নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লেখালেখি একটা নেশার মত। বিভিন্ন ঘাট পেরিয়ে কর্পোরেট জগতে থিতু হওয়ার পরও তাই লিখে যাই যা মনে আসে তাই। পদ্মার ওপাড়ের মানুষ হওয়ায় জন্মগতভাবেই স্মৃতিকাতর। এ আমার দুর্বলতা নয়, অহংকার

পদ্ম পুকুর

একজন শভেনিস্ট ও স্মৃতিকাতর মানুষ

পদ্ম পুকুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রিয় বাঙালি, তুমি আর কবে বুঝবে নিজের ভালোটা?

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৩০


স্টেশন লিভ করতে পারবো না এবং ‘চাহিবামাত্র অফিসে হাজিরা দিতে বাধ্য থাকিবো’ এই শর্তে সরকারি ছুটির সাথে সাথে অফিসে আমার ডিভিশনকেও ছুটি দেওয়া হয়েছিলো। এবং ওই ‘চাহিবামাত্র...’ ক্লজ অনুযায়ী গতকাল অফিসে গেলাম।

আমার বাসাটা একটা আবাসিক এলাকার মধ্যে কানাগলির শেষের দিকে। তাই বাসা থেকে নিচে নেমে সামনে না গেলে দুনিয়ার হাল হাকিকত বোঝা মুশকিল আছে। গত কয়েকদিনের সশ্রম বাসাদণ্ডের ফলে স্বাভাবিকভাবেই বাইরে যাওয়া হয়নি, আমি তাই মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস, হেলমেট দিয়ে মুখচোখহাতমাথা ঢেকে ছুটলাম অফিস পানে।

তারপর বলাই বাহুল্য যে রাস্তাঘাটের অবস্থা দেখে যারপরনাই হতাশ! রাস্তায় রাস্তায় মানুষ, গাড়ি, রিকশা, মোটরসাইকেল, কি নেই? দরিদ্রদের সাহাযার্থে কিছু মানুষ কিছু খাবারদাবার বা স্যানিটাইজার দিচ্ছে, ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য টিসিবির ট্রাকও দেখলাম। সবাখানেই মানুষ গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেন জান বাঁচলে সামাজিক দুরত্বের নাম...

বাংলাভাষা বড়ই অদ্ভুত, এ ভাষার মত বিপরীতমূখী প্রবাদ অন্য ভাষায় আছে কি না জানিনা। একদিকে বলা হচ্ছে- ‘নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো’ অন্যদিকে বলা হচ্ছে ‘দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো’। এই বলছে ‘সকাল দেখে যায় দিন চেনা’ আবার বলছে ‘সব ভালো যার শেষ ভালো তার’। বলা হয় ‘কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলেনা’ আবার বলা হচ্ছে ‘ঝোপ বুঝে কোপ মারো’। ঠিক একইভাবে ‘আপনি বাঁচলে বাপের নাম’ এর উল্টো কথা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ লালসালুতে বলেছেন ‘জান না থাকলে ধান দিয়ে কি হবে?’

এত বৈপরীত্যের কারণেই বোধহয় বাঙালির একই যাত্রায় দুনো ফল হয়। করোনার ভয়ে কেউ ঘরে বন্দী, কেউ কেউ রাস্তায়। আমরা বীর বাঙালি, ঘরে আটকা থাকার বান্দা না, দিনে দিনে তাই রাস্তায় বাড়ছে ভীড়। মিজ সাইয়েমা হাসানের মত প্রশাসক দিয়েও কাজ হচ্ছে না। এমনিতে ‘অমুকের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ জাতীয় শ্লোগানগুলো আমাদের জাতীয় শ্লোগান!


সারাবিশ্বে করোনাভাইরাস যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাকে শুধু ‘ভয়াবহ’ বা ‘মারাত্মক’ শব্দ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না। প্রতিদিন হাজারের ঘরের নামতা পড়ে পড়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এ অবস্থায় ইতালি থেকে শুরু করে যুক্তরাজ্য, স্পেন এমনকি যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত এখন বলছে যে প্রথমদিকে করোনাকে গুরুত্ব না দেওয়াতেই তাদের এই অবস্থা। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ও সুবিধা নিয়েও দুদিন আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন যে সেদেশে যদি মৃতের সংখ্যা ২ লাখের মধ্যেও ধরে রাখা যায়, সেটাই হবে সাফল্য!! পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই ২২ লাখ মানুষ মারা যেতে পারে। এতকিছুর পরও বাঙালির যেনো হুশই হচ্ছে না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনার একমাত্র উপায় যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, আমরা তার ধারও ধারছি না। ভাইরে, আমাদের দেশে গতকাল পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৫৪ জন আর মারা গেছেন ৬ জন। সে আত্মতৃপ্তিতে যদি ঢেকুর তুলতে থাকেন তবে এই তথ্যটাও জেনে রাখুন যে এ বছরের মার্চে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ বা সর্দিকাশি, গলাব্যথা থেকে শুরু করে ব্রঙ্কাইটিস, ব্রঙ্কুইলাইটাস ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগী গত বছরের মার্চের তুলনায় ১৪ গুণ বেড়েছে!! (প্রথমালো)

এর পাশাপাশি ইদানিং খবরে দেখা যাচ্ছে যে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষ জ্বর, সর্দিকাশি এবং শ্বাসকষ্টজনিত কারণে মারা যাচ্ছে। আইইডিসিআর বলছে ওটা করোনা না। এখন আপনি আইইডিসিআর এর বক্তব্যকে শীরোধার্য মনে করে রাস্তায় রোদ খেতে বের হন, পাড়ার চায়ের দোকানে গুলতানি মারেন, আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু সমস্যা হলো, আপনি তো অন্যদেরকেও বিপদের মধ্যে ফেলে দিচ্ছেন! আপনি বীর হতেই পারেন, কিন্তু আমি তো তা নই।

সরকার ভুল করেছে, সঠিক করেছে, কিন্তু কিছু একটা তো করেছে। আপনি কি করেছেন? সরকার এখন ঘরে থাকতে বলেছে, আপনি ঘরে থাকবেন আপনার দায়িত্বে। কিন্তু আপনি তো থাকছেন না, সরকারতো পাছায় বাড়িও দিতে পারছে না, এক কান ধরাতেই দেশ তোলপাড়...

অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের অনেক দেশে কম জনসংখ্যার কারণে এম্নিতেই রাস্তায় মানুষ দেখা যায়না, তবুও তারা লকডাউন করে বসে আছে। অন্যদিকে আমাদের দেশে আয়তনের তুলনায় জনঘনত্ব অনেক বেশি। ফলে ওয়ান পার্সেন্ট মানুষও যদি ঢাকা শহরের রাস্তায় বের হয়, সেটাও অনেক। বল এখন আপনার কোর্টে।

সারাজীবন তো পরের ভুল ধরতে ধরতেই ‘বুইড়া’ হয়ে গেলাম, বহুত চা সিগ্রেটও গিললাম। বিউটি বোর্ডিং থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত আড্ডাবাজিও কম হলো না, এবার একটু ক্ষ্যামা দেন। এখনও যদি নিজের ভালোটা না বুঝতে পারেন, তাইলে ভবিষ্যতে আর বুঝার সুযোগও পাবেন না। বইল্যা দিলাম।


ছবি: প্রথম আলো অনলাইন

মন্তব্য ২৯ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদ্ম পুকুর,





অবুঝপনার ভয়াবহ চিত্র।

কি আর করবেন!!!!!!
"এবার একটু ক্ষ্যামা দেন" এছাড়া বলার আর কিছুই নেই..............

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৫০

পদ্ম পুকুর বলেছেন: কাল রাস্তায় বের হয়ে আসলেই হতাশ। রাজীব নুরের কথামত অনেকেই প্রয়োজনের তাগিদে বের হচ্ছে, কিন্তু এখন সময় প্রয়োজনটাকে মিনিমাইজ করার।

২| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৫৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ছাত্রাবস্থায় সারা বছর পড়ালেখা না করে পরীক্ষার সাতদিন আগে বই নিয়ে বসতাম। নাকে-মুখে যতোটুকু পারি প্রস্তুতি নিয়ে বলতাম, এর বেশী আর পারুম না....এখন আল্লাহ ভরসা। সরকারও সেই অবস্থায় আছে সবকিছু আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে। সমস্যা হলো, আমি আগের বছরের ভোগান্তির শিক্ষা নিয়ে পরের বছর সেই ভুল করতাম না। দেশের অনেক মানুষই সরকারের, 'আগামীবার এই ভুল আর করবো না' দেখার সুযোগ হয়তো পাবে না।

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৫৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: একদম কারেক্ট বলেছেন। পরীক্ষার আগে আমারও একই দশা হতো। আগের দিন রাতেও বইয়ে চোখ বুলিয়ে যখন মাথা ব্যথা শুরু হতো, তখন বলতাম- এখন আর বই দেখে লাভ কি? যা হবার হবে....

সমস্যা হলো, এখন ক্লাসের পরিক্ষা নয়, জীবন-মৃত্যুর পরিক্ষা। আপনি সঠিকই বলেছেন- অনেকেই পরবর্তী অবস্থা দেখার সুযোগ পাবেনা। তখন তাদের উত্তর পুরুষ গান গাইবে 'করোনারও মন্দিরে সোপানও তলে কত প্রাণ হলো বলিদান... তবুও বাঙালি হার মানবে না।

৩| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৫৮

রাফা বলেছেন: বাঙালী এখনও উপলব্দিই করতে পারছেনা করোনার ভয়াবহতা । টনক নড়ছেই না, লক ডাউনের দুই দিন না যেতেই অধৈর্য হয়ে এলাকাভিত্তিক পার্টি করার উৎসবে মেতে উঠেছে। চারিদিকে শুধু উপদেশ আর উপদেশ।মনে হোচ্ছে লক্ষ লক্ষ সাধারন মানুষ দুদিন না খেয়েই মরে যাচ্ছে।অথচ চারিদিকে দেখছি ব্যাক্তিগত উদ্দ্যগে মানুষ সাহায্য করেই যাচ্ছে।সেখানেও আবার মানবিকতা দেখাতে গিয়ে অমানবিক ফটোসেশনের প্রতিযোগিতা চলছে।

অবস্থা দৃষ্টে মনে হোচ্ছে পুরো বাংলাদেশের মানুষের অবস্থাই দিনমজুরের অবস্থায় পৌছে গেছে।একদিনের সাহায্য না পেলে অকাতরে সবাই মরে যাবে।আসলে এখন এটাই বুঝতে পারছিনা কোনটা ঠিক আর কোনটা বেঠিক।

ধন্যবাদ,প.পুকুর ।চমৎকার ভাবে কিছু তথ্য উপস্থাপনের জন্য। সামাজিক দুরত্ব নয় শারিরিক দুরত্বে থেকে নিজেকে ও অন্যকে নিরাপদ রাখুন।

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৫৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: এইটা একটা কাল্ট হয়ে গিয়েছে যে 'অসহায় মানুষ....' । তো যে পরিমাণ অসহায় মানুষ আছে, সহায় দেয়ার মানুষও সে পরিমাণ আছে এবং দিচ্ছেও । কেউ ফটোসেশন করে, কেউ নিরবে, রাতের আঁধারে। কিন্তু আমি যদি এই জরুরি সময়ে আমার প্রয়োজনটাকে সীমিত করতে না পারি, তাতে আমি নিজেরতো বহুমুখি ক্ষতি করলামই, দেশেরও ক্ষতি করলাম।

আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:০০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবিহ থাকলে আজ বলতেন
বাইশ কোটি সন্তানের, হে মুগ্ধ জননী,
রেখেছ বাঙালী করে, মানুষ কর নি।

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৫৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: এর উপরে আর কথা হয় না।

৫| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মনে হয় না কেউ শখ করে এই পরিস্থিতিতে ঘর থেকে বের হচ্ছে। প্রয়োজন তাদের ঘর থেকে বের করছে।
ক্ষুধা কি জিনিস তা কি বুঝেন? ক্ষুধার তাড়নায় তারা বের হয়েছে।

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৪৮

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আপনি ঢাকার পথে পথে ঘুরে ঘুরে ছবি তোলেন, আমারচে আপনি ভালো বলতে পারবেন ঠিক কোন অনুপ্রেরণায় এখন মানুষ রাস্তায় বের হচ্ছে। তবে মোবাইলে ভিডিও দেখারত ওই দুজনকে দেখে ঠিক মনে হয় না যে প্রয়োজনে বের হয়েছে।

আর ক্ষুধার তাড়না তো অবশ্যই আছে রাজীব ভাই। আমাদের দেশে, বিশেষ করে ঢাকায় যাদেরকে অভাবী মানুষ হিসেবে দেখি, অনেক সময় খবরে প্রকাশ পায় যে তাদের সম্পতি তথাকথিত মধ্যবৃত্তদের চেয়েও বেশি।

৬| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আসলে এভাবে স্রেফ ঘোষনা দিয়ে মানুষকে ঘরে রাখা যায় না। তাছাড়া গৃহহীনেরা যাবে কই? এ শহড়ের গৃহহীনদের কোন স্কুল বা কলেজে সাময়িক রাখার ব্যবস্থা করতে হবে, ত্রান এসব জায়গা এবং বস্তিগুলোতে পৌছে দিয়ে আসতে হবে।দরিদ্রদের যদি সঠিকভাবে গৃহবন্দী করা যায় তবে শিক্ষিত শ্রেনীকে ঘোষনা দিয়ে সচেতন করলেই লকডাউন সফলতা লাভ করবে।

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:২৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আমাদের সরকার এবং শাসনব্যবস্থা যেহেতু জাস্টিন ট্রুডোর সরকার এবং কানাডার শাসনব্যবস্থা নয়, সেহেতু শুধু গৃহহীন কেনো, অনেকের জন্যই প্রয়োজনীয় কল্যাণমূলক সামষ্টিক ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে না। কিন্তু আমার যেনো মনে হলো, শিক্ষিত এবং বৃত্তবান চেহারার লোকজনই রাস্তায় বেশি। মহল্লার মসজিদে নামাজ পড়ে এরপর সামনে দাড়িয়ে জটলা পাকিয়ে করোনাকে এক হাত দেখে নিচ্ছে।

এখন বলেন, এদেরকে কে ঘরে পাঠাবে? নিজ দায়িত্বেই তো যাওয়া দরকার ছিলো।

৭| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:০৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





আবার তোরা মানুষ হ


০২ রা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:২৬

পদ্ম পুকুর বলেছেন: এই জন্মে হাত্ত্যাম না... /:)

৮| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:৩২

নেওয়াজ আলি বলেছেন:

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:৩৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: বাঙালি এভাভেই ভয়ংকরভাবে দান দক্ষিণা দেয়... জটিল!

৯| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:৫০

চাঁদগাজী বলেছেন:


অশিক্ষিত ও দরিদ্ররা এত কিছু কিভাবে বুঝবে? হয়তো মিলিটারী দিয়ে কিছুটা সাহায্য করা যেতো

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:৩৪

পদ্ম পুকুর বলেছেন: শুনলাম মিলিটারি নাকি মফস্বলে আজ থেকে ব্যাপক 'দাবড়ানি' দিচ্ছে..

আপনি সাবধানে থাকবেন।

১০| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পদ্ম পুকুর,
মানুষের এই সমস্যাগুলো সব সময়ই জটিল কিন্তু আমাদের এই করোনা সমস্যা ভয়াবহ রকমের জটিল । সরকারের সময়মতো পরিকল্পনার অভাবে আর্থ সামাজিক সমস্যার সাথে এবার মনে হয় সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক সব ফ্যাক্টরই এসে আরো ঘুটা খেয়ে গেছে । কথা হচ্ছে স্যালাইনটা তাতে ঠিক মতো হয়েছে কি না । যাক ভালো থাকুন এই ঘুটা টাইপ সময়ে । বাইরে যেতেই যদি হয় প্রটেকটিভ গিয়ারগুলো ব্যবহার করুন ।

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০৪

পদ্ম পুকুর বলেছেন: সবকিছু দেখেশুনে আমারও এখন উপরে ভুয়া মফিজের বলা এখন আল্লাহ ভরসা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা আছে বলে মনে হচ্ছে না।

১১| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৪

সোহানী বলেছেন: আমাদের দেশের মতো স্থানে এরকম গৃহবন্দী জীবন কোনভাবেই সম্ভব নয়। মানুষের সেই লেবেলের ধারনাই নেই যে কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতি। যেখানে ট্রাম্প প্রশাসনের মতো কেউকাটাই বুঝতে পারেনি সেখানে আমরা কোন ছার।

আমরা মরবো সর্দিজ্বরে, শ্বাসকষ্টে, গলা ব্যাথায় কিন্তু কোনভাবেই করোনায় নয়। তাই সাবধানতার দরকারটা কি????????

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০১

পদ্ম পুকুর বলেছেন: বহু আগে, যদ্দুর মনে পড়ে, প্রথম আলোর আলপিনে একটা কার্টুন দেখেছিলাম, এক রোগা পটকা লোককে উপুড় করে শুইয়ে একজন দাগাবাজ লোক চাপাতি দিয়ে কোমর বরাবর কাটতে উদ্যত। আর ওই লোকের স্যাঙাত বলছে- বসের খুব দয়া, তাই তোর গলা থেকে না কেটে কোমর থেকে কাটছে....

আমাদেরও ব্যাপক দয়া, সর্দিজ্বরেই মরবো তবু করোনাকে পাত্তা দেবো না কোনোভাবেই!!

১২| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৪৯

শের শায়রী বলেছেন: ভাই কাকে কি বলবেন ভয়ঙ্কর ছবি ও কিছু কথা দেখছেন এই নিউজটা? না দেখলে অবশ্যই দেখুন।

একটু দিয়ে যাই, বাকীটা লিঙ্কে দেখুন, মানুষ নামের অমানুষদের গল্পঃ

ঢাকা দক্ষিন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ এমদাদুল হক তার পাজেড়ো থেকে ব্যাতিক্রমী, ভয়ঙ্কর দান দক্ষিণা করেন এভাবেই। এ চিত্র সহকর্মী দৈনিক ইত্তেফাকের ক্রাইম রিপোর্টার জামিউল আহসান শিপু'র ফেসবুক ওয়ালে ঘুরছে আজ সকাল থেকে। শিপুর এই স্ট্যাটাসে সাংবাদিক বরুন ভৌমিক নয়ন মন্তব্য করেন - এ কেমন রসিকতা? তীব্র নিন্দা জানাই। খুবই অনাকাঙ্খিত। মামুন নেসার লিখেছেন- দ্রুত তাকে কাস্টডিতে নেয়া হোক। দেরি না করে সাসপেন্ড করা হোক। জাহিদুল হকের মন্তব্য - কি বিচিত্র সেলুকাস আমার এই বাংলাদেশ। আমলারাই নির্ধারন করেছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে।

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০৬

পদ্ম পুকুর বলেছেন: অন্য সিটির মেয়র যেখানে লোক জড়ো করে হাত ধোয়া শেখায়, সেখানে ইনি আর পিছিয়ে থাকবেন কেনো? বাদ যাবে না কোনো শিশু...

১৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১২:৩৪

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: আমার শুধু আমেরিকা,ইতালি আর স্পেনের কথা মনে পড়ছে।।
পুরো আত্মীয়গোষ্ঠি দেশে।। তাই প্রচন্ড ভয়ে আছি।। কারন বীজ থেকেই মহীরুহের পত্তন

০৩ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:২৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: চীন যে কিট পাঠিয়েছে সেখানে ওরা একটা পে অব লাইন দিয়েছে 'ভালোবাসার নৌকা পাহাড় বাইয়া চলে'। এই লাইনটা বা অরিজিন্যাল 'গাঁজার নৌকা পাহাড় বায়' যেটাই হোক, আমরা সেটা দিয়েই করোনা মোকাবেলা করবো, চিন্তা করবেন না। /:)

১৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:২৮

ক্ষুদ্র খাদেম বলেছেন: আমি আসলেই হতাশ আমাদের নিজেদের জ্ঞানের বহর দেখে :((

১৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:৪৯

সাজিদ উল হক আবির বলেছেন: করোনা দিনের প্রকৃত চিত্রই তুলে ধরেছেন আপনার লেখায়। অদ্ভুত এক দ্বৈততার মধ্য দিয়ে দিনযাপন করছি আমরা। সমস্যা জানি, পরিণতি জানি, কেবল সমাধানটা জানি না। কোয়ারেন্তাইন, সামাজিক দূরত্বই হয়তো একমাত্র প্রিকশন, কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সমীকরণটা এত সরল না।

১৬| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৩৮

মেহবুবা বলেছেন: পাত্তা না দেয়ার অভ্যাস বাঙালির চিরন্তন অভ্যাস, দেয়ালে পিঠ না ঠেকা পর্যন্ত

Social distance কিভাবে maintain হবে যদি ক্ষুধা নিবৃত্ত না হয় ।
করোনা কে কে মনে রাখে যখন পেট খালি থাকে !
সেদিন দেখলিম টিভিতে মাঝবয়সী রিকশাওয়ালা কাঁদছে তার রিকশা রাস্তায় উল্টে দিয়েছে পুলিশ তাই।
বলল ঘরে সবাই না খেয়ে আছে তাই রিকশা নিয়ে বেরিয়েছিল।
টিভি বন্ধ করে দিলাম আর বাসার লোকজনকে বললাম " পেটের জ্বালায় কষ্ট করে রিকশা চালাতে চাইছিল চুরি তো নয়"।

আমার মনে হয় কিছু চাল ডাল নুন ওদের কে দিয়ে তারপর ঘরে থাকতে বলা যায় ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.