through the Joint Rivers Commission provides a minimally adequate description of the project which has been used to make preliminary assessments of impacts on the region. Construction was proposed to start by 1993 but has been delayed pending resolution of various issues including the effects of flow regulation on Bangladesh. Regulation of the Barak’s flow by Tipaimukh Dam would provide India with the opportunity to irrigate the Cachar Plain; this India proposes to do. Since this will involve a loss of water from the Barak, it is a matter of concern to the Northeast Region of Bangladesh. No statement is available as to how much water India proposes to take from this scheme. For the purposes of this study it has been assumed that the total depth of irrigation water to be applied is 1 m and that the water is diverted on a continuous basis during the six dry months (November through April).

8.3.2 Impacts
Operational period
Based on this information it is clear that significant impacts on the region will result from implementation of the Tipaimukh Dam and Cachar Plain Irrigation scheme. During an average flow year these impacts would include:
Flood flows on the Barak River will be moderated, with peak flows at Amalshid being reduced by about 25% and flood water volumes being reduced by 20%. The corresponding water levels at Amalshid would be reduced by about 1.6 m. Similar changes would be expected along the Kushiyara River and upper Surma River. This should reduce the frequency of spills from the Kushiyara and Surma Rivers, reduces the extent of inundation in the Sylhet Basin and reduce channel erosion and sediment transport rates along the two rivers.

Dry season flows will be increased substantially (for example, average flows of the Barak River at Amalshid would be 4.2 times larger in February and overall dry season flow volumes would increase by 60%). This would increase water levels by 1.7 m at Amalshid. Increases in dry season water levels would also occur on the Kushiyara and Surma Rivers (for example, water levels during March should increase by 1.5 m at Sherpur). These increased dry season flows will provide benefits for navigation, irrigation, and fisheries, but could also reduce drainage from some areas.

৪০| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৭

রাসেল ( ........) বলেছেন: These effects are documented further below in Section 8.7, Hydrologic Changes, which presents the results of the FWO regional surface water model runs.

Proposals for other dams on the Sonai and Dhaleswari Rivers (tributaries of the Barak) are not thought likely to be taken up before 2015. Therefore, no discussion of these proposals has been included in this study.

During reservoir filling (pre-operational period)
Impacts experienced during the filling of the reservoir depend entirely on the operational rules adopted during the filling phase. Unusually low flow releases during reservoir filling can cause serious impacts on environmental systems in downstream areas; an example is the filling o the reservoir behind the Bennett Dam on the Peace River in Canada, which adversely affected ecosystems on the Peace-Athabasca delta. Filling as quickly as possible is done to maximize certain project benefits such as hydropower generation; slower filling represents a trade-off with other considerations such as downstream fisheries and farming.
Dam failure
This is documented in Section 8.8.2, Tipaimukh Dam Failure.

8.7 OVERALL HYDROLOGIC CHANGES
8.7.1 Overview
This section summarizes the results of the FWO regional surface water model runs.
The cumulative effects of Tipaimukh Dam flow regulation, plus channel aggradation on the Kushiyara-Kalni River and Surma-Baulai River, would increase winter discharges and siltation along the Kalni River, and have the potential for raising the pre- and post-monsoon water levels by as much as 1.5 m at Markuli. During the monsoon season, however, the effects of channel aggradation and Tipaimukh flow regulation largely offset each other, so that the peak water levels were increased by about 0.3 m. The result of all this would be greater depth and extent of flooding during the monsoon season, retarded drainage during the post-monsoon season and earlier and more severe pre-monsoon flooding of unprotected areas adjacent to the river.

Changes along the Surma-Baulai River were found to be similar in nature but smaller in magnitude than on the Kushiyara-Kalni. For example, at Sukdevpur on the Baulai River, water levels during the monsoon season were found to be virtually unchanged from existing conditions. During the post-monsoon season, water levels were raised by about 0.8 m. At Bhairab Bazar, on the Meghna River, water levels and discharges were found to be only slightly affected by upstream changes in a year similar to 1991, but may be more significant during drier years.

8.7.2 Detailed Water Levels and Discharges by River System
The information presented in this section is based on the output of the Northeast Regional Model simulations based on the 1991 water year (see Section 7.2.1). The changes noted are relative to current conditions.
Surma-Kushiyara system
The Tipaimukh Dam/Cachar Plain Project on the Barak in India will substantially alter discharges of the Barak where it enters Bangladesh at Amalshid. Available information suggests that monsoon peak flows would decrease by about 30% (from 5250 to 3500 m3 s-1). Winter flows would double or triple, increasing 100 to 200% (from between 170 and 250 to 500 m3 s-1). Of the monsoon peak decrease, monsoon flow in the Surma and Kushiyara Rivers would decrease by 800 m3 s-1. Surma-Kushiyara and Surma-Sarigoyain floodplain discharges would decrease by the remainder of 1150 m3 s-1.
The Surma and Kushiyara Rivers along their entire lengths, and part of their tributaries, are also affected. At Fenchuganj on the Kushiyara, for example, model monsoon peak flows decreased by about 20% (from 2900 to 2400 m3 s-1). Peak levels decreased by 1 m (Regional Plan Figure 21A). Model winter flows increased by about 80% (from 250 to 450 m3 s-1). Levels increased by almost 2 m.

Further downstream in the Kalni-Kushiyara, model water levels increased by as much as 0.3 m in the monsoon and 1.5 m in the winter and pre-monsoon periods, as a result of sediment deposition. The affected reach extends as far as Ajmiriganj. By Bhairab Bazar, model flows and levels are almost unchanged from current conditions. In a simulation based on a drier year than 1991, however, model winter flows might increase significantly; simulated discharge hydrographs show that Bhairab Bazar winter flows are highly variable due to tidal effects.

Similar but somewhat smaller changes occur on the Surma (Regional Plan Figure 21B). At Kanaighat, model monsoon levels decrease by 0.5 m, while winter levels increase by 1 m or more. At Sukdevpur model water levels are almost unchanged from current conditions.

৪১| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৭

রাসেল ( ........) বলেছেন: Someswari-Kangsha system
Someswari-Shibganjdhala siltation and growth of the Atrakhali, a new distributary of the Kangsha, will reduce Kangsha discharges along a 50 km reach from Sarchapur and Mohanganj, centred on Jaria Janjail (Regional Plan Figure 21B). At Jaria Janjail, model monsoon water levels decreased by 0.3 to 0.5 m, and monsoon peak flows decreased by 20% (from 1250 to 1000 m3 s-1). Discharges in the Atrakhali and the Old Someswari channels increased by similar amounts, reflecting the diversion of flow away from the Kangsha and into the Atrakhali-Old Someswari.
Jadukata River
As the ongoing avulsion into the Patnaigang continues, Jadukata non-peak flows will eventually cease and it will become essentially a dry channel most of the time. Two-thirds of peak discharges would flow along the Patnaigang into Matian Haor, and the remainder would flow along the Jadukata.
Khowai River
The model incorporates estimated future aggradation in the reach from Shaistaganj downstream to Habiganj. As a result of this, model water levels increase 1 to 2 m near Habiganj and slightly near Shaistaganj. These higher levels imply embankment overtopping and greater risks of breaches in this reach. If the aggradation were extended further up/down the river, the higher levels would extend with them.
Changes in other boundary rivers
Only localized changes in other boundary rivers are expected, therefore these were not incorporated in the model.
Summary and conclusions
The most significant changes are those associated with:
The potential Tipaimukh Dam/Cachar Plain Project, which the model indicates would decrease upper Surma and upper Kushiyara monsoon peak levels by 1.5 m and increase winter discharges by 100 to 200%, for conditions similar to those in 1991.
Expected sediment deposition in the Kalni and lower Baulai, which the model indicates would increase pre-monsoon and post-monsoon water levels by as much 1.5 m.

8.8 LIKELIHOOD AND POSSIBLE IMPACTS OF HAZARDS
8.8.1 Earthquakes
The region is known to be vulnerable to earthquakes. These events, though relatively rare are extreme in intensity, and can reverse existing morphologic trends and even induce re-configuration of the drainage system. The likelihood that during 1991-2015 the region would experience an earthquake of magnitude 7.6 (similar to the 1918 event, return period of 30 to 50 years) is between 40 and 60%; of magnitude 8.7 (similar to the 1897 event, the largest on record, return period of 300 to 1000 years) is perhaps 2 to 5%, assuming the events are random and can be described with a simple binomial probability model.
On past evidence, river channels and sedimentation patterns in the Northeast Region may be subject to major disruptions following a severe seismic event. During past earthquakes, instances of ground liquefaction, landsliding, rapid subsidence, collapse of river banks, and changes to river courses have been documented (District Gazetteer, 1917). The effects of earthquakes along the Brahmaputra River were described by Oldham (1899), reproduced in Chapter 4 of French Engineering Consultants (1989):

Strong ground shaking triggers liquefaction of river cross-sections in a few seconds; underwater slopes slide towards the stream axis, the bottom of the river heaves, and the banks become lowered;

Water immediately starts to rise and overflows the banks and adjacent zones where infilling of the channels takes place. Natural sills form, causing temporary lakes to develop;

Channels gradually re-open by scouring where currents are strong enough, and consequently water levels decrease. Where channels remain blocked, streams desert their old channels to form new ones; and

In subsequent years, the huge amounts of sediment poured into the river as a result of the earthquake gradually move downstream. Sediment transport is higher than previously and siltation conditions are therefore modified.

Earthquakes are believed to have also induced landsliding and slope failures in headwater catchments in the Shillong Plateau, which could greatly increase the amount of sediment supplied to the region for long periods of time.

Joglekar (1971) described apparent impacts of major earthquakes on the upper Brahmaputra in Assam, India. After the severe earthquakes of 1947 and 1950, the bed level near Dibrugarh rose substantially. Between 1947 and 1951, low water levels rose by as much as three to four metres; thereafter they were steady.

8.8.2 Tipaimukh Dam Failure
Assessment of this type of risk and risk management planning should be undertaken by a qualified dam safety specialist, and we are uneasy as hydraulic and environmental specialists making comments on this subject. This risk is however a significant issue relating to future environmental management of the Northeast Region water system which we feel a responsibility to mention here.
A dambreak is a catastrophic failure of a dam which results in the sudden draining of the reservoir and a severe flood wave that causes destruction and in many cases death downstream. While such failures are rare and are not planned they have happened to dams, large and small, from time to time. The International Commission on Large Dams (ICOLD) has identified 164 major dam failures in the period from 1900 to 1965 (Jansen, 1983).

With respect to the safety of the proposed Tipaimukh Dam, it is our impression that well-designed and constructed rockfill dams are perhaps the safest type for large heights (Tipaimukh would be among the largest of such dams in the world; see rockfill dams listed by Cooke, 1984), but we imagine that local circumstances may be much more important in this respect than dam type.

Two examples illustrate the types of failures that have been reported. The most famous, the Teton Dam in the United States, was a 90 m high earth-fill dam which failed in 1.25 hours. The flood wave which was released had a peak discharge of 65,000 m3 s-1 at the dam and a height of 20 m high in the downstream canyon. The Huaccoto Dam in Peru was 170 m high, similar to the Tipaimukh Dam; it failed over 48 hours due to a natural landslide in the reservoir.

Generally, a flood wave travels downstream at a rate in the order of 10 km hr-1 although velocities as high as 30 km hr-1 have been reported near failure sites. From these wave velocities, it would appear that the initial flood wave could travel the 200 km distance from Tipaimukh Dam site to the eastern limit of Bangladesh within 24 hours having a height of perhaps 5 m. Peak flooding would occur some 24 to 48 hours later. High inflows would persist for ten days or longer and the flooded area would likely take several weeks to drain.

The Tipaimukh reservoir is huge (15,000 Mm3) compared with experience reported in the literature. In the event of a significant unplanned discharge, the river system in Bangladesh would respond (drain) rather slowly, as characterized by the outflow rate relative to the floodplain storage volume), such that most of the water released would remain ponded over the Northeast Region for some time. Assuming a release volume of 10 Mm3 and a ponded area of 100 km2, the depth of flooding would be an average of 1.0 m above the normal flood level.

৪২| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৮

রাসেল ( ........) বলেছেন: There will be a need for Bangladesh and India to cooperate in formulating and implementing risk management measures. A wide range of risk management measures are normally undertaken (Jansen, 1983), including: regular inspections by independent engineering teams, instrumentation and plans for warning downstream populations of deteriorating conditions of a dam, evacuation plans, and so on. As and when India’s plans proceed, there will be a clear need for Bangladesh to avail itself of expert technical assistance from dam safety specialists experienced with very large dam/reservoir systems and trans-border risk management.

For illustrative purposes only, we show modelled flood waves for a test case of a instantaneous failure, 50 m wide extending to 100 m below the crest of the dam. Discharge and water level hydrographs are presented for three locations (Figure 11): at the exit from the mountain valley (km 80), at Silchar (in the middle of the Cachar plain, km 140) and at Amalshid (km 200). It can be seen from this that substantial attenuation of the flood wave would occur upstream of Amalshid and that the flood wave at Amalshid is a long-duration event. Depending on the breech geometry and peak discharge, the flood peak would occur at Amalshid approximately 2 to 3 days after the dam break had occurred and flooding would continue for ten days or more. The flood levels at Amalshid would rise to approximately 25 m PWD, which is at approximately 8 m above the floodplain level. This flood level depends on the boundary assumptions which were made and could be less depending on floodplain conveyance.

এই প্রজেক্ট রিপোর্টটা বাংলাদেশ সরকারের হাতে আছে!! এইখানে যেইসব টেকনিক্যাল ইনফরমেশন আছে তার খুব একটা পরিবর্তন হয় নাই!!

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৫

পি মুন্সী বলেছেন: রিপোর্টটা পড়ার পর আপনার পজিশন কী?

৪৩| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:১৫

রাসেল ( ........) বলেছেন: আসেন এইবার আমরা আলোচনা শুরু করি-

৪৪| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩৭

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: লেখক বলেছেন: পিয়াল যে রেফারেন্স দিয়েছে ওখানেই ওর একটা রফা হয়ে গেছে। আমার মনে হয়, "ঘটনা যদি সত্য হয়" বলে তাতানোর দরকার কী?

আর মূল ইস্যু টিপাইমুখ বাঁধ, ল্যাম্পপোষ্ট তারই সেকেন্ডারি। ল্যাম্পপোষ্টের বিলয় ঘটলেও টিপাইমুখ বাঁধ জাতীয় স্বার্থের ইস্যু হয়েই থাকবে।

কোনো রফাই হয় নাই। আমি বারবার একটা কথা বলতেছি। টিপাইমুখ বাধের বিপক্ষে আমিও কারণ এটা অবশ্যই আমার দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে। কিন্তু একইসঙ্গে আপনারা যে ল্যাম্পপোস্টরে হিরো বানাইতেছেন টিপাইমুখ নিয়া ভারতীয় দুতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করছে বইলা- এই কাহিনীটা যে সত্যি না আমি সেটাই বলছি। বলছি প্রমাণ আছে যে তারা লালগড় নিয়া বিক্ষোভ করতে গেছে পিটা খাইয়া এখন টিপাইমুখের আড়াল নিছে। সো যারাই তাদের বীর বইলা হাইলাইট করতেছে তারা একটা মিথ্যা নিয়া লাফাইতেছে। এইটুকুই তো। এই ব্যাপারটার জবাব এখন পর্যন্ত কোনো বিপ্লবীরে দিতে দেখলাম না। টাইন্যা টাইন্যা ছিড়তেই আছে আর আবঝাব বয়ান দিতেই আছে লাল বই থিকা। টু দ্য পয়েন্ট একজনও কইতেছে না, অমি রহমান পিয়াল আপনে মিথ্যা বলতেছেন, আমরা না। একজনেরও কি সেই মুরোদ নাই আমার চ্যালেঞ্জটা নেয়ার?

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪৭

পি মুন্সী বলেছেন: একই কথা বারবার বলতে বলতে আমি টায়ার্ড।
সর্বশেষ আবার এখনই বললাম ৩৫ নম্বর কমেন্টে। একটু পড়েন।

আপনি তো এবার স্পষ্ট করে বলেছেন, "টিপাইমুখ বাধের বিপক্ষে আমিও কারণ এটা অবশ্যই আমার দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে"।

এখন আপনার কাছে ল্যাম্পপোষ্ট জিরো হয়েই থাক না। অসুবিধা কী? আমি নিশ্চিত যাদের কাছে "ল্যাম্পপোষ্ট হিরো" তারাও ল্যাম্পপোষ্টকে আন্দোলনের ইজারা দেয় নাই।

কে আসলে হিরো হবে সে ফয়সালায় আমরা এখনও একেবারে প্রত্যুষকালে, কুয়াশায়।

৪৫| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

কিরিটি রায় বলেছেন: ভাই এত বিজ্ঞ জনের মন্তব্য পরার পর ভাবছি কি বলব।

এখানে অনেক পক্ষ হয়ে গেছে। তাত্ত্বিক ভাবে। কিন্তু মূলত ২টি।

১। টিপাই পক্ষে
২। টিপাই বিরোধী।

টিপাই পক্ষে ভাদাকার ছাড়া ১ জনও পাওয়া যাবে না।
বাকী সবাই ২ দলের। টিপাই বাধের বিরুদ্ধে।

ল্যাম্পপোস্ট নিয়ে যে বিবাদমানতা তার ভেতরে মনে হয় অনেক রহস্য লুকানো আছে। আপনারা সব বিজ্ঞ জনেরা রাজনৈতিক বহুবিধ খেলার জাতীয় আন্র্তজাতিক রুপ সম্র্পকে , ঘৃন্যতা সম্র্পকে কোন কিছু যে অসম্ভব নয় এই সম্র্পকে জানেন। এইটা ও যে খেলা না তা কেমনে বুঝলেন? তারে লইয়া পক্ষ বিপক্ষ ঝাপাইয়া পড়ছেন।

ভারতের মাওবাদ তাদের দীর্ঘদিনের সমস্য। ইদানিং লালগড় সহ অনেক স্থানে বেপরোয়া হামলা হচ্চে মাওবাদীদের উপর। ভারতীয় যে কোন বাংলা পত্রিকা ঘেটে দেখে নিতে পারেন।

এখন কথা হলো ল্যাম্পপোষ্ট কারা???
তারা কি ভারতীয় দূতাবাসের পেইড কোন গ্রুপ? যা মাল্টিপারপাস সার্ভ করবে??

নইলে ভারতের লালগড়ে মাওবাদের পক্ষে নির্যাতনের বিরুদ্ধে দাবী উঠবে কেন?

আর যদি বা উঠে সেই সাথৈ টিপাইমূখের দাবীকে গুলীয়ে ফেলা কেন?

টিপাই আমাদের দেশের স্বার্থ। জীবন মরন প্রশ্ন।
মাওবাদীদের দাবীর সাথে এটা কেন?

তারা কি ভারতীয়? না বাংলাদেশী?

যদি বাংলাদেশী হয় তবে তারা লালগড় ইস্যু নিয়ে কথা বলবে কেন?

তারা কি কোন স্বীকৃত আন্র্তজাতিক মানবাধীকার সংগঠনের কর্মী? সেই ক্ষেত্রে ঠিক হতে পারতো। কিন্তু তারাতো তাও নয়।

তাই খুব হুশ কইরা।

আমার ভাবনা বিজ্ঞ জনদের চোখে ভুল হইলে ধরায় দেন, আমার মারফতে বাকী সবারও পরিস্কার হইতে পারে।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৬

পি মুন্সী বলেছেন: বাংলাদেশে যখন গণহত্যা চলছিল তখন বিভিন্ন দেশে দেশে যারা এর প্রতিবাদ করেছিল তাঁরা বে-হক একটা কাজ করেছিল! কী বলেন?
এছাড়া "স্বীকৃত আন্র্তজাতিক মানবাধীকার সংগঠনের কর্মী" ছাড়া আর কারও এসব কাজ তো সব বে ঠিক।

আপনি কী বলেন আগে নিজের কাছে বলে পরিস্কার হন, এরপর পোষ্ট দিয়েন।

৪৬| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫০

রাসেল ( ........) বলেছেন: পিয়াল ভাই এইটা থলির বিড়াল, এইটা থলির ভিত্রে রাইখা আলোচনা হবে, লালগড় আর মাওবাদীদের উপরে অত্যাচার নিয়া টানাটানি শুরু হওয়ার পরে টিপাইমুখ নিয়া নর্তনকুর্দন শুরু হইবো। অনেক গালভরা বামপন্থীয় বিশেষণ নাজিল হইবো কিন্তু কোনো ব্যাটাই আলোচনায় আইবো না।

ল্যাম্পপোষ্টের সন্ধি আর অভিসন্ধি কিংবা অন্য সব উৎসাহ কোথা থেকে আসে, এরা কোন লাইনে চলে এটা ফারুক ওয়াসিফ কি জানে না? বেচারা সেইটা নিয়া আলোচনা করবে না এইখানে, না করলে কিছু বলার নাই।

৪৭| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫০

ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: এটা দেখেছি রাসেল....। গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব ডকুমেন্টই হাতে এসেছে :)। স্টাডি চলছে। শীঘ্রই জানতে পারবেন।

কিন্তু এখানে আমাদের কথা হচ্ছিল, সমস্যা ও সমস্যা মোকাবেলার ধরন নিয়ে। তাই না?

৪৮| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫১

বজ্রকণ্ঠ বলেছেন: পিয়াল ভাইয়ের দেশপ্রেম দেখেন-----




এই পোস্টের প্রসঙ্গ নিয়ে উনার ১২ নাম্বার মন্তব্য এটি

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১০

পি মুন্সী বলেছেন: ভাই এসব বলে বা কারও কাছ থেকে শুনে কারও কোন লাভ হয় না। আসেন দেখি কথাবার্তা কী চলতেছে।

৪৯| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৯

শিরোনাম বলেছেন: @অমি রহমান পিয়াল এবং @রাসেল ( ........)

আপনাদের কথা মতো ধরে নিলাম ল্যাম্পপোস্ট ভুয়া, মাওবাদী, পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট....... ধরে নিলাম আরো হ্যান তেন বাল-ছাল। সাথে এটাও মনে করে নিলাম উনারা লালগড়ের ইস্যুতে আন্দোলন করতে গেছিলো। কিন্তু ধরা খাইয়া টিপাইমুখ ইস্যুরে সামনে আনছে।

এখন আপনাদের কাছে কয়েকটা প্রশ্ন করতে চাই। আশা করি উত্তর দিবেন।

১। টিপাইমুখী বাঁধ নিয়া আসল ঘটনা কি আপনারা জানেন?
উত্তর (ক) হ্যাঁ (খ) না

২। আপনারা কি মনে করেন টিপাইমুখী বাঁধ দেশের স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে?
উত্তর (ক) হ্যাঁ (খ) না

৩। টিপাইমুখী বাঁধ নিয়ে বর্তমান সরকারের ধীরগতি কি আপনারা সমর্থন করেন।
উত্তর (ক) হ্যাঁ (খ) না


আশা করি উত্তরগুলো দেওয়ার মতো সাহস আপনাদের আছে।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৪

পি মুন্সী বলেছেন: আপনি জবাব পাবেন বলে মনে হচ্ছে না। রাসেলের মুখ থেকে এখন সুস্হ কিছু আশা করার কোন কারণ দেখছি না।

..ডায়ারিয়া টাইপ সাময়িক গন্ডগোল কিংবা ব্যমো।
...আপাতত ল্যাম্পপোষ্ট ব্যধি কিছু ক্রনিক ডায়ারিয়াভোগা মানুষের পেটে থাকলেও এটার অস্তিত্ব আর ৩ দিন।

এগুলো স্যাটায়ারধর্মী কিছু কথাবার্তা ছাড়া কিছু বের হচ্ছে।
নিচের এক মন্তব্য দেখুন বলছেন,

"শিরোণাম ভাইটি যেমন লাফাইতাছে, তাতে মনে হইতাছে বৃষ্টি শুরু হইছে, ব্যাঙাচির মনে অনেক আনন্দ"।

আপনাকে ব্যাঙাচি বলেই আনন্দ পাচ্ছে। উত্তর দেয়া নয়, এটাই ওর এখন মনের সান্ত্বনা, শান্তি।

৫০| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১৮

ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: দেখুন, রাসেল কেউ প্রথম আলোকে বলবে না যে বিপ্লবী পত্রিকা। সেখানে ড. জহীরউদ্দীন ও আইনূন নিশাতের দুটি সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছে। অন্য পত্রিকার কথা বললাম না। এর বাইরেও অনেক কিছু আপনারও নিশ্চয়ই পড়া রয়েছে। আইনূন নিশাত খুব সুবিধার লোক না, তারপরও তিনি মুখরক্ষার জন্য যতটা বলেছেন, ততটা মানলেও তো মিনিমাম হয়। আপনারা যদি মিনিমামটাও মানতে রাজি না থাকেন, তাহলে আপনাদের অভিসন্ধি নিয়েই তো প্রশ্ন উঠবে।

চ্যালেঞ্জটা আগে থেকেই নিয়ে রেখেছে। যদিও আমাদের ভারতীয় দাদারা ৩০০ শব্দের যে ডকুমেন্টটা দিয়েছে সেখানে বিশেষ কিছুই প্রায় বলা নাই। বাঁধের দৈর্ঘ্য প্রস্থ বেধ ছাড়া।

আমরা আমাদের উদ্যোগে বিশ্লেষণ চালাচ্ছি। তারপরও নতুন করে আপনাদের দলির পেশ থেকে মনে হচ্ছে পিটার বিকসেলের গল্পের সেই বুড়ো চরিত্রটার কথা। সে অনেক বছর একা একা পাহাড়ে কাটিয়ে নানান গবেষণা করে একদিন সমতলে চিৎকার করতে করতে নেমে এলো। তারপর লোকজনকে ধরে ধরে বলে দেখো আমি দূর থেকে কথা বলার যন্ত্র আবিষ্কার করেছি, এমনকি দূরের জিনিষ তার ছাড়া দেখারও জিনিস বানিয়েছে।
জবাবে সবাই তাকে পাগল ঠাউরায়। কী বিষয়? এত বড় আবিষ্কারে এহেন অবহেলা?
ঘটনা হলো ঐ বুড়োর আবিষ্কার সত্যি। কিন্তু মুশকিল যে পৃথিবীর মানুষ ঐ আবিষ্কার আরো বিশ বছর আগেই করে রেখেছে। বুগো বেচারা পাহাড়ে লুকিয়ে থাকায় তা জানতেই পারেনি।

আপনি যে নতুন করে পুরনো গবেষণা ঘাটছেন তা ভাল মেহনত। এবার তাহলে সিদ্ধান্তটা বলেন!

আর আশা করি, দুএকদিনের মধ্যে আমার হিসাব-নিকাশ আমিও জানাতে পারবো।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৬

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল।

৫১| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫৮

ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: শিরোনাম-এর সঙ্গে আমিও দুটি প্রশ্ন তুলতে চাই, যে সরকার যদি কোনো বিশেষজ্ঞ কমিটি করতো এবং তারা যদি বাঁধের বিরোধিতা করতো, তাহলে তাদের কি তথাকথিত বলা সম্ভব হতো? বললে, কি বাংলাদেশকেই তথাকথিত বলা হয়ে যেত না? যেটা একবার দেশ পত্রিকা বলেছিল?

ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৪ টি যৌথ নদীর ৪৭ টিতেই বাঁধ দিয়ে অনেকাংশে পানি সরিয়ে নিয়েছে। আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প এই উদ্দেশ্যেই করা হচ্ছে। সেটাও কি আপনারা সমর্থন করেন? খণ্ডিত ভাবে নয়, বিষয়গুলোকে পুরো চেহারায় দেখে অবস্থান ঠিক করতে হবে।

বাংলাদেমের জনগণ ভারত নিয়ে বহুভাবেই বিরক্ত ও আহত, এই ইস্যুতে তার যদি বহিপ্রকাশ ঘটে থাকে, তাহলে আমাদের দায়িত্ব হলো আন্দোলনটিকে জামাত-তাহরির বা বিএনপিদের হাতের বাইরে নিয়ে আসার চেষ্টা করা। কারণ এই ইসুর নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতা বা ইচ্ছা আসলেই তাদের হবে না আদর্শ ও শ্রেণীগত কারণে।

আর সেটা যদি আমরা নাও পারি, তাহলে কি বিরোধিতাও বন্ধ করে দিতে হবে?

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫৬

পি মুন্সী বলেছেন: ফারুক,
আমরা তো দেখছি শুন্যে তলোয়ার ঘুরাচ্ছি কেউ কাটা পড়ছে না। কাকে প্রশ্ন করছেন?
কেউ নাই।
ব্যক্তিগতভাবে আমি রাসেলের প্রতি সহানুভুতিশীল। বেচারা ১৪ তারিখ থেকে এক পোষ্ট দিয়ে মন্তব্যে ভেসের যাওয়ার ঠেলায় সারাক্ষণ কমপিউটারের সামনেই বসে থাকতে হয়েছিল। বড় ধকল গেছে নিঃসন্দেহে।

এখানে ওর সর্বশেষ বক্তব্য ছিল,
"এইসব আকাশে থুতু মাইরা নিজের গাল দিয়া পরিস্কার করনের ঘটনা নিয়া না কপচাই"। নীচে ৫৩ নম্বরে দেখুন।

এর আগে অবশ্য প্রাণীবাচক তুচ্ছকারি শব্দ দিয়ে একবার চেষ্টা করেছিল নিজেকে পুনরুদ্ধার করতে। খুবই বাজে পদ্ধতি অবশ্যই।

৫২| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০০

কিরিটি রায় বলেছেন: লেখক বলেছেন: বাংলাদেশে যখন গণহত্যা চলছিল তখন বিভিন্ন দেশে দেশে যারা এর প্রতিবাদ করেছিল তাঁরা বে-হক একটা কাজ করেছিল! কী বলেন?
এছাড়া "স্বীকৃত আন্র্তজাতিক মানবাধীকার সংগঠনের কর্মী" ছাড়া আর কারও এসব কাজ তো সব বে ঠিক।

আপনি কী বলেন আগে নিজের কাছে বলে পরিস্কার হন, এরপর পোষ্ট দিয়েন

জ্বি ভাই বুঝার জন্রই বলা.. উত্তেজিত হবেন না প্লিজ।

বাংলাদেশের গণহত্যার প্রতিবাদ আর মাওবাদের জন্য প্রতিবাদ এক করে ফেল্লেন??

আর এতে আর একটা জিনিস বিলকুল পরিস্কার হলো.. তাদের ঐ দাবীর পক্ষে আপনার অবস্থান। তাতেত কোন সমস্য নেই, আপনি একটা পক্ষ নিতেই পারেন?
কিন্তু তার সাথে জাতীয় দাবীর তালগোল পাকালে চলবে কেন?

আর বলেছেন -- এছাড়া "স্বীকৃত আন্র্তজাতিক মানবাধীকার সংগঠনের কর্মী" ছাড়া আর কারও এসব কাজ তো সব বে ঠিক।
না না ত হবে কেন? অবশ্যই প্রতিবাদ করতে পারবে। কিন্তু কারা কেন কার স্বার্থে?

Click This Link

৩ এবং ৪ জুলাই এই প্রতিবেদকের মোবাইলে একটা এসএমএস আসে। তাতে লেখা ছিলো : লালগড়ে জনগণের সংগ্রামের উপর ইন্ডিয়া রাষ্ট্রের দমননীতির বিরুদ্ধে ল্যাম্পপোস্ট ইন্ডিয়া দুতাবাসের সামনে ৫ জুলাই সকাল ১১টায় বিক্ষোভ করবে। আপনার অংশগ্রহণ কাম্য। এটি একটি ওয়ারিদ নাম্বার থেকে করা এবং তাতে আশীষ (কোড়ায়া) নামের একজনের একটি গ্রামীন ফোন নাম্বারও দেওয়া। (প্রাইভেসির স্বার্থেই নাম্বারগুলো দেওয়া হলো না)। পরের কাহিনী আমরা পত্রিকা মারফত যা জানি ভারতীয় দুতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে সংগঠনটির কর্মীরা পুলিশী লাঠিপেটার শিকার হয় এবং উল্লিখিত আশীষ এবং প্রিন্স নামে তাদের দুইজন গ্রেপ্তার হয়। দুজনকে আদালতে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হলেও বিজ্ঞ বিচারক তাদের রিমান্ড না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দৈনিক প্রথম আলো এ বিষয়ে তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করে সংগঠনটি আসলে বাংলাদেশে আন্ডারগ্রাউন্ড বা চরমপন্থী মাওবাদী সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির একটি পাঠচক্র।

এখন এই চরমপন্থীর হালকা খোচায় যে আকামটা হইলৌ তা ভাবেন। এই আন্দোলনে ছবি দেখাইয়া ভারত বিম্ব জনমতরে প্রভাবিত করবো। বলেব এই যে দেখো সামান্য কিছু লোকের বাড়াবাড়ী.....

তখন আপনি কিভাবে কাউন্টার করবেন?

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১৬

পি মুন্সী বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫৩| ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১৯

রাসেল ( ........) বলেছেন: আমার পোষ্টও ছিলো সমস্যা মোকাবেলার ধরণটা নিয়াই, ল্যাম্পপোষ্টের ধরণটা আমার পছন্দ হয় নাই, কিন্তু আপ্নে আমারে নিয়া যতটা আলোচনা কইরা ফেলাইলেন, পি মুন্সী যেইভাবে আমার মনের গলি ঘুপচিতে ঘুইরা একটা সিদ্ধান্তমূলক জবানবন্দী নামায়া দিলো, সেই আলোচনায়ও আমি কইছিলাম এইটা লড়াইয়ের পন্থা নিয়া বিরোধ। প্রতিরোধ ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে হওয়া একটা প্রতিরোধের ধরণ, অন্য কোনো জায়গা থেকে শুরু করাও প্রতিরোধের ধরণ।

এইসব আকাশে থুতু মাইরা নিজের গাল দিয়া পরিস্কার করনের ঘটনা নিয়া না কপচাই। শিরোণাম ভাইটি যেমন লাফাইতাছে, তাতে মনে হইতাছে বৃষ্টি শুরু হইছে, ব্যাঙাচির মনে অনেক আনন্দ।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১৩

পি মুন্সী বলেছেন:

"এইটা লড়াইয়ের পন্থা নিয়া বিরোধ" - এই কথা মানতে রাজি আছি যখন আমরা জানব আপনি আসলেই কোন লড়াইয়ে আছেন। এখনও পর্যন্ত আমরা দাবি, আপনি টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক। বাঁধের পক্ষে লড়াই? শিরোনাম, ফারুক ওয়াসিফ, নীচে দন্ডিত পুরুষের সরাসরি প্রশ্নের জবাব আপনার কাছ থেকে আমরা পাইনি। উল্টা শিরোনামকে প্রাণীবাচক তুচ্ছকারি শব্দ দিয়ে একবার চেষ্টা করেছিল নিজেকে পুনরুদ্ধার করতে। এটা খুবই বাজে পদ্ধতি অবশ্যই।
আপনার লড়াইটা কার বিরু্দ্ধে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের পক্ষে না বিপক্ষে - আমাদের অভিযোগের মুখে এটাই তো আপনি পরিস্কার করতে পারেন নি।

এব্যাপারে দন্ডিত পুরুষ আপনাকে একটা খোলা চেক দিয়েছে। ও আগে কিছুই ধরে নিতে চায় নি। পরিস্কার করে কেবল আপনার কথা অবস্হানই শুনতে চেয়েছে।

এই উত্তরের আগে -
"এইসব আকাশে থুতু মাইরা নিজের গাল দিয়া পরিস্কার করনের ঘটনা নিয়া না কপচাই" - আপনার এই কথার অর্থ হবে আপনার থুথু আপনারই গালে এসে পড়েছে।

৫৪| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২০

দণ্ডিত পুরুষ বলেছেন:

রাসেল ভাই, লেখক এখানে স্পষ্টতই আপনাকে টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। অথচ আপনি এর স্পষ্ট কোনো প্রতিবাদ করলেন না। আপনি যদি সমর্থক না হোন তাহলে লেখকের দাবি নাকচ করুন। আর যদি সমর্থন করেই থাকেন তাহলে কোন যুক্তিতে অথবা কি কি ইতিবাচক কারনে টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থন করলেন তা দয়া করে জানাবেন।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১৭

পি মুন্সী বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনার এপ্রোচ আমার ভাল লেগেছে।

৫৫| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৭

রোহান বলেছেন: এইখানে সবাই অনেক আলোচনা করলেন, অনেক জ্ঞানের কথা শোনা গেলো... কিন্তু সমাধানের পথ নিয়ে সবাই ঠিকই কুয়াশা রেখে গেলেন। সমস্যা টা আসলে কত মারত্মক সেটার থিওরী কপচানির সময় বোধহয় অনেক আগেই চলে গেছে তাই না, আমরা সবাই এমনকি বাসার সামনের দোকানদার থেকে শুরু করে আমার ড্রাইভারও কমবেশী টিপাইমুখের ক্ষতিকর প্রভাবগুলো সম্পর্কে জানে (এমনি এমনি লিখলাম না, জিজ্ঞেস করে জেনেই লিখছি)। তো এটা নিয়ে আলোচনা প্রলম্বিত না করে আমাদের সুস্পষ্ট সমাধানের পথে এগোনোই কি উচিত নয়?

আচ্ছা এখানকার ব্লগাররা আগেও অনেক সংকলন বানিয়েছে, টিপাইমূখ নিয়েও তো এমন গোছানো একটা সংকলন হতে পারে। বাইরে যারা আছে তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনমত গড়তে পারে, অন্তত চেষ্টাটুকু চালাতে দোষ কোথায়... এর বেশী করার সময় কি আদৌ এসেছে? যতটুকু বুঝি এধরনের সমস্যার সমাধান কুটনৈতিক পর্যায়েই সম্ভব আর সেটা যতটুকু সদ্ভাব বজায় রেখে করা যায় ততই মঙ্গল। হঠকারী আন্দোলন কিংবা অন্যের কোনো স্বার্থের ঢাল হিসেবে উসকানিতে লাফিয়ে পড়া -- এসব যৌক্তিক সমাধান কখনোই নয় অন্তত এখন পর্যন্ত তো নয়ই। এই ওয়াচ পিরিয়ডটাতে বরং আমাদের সুস্থ জনমত গড়ে তোলার পেছনেই সময় ব্যায় করা উচিত যাতে পরিস্থিতি কোনো বাজে মোড় নিলে অন্তত জনগনকে সচেতন করার জন্য অতিরিক্ত সময় নষ্ট না হয়ে যায়।

রাজনৈতিক সংকীর্ণতা থেকে বেরুতে পারিনা আমরা কেউই। এজন্যই ব্লগে ভার্চুয়াল উজির নাজির মেরেই ক্ষান্ত হই। যার যার দৃষ্টিকোন থেকে অপরকে হেয় করার ধান্দায় থাকি। মুক্তবুদ্ধির বিকাশে আমাদের যুক্তির কলমের কালিগুলো কেমন শুকনো লাগে আজকাল, এর চেয়ে উগ্রবাদের তরবারিকে অনেক ধারালো মনে হয়...

ল্যাম্পপোষ্টের আন্দোলন হঠকারী ছিলো হয়তো কিন্তু তাদের দমন করতে পুলিশ যে আচরণ করলো সেটা এমনকি কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধেও দেখা যায়নি। এজন্যই গোটা ঘটনাই আমার কাছে রহস্যময় লেগেছে। যদি আমরা যা দেখেছি সাদ চোখে তাই হয়ে থাকে তবে ল্যাম্পপোষ্টকে স্যালুট। কিন্তু রিভার্স কোনো গেমের অংশ হলে ঘৃণা জানাতে দ্বিধা করবো না এতটুকু।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৮

পি মুন্সী বলেছেন: ধন্যবাদ রোহান ফিরে আসার জন্য।

"ল্যাম্পপোষ্টের আন্দোলন হঠকারী ছিলো হয়তো কিন্তু তাদের দমন করতে পুলিশ যে আচরণ করলো সেটা এমনকি কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধেও দেখা যায়নি"।

সেই সাথে এই ভাল পয়েন্টটা তুলার জন্য আবারও ধন্যবাদ।

৫৬| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২১

মনজুরুল হক বলেছেন:

বেশ বেশ! টিপাইমুখে বাঁধ এর বিরোধীতা করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে তথ্য আর তত্ত্বের ভান্ডার খালি হওয়ায় বাক্যাবলিতে ট্যুইস্ট দিয়ে তাকে এনলার্জও করা হচ্ছে! বেশ। কী বোর্ডে রাজা-উজির মারনেঅলা তো কম দেখলাম না। ওক্কে। দেখি.......................

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৩

পি মুন্সী বলেছেন: ঠিক ধরেছেন। সে কথাই এতক্ষণ বলছিলাম। "জবাব পেয়েছেন"

৫৭| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৯

মনজুরুল হক বলেছেন:

কোন পোস্টে যেন পড়লাম: টিপাইমুখ নিয়ে ব্লগে ডায়রিয়া শুরু হয়েছে! ভাল। ডায়রিয়া হতেই পারে। এর বিপরীতে নিঃসন্দেহে আছে কোষ্ঠ্য কাঠিণ্য। তা আবার নিরাময়যোগ্য ওষুধ সেবনে ডায়রিয়ায় টার্ণ নিয়ে নিরাময়ও হতে পারে।

আলোচনায় এসেছে গুটিকতক প্রশ্ন(অথবা একতরফা সিদ্ধান্ত)
১। টিপাইমুখ বাঁধের বিরোধীতা সময়াপোযুক্ত নয়। ডিটেইলস ইনফোর অভাব।
২। ল্যাম্পপোস্ট আসলে ভারতের লালগড়ে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে সরকারের দমন-পিড়নের বিরুদ্ধে, তারা বেকায়দায় পড়ে টিপাইমুখকে ইস্যু হিসেবে টেনে এনেছে। এখন হঠকারীতার ফল ভোগ করছে...।
৩। ল্যাম্পপোস্টের সাথে প্রথম আলো কথিত পূবূ বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির সংস্রব আছে। তারা অতি বিপ্লবী, হঠকারী। এই এতটুকুন আন্দোলন দিয়ে কিছুই হবেনা।
৪।চীন পন্থী, মাওবাদী, পূর্ব বাংলা, বাম, জেহাদী, হিজবুত, জেএমবি..ব্লা ব্লা সব একই। এরা এদেশের শত্রু । এরা না থাকলে টিপাইমুখ বিরাধেীতা অন্যভাবে করা যেত।
৫।এ নিয়ে লেখালেখি করছেন যারা তাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্য নেই।

---------------------
এবার এই ৫টি পয়েন্ট নিয়ে আমার স্বল্পজ্ঞানে কিছু বলার চেষ্টা করছিঃ
-------------------------------------------------------------------
১। একাত্তরেও মুক্তিযুদ্ধ শুরু করার আগে ডিটেইলস ইনফোর অভাব ছিল। এমন কি কোথায় দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে হবে তাও জানা ছিলনা। আমবাগানে মুজিবনগর অস্থায়ী সরকার গঠিত হওয়ার আগে পুরো প্রতিরোধটাই ছিল স্বত:স্ফূর্ত। আগাম প্রস্তুতি আর ঘোষণা দিয়ে কি হয় সেটা আমরা দেখি ১৯৮১ সালে। আফগানিস্থানে তখন কমিউনিস্ট শাসন চলছে....হঠাৎ মোহাম্মদ ফরহাদ ঘোষণা দিয়ে বসলেন- "প্রয়োজনে বাংলাদেশেও আফগান স্টাইলে বিপ্লব হবে"! তার পর যা হওয়ার, তা-ই হলো। ফরহাদ সাহেব গ্রেফতার হলেন। আফগান স্টাইলের বিপ্লব পল্টন মোড়ের আশেপাশেই ঘুরপাক খেতে লাগল। অধিকন্তু টিপাইমুখ বাঁধের বিরোধীরা এবং প্রকারান্তরে এর পক্ষাবলম্বিরা ইতোমধ্যেই পর্যাপ্ত ডাটা-ইনফো দিয়েছেন। এরচেয়ে আরো বেশী ইনফো দরকার হয় এই বিষয়ে ইউনিতে লেকচার দ্রেয়ার জন্য, এই বিষয়ে ডক্টরেট নিওয়ার জন্য। বাঁধের বিরোধীতার জন্য এসবের দরকার করে না। যা দরকার করে তা ইতোমধ্যেই এর বিরোধীতাকারীরা অর্জন করেছেন।

২। তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেওয়া হয় যে ল্যাম্পপোস্ট লালগড়ে নিপীড়নের প্রতিবাদ জানাতে গিয়েছিল। সেটা কি পাপ? অন্যদেশের নিপীড়ত জনগণের উপর সরকারী দমন-পীড়নের প্রতিবাদ যদি পাপ বা অন্যায় অথবা অযাচিত হয় তাহলে বছরের পা বছর ধরে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সোচ্চার হওয়াও পাপ বা অন্যায়! ইরাকে মার্কিনী আগ্রাসনের প্রতিবাদ করাও অন্যায্য। আফগানিস্তানে মার্কিন দখলদারিত্বের বিরুদ্ধাচারণও কবিরা গুনাহ! গুজরাটে নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে মিছিল করা নাজায়েজ! তার কুশপুতুল পোড়ানোও হঠকারী!

৩। ল্যাম্পপোস্ট একটি সাংস্কৃতি আশ্রয়ী প্রগতিশীল সংগঠন। এরা ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদকে ঘৃণা করে, ভারতীয় সম্প্রসারণবাদকে ঘৃণা করে, সকল ধর্মাশ্রয়ী মৌলবাদীতা ঘৃণা করে, রংবেরংয়ের সুবিধাবাদী বুর্জোয়া দলের মোহ কাটিয়ে গণসংগঠন-গণসংগ্রামের পথে মেহনতি মানুষের সত্যিকারের মুক্তি কামনা করে, বিপদে-আপদে বিপদসঙ্কুল মানুষের পাশে দাঁড়ায়, পেটি বুর্জোয়া লোভ-লালসাকে জয় করার সংকল্প ঘোষণা করে.....................। এখন এই একই আদর্শ যদি আর কোন দল (হোক নিষিদ্ধ কিংবা প্রকাশ্য) ধারণ করে, লালন করে, এবং এই দুই পক্ষের নীতি আদর্শ মিলে যায়, শুধুমাত্র সেইটুকু সিমিলারিটি সম্বল করেই কি বলে দেওয়া যায়--এরা পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির পার্ট বা ভগ্নাংশ? যদি তা-ই বলে দেওয়া যায় তাহলে তো এটাও মনে করা যায় ক্রুশ্চেভ প্রণিত কমিউনিস্ট আদর্শ আর কমরেড নাজিবুদৌলার ফোকটে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের সেই আদর্শ এখনো সিপিবি ধারণ করে(যেহেতু তারা ঘোষণা দিয়ে পরিত্যাগ করেনি)! টিপাইমুখ নিয়ে প্রতিবাদী বাম গণতান্ত্রিক মোর্চা, বাসদ, জাতীয় তেল গ্যাস রক্ষা কমিটি, বি এল এফ দেরাদুন'৭১ ফোরাম, এরা সকলেই হঠকারী, নিষিদ্ধঘোষিত দলের আদর্শে অনুপ্রাণিত!

৪। চীনপন্থী, মস্কোপন্থী বলে কোন পন্থা হয় বা আছে বলে আমার জানা নেই। লেনিনপন্থী, মাকর্সপন্থী, মাওপন্থীর কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আরো ব্যাপক ব্যাখ্যার দাবি রাখে। এখানে শুধু এতটুকুই বলব: ম্যানশেভিকরা এক পর্যায়ে মাকর্সকেও মেনে নিতে রাজি ছিল, কিন্তু কিছুতেই লেনিনকে নয়। তেমনি কুয়োমিনটাং এর ভেতরে তারা লেনিনকে মানতে চাইলেও কিছুতেই মাওকে মানতে পারেনি। এটাই নিয়ম। মাকর্সবাদের সর্বচ্চো বিকোশিত রূপকে না মেনে মাকর্সবাদী থাকা যায় না। সেই হিসেবে মাওকেই মানতে হয়। যেহেতু মাও মানেই এখন বলপ্রয়োগে ক্ষমতা দখলের ব্যাপার তাই ড্রইংরুম কমিউনিস্টরা এবং ধর্ম-কর্ম-সমাজতন্ত্রবাদীরা মাওকে সন্ত্রাসের সাথে এক করে দেখতে পছন্দ করেন। সেই হিসেবে তাদের কাছে বরং চীন এখন অনেক আরামপ্রদ, সহনশীল।

৫। পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্য দরকার আমাদের বিশেষজ্ঞদের যারা টেবিলে টেবিলে আলোচনা করে এর একটা সমাধানে পৌঁছুনোর চেষ্টা করবেন। আর দরকার কূটনীতিকদের, যারা দ্বিপাক্ষিক মত বিনিময়ের সময় ওই তথ্য-উপাত্য ধরে ধরে দীর্ঘ শীতঘুমের স্টাইলে আলোচনা করবেন। এর বিপরীতে জনগণের জন্য শুধু এতটুকুই তথ্য দরকার যে, ওই বাঁধ আমাদের ক্ষতি করবে না উপকার করবে? জানা মতে আজ পর্যন্ত বিশ্বের কোন বাঁধই কখনো সাধারণ মানুষের কল্যাণ করেনি। করতে পারেনা। ওখানে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ওখানকার সাধারণের কোন উপকারে আসে না, আসেনি কখনো। আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ ফারাক্কার অভিজ্ঞতা থেকে এতটুকু বুঝতে পারে যে টিপাইমুখ তাদের সর্বনাশ করবে। আজ থেকে ১০ বছর পর নির্মিত হলেও করবে, এখন হলেও করবে। সুতরাং সর্বনাশ ঠেকাতে সক্ষম হব কি হব না সেই বিচার না করেই যারা এটি প্রতিহত করতে চায় তাদের দেশপ্রেম, ভবিষ্যতের ভাবনা আর যাই হোক ব্যঙ্গ চলে না। যারা এই কাজটি করছেন তারা মীরজাফরের চেয়েও বড় বিশ্বাসঘাতকতা করছেন।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২২

পি মুন্সী বলেছেন: ধন্যবাদ মনজু। সারাদিন লিখেও এত মন্তব্য ট্রিট করতে পারছিলাম না। আপনি অনেকটা হাল্কা করে দিলেন।

৫৮| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:০৭

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মনজু ভাই। ২ নং পয়েন্ট ছাড়া আর কোনোটা নিয়াই আমার কোনো মাথাব্যথা নাই। এই ব্লগে আর কারো কথার ওজন না থাকলেও আপনারে আমি ওজনদার জানি, ভীষণই শ্রদ্ধা করি। আপনে যেইটা তর্কের খাতিরে ধইরা নিতে বলতেছেন সত্যি, সেইটা যে আসলে সত্যি এইটা আপনি আপনার সাংবাদিক কানেকশনেই হোক, আর রাজনৈতিক কানেকশনেই হোক নিশ্চিতভাবেই জানতে পারছেন কিংবা পারেন। পাপ-পূন্যের কথা হইতেছে না বস। আমি শুধু বলছিলাম এই সত্যিটা স্বীকার করলে কোনো সমস্যা আছে কিনা? তাদের পাঠানো যেই এসএমএসটা এখন হাতে হাতে ঘুরতেছে সেইটায় লালগড় ছাড়া অন্য কিছুর উল্লেখ ছিলোই না। অথচ এই ব্লগে সবাই বলতেছে টিপাইমুখ বাধ নির্মাণের প্রতিবাদে এরা ভারতীয় দুতাবাসের সামনে গিয়া প্যাদানি খাইছে। তারা হিরো, হ্যান-ত্যান-ফ্যান। আমার আপত্তিটা এই জায়গায়। আমি যখন সত্যিটা জানি, তখন চোখের সামনে যখন একটা মিথ্যা নিয়া ভুল মানুষরে নায়ক বানাইয়া দেওয়া হয়- তখন প্রতিবাদ করতে মনে চায়। সেইটাই করছি। আর কিছু না। কিন্তু আপনে শুধু একবার বলেন যে আমি হুদাই লাফাইতেছি, আমি ভারতের দালাল ছাড়া আর কিছু না, আমি প্রতি বিপ্লবী, আমি আওয়ামী লীগের মুখপাত্র, আমি প্রথম আলোর চামচা- আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষটার কসম, আমি মাথা নিচু কইরা আপনার কথা মাইনা নিবো।
আবারও বলি। ল্যাম্পপোস্ট বিক্ষোভ করতে গেছে লালগড়ে মাওবাদীদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে। পুলিশ তাদের পিটানো এবং গ্রেফতারের পর তারা টিপাইমুখকে সামনে নিয়া আসছে। সেইটা সত্যি বইলা প্রচার করা হইতেছে। এইটা রাজনৈতিক কৌশলের দিক দিয়া হয়তো সঠিক, কিন্তু নৈতিকতার দিক দিয়া অন্যায়। অবশ্য আপনারে নৈতিকতার ছবক দেওয়ার স্পর্ধা আমি রাখি না। চেষ্টাও নাই। আমি জাস্ট আমি যেই পয়েন্টটায় ডিফার কইরা আমার বহু সমমনা বন্ধুরে শত্রু বানাইছি, সেইটা তুইলা ধরলাম। আমার বিবেকের কাছে আমি ক্লিয়ার আছি।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৯

পি মুন্সী বলেছেন: পিয়ালের একই মন্তব্য দুবার এসেছে। পরেরটা রেখে প্রথমটা মুছে দিচ্ছি।

৫৯| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১১

রণদীপম বসু বলেছেন: আমি ভাই এতো রাজনৈতিক ক্যারিকেচার বুঝিও না, তা নিয়ে কোন মন্তব্যও করতে চাই না।

আমার বুঝ নিয়ে আমি যেটুকু বুঝি, টিপাইমুখ বাধ হলে আমার বুক-পেট খরায় শুকিয়ে যাবে। যে পর্যন্ত না এটা প্রমাণ হয় যে ঘটনা এর উল্টোটা হবে, সে পর্যন্ত আমি স্পষ্টতই বাধ-বিরোধী। এখন পর্যন্ত আমি মনে করছি এটা আমার না কেবল, এটা জন ও রাষ্ট্রিয় সমস্যা।

এমনিতেই শীতে সুরমায় চর পড়ে যায়। তার উপর এই বাধ নির্মাণ হলে কী অবস্থা দাঁড়াবে, সেটা আমার সাধারণ বোধ দিয়ে কল্পনা করেই আঁতকে উঠি। আর পাশাপাশি বিস্মিত হই এই ভেবে যে, বাধ নিয়ে সহজ সরল আলোচনাগুলোতে নানান বিষয় জড়ো করে জটিল থেকে জটিলতর করে যাঁরা নিজের বিজ্ঞতা প্রকাশ করছেন, শেষপর্যন্ত তাঁরা যে কী বুঝাতে চাচ্ছেন এটা আমার মতো নাদান পাবলিক বুঝবে কী করে, সেটা কি তাঁরা বুঝেন না !

কাউকে আহত করার জন্য আমার এ মন্তব্য নয়। বরং বিষয়কে জটিল করে তোলায় আমরা কম-বুঝ পাঠকরা যে ক্ষত বিক্ষত হচ্ছি, সেটাই প্রকাশ করা এই মন্তব্যের উদ্দেশ্য।
সবাই ভালো থাকুন।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৬

পি মুন্সী বলেছেন: ধন্যবাদ রণদীপম।
চিন্তাকে স্বাধীন ও মুক্ত রাখলে তবেই এটা সম্ভব।

৬০| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫১

আরিফুর রহমান বলেছেন: যে টেক্সটের (এসএমএস) রেফেরেন্স দেয়া হচ্ছে, সেটা কার উর্বর মস্তিষ্ক থেকে প্রণীত, জানতে ইচ্ছে হচ্ছে...

সাধারনত এইসব প্রপাগান্ডা জামাতীদের মাথা থেকে বেরোয়। এই টেক্সটের অথেনটিসিটি বা এই প্রপাগান্ডার উদ্দেশ্য আমাদের বুঝতে হবে।

কে বা কোথাকার ( ;) ) আবাল একটা পোস্ট দিলো বানোয়াট টেক্সট নিয়ে, বাস্‌... আর যায় কোথায়... সেইটাই ধ্রুব সত্য হয়ে এখন সকলের কাছে ধরা দিলো...

হাহাহাহা!!

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১৯

পি মুন্সী বলেছেন: থ্যঙ্কউ আরিফ।

৬১| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৫

আরিফুর রহমান বলেছেন: তবে দুঃখ লাগে আমাদের 'উর্বর' মস্তিষ্ক সমুহ যেভাবে বাম ঠেকানোর সংগ্রামে নেমে পড়েছে, সেখানে মুসলিম আওয়ামী বিপ্লবদীদের আসল মোটিভ দেশ রক্ষা নাকি ধর্ম 'রক্ষা' সেটা পরিষ্কার করেও বলৈ না তারা...

আরে বাবা, যেখানে তোমাদের মকসেদ ওই একটাই, মানে পরকাল নিশ্চিতকরন.. সেখানে দেশ/মুক্তিযুদ্ধ/স্বাধীনতা এইসব ভারী ভারী শব্দ এনে খামোকা নিজেদের কনফিউজ করার কি দরকার....


সোজা বললেই তো হয়, জামাত/শিবির/হিজু/মুসলিম আওয়ামী আমরা সবাই একই লক্ষ্যে প্রাণপাত করছি...

জাস্ট নাম টাই ভিন্ন...

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩০

পি মুন্সী বলেছেন: এবার বোধহয় আমিই কনফিউজড হয়ে যাচ্ছি।
যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে।

৬২| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০৮

মনজুরুল হক বলেছেন:

@অমি রহমান পিয়াল। আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে কয়েকটা অনুঘটক বলে নিলে সুবিধে হবে।
১। শেখ হাসিনার প্রথম পাঁচ আর এখনকার ছ'মাস বাদে পুরো সময়ে আমার কলাম পড়ে যে কেউ মনে করতে পারেন আমি "বর্ণ আওয়ামী লীগার"।
২। ২০০১ এর নির্বাচনে পরাজয়ের পর শেখ হাসিনারে নিয়া আমার একটা লেখা পড়ে তিনি কেঁদেছিলেন। ভাষ্য তোফায়েল ভাইয়ের।
৩। ফখরুদ্দীনের "মাইনাস-টু" এর বিরোধীতা করে আমার লেখার পর যত আ.লীগ কর্মীর চিঠি আর ফোন পেয়েছি তা যদি আমি সেলিব্রেটি হতাম তাহলে তা নিয়ে একটা টিভি শো হতে পারত!
৪। আমি বিএনপি'র ঘোর বিরোধী, কিন্তু বিশেষ পরিস্থিতিতে খালেদার মুক্তিও চেয়েছি। এই প্রসঙ্গে বন্ধু নুরুল কবির বলছিলেন- দেখো, আমারা কোন পরিস্থিতিতে এদেরও মুক্তি চাইছি! এখানে "পরিস্থিতি" একটা ফ্রাক্টর।

অথচ পিয়াল, আমি আওয়ামী লীগ করি না। রাজনীতিতে দুই আর দুইয়ে চার হয়, কিন্তু দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদে তা হয়না। এক ভেঙ্গে দুই হয়। যাক সে প্রসঙ্গ। এবার সরাসরি আপনার প্রশ্নে আসি।

না। আমার সাংবাদিকতার সোর্স এবং রাজনীতির খোঁজখবর পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে যতটুকু জানি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির কোন গণসংগঠন নেই।

ল্যাম্পপোস্ট প্রথম লাইম লাইটে আসে ২০০৬ সালে "ক্রসফায়ার" এর বিরুদ্ধে প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। এর পর ড.হুমায়ূন আজাদের উপর হামলা, তার মৃত্যু নিয়ে তারা জেএমবি, হিজবুত,জামাতের বিরোধীতায় নামে। এদের আরো অনেক কাজ আছে যা এমনকি হারমোনিয়াম পার্টি খ্যাত ইউনিয়নও করেনি।

ম্যাসেজ নিয়ে আপনাদের বুলস আই হিট করার প্রবনতা দেখে অবাক হচ্ছি। আনোয়ার কবিরের তথ্যচিত্র নিয়ে কাজ করার পরওকি আপনার মনে হয়না যে, মোবাইল ম্যাসেজ এর গ্রহনযোগ্য কোথায়? আপনাকে কিন্তু আমি রাসেলের কাতারে ফেলি না।

অধিকন্তু, লালগড় নিয়ে বাংলাদেশে, (এই ব্লগেও কমপক্ষে ৩ টি লেখা আছে) অনেক লেখা-লেখি এবং বাদ-প্রতিবাদ হয়েছে। আরো হবে হয়ত। নেপালের বিষয়েও হয়। এখন এর সাথে ল্যাম্পপোস্টকে জড়িয়ে নেবার এই ট্রেইন্ডটাও একধরণের জার্নালিজম। তবে তার নাম "সার্চিং স্ক্রপ"। যে কাজটা আ.লীগের গত আমলে প্রথম আলো করেছিল সাংবাদিক টিপু কে নিয়ে। মনে আছে নিশ্চই আপনার।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৩

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল।

৬৩| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ মনজু ভাই। ল্যাম্পপোস্ট নিয়ে প্রতিবেদনটাও টিপুর করা। এসএমএস এর গ্রহণযোগ্যতা এই কারণে যে যেই মোবাইল থেকে এসএমএসগুলো (তারিখ ওয়াইজ) ফরওয়ার্ড হয়ে এসেছে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন নেই। তারপরও আপনে যখন বলছেন ম্যাসেজ ভুয়া তখন আর কিছু বলার নাই। আপনাকে সম্মান দেখিয়েই এই পোস্টে আর তর্ক করা থেকে বিরত থাকলাম

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১৭

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল।

৬৪| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৬

রামন বলেছেন: লেখক বলেছেন> লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটাকে একটা দলবাজি বক্তব্য হিসাবে নেওয়া ছাড়া কোন পথ রাখলেন না।

"তারা জানে এই ফালতু আন্দোলন দিয়ে টিপাই বাঁধ নির্মান বন্ধ করতে পারবে না" - এই কথাটা বুঝিনি।
আপনি কী মনে করেন বাংলাদেশের স্বার্থে টিপাই বাঁধ নির্মান বন্ধ করা দরকার? হাসিনা তাই করতে চাচ্ছে?

রামন বলেছেন >>আমার নিরপেক্ষ মতমতকে যদি আপনার নিকট দলবাজী মনে হয় তবে তাহলে আমার কিছুই করার নেই। আমি বাঁধ নির্মান প্রকল্পের পক্ষে বা বিপক্ষে কিছুই বলি নাই, আপনার পোষ্টের বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে প্রসঙ্গত ল্যাম্পুসহ কিছু রাজনৈতিক দল কর্তৃক টিপাই বাঁধ নির্মান প্রকল্পের বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলনের ধরনের বিপক্ষে আমার মতামত দিয়েছি, যেহেতু লেখাটি আপনি ভাল করে পড়ে দেখেন নাই তাই স্বভাবতই ধরে নিয়েছেন আমি কোনো দলীয় বা ভারতীয় দালাল গোষ্ঠি বিশেষ।

টিপাইমুখ বাঁধ সমস্যা সম্প্রতি কালে জনগনের নিকট উঠে এসেছে ,গত বছর এই বিষয় নিয়ে একটি শব্দ অবধি শুনি নাই। যখনি এটি পত্রপত্রিকা ও গনমাধ্যমে প্রচারিত শুরু হলো তখন অতি উৎসাহি একটি মহল দ্রুত এটিকে রাজনৈতিক ফয়দা লুটার হাতিয়ার হিসেবে গ্রহন করলো। জাতীয় সমস্যাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যাবহার করা হলো, জনগনের সম্মতি না নিয়ে তাদের খুশিমত আন্দোলনের নামে উস্কানী মূলক বক্তব্য এবং কর্মসূচী দেয়া হল। দেশে জনগনের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে বুড়ো আঙ্গুলি দেখানো হলো। সরকার উৎখাতের হুমকি দেয়া সহ একটি দেশের দূতাবাস লুটের পরিকল্পনা করা হলো। আপনি কি মনে করেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আন্দোলন এভাবে হয় ? না, এটি কোন আন্দোলনের পর্যায়ে পড়ে না এবং এ সকল সুযোগ সন্ধানীরা টিপাই বাঁধ প্রকল্পের বিপক্ষে দেশের আপামর জনগনের প্রতিনীধিত্ব করে না।

ভাই, আমি এ দেশের সন্তান, আর আমার দেশপ্রেমের কোনো কমতি নেই, আমি আমার অন্তর থেকে তাই মনে করি। দেশ ও জাতীর জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন কিছু আমি কখোনো চাইব না, হোক সেটি দেশের বাহিরে বা দেশের ভেতর।

বর্তমান সরকার জনগনের দেয়া রায়ে ক্ষমতায় এসেছে। অবস্যই আমার আস্হা আছে এই সরকার ক্ষমতাধর ভারতের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি মিমাংসায় পৌঁছবে। ধন্যবাদ।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৬

পি মুন্সী বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৫| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮

শয়তান বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষন এ রাখলাম ।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল।

৬৬| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫১

মনজুরুল হক বলেছেন:

@পিয়াল। আপনি জানেন বোধহয়, আদালতে টেলিফোনিক ম্যাসেজ এভিডেন্স হিসেবে গৃহিত হয় না।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪২

পি মুন্সী বলেছেন: মনজুর এই পয়েন্টটার চেয়ে নীচে অসম সাহসের ৮০ নম্বর মন্তব্যের পয়েন্ট

"এই এসএমএসটা পাবলিকলি সার্কুলেটেড কিছু না। এটি হচ্ছে মাওবাদের সমর্থক ও সক্রিয় ব্যক্তিদের জন্য। সেটা আমিও পাইছি। তাদের প্রচার পত্রটাই জনারণ্যে প্রচারের জন্য" - এরা বেশি শক্ত।

৬৭| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৫

বল বীর বলেছেন:

মনজুরুল হক ভাইয়ের ৫৭ নম্বর মন্তব্যের পরে আর কিছু বলার নাই।

ধন্যবাদ পি মুন্সি ভাই।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

পি মুন্সী বলেছেন: ধন্যবাদ নিলাম।

৬৮| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৫

শয়তান বলেছেন: মনজু ভাইয়ের শেষ কমেন্টটা ঠিক বুঝলাম না । আদালতে টেলিফোনিক ম্যাসেজ এভিডেন্স হিসেবে গৃহিত না হৈলে সরকার কেন টেলিফোনে আড়িপাতার আইন তৈরি করল ? গোয়েন্দাবৃত্তির শেষ পরিনতি কি আদালতে গমন না ? নাকি এমনি এমনি ?

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৮

পি মুন্সী বলেছেন: টেলিফোনে কথার রেকর্ড আপনাকে শুনিয়ে নিয়ে যখন ইনটেরোগেশন শুরু করবে, সেটার কথা ভাবুন।

৬৯| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৯

এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন: রাসেল ভাই তার ব্লগে মারাত্মক সব লেহা দিছে। এই পোস্টটা পইড়া মনে হইল মুন্সী ভাই উনার লেহাটা এহনও পড়েন নাই। রাসেল ভাই তার পোস্টে (এখানকার মন্তব্যেও) বুঝায়া দিছেন যে গর্ধভ বাঙ্গাল গুলা এত বেশি ভারত বিদ্বেসিতে আক্রান্ত যে তারা একটা ভাল কাজ করতে চাইলেও বাঙ্গাল গুলারে বুঝান যায় না। কি আর করবেন আমি নিজেও মুন্সী ভাইয়ের পোস্টটা আর ফারুক ওয়াসিফ ভাইসহ আরও অনেকের মারাত্মক সব মন্তব্য পইড়া বেকুব বনছিলাম।

টিপাইমুখটা কেন করা হইতেছে তা ভাল কইরা না জাইনাই এর বিরুদ্ধে আমাগো কথা কওন বোকামি অইব। এইডা করাই হইছে শুষ্ক মওসুমে নদীতে পানির প্রবাহ বাড়ানো আর একই মওসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো (যহন বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকে)। আরও সুবিধা হইল বর্ষা মওসুমে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করিয়া বন্যার প্রকোপ কমানো (দিগন্তদার অসাধারন ক্যাচ)। অথচ এরকম সুবিধা সম্পন্ন একটা দামী প্রজেক্ট (হ ভারতের নিজের টাহায়) যেখান থাইকা আমরা সব সুবিধাই ভোগ করুম (খালি বিদ্যুৎটা কিনন লাগবো) সেখানে অবুঝ বাঙ্গাল গো লাইগা (কিছু গর্ধভ ভারতীয়রাও এগরলগে গলা মিলাইয়া চলতাছে) প্রজেক্টটা পিছাইতাছে, এতে ক্ষতিটা আমগোই বেশী। এরা বুঝতাছেনা যে ফারাক্কা বাঁধের লাইগাই বন্যার প্রকোপ অনেকটা কমিয়া যাইতেছে যা কিনা বঙ্গবন্ধু ছাড়া খুব কম মানুষেই বুঝছে। এমনিতেই আমাগো নাই বিদ্যুৎ, না আছে উহার কেন্দ্র বসাইবার মত টাহা, তারপরও মুন্সী আর ফারুক ভাইয়ের (আরও অনেকেই আছেন মনে হইতেছে) এইরকম উল্টা চলার কি মানে তা আল্লাহই জানে। হয়তো এর লাইগ্যাই আমরা বাঙ্গালরা এত পিছাইয়া আছি।

বামের সংগঠন কি কম আছেনি যে নতুন কইরা ল্যাম্পোস্ট নিয়া আসা লাগবো। নাকি হেরা স্পিশাল ট্রেনিং নিয়া গজাইছে। এইডা আসলে আলীগের পিছনে লাগা ছাড়া আর কি কওন যায়, যেহানে সরকার বিদ্যুৎ আর শুষ্ক মওসুমে পানি নিয়া বিপদের মধ্যে আছে। আপনারা যারা আলীগের উপর ডুগডুগি বাজাইতেছেন তারা একবার ভাল কইরা চিন্তা কইরা দেখেন নিজেগো কতবড় ক্ষতিটাই না করতাছেন।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫০

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল বলেছেন ভাইয়া/আপা।

তো আপনি বলছেন, আপনার রাসেল ভাইয়া টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক হয়ে "তার ব্লগে মারাত্মক সব লেহা দিছে"। রাসেল ভাইয়ের পোষ্ট পড়ে আপনার মনে হয়েছে একথা। আর আমরা বাঙ্গালগুলা তার লেখাও পড়ি নাই, এমনকি "তার পোস্টে (এখানকার মন্তব্যেও) বুঝায়া দিছেন যে গর্ধভ বাঙ্গাল গুলা এত বেশি ভারত বিদ্বেসিতে আক্রান্ত" যে আমরা "নিজেগো কতবড় ক্ষতিটাই না" করতাছি এটা বুঝি নাই।

কিন্তু ভাই/আপাজান আপনার রাসেল ভাইয়া তো উনারে আমি বাঁধের সমর্থক বলাতে উনি খুব মাইন্ড করছেন। বলছেন, "যখন আমাকে একটা পক্ষে ফেলে দিয়ে নিশ্চিত ভাবেই" আমি বিদায় নিছি, ঠিক কাজটা করি নাই। উপরে ৩ নম্বর মন্তব্য দেখেন।

আরও বলছেন, উনিও মোকাবিলা করতে চান তবে তফাৎটা হইল, "ল্যাম্পপোষ্টের ধরণটা উনার পছন্দ হয় নাই"। উনার আমাদের সাথে বিরোধটা হইল, "লড়াইয়ের পন্থা নিয়া বিরোধ"। ৫৩ নম্বররে উনার মন্তব্য দেখুন, বলছেন,
"আমার পোষ্টও ছিলো সমস্যা মোকাবেলার ধরণটা নিয়াই, ল্যাম্পপোষ্টের ধরণটা আমার পছন্দ হয় নাই, কিন্তু আপ্নে আমারে নিয়া যতটা আলোচনা কইরা ফেলাইলেন, পি মুন্সী যেইভাবে আমার মনের গলি ঘুপচিতে ঘুইরা একটা সিদ্ধান্তমূলক জবানবন্দী নামায়া দিলো, সেই আলোচনায়ও আমি কইছিলাম এইটা লড়াইয়ের পন্থা নিয়া বিরোধ। প্রতিরোধ ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে হওয়া একটা প্রতিরোধের ধরণ, অন্য কোনো জায়গা থেকে শুরু করাও প্রতিরোধের ধরণ"।

এর মানে হইল, উনিও আসলে লড়াইয়ে আছেন, "প্রতিরোধের ধরণ" আছেন তবে ল্যাম্পপোষ্টের ধরণটা উনার পছন্দ হয় নাই।

তাহলে এখন কে কার কী হইল? কার খালু কে হইল? আপনি বা কোথায় রইলেন? আপনিই বুইঝা দ্যাখেন।

ভাই আমরা রাসেল ভাইরে নিয়া বড় বিপদে আছি। আপনারে একটা পরামর্শ দেই, আপনি আর এর ভিতরে আলু পোড়া দিয়েন না। রাসেল ভাইয়ের কান্ধে বন্ধুক রাইখা ফুটায়েন না। নিজের বন্ধুক নিজেই লইয়া পরে আবার আসেন। রাসেল ভাই বড় বিপদে আছে। আর ঝামেলা কইরেন না।


৭০| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৫

আরিফুর রহমান বলেছেন: শয়তান,

'রেকর্ডেড ভয়েস কনভার্সেশন' আর 'বেস্ট এফোর্ট ডেলিভারি শর্ট মেসেজের মাঝে কিছু ভিন্নতা আছে, আদালতে এভিডেন্স হিসেবে দিতে গেলে...


'আমার ফোনে এই দেখেন একটা মেসেজ আছে...' এটাকে এভিডেন্স হিসেবে আদালত এখনো নেয় না।

তবে বোকা বাঙালীর দেশে ল্যাম্পপোস্ট এসএমএস ঘটিত প্রপাগান্ডাটা বেশ ভালোই জমতে পারতো...

৭১| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৬

মনজুরুল হক বলেছেন:

@শয়তান। গোয়েন্দাবৃত্তির শেষ পরিনতি আদালতে গমন না। ওই এভিডেন্স হাতে রাইখ্যা বাঁশডলা দেওয়া।

৭২| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২২

আরিফুর রহমান বলেছেন: আম্গো পাঁচ দিন আগে জন্মানো ট্যাঁ ট্যাঁ মিঞা কৈলো (উনশইত্তর লাম্বার কমেনে)

''....এইডা করাই হইছে শুষ্ক মওসুমে নদীতে পানির প্রবাহ বাড়ানো....''


ওই মিঞাভাই.... হুগনা মউসুমে পানির প্রবাহ বাড়ে কেমতে, কইঞ্চেন দেহি...

ধরেন কতার কতা.. আমি যদি একটা পুকুর বানাই.. হুগনার টাইমে যহন বেবাকতের গলা হুগায়া কাড..., আমি কি আমার পানি 'প্রবাহ বাড়ামু' মাইনষের লাইগা? নাকি নিজে ইউঝ করুম..


বলদের বলদ, কৈঞ্চেন দেহি...


আর এই আওয়ামী মোছলেম বলদগুলারে জিগাই.. শালার পুত শালারা, তগোরে কয় ট্যাগা দিয়া কিনা নিছে, ক তো?

তরা তো রাজাকারের চাইতে্‌ও বড় রাজাকার, দেশ মইরা জাইবো, আর চুথিয়া বদমাইশ তোরা আইসস টিপাইমুখের দালালী করতে...

দুরে গিয়া মর...

৭৩| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২২

শয়তান বলেছেন:
@আরিফুর রহমান আমি আসলে 'রেকর্ডেড ভয়েস কনভার্সেশন' টারেই মীন করতে চাইসিলাম । নয়ত কে না জানে চাইলে আপনার সেল নং এ আমি বিল গেটস এর নামে সর্ট ম্যাসেজ সেন্ড করে দিতে পারি শুধু কয়েকটা ট্রিক্সের প্রয়োজন ।

@মনজুভাই ধন্যবাদ এখনও যে আদালতের মাথায় ঘিলু আছে তার জন্য ।

৭৪| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৯

এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন: @আরিফুর রহমান: আপনার কথা শুইনাই বুঝলাম বাঙ্গাল আর কারে কয়। আপনেগো মত পাবলিকের মাথার মধ্যে যদি ঘিলু থাকতো তাইলেও কিছু বুঝতো টিপাইমুখে কি করা হইতেছে। দিগন্তদা ঘুমাইয়া যাওয়ায় আমারেই এহন আপনের মত বাঙ্গালরে বুঝাইতে অইব (গালিগালাজ ছাড়াতো মাথার ঘিলুতে আর কিছু নাই)।

ঐহানে ড্যামের মধ্যে বর্ষায় পানি জমানো হইব (যার কারনে বন্যাও কইমা যাইব), সেই পানি যখন গ্রীষ্মে ছাড়া হইব তখন তাতো আর আপনের বাড়ির পুকুরে যাইব না, নদী দিয়াই বাইর হইব। তখন আমগো দেশের নদীতেও পানি থাকবো, আর আমগো কৃষক বেশি বেশি ফসল ফলাইব। এই খাদ্য তো তহন ঠিকই গিলবেন।

না বুঝলে দিগন্তদারে একবার জিগাইয়া লইয়েন। ঘিলু কমওয়ালা পাবলিকরে বুঝান যে কত কষ্ট তা আপনে বুঝবেন কেমনে?

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১০

পি মুন্সী বলেছেন: এর আগের মন্তব্যে একটা খুব দামি কথা কইছেন, বলেছেন,
"এরা বুঝতাছেনা যে ফারাক্কা বাঁধের লাইগাই বন্যার প্রকোপ অনেকটা কমিয়া যাইতেছে যা কিনা বঙ্গবন্ধু ছাড়া খুব কম মানুষেই বুঝছে"।

এক্কেরে খাটি কথা কইছেন। পদ্মা পাড়ের লোকজন এই খাটি কথাটা বুঝে নাই। খালি শুকাইয়া মরার আওয়াজ তুলছে।
তয় হাসিনা বেটি আবার পানির জন্য আওয়াজ উঠায়ে ১৯৯৬ সালে চুক্তি করে পানি আনছে বলে ফুটানি কেন যে দেখায় বুঝলাম না।

যাই হোক, কী করবেন সব মাপ করে দেন।

তো দাদার বাড়িটা ভারতের কোথায় যেন?

এরপর দিগন্তদাদারেই পাঠায়েন, কিন্তু ঠিক আছে?

৭৫| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

৫৭ নাম্বার কমেন্ট এর জন্য মনজুরুল ভাই আপনাকে স্যালুট ।

আপনি সঠিক জায়গা ধরে এগুচ্ছেন ।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৮

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল

৭৬| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫২

আরিফুর রহমান বলেছেন: এই দিগন্তডা কেডা?

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১২

পি মুন্সী বলেছেন: উপরে ৭৩ দেখুন।

৭৭| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪

আরিফুর রহমান বলেছেন: আওয়ামী মোছলেম লীগারগো লাইগা একটা পোস্ট দিলাম..

http://www.amarblog.com/arifuk/68583

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল করছেন।

৭৮| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১৯

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
@ পি মুন্সী

দিগন্ত দাদার সঙ্গে এইখানে কিঞ্চিত বাতচিৎ হইছিলো ।

এইভাবে ভারতের ঋণ শোধ দেবার ফতোয়াকে অস্বীকার করি

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:১৬

পি মুন্সী বলেছেন: ব্লগে আসাটা দাদার সরকারি চাকরি সূত্রে।
তাই কি করবেন।
মাপ করে দ্যান।

৭৯| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

রাসেল ( ........) বলেছেন: মঞ্জুরুল ভাই, এই যে সিদ্ধান্তমূলক বক্তব্য সেইটা আমার না। পি মুন্সীর। পি মুন্সি যদি মনে করে আমি টিপাইমুখের সমর্থক, সেইটা নিয়া বাহাস করা আমার উজবুকের সাথে আলোচনা করবার অনীহা। এইখানে পি মুন্সীর সাথে বাতচিত আমি করছি না, পি মুন্সী নিজে নিজেই আলোচনায় ঢুকবার চেষ্টা করছে।

আপনের যদি তাগোরে ভালো মনে হয়, তাইলে তারা আপনের কাছে ভালো। সেই ভালো লাগা আপনি আপনার ভিত্রে ভইরা রাখেন, আমার ভালো না লাগা আমি আমার ভিত্রে রাখি। সেইটাই সবচেয়ে ভালো পন্থা। কিন্তু সস্তা আবাল টাইপ সিদ্ধান্তমূলক জবানবন্দী দিয়া দেওয়া কিংবা আপনার সার্টিফিকেটের খুব বেশী মূল্য আমার কাছে নাই।

আপনের সার্টিফিকেটের মূল্যায়ন যারা করে তাদের কাছে পয়গম্বর সাইজা থাকেন সেইটা আপনের জন্য ভালো, আপনে আমার পয়গম্বর না।

যাউক গা সেইটা আপনের নিজস্ব মনোবিকীলন হইতে পারে, বাঁধে সাধারণ মানুষ উপকৃত হইছে কি হয় নাই এইটা নিয়া বিতর্ক এক জিনিষ, কিন্তু সেইটার সাথে ল্যাম্পপোষ্টের গিট্টু দিয়া আমার মনের গলিতে উপগলিতে গিয়া একটা সিদ্ধান্ত দিয়া দেওয়া আরেক জিনিষ। আপনে আচরণগত দিক থেইক্যা ধর্মীয় গুরু কিংবা ষন্ডার আচরণ করতেছেন আর মুখে এনার্কিস্ট একটা ভড়ং ধরছেন।

যেকোনো একটা চর্চা করেন, সেইটা আমার জন্য সুবিধাজনক হয়, আপনে যদি মনে করেন আপনে ফতোয়া দেওয়ার অধিকার রাখেন, যেকোনো কাউরে বিপ্লবী, না বিপ্লবী, নিমবিপ্লবী কওনের অধিকার রাখেন এবং সেইটা অন্য সবাইরে বিনা বাক্য ব্যয়ে মাইন্যা নিতে হইবো, সেইটার সাথে মুহাম্মদের তরিকার পার্থক্য নাই পদ্ধতিগত এবং প্রায়োগিক দিক থেইক্যা।

আপনে ল্যাম্পপোষ্টের ভালো পান, সেইটা নিয়া আমি হুজ্জতি করছি কোথাও গিয়া? আপ্নের ভালো লাগা যেমন আপনার মতের প্রকাশ, সেইখানে গিয়া আমি কিছু কই নাই, আমার ভালো না লাগাটাও আমার মতের প্রকাশ, সেইটাও আমার চর্চা করার স্বাধীনতা দেওয়া ভালো।

মত প্রকাশের স্বাধীনতা, দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতা- এইসব বানী মুখে কইলে হয় না, চর্চাতে আনতে হয়, ধর্মীয় গুরু, কিংবা নাস্তিকদের পৌরোহিত্ব কিংবা এমন কোনো পয়গম্বর হইয়া যাওনের খায়েশ থাকলে সেইটাও বলেন, আমি প্রতিদিন নির্দ্বিধায় আপনের পায়ে বেলী ফুলের মালা দিয়া পূজা কইরা আসবো।

১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

পি মুন্সী বলেছেন: সকালে উঠে আবার গালাগালির রাস্তাই ধরলেন?

পোষ্ট টা আমার ফলে আমি তো না চাইলেও ঢুকে আছি এবং থাকব।
আমি ছাড়াও অনেকেই সরাসরি প্রশ্ন করেছে সেসব পয়েন্ট যাবার সাহস না থাকলে ঐ পরিস্হিতিতে বুদ্ধিমানেরা চুপ করে যায়। কারণ না হলে নিজের দূর্দশা নাকানি চুবানি আরও বাড়ে।

৮০| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২৯

অসম সাহস বলেছেন: ল্যাম্পপোস্ট বিষয়ে পিয়াল যে পয়েন্ট উত্থাপন করছেন তারে জোচ্চরি মনে করি। তার চরিত্রের একটা মাহাত্য হচ্ছে তিনি নিজের পক্ষে যদি কোন তথ্যকে যেন তেনভাবে ব্যবহার করার সুযোগ পান তাহলে তিনি লাফালালি করতে ছাড়েন না। তিনি একটি মোবাইল ম্যাসেজকে উপলক্ষ করে বলতে চাচ্ছেন ঐদিন ল্যাম্পপোস্ট লালগড় নিয়া আন্দোলন করতে গেছিলো। ধরা খেয়ে তারা টিপাইমুখকে ইস্যু করছে। এই মিথ্যাচারের জন্য আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। ও এমন বক্তব্য দিয়েছে- ‌ল্যাম্পপোস্ট বিক্ষোভ করতে গেছে লালগড়ে মাওবাদীদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে। পুলিশ তাদের পিটানো এবং গ্রেফতারের পর তারা টিপাইমুখকে সামনে নিয়া আসছে। সেইটা সত্যি বইলা প্রচার করা হইতেছে। এইটা রাজনৈতিক কৌশলের দিক দিয়া হয়তো সঠিক, কিন্তু নৈতিকতার দিক দিয়া অন্যায়।'
কিন্তু সেই দিন ল্যাম্পপোস্ট বিক্ষোভকালে যে প্রচারপত্র বিলি করেছে তাতে তারা ৭ টি বিষয়ে আওয়াজ তুলার কথা বলছিলো। এর মধ্যে রয়েছে
১. অবিলম্বে পিনাকরঞ্জনকে ভারতে ফেরত পাঠাতে হবে ও আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে এবং দেশের বুদ্ধিজীবীদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের জন্য ভারত সরকারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা চাইতে হবে।
২. টিপাইমুখ বাঁধ যা কিনা উভয় দেশের ভবিষ্যত বিনষ্টকারী, পরিবেশ বৈরী, মানব সভ্যতার জন্য হুমকি স্বরূপ তা নির্মাণ প্রতিরোধে সব ধরণের পদক্ষেপ নিতে হবে।
৩. ট্রানজিটের নামে করিডোর চক্রান্ত বন্ধ করতে হবে।
৪. বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা দক্ষিণ তালপট্টি থেকে ভারতীয় নৌবাহিনীকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
৫. লালগড়ে মাওবাদীদের সমর্থন করার জন্য সাংস্কৃতিক কর্মী ও প্রগতিশীলদের হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
৬. দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থে পুলিশিরাষ্ট্র বানানোর চক্রান্তকে রুখে দাড়ান।
৭. সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদবিরোধী নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লবের লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হোন।

ব্লগার বন্ধুগণ খেয়াল করলে দেখবেন ল্যাম্পপোস্ট লালগড় ইস্যুটি উত্থাপন করেছে ৫ নম্বরে। এর আগে তারা বাংলাদেশের কথাই বলেছে। অথচ এসব দাবিকে চেপে রেখে পিয়াল বলছে তারা ধরা খেয়ে টিপাইমুখ ইস্যুকে সামনে নিয়ে আসছে। এই জঘন্য মিথ্যাচারের মাধ্যমে পিয়াল নিজের দালালীর চরিত্রটাকে জায়েজ করতে চায়। এ জন্য সে একটা মোবাইল এসএমএসকে দলিল হিসেবে খাড়া করেছে। কিন্তু তার মনে রাখা উচিত এই এসএমএসটা পাবলিকলি সার্কুলেটেড কিছু না। এটি হচ্ছে মাওবাদের সমর্থক ও সক্রিয় ব্যক্তিদের জন্য। সেটা আমিও পাইছি। তাদের প্রচার পত্রটাই জনারণ্যে প্রচারের জন্য।
এসএমএসের সূত্র ধরে পিয়াল হয়তো লাফালাফি করবে। কিন্তু পিয়ালকে বলতে চাই- আপনার নিজের বহুল চর্চিত যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতো আপনার কোন আদর্শিক অবস্থান নয়। আপনি এটিকে নিজের আর্থিক সমৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করছেন। কিন্তু এই ব্লগে ও অন্যত্র আমরা সবাই আপনার যুদ্ধাপরাধ ইস্যুকে জনগণের জায়গা থেকেই বিচার করেছি। আপনি কোথা থেকে কী পান সেটা কিন্তু কেউ না কেউ জানে। মনে রাখবেন মুক্তিযুদ্ধ ইস্যুর জন্য তারা যেমন টাকা ঢালে তেমনি ইসলাম ইস্যুতেও একই জায়গা থেকেও টাকা ঢালা হয়। বাংলাদেশে এমন কিছু লোক থাকা অসম্ভব নয় যারা নির্ধারণ করে দেন কাকে কোন ইস্যুতে টাকা দেয়া হবে। আপনার অবস্থানটা কিন্তু সেই নির্ধারণে অনেক নিচে। এনিয়ে কোন ঘাটাঘাটি করার রুচিই আমাদের ছিলো না। আপনি টাকার জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের অর্থায়নে পরিচালিত সংবাদপত্রেও বেগাড় খাটতে পারেন। বিএনপির হাতকে শক্তিশালী করার জন্য মেহনত করতে পারেন। আপনি পর্নোসাইটের মডু্ও হতে পারেন।
আর ল্যাম্পপোস্ট্ভই একমাত্র সংগঠন না যারা লালগড় ইস্যুতে ভারতীয় দূতাবাসের বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে যাওয়ায় প্রথম আলো ভুল রিপোর্ট করেছে। বরং এর আগেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন কোন সংগঠন নিয়ে প্রথম আলো বিকৃত রিপোর্ট ছেপেছিলো। একই সাথে প্রথম আলো ডিজিএফআই ও ছাত্রদলের ক্যাডার ও জঙ্গীদের সাথে মিলেমিশে কোন কোন ছাত্রকে রাজনীতির মাঠ থেকে নির্বাসনে যেতে বাধ্য করেছিলো।

এখন সময় এসেছে পিয়ালদের এই বিকৃতি ও দালালীকে প্রতিরোধ করার। সবাই দলে দলে, জনে জনে এদের প্রতিহত করুন।

৮১| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

শিরোনাম বলেছেন: শিরোণাম ভাইটি যেমন লাফাইতাছে, তাতে মনে হইতাছে বৃষ্টি শুরু হইছে, ব্যাঙাচির মনে অনেক আনন্দ। (ডটু রাসেলের ৫৩ নং মন্তব্যে)

@রাসেল ( ........)

প্রশ্নের প্রাসঙ্কিগতায় আসতে সাহস পাননা। হুদাহুদি কুত্তার মতো হাড্ডি নিয়া লাফালাফি কইরেন না।

৮২| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অসম সাহস@ হায় হায় সব ফাস কইরা দিলেন :(

৮৩| ১৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:২৯

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: পি মুন্সী @ আপনার উদ্দেশ্য এখন পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে। কারো মতে একটু ভিন্নতা দেখা গেলেই তাকে প্রতিমন্তব্যে আক্রমণ করছেন- দাদা-ভাদা বলে। আবার রাসেলের করা কয়েকটি মন্তব্যের ভাষা নিয়ে বেশ উষ্মাও প্রকাশ করেছেন। বোঝা যাচ্ছে, বেশ অস্থিরতা যাচ্ছে। খোদ লাল ঝাণ্ডাই যেখানে ক্রমশ ফ্যাকাসে হয়ে উঠছে, আপনার আর কী দোষ!

ল্যাম্পপোস্টের এসএমএস প্রকাশের পর এখন আপনারা পিছলাতে পিছলাতে আদালতে গিয়ে উপস্থিত হয়েছেন দেখা যাচ্ছে। ঠিক এ জায়গায় আমাদের অনেকেরই বুঝতে আর সমস্যা হয়নি যে, আপনারা আসলে জেগে জেগে ঘুমাচ্ছিলেন। আমরা টের পাইনি। কেউ কেউ দেখছি এসএমএসের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। হা হা হা। অভিযোগ প্রমাণের আর কী রাস্তা আছে, বাতলে দিলে ভালো হতো।
ল্যাম্পপোস্টের নাম দিয়ে চরমপন্হী মোফাখখারুলের কমিউনিস্ট পার্টির (এম-এল) সদস্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল- এ যেমন সত্য, মাওবাদীদের পক্ষে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে পুলিশী প্রহারে পরে সেটা রাতারাতি টিপাইমুখে রূপান্তরিত হয়েছে- এ প্রমাণিত সত্য।
হ্যাঁ, আদালতে হয়তো এসএমএস টেকে না। কিন্তু বিবেকের আদালতে তো এসএমএস নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা বোধহয় নেই! তার সুরাহাও তো হল না। তবে যাই হবে হোক, ভণ্ডামির বাড়তি লালে আপনাকে এই দফায় বেশ লাগছে!

১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:০৫

পি মুন্সী বলেছেন: আপনি ভুল করছেন।
আপনাকে হাল্কা লোক বলে কখনও দেখিনি।
এসএমএসের বিশ্বাসযোগ্যতা আছে কী নাই এটা আমার বিষয় নয়, কথাও নয়। রাসেলের লেখা পড়ে তা থেকে আমি দেখাতে চেয়েছি , বলেছি "ল্যাম্পপোষ্ট আপনার ইস্যু না। আপনি টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক"। বিপরীতে রাসেল বলছে আমি তাকে, "একটা পক্ষে ফেলে দিয়ে নিশ্চিত ভাবেই", বলছেন, "পি মুন্সী যেইভাবে আমার মনের গলি ঘুপচিতে ঘুইরা একটা সিদ্ধান্তমূলক জবানবন্দী নামায়া দিলো, সেই আলোচনায়ও আমি কইছিলাম এইটা লড়াইয়ের পন্থা নিয়া বিরোধ"।

এই হলো বিতর্কের সার অংশ।
অথচ আপনি ধরে আমাকেই "এসএমএসের বিশ্বাসযোগ্যতা আছে কী নাই" সেই জালে জড়ানোর চেষ্টা করছেন। কেন?
বিতর্কের সার অংশ বের করার জন্য আপনি যোগ্য বলেই মনে করি।

আপনি অবশ্য এটা দিয়েই আমার "উদ্দেশ্য এখন পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে" বলে দিয়েছেন। আপনার কাছে তা পরিস্কার হলেও ভাল না হলেও ভাল।

আমি কাউকেই দাদা বলে খোটা বা আক্রমণ করি নি, করি না। তবে প্রতি-উত্তরে থাকতে পারে যদি মন্তব্যকারী নিজেই দাদা বলে পরিচয় ব্যক্ত করে থাকেন।

মন্তব্যে গালাগালি বা কঠোর ও ব্যক্তি আক্রমাণাত্মক শব্দ ব্যবহার করলে নিজের কাছে এক ধরণের সুখ-বোধ লাগে। এতটুকুই। এর চেয়ে বেশি এতে কারই কোন লাভ হয় না। তবে ক্ষতি হয়। মানুষ জেনে যায় ওর কথার ধার নাই। যুক্তি নিয়ে নিজের পয়েন্ট তুলে ধরার যোগ্যতা তার নাই; অথবা পয়েন্টই নাই। কোনটা তার পয়েন্ট তাই বুঝে না।
নিজের চিন্তাকে নিজের সংকীর্ণ পেটি স্বার্থের উপরে স্বাধীন ও মুক্ত রাখতে না পারলে এমনটা হয়। আমি এই ভাবে বুঝি।

৮৪| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৮

আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
নিজের চিন্তাকে নিজের সংকীর্ণ পেটি স্বার্থের উপরে স্বাধীন ও মুক্ত রাখতে না পারলে এমনটা হয়।

১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩২

পি মুন্সী বলেছেন: হ্যা কথা তাই।
পেটের ভাত জোগাড় করতে আমাদেরকে অনেক কিছুই আমাদের করতে হয়, হতে পারে। আমি মানতে একপায়ে খাড়া আছি। কিন্তু সেই জন্য আমাদের চিন্তাকে তার অধীন করতে হবে, স্বজ্ঞানে বা অজ্ঞানে এই সংকীর্ণ পেটি স্বার্থের অধীন করে ফেলতে হবে - এটাই আত্মঘাতি। নিজের মানবিক সংবেদনশীলতাকে টিপে টিপে হত্যা করা।

চরম সমস্যায় আমাদের পড়তে হতেই পারে। ঐ খারাপ সময়ে চিন্তা স্বাধীন ও মুক্ত রাখা অসম্ভব হতেই পারে। কিন্তু সে পরিস্হিতিতে লেখায় লিখে নিজের সংকীর্ণ পেটি স্বার্থের অধীনতার পক্ষে কলম ধরতে হবে - এটা ক্ষমার অযোগ্য। তখন থেকে ওটা একটা জীবন্ত লাশ; যদিও বাইরে থেকে মানুষই মনে হবে কিন্তু আসলে না।

৮৫| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৫

মগ্নতা বলেছেন: মুন্সিজির এই লেখার সাথে পুরো সহমত পোষণ করতেসি। ফি-ফা, রাসেল, অমিপিয়াল- সবাইর ফতোয়াবাজি উপভোগ্য লাগতাসে না আর। Click This Link

১৭ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৫

পি মুন্সী বলেছেন: ভাল।


আপনার ঐ Click This Link -এ গিয়ে আটকে গেছিলাম।

আপনাদের দুজনের জন্য একটা একই মন্তব্য দিয়ে আসলাম।

৮৬| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১০

মনজুরুল হক বলেছেন:

মুন্সী, আপনার এই কথাটি বেশ................"মন্তব্যে গালাগালি বা কঠোর ও ব্যক্তি আক্রমাণাত্মক শব্দ ব্যবহার করলে নিজের কাছে এক ধরণের সুখ-বোধ লাগে। এতটুকুই। এর চেয়ে বেশি এতে কারই কোন লাভ হয় না। তবে ক্ষতি হয়। মানুষ জেনে যায় ওর কথার ধার নাই। যুক্তি নিয়ে নিজের পয়েন্ট তুলে ধরার যোগ্যতা তার নাই; অথবা পয়েন্টই নাই। কোনটা তার পয়েন্ট তাই বুঝে না। নিজের চিন্তাকে নিজের সংকীর্ণ পেটি স্বার্থের উপরে স্বাধীন ও মুক্ত রাখতে না পারলে এমনটা হয়।"

৫৭ নম্বর কমন্টে যে তার "যথাযথ দায়িত্ব" পালন করেছে তা এর ইন্টারেক্শন দেখেই বোঝা গেল। এর উত্তরের অন্ত:সারশূণ্যতা আর প্রলাপ পরবর্তী প্রতিউত্তর ডিমান্ড করল না।

১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৯

পি মুন্সী বলেছেন: হ্যা নিজের কাছে যে নৈতিকভাবে হেরে আছে - তাকে দেখে এটা যখন টের পাই ওর কষ্ট টা উপলব্দি করতে পারি। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও মনে রাখি সে তখন সবার জন্য সবচেয়ে ভয়ঙ্কর।
নিজের প্রিয় কুকুরটা জলাতঙ্ক রোগ হয়ে গেলে যেমন লাগে, অনেকটা সেরকম।

তবু মনজু আমার এই কথাগুলো কাউকে পারসনিফাই করে বলিনি, বলতে চাইনা। কেউ নিজেকে বিচার করতে চাইলে ভাল; নিজের মত করে নিক, নিজের সাথে নিজে।

৮৭| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২০

সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন:
অদ্ভুত!!
আমরা কোন বিবেচনা নিয়া আছি?

+

১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:০২

পি মুন্সী বলেছেন: সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধের তো এমন কথা বলার কথা না।

আমাদের দুনিয়া ও করে খাওয়ার দুনিয়াদারি তো এই রকমই। আমাদের সবার ভিতরেই একটা করে ভিলেন আছে।

এজন্যই সিদ্ধার্থের আনন্দ কাজে লেগেছিল বা গৌতম বুদ্ধ হয়ে গেছিল।

৮৮| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৭

কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন: কিছু আবালের ফাল পাড়া দেইখ্যা হাসতেই আছি =p~

১৭ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩০

পি মুন্সী বলেছেন: এমন একটা কথা কইলেন যেটা কোনদিকে গেল বুঝা মুশকিল।

৮৯| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৭

সবাক বলেছেন: মন্তব্যগুলান পইড়াতো "প" হওনের অবস্থা :(

১৭ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩২

পি মুন্সী বলেছেন: "প" হওনের অবস্থা ছুটছে?

ছুটলে কিছু বইলেন।

৯০| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হাহাহাহা। একটা জিনিস কিন্তু আমার দারুণ লাগতেছে। কৌশলগত মিত্রতা কিংবা যেইটারে বলে স্বার্থের মিত্রতা। ফিউশন ফাইভ আমার সুরে তাল দিয়া কথা কইতেছে- ব্যাপারটা ব্যক্তিগতভাবে অপমানজনক ঠেকতেছে যদিও, কিছু কইতেও পারতেছি না। আবার রাজ্যের জামাত-শিবির-হিজবুত তাহরীর আর জেএমবিমনাগুলা হুমড়ি খায়া বাহবা দিতাছে এইখানে কমরেডগো লগে- সেইটাও ভারত বিরোধিতার নীতি থাইকাই। কয়েকটারে আবার দেখতেছি নিজেরে অধিক শিক্ষিত প্রমাণে, কিংবা টাকা খরচ কইরা শিক্ষিতের মুরিদান হওয়ার আশায় বেশ ফাল পারতাছে। ব্রিটিশের গোলামীর অভ্যাস যায় নাই, কিন্তু দেশের লিগ্যা পাগলপারা। নাম নিবো মুসলমানের, গাইল পারবো ইসলামরে। তো নানা কিসিমের বাওয়াল আইসা জুটছে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায়। বর্নচোরা কারে কয় এমন একটা কাহিনী না ঘটলে অজানাই থাইকা যাইতো আসলে। (আমি কইলাম এক্কেরে প্রথম পোস্ট থিকা ভারতের দালাল আর আ(মু.)লীগ বইলা সার্টিফিকেট পাওয়া, সো নতুন কইরা নবায়নে লাভ নাই )। তো পুরানা সঙ্গী সাথীদের এই রং বদলে আসলেই আশ্চর্য্য হওয়ার কিছু দেখি না। বৃহত্তর পরিসরে এইটারেই রাজনীতি বলে।

তয় মুরুব্বী, ফিফা কিন্ত একটা ভালো পয়েন্ট ধরছে। আপনারে আঙ্গুল দিলে এই যা অসভ্য বইলা ফাল পারেন। আবার আপনার ধারণা কিংবা স্বার্থের লগে (আচ্ছা মতের বলি) যাগো মিলতেছে না, তাগোরে কেউ গাইল দিলে সেটা বেড়ে বলেছেন হয়া যাইতেছে। এইটারে সে ভন্ডামী হিসেবে আখ্যা দিলেও আমি কিতাবী ভাষায় স্ববিরোধিতাই বলবো। মনজু ভাইরে নাম ধইরা ডাকেন বইলা মুরুব্বী ডাকছি আর কি, তয় বলদা কিসিমের মানুষে সেই একই শ্রদ্ধা দিতে নারাজ আছি।

৯১| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:০২

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অসাধারণ একটা ব্রেক থ্রু দেখতেছি। তাইলে পরবর্তী পরিস্থিতিতে এখন কি প্রথম আলো পড়া উচিত হবে? মানে আব্দুর রাজ্জাক শিপনের এক পোস্টে না বইলা আসছি, এখন আপনার পোস্ট বুঝতে আবার প্রথম আলোই পড়তে হইলো। যেহেতু এইখানে সবার মনের মতো কথা এবং কার্টুন ছবি আছে, সেইক্ষেত্রে সর্বশেষ ফতোয়া এবং থিসিসে হালকা এডিট কইরা যদি আবার প্রথম আলো পড়ার অনুমতি পাওয়া যাইতো, তাইলে ভালোই হইতো। তিনদিন হইলো বেসিক আলী পড়ি না। আপনের আর কি, ফ্রি পত্রিকা পান ৬-৭টা। আমগো তো একটাই কিন্যা পড়তে হয় :(

৯২| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল পর্নোসাইট যৌবনজ্বালায় প্রতিদিনই পর্নো ভিডিও আপলোড করেন আশ্রম মামা নিকে- এটা পুরনো কথা। তার নিজেরই স্বীকারোক্তি আছে এই বিষয়ে। Click This Link ইতিমধ্যে আসল পোস্ট দেখি সে মুছে ফেলেছে। টিপাইমুখ নিয়ে উত্তপ্ত আবহাওয়ার মাঝেই তার ঘনিষ্ঠ সূত্রে জেনেছি, ইদানিং নাকি রীতিমতো পারিবারিক ঘনিষ্ঠ দৃশ্যও আপলোড হৈতেছে যৌবনজ্বালায়। স্পর্শকাতর বিষয় নিঃসন্দেহে। ব্লগে তা আলোচিতও হতে পারতো। তবে আমার কাছে এই মুহূর্তে সত্যানুসন্ধানই জরুরি। ফলে ল্যাম্পপোস্ট বিষয়ে পিয়ালের সঙ্গে আমার কথা কখনো কখনো মিলেছে।
এমনিতে পর্নোগুরুর এই ধরনের বিষয়ে (বিশেষ করে নৈতিকতা নিয়ে) কথা বলার অধিকার খারিজ করে দেওয়া যায় নিমেষেই। কিন্তু আমারও হয়েছে তার অবস্থা। না পারছি পর্নোগুরুরে খারিজ করে দেওয়ার ঘোষণা দিতে। না পারছি হজম করতে। মানুষ যতোই যৌনবুভুক্ষু হোক না কেন, নেহাৎ দায়ে না পড়লে বনশ্রীর যৌনকর্মী নিয়ে চলাফেরা কেইবা করতে চাইবে!

৯৩| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১

পি মুন্সী বলেছেন: ফিউশন ফাইভ ও অমি রহমান পিয়াল
আপনারা দুজন পরস্পর আক্রমণ শুরু করেছেন। এর সাথে পোষ্টের প্রসঙ্গের কোন সম্পর্ক নাই।

আশা করি এটা স্মরণ করিয়ে দেবার পর আপনারা দুজন সতর্ক হবেন, বিরত থাকবেন।

৯৪| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ফিউশন ফাইভের মন্তব্যে ঝাজা :) তয় কিনা ব্যাকডেটেড কমেন্ট করলা। আশ্রম ইজ ডেড ইন ১৮+। কিচ্ছু নাই ;) মাঝে মাঝে এইখানের কিছু ব্লগ ওইখানে পোস্টাই। ভালো কইরা খোজ নাও মিয়া। নাইলে তো জুলাইর খবর আগস্টে ছাপাইবা। তুমারে পুরানা ফর্মে দেইখা ভাল্লাগতেছে ঈমানে কইলাম। গা চুলকাইতাছিলো ম্যান।

অফটপিক: বি-মা মানে কি বিষাক্ত মানুষ?

৯৫| ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১১

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: পি মুন্সী @
এইটারে আপনি আক্রমণ হিসেবে ধর্তেছেন কেন? এইটারে বলতে পারেন অতীতচারণ। আপনি সতর্ক করার পর পিয়াল যেহেতু একটা মন্তব্য কৈরাই ফেলছে, আমার কী দোষ কন?

পিয়াল @
ব্যাকডেটেড কৈতেছ কেন? যৌবনজ্বালা আর আশ্রম মামা আইজকা শত শত যুবকের আইডল। এইটা তো পুরানা হবার বিষয় নহে। আর ফর্ম? হে হে হে, ফর্মে আছি সবসময়ই। সামনে যদিও একটু অনিয়মিত হয়ে যাব ব্লগে। আকাশে উড়াল দেওনের ধান্ধায় আছি। হেই মিয়া, গা সত্যিই চুলকাইতাছে নাকি? লক্ষণ কিন্তু সুবিধার নয়। তুমি তো মিয়া আমগো সবাইরে ফাসায়া দিলা মনে হৈতেছে!

৯৬| ১৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১৩

পি মুন্সী বলেছেন: আমি কারও মন্তব্য মুছি না। আমাকে বাধ্য করেন না।

৯৭| ১৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৮

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: মুন্সীজি, বেশ কিছু দিন আগে আপনার একটি পোস্ট পড়ছিলাম, তখন বেশ ব্যস্ত থাকায় বিস্তারিত আলাপ করতে পারিনি - পরে ফিরব কথা দিয়ে ভুলে বসে আছি। আজকে এ পোস্টটি দেখে মনে পড়ল।

আজকে এখানে দু'টো কথা বলি - টিপাইমুখ বাঁধ বিষয়ে এই যে ব্লগে নানামুখী বার্তা চালাচালি হচ্ছে, আক্রমণ-প্রতিআক্রমণ হচ্ছে, তাতে আসলে লাভটা হচ্ছে কার? কার স্বার্থে আমরা অমূল্য সময় ক্ষেপণ করছি? নাকি কেউ চায়ই আমরা সময় ক্ষেপণই করি কেবল?

নদীতে বৃহৎ ড্যাম পৃথিবীর কোন দেশে সার্বিক বিচারে কল্যাণ বয়ে আনেনি। ৫০-৬০ বছর আগে হয়তো ব্যাপারটা ভিন্ন ছিল, কিন্তু এখন গ্রীন হওয়া সত্ত্বেও হাইড্রো ইলেক্ট্রিসিটিকে ক্ষতিকর বলেই রায় দেয়া হয়। ফলে তার চেয়ে বেশি গুরুত্ত্ব দেয়া হচ্ছে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টকে। ভারতে সেরকম একাধিক প্ল্যান্ট আছেও। তার পরেও টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের দরকার। কেন দরকার? কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদন টিপাইমুখ মাল্টিপার্পাস ড্যাম প্রজেক্টের একটা ছুতা মাত্র! এ প্রসঙ্গে একটি তথ্য অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে, তা হলো, টিপাইমুখের সাথে সাথে ফুলেরতলে আরেকটা ব্যারেজ বানানো হবে। লক্ষ্য করুন, টিপাইমুখেরটি ড্যাম আর ফুলেরতলিরটি ব্যারেজ। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাথে সাথে আসম-মিজোরামে জল সেচও গুরুত্ত্বপূর্ণ একটি উদ্দেশ্য। কিন্তু এ প্রসঙ্গে সবার ঢাকঢাকগুড়গুড়ের কারণ হচ্ছে সেটাতে বাংলাদেশে জনবিক্ষোভ ভয়ংকর আকার ধারণ করবে। বাংলাদেশের মানুষ তিল তিল করে ফারাক্কা ব্যারেজের মূল্য দিচ্ছে এবং তা দেবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। টিপাইমুখ বাঁধের পক্ষ-বিপক্ষ নির্ধারণ করতে তাই যাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হচ্ছে তাদের থলিতে কোন বেড়াল লুকিয়ে আছে সেটা নিশ্চয় আর বুঝিয়ে বলতে হবে না।

এখন মূল ইস্যুতে জনমত গড়ে তোলা সবচেয়ে জরূরী, তাহলেই কেবল সম্ভব জনতার জন্যে প্রতিটি পক্ষকে লড়তে বাধ্য করা।

১৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৮

পি মুন্সী বলেছেন: আমি খুব খুশি হয়েছি আপনার মন্তব্য পেয়ে। এই প্রথম একজনকে পেলাম যার সাথে বাঁধ প্রসঙ্গে আমার মূল অবস্হান শেয়ার করে পারি।

আপনার মন্তব্যে আমার একটা প্রতিক্রিয়া ফারুক ওয়াসিফের আজকের পোষ্টে যোগ করেছি।দেখবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.