| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হিন্দু ধর্ম নিয়ে আমার সিরিজ পোষ্টের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব এখানে। আজ কর্ম নিয়ে বিস্তারিত লিখছি
কর্ম মানে কাজ। ইংরেজীতে একটা কথা আছে There is no sentence without verb, তাই দেখা যাচ্ছে যদি কাজ ছাড়া সামান্য একটি বাক্য না হয় তাহলে আমাদের জীবনে কাজের ভুমিকা বিশাল। আমরা প্রতিটি ক্ষণে কোন না কোন কাজ করে যাচ্ছি। হয়তোবা বসে আছি বা ঘুমিয়ে আছি তবুও কিন্তু মস্তিষ্ক বসে নেই, কাজ করেই চলছে।
এখন আসি ধর্মের কথায়, ধর্ম বলছে জীব মাত্রেই তার কর্মের জন্য কর্মফল ভোগ করতে হবে। কিন্তু ধর্মে যেমন আছে সামন্য মিথ্যা বলার জন্য ও কি ভয়াবহ শাস্তি অপেক্ষা করছে এবং আমাদের চারপাশে এত্তসব সুযোগ সুবিধা আছে যে কোন খারাপ কাজ করতে হয়না এমনিতেই হয়ে যায় তাহলে শুধু মাত্র মিথ্যাই না, আরও কত সব খারাপ কাজ যে করছি এই শাস্তি শেষ হবে কবে?
কাজ হচ্ছে শিকল এর মত, ভাল কাজ করবে তো সোনার শিকল এ বাধা পরবে আর খারাপ কাজ করলে লোহার শিকল এ। তাহলে কি এর শেষ নাই এই সব ই কি চক্রাকারে চলতে থাকবে?
হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী কাজ হচ্ছে দুই প্রকার ১. সকাম কর্ম ২. নিষ্কাম কর্ম
সকাম কর্মঃ এই ধরনের কাজ হচ্ছে এখানে কর্তা কাজের ফলের প্রত্যাশায় কাজ করে। ফল ভাল বা খারাপ যাই হোক না কেন তার ফল কর্তাই ভোগ করবে। ফল অনুযায়ী স্বর্গ ভোগ এবং নরক ভোগ করে আবার পৃথিবীতে ফেরত আসতে হবে। এভাবে চুড়ান্ত মুক্তি সম্ভব না।
নিষ্কাম কর্মঃ এটি উচ্চ পর্যায়ের কর্ম পদ্ধতি।এখানে কর্তা ভাবে সে কাজ করছে তার ঈশ্বরের ইচ্ছায়, কাজ ঈশ্বরের ফল ও ঈশ্বরের সে শুধু তার ঈশ্বরের ইচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছে এখানে তার কোন ভাল খারাপের প্রয়োজন নাই। যার কাজ সে বুঝবে। যেহেতু তার জীবনে কর্ত কোন কাজ নিজের বলে করেনাই তাই তার কর্মফল হবে কী? মৃত্যুর পর তার আত্মা পরমাত্মাতে বিলীন হয়ে যাবে। যা কিনা চুড়ান্ত লক্ষ্য প্রতিটি আত্মার। তবে শুনতে সহজ মনে হলেও এটা কিন্তু অতটা সহজ নয়, কারণ আমরা সংসারের কামনা বাসনাতে এতটা ডুবে গেছি যে সব কিছু নিজের বলে না ভাবলে শান্তি পাইনা। কেউ যদি ভাবে মানুষ খুন করলাম, এটা তো আমার ইচ্ছায় করি নাই ঈশ্বর চাইছেন তার করলাম, তাহলে সে বিশাল ভুল করবে কারণ ঈশ্বর মানুষকে কখনও খারাপ কাজ করতে বাধ্য করেন না। আর কেউ যদি কোন ভাল কাজের ফল ভোগ করতে চায় কিন্তু খারাপ কাজের ফল ঈশ্বরের ঘাড়ে চাপাবে তবে তার সম্পর্কে কি বলার আছে। এখানে গীতার একটা উদ্ধৃতি দেই, ভগবান বলছেন
কাম এষ ক্রোধ এষ রজোগুণসমুদ্ভবঃ।
মাহশনো মহাপাপ্মা বিদ্ধোনমিহ বৈরিণম্।।
আবৃতং জ্ঞানমেতেন জ্ঞানিনো নিত্যবৈরিণা।
কামরুপেণ কৌন্তেয় দুষ্পূরেণানেলেন চ।।-গীতা ৩।৩৭, ৩৯
ইহার ভাবার্থ এই যে, মানুষ কাম ক্রোধের বশীভুত হইয়াই এইরুপ পাপাচরণ করে। কামদ্বারা জ্ঞান আচ্ছাদিত হইলে মানুষ প্রকৃত পথ দেখিতে পায় না। এই কারণে ইন্দ্রিয়সংযম অভ্যাস করিয়া কাম, ক্রোধ প্রভৃতি রিপুসকলকে বিনাশ করতে হবে। অর্থাৎ দেখা যাইতেছে যে, মনুষ্য আপনার দোষেই পাপ আচরণ করে। পাপকর্ম যদি আমরা তাহার দ্বারা চালিত হয়েই করি, তবে তাহার জন্য আবার আমাদিগকে শাস্তিভোগ করিতে হয় কেন? ঈশ্বর এমন নিষ্ঠুর রাজা নহেন যে, তিনি আমাদিগের দ্বারা তাহার মনোমত একটা কার্য করাইয়া লইয়া পুনরায় তাহারই জন্য আমাদিগকে দন্ড দিবেন। তবে কোন্ কর্ম ঈশ্বর অনুমোদিত, আর কোন্ কর্ম অননুমোদিত, তাহা বুঝিতে গেলে আমাদিগের চিত্তশুদ্ধি আবশ্যক, ধর্ম বোধ থাকা আবশ্যক, তাহা হইলেই অনায়াসে বুঝিতে পারিব।
এত বড় কথা সহজে নিজেই বুঝিনা তাই ছোট একটা গল্প বলার ইচ্ছা সংবরণ করেত পারছিনা। এটা থেকেই সকাম আর নিষ্কাম কর্ম বুঝা যাবে।
অনেক দিন আগে এক ব্রাক্ষ্মন এর ইচ্ছা হল বাড়ির বাইরে একটা সুন্দর বাগান করার, ইচ্ছে মত অনেক কষ্ট করে কিছুদিনের মধ্যেই সে একটা সুন্দর বাগান করল, সময় মত বিভিন্ন ফুলের সুবাসে আর সৌর্ন্দয্যে তার বাগান ভরে উঠল, পথে যেতে অনেক মানুষ তার বাগানের প্রশংসা করত এতে ব্রাক্ষ্মন খুব ই আনন্দিত হত। একদিন ব্রাক্ষ্মন পূজা দিচ্ছিল, সেই সময় হঠাৎ কোথা থেকে যেন এক গরু এসে তার সাধের বাগানের অনেক গাছ খেয়ে ফেলল আর অনেক গাছ নষ্ট করল। ব্রাক্ষ্মন তা দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে একটা লাঠি নিয়ে গরুটিকে বেদম প্রহার করতে লাগল । একপর্যায়ে গরুটি মরেই গেল, এতে সে একটু বিচলিত হয়ে গেল সে গোহত্যা করেছে, এতো মহাপাপ। সে এখন কি করবে? যাইহোক সে গরুটিকে বাগানের এক কোনায় ফেলে বাড়িতে উঠানে গিয়ে বসল। তখন সে চিন্তা করতে লাগল এই মহাপাপের থেকে মুক্তির পথ কি? চিন্তা করতে করতে একটা উপায় ও পেয়ে গেল, কিছুক্ষণ পর পাপ এল তার কাছে
পাপঃ ওহে ব্রাক্ষ্মন, তুমি গোহত্যা করেছ, অনেক বড় পাপ করেছ, এখন আমি তোমার মাঝে প্রবেশ করব।
ব্রাক্ষ্মনঃ দেখ তুমি তোমার কাজ করবে সেটা ঠিক আছে কিন্তু তুমি আমার কাছে কেন এসেছ, আমি কি কিছু করতে পারি, সবই তো ঈশ্বর করান তিনি যা করিয়েছেন আমি তাহাই পালন করি, আমার কি দোষ? তুমি বড়ং ঈশ্বরের কাছে যাও তাকেই ধর।
পাপ দেখল কথা খারাপ বলেনাই, যুক্তি আছে, সে ঈশ্বরের কাছে গেল
ঈশ্বরঃ তুমি আমার কাছে কেন?
পাপ তাকে ব্রাক্ষ্মনের সব কথা খুলে বলল, ঈশ্বর তাকে বললেন আচ্ছা, তুমি দাড়াও আমি দেখি কি করা যায়।
কিছুক্ষণ পর ব্রাক্ষ্মনের বাড়ির সামনে এক পথিক আসল এবং তার বাগানের প্রশংসা করতে শুরু করল। তাতে ব্রাক্ষ্মন অনেক আনন্দিত হল, পথিক কে সব ঘুরিয়ে দেখাতে লাগল
পথিকঃ বাহ এই ফূলতো খুবই সুন্দর, এটা কে করেছে?
ব্রাক্ষ্মনঃ আমি করেছি, এটা অনেক দুর থেকে আনতে হয়েছে।
পথিকঃ বাহ এই গাছ গুলোতে অনেক সুন্দর, এগুলো তো অনেক যত্ন করতে হয় এতসব কে করে?
ব্রাক্ষ্মনঃ আমি ই করেছি, সারাদিন তো পূজা আর এই বাগান নিয়েই থাকি।
সব দেখে পথিক সেই গরুর সামনে গেল, এবং অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল এখানে মরা গরু কেন, প্রহারের দাগ দেখা যায় এটা কে করেছে? ব্রাক্ষ্মন তখন নিশ্চুপ
পথিকঃ সব ভাল কাজ আপনি করেছেন আর খারাপ গুলো শুধু ঈশ্বর তাইনা?
ব্রাক্ষ্মন তার ভুল বুঝতে পারল এবং পাপ এসে তাকে ধরল।
এতেই বুঝা যায় নিষ্কাম কর্ম কতটা উচ্চ পর্যায়ের এবং তা হঠাৎ করে একদিনেই সম্ভব না, তবে এটাই উৎকৃষ্ট পথ।
ধন্যবাদ সবাইকে, আমার লেখাটা পড়ার জন্য, যদিও আর ও কিছুদিন আগে এই লেখাটা প্রকাশ করার কথা ছিল, কিন্তু আমার উপর দিয়ে ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, মৌসুমী বৃষ্টি সব যাওয়ার জন্য একটু দেরী হয়ে গেল। তাই ক্ষমা চাইছি। আর আমি আশা করব, সবাই শুধু ভাল বা খারাপ না বলে কোথাও ভুল হলে বা কোন জিনিস না বুঝলে উল্লেখ করতে কারণ আমরা ধীরে ধীরে ধর্মের গভীরে প্রবেশ করছি, যদি আমার গোড়া শক্ত না হয় তবে সামনে এগুনো কষ্ট হয়ে যাবে। আবার ও ধন্যবাদ সবাইকে
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৪০
মহান পংকজ বলেছেন: আগের লেখাগুলো একটু দেখুন, ধর্ম সনাতন যার মানে হচ্ছে চিরন্তন, পূর্বে ছিল এখন ও আছে, ভবিষ্যতে ও থাকবে। কিন্তু এটা এখন হিন্দু ধর্ম নামেই বেশি পরিচিত। যেটা যে নামে বেশি পরিচিত সেই নামেই দেওয়া কি বেশি ভালনা? আর আমি মুল কথায় যেতে চাচ্ছি, সেখানে কি নাম কি পরিচয় সেটা সামান্য ব্যাপার। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
২|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৪২
আশীষ কুমার বলেছেন: এখানে কি শুধু প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে নাকি হিন্দু ধর্ম নিয়ে অন্য বিষয় নিয়েও কথা বলা যাবে??
দেব-দেবীদের মধ্যে সন্তান-বিয়ে-সম্পর্ক নিয়ে একটু জানাবেন কি?
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৬
মহান পংকজ বলেছেন: প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি সবার কাছে, কারণ এতগুলো কমেন্টের উত্তর সময় মত দিতে পারিনি। অনেক সমস্যায় আছি, হ্যা আপনার উত্তর দিচ্ছি।
হ্যা ধর্ম বিষয়ে আপনার মতামত, চিন্তাভাবনা ও প্রশ্ন করতে পারেন, যদি জানি তাহলে জানাব আর নয়তো হাসিমুখেই বলব জানিনা, যদি কখনও বুঝতে পারি তখন জানাব।
দেব দেবীদের মধ্যে বিয়ে, সন্তান এটা মানুষের বিশ্বাষ প্রধানত। কারণ ঈশ্বর বলছেন তিনি এক দেব দেবীরা তার ই বিভিন্ন রুপ। কিন্তু এক রুপের সাথে আর এক রুপের বিয়ে বা সন্তান কিভাবে হয়? তবে মানুষ তার ঈশ্বর কে বিভিন্ন রুপে পূজা ভক্তি করে সেখানে সে যদি তাকে যে ভাবে ডাকতে মন চায়, তিনি সেভাবেই সাড়া দিবেন। ধর্ম তার ভাব ধরে রাখেনাই। যেমন দেখেন শিব কে সবাই বাবা বলে ডাকে আবার দুর্গা মাতৃশক্তি তার ছেলে গণেশ কে কিন্তু ভাই বলে ডাকার কথা কিন্তু তাকেও সেই ঈশ্বর জ্ঞানে বাবা বলেই ডাকে, দেব দেবী ই তো মানুষের কল্পনা তাহলে তাদের বিয়ে আবার এর বেশী কি?
৩|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৫১
ফজলুল কােদর বলেছেন: ১, আপনার মতে ফল ভাল বা খারাপ যাই হোক না কেন তার ফল কর্তাই ভোগ করবে। ফল অনুযায়ী স্বর্গ ভোগ এবং নরক ভোগ করে আবার পৃথিবীতে ফেরত আসতে হবে। এখানে ফেরত আসার কথা বলছি আপনার ধর্ম অনুযায়ি যারা ভাল কর্ম করে তারা মরণের পর আবার পৃথিবীতে উচ্চ জাতিতে জন্মগ্রহন করে। আর যারা মন্দ কাজ করে তারা নিম্ন জাতিতে জন্মগ্রহন করে যেমনঃ- কুকুর, বিড়াল ইত্যাদি। তাহলে আজ পৃথিবীতে খারাপ কাজের সংখ্যা বেশি। সে অনুযায়ি পৃথিবীতে মানুষ কমে যাওয়া উচিৎ। কিন্তু না মানুষ বাড়ছে এতে প্রমাণিত হয় যে আপনার ঐ মতবাদ মিথ্যা।
২,হিন্দু ধর্ম নামে কোন ধর্ম নেই।
৩, স্রষ্টা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান পাবার জন্য Click This Link
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০১
মহান পংকজ বলেছেন: হিন্দু ধর্ম নামে কোন ধর্ম নেই, সুন্দর তাহলে কোন ধর্ম নামে ধর্ম আছে? ধর্ম আগে আসছে নাকি মানুষ? এবার থেকে আদম শুমারিতে মানুষের সাথে সাথে অন্যান্য পশু, পাখি কীট পতঙ্গ এর ও গণনা করতে হবে। দেখতে হবে কি বাড়ে আর কি কমে. প্রকৃতির তো একটা নিয়ম আছে সেখানে শুধুই কোন প্রাণী বাড়বে অন্য গুলো কমবে তা হবে না।
আর স্রষ্টা সম্পর্কে আমি অনেক অজ্ঞ, তবুও আপনের লিংকে গিয়ে কিছু না বুঝে আবার ও লিংকে গিয়ে কিছু লিখা পেয়েছি, ভাল অনেক বুঝেন সব বুঝে ও আবার কেন বলেন>>
১. *হে হিন্দু থর্মের ভক্তগণ! ঐ নামে তো ধর্ম নেই, আপনি কাদের ডাকলেন?
২. যাকে শুলে চড়ানো হয় সে কি আল্লাহর ছেলে হতে পারে? (কখনো না) তাহলে কি আল্লাহর নবী হতে পারে?
পাশে থাকুন সামনে আপনার সাথে বেশ জমবে, নতুন নতুন চমক আসতেছে।
৪|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৫২
রাজর্ষি....... বলেছেন: এটাই শুনতে চাচ্ছিলাম আপনার কাছ থেকে...
না জেনে অন্যায় করা ভুল....আর জেনে ভুল করা মনে হয় পাপ (কোথাও পড়েছিলাম)..খুব খারাপ লাগে যখন দেখি পাঠ্য বইগুলোতে হিন্দু ধর্ম শিক্ষা লিখা হয়....কিন্তু তাদের এই পাপের চিন্তা করেনা...বলতে পারেন যার শুরুতেই ভুল তার উপর কিভাবে আস্থা রাখা যায়?
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৫৫
মহান পংকজ বলেছেন: ধৃ + অন = ধর্ম। মানে হচ্ছে ধারণ করা, যা কিছু ধারণ করতে পারবেন বিশ্বাষ করতে পারবেন, তাই ধর্ম। এর বাইরের টা অধর্ম তেমনি আমি অনেক খুজে ধর্মের মুল জিনিস টা খুজি, রোজা রাখতে বলছে, ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে বলছে, বা পুজা অর্চনা করতে বলছে, তা শুধু করেই না তার অর্থ ও উদ্দেশ্য টা বুঝার চেষ্টা করি, যতটুকু বুঝি তা পালন করি যা না বুঝি তা করিনা। কারণ না বুঝে কিছু করা মানে অধর্ম। কি ধর্ম বই এর নাম আর কোন দেবতার কতগুলো নাম আছে ঐসবে আমার যায় আসেনা। আমার ধর্ম আমার কাছে। আমি দিনে যতবার ভগবান বলি তার কয়ক গুণ আল্লাহ বলি তাই কি আমি ধর্মচ্যুত হয়ে গেছি? কারণ হিন্দু ধর্ম অনেক উদার এখানেই বলে তুমি ঈশ্বরকে ডাক, তাকে কি নামে ডাকতে হবে তা তোমার ব্যাপার। আশা করি বুঝাতে পেরেছি।
৫|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৫৩
নষ্ট কবি বলেছেন: লৌকিকতা বিচারে এক এক দেশের ধর্ম এক এক রকম,,,,,,,,,,
মানুষ লৌকিক হয়েই থাকতে ভালবাসে
তাই সে তার ঈশ্বরকেও লৌকিক বানায়
সে ঈশ্বরকেও তার ই মত বিবাহিত-সন্তান সন্ততি পূর্ণ দেখতে চায়
যার ফলাফল হাজার বছরের বাঙালীর মাঝে ঈশ্বর বিয়ে- সন্তান নিয়ে অধিষ্টিত
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১২
মহান পংকজ বলেছেন: লাইক দেওয়ার বাটন টা খুজতেছি, আর একটু বাড়িয়ে দেই
মানুষ সর্বত্র ঈশ্বর কে দেখার চেষ্টা করে, ঈশ্বরের প্রতিটি নিদর্শনের মাঝে তাকে খুজার চেষ্টা করে। তাই তো যেমন গাছকে পুজা করে তেমনি আবার কোরবানীর গরুর মাংশের উপর আল্লাহর নাম দেখতে পায়।
৬|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:০১
নষ্ট কবি বলেছেন: জনাব ফজলুল কাদের
মানুষ বাড়ছে বলেই যে মতবাদ মিথ্যা তা পেলেন কই?
মানুষ কি শুধুই খারাপ কাজ ই করে??
ভাল কাজ কি কেউ করেনা??
আপনি কি শুধু ই ঘুষ খান??
আপনি কি শুধুই হ্ত্যা করেন??
আপনি কি শুধুই মিথ্যা কথা বলেন???
একটা ভাল কাজ ও কি আপনি জীবনে করেন নাই???
যদি আপনি করে থাকেন
তাহলে আপাময় জনগন দোষ করলো কই???
দেখুন এই মতবাদ একদিনে প্রতিষ্টিত হয়নি
হাজার হাজার বছরের জ্ঞান থেকে এটা এসেছে
আপনি কোথা থেকে এটাকে উড়িয়ে দিতে এলেন???
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৪
মহান পংকজ বলেছেন: কি আর বলব। জয় হোক জ্ঞানের, কারণ জ্ঞানীর মুখের গালি ও ভাল
৭|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:২১
ফজলুল কােদর বলেছেন: জনাব নষ্ট কবি! উরিয়ে দিতে আসিনি। বরং, যা সত্য তা বলতে এসেছি। দেখুন আপনার ধর্মেতো বলা হয়েছে যেঃ-
সেসব লোক যাদের বিচার বুদ্ধি কেড়ে নিয়েছে জাগতিক আকাংখা, তারাই মূর্তি পূজা করে। ( ভগবদগীতা অধ্যায়-৭ অনুচ্ছেদ ২০এ রয়েছে)
স্রষ্টা মাত্র একজনই দ্বিতীয় কেউ নেই। (ছান্দগ্য উপিনিষদ, অধ্যায় ৬, পরিচ্ছেদ ১ও২)
সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কোন বাবা নেই, তার কোন মা নেই, তার চেয়ে বড় আর কেউ নেই। (শ্বেতাপত্র উপনিষাদ, অধ্যায় ৬, পরিচ্ছেদ ৯ এ রয়েছে)
সেসব লোক যাদের বিচার বুদ্ধি কেড়ে নিয়েছে জাগতিক আকাংখা, তারাই মূর্তি পূজা করে। ( ভগবদগীতা অধ্যায়-৭ অনুচ্ছেদ ২০এ রয়েছে)
স্রষ্টা মাত্র একজনই দ্বিতীয় কেউ নেই। (ছান্দগ্য উপিনিষদ, অধ্যায় ৬, পরিচ্ছেদ ১ও২)
সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কোন বাবা নেই, তার কোন মা নেই, তার চেয়ে বড় আর কেউ নেই। (শ্বেতাপত্র উপনিষাদ, অধ্যায় ৬, পরিচ্ছেদ ৯ এ রয়েছে)
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২২
মহান পংকজ বলেছেন: যে যথা মাং প্রপদ্যন্তে তাংস্তথৈব ভজামহম।
মম বর্ত্মানুবর্তন্তে মনুষ্যাঃ পার্থ সর্বশঃ।। গীতা ৪,১১।
আপনি তো আমাদের ধর্ম নিয়ে অনেক জ্ঞান রাখেন তাই আর অর্থটা দেওয়ার চিন্তা ও করলামনা।
আর ঈশ্বর যে এক তা তো প্রথম থেকেই বলছি, হ্যা বড় সমস্যা টা হচ্ছে আপনি হয়তো বা ভাবছেন ঈশ্বর একজন আর আল্লাহ আর একজন, ভুল সৃষ্টিকর্তা একজনই । তাকে নানান ভাবে নানান নামে ডাকি শুধু । আর বাকীটা পরে.... কারণ এখন ও সময় হয়নাই।
৮|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:২২
নষ্ট কবি বলেছেন: আপনি বোধহয় বুঝতে কিছুটা ভুল করছেন
ব্যাপার না////////
অনেকেই ভুল বুঝে,,,,,,,,,,
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২৬
মহান পংকজ বলেছেন: পৃথিবীটা মায়া ময়। মায়ার কারণে আমরা অনেক কিছুই দেখতে পারিনা বা দেখেও বুঝিনা , আবার কিছু জিনিস ইচ্ছা করেই বুঝার চেষ্টা করিনা। যে এই মায়ার বাধন কাটাতে পেরেছে সেই প্রকৃত মানুষ। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি আমাকে যেন সেই পর্যন্ত যাবার তৌফিক দান করেন।
৯|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:০১
ফজলুল কােদর বলেছেন: জনাব, নষ্ট কবি আমি ঠিকই বুঝেছিলাম। যে হাজার হাজার বছরের জ্ঞান থেকে প্রতিষ্টিত আপনাদের ধর্ম। তাই বলে কি তা সত্য। কখনো না।
লেখকের কথামত ধর্ম সনাতন যার মানে হচ্ছে চিরন্তন, পূর্বে ছিল এখন ও আছে, ভবিষ্যতে ও থাকবে। আমিও একমত। শুধু সমস্যাটা তখন যখন দেখি যে আপনার সে কথাগুলোর উপর কর্ম করছেন না। যেমন, ভগবান বলেনঃ- সেসব লোক যাদের বিচার বুদ্ধি কেড়ে নিয়েছে জাগতিক আকাংখা, তারাই মূর্তি পূজা করে। ( ভগবদগীতা অধ্যায়-৭ অনুচ্ছেদ ২০এ রয়েছে)
স্রষ্টা মাত্র একজনই দ্বিতীয় কেউ নেই। (ছান্দগ্য উপিনিষদ, অধ্যায় ৬, পরিচ্ছেদ ১ও২)
সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কোন বাবা নেই, তার কোন মা নেই, তার চেয়ে বড় আর কেউ নেই। (শ্বেতাপত্র উপনিষাদ, অধ্যায় ৬, পরিচ্ছেদ ৯ এ রয়েছে)
সেসব লোক যাদের বিচার বুদ্ধি কেড়ে নিয়েছে জাগতিক আকাংখা, তারাই মূর্তি পূজা করে। ( ভগবদগীতা অধ্যায়-৭ অনুচ্ছেদ ২০এ রয়েছে)
স্রষ্টা মাত্র একজনই দ্বিতীয় কেউ নেই। (ছান্দগ্য উপিনিষদ, অধ্যায় ৬, পরিচ্ছেদ ১ও২)
সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কোন বাবা নেই, তার কোন মা নেই, তার চেয়ে বড় আর কেউ নেই। (শ্বেতাপত্র উপনিষাদ, অধ্যায় ৬, পরিচ্ছেদ ৯ এ রয়েছে)
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৩৮
মহান পংকজ বলেছেন: মূর্তি পূজা করেনা হিন্দু,
কাঠ মাটি দিয়ে গড়া
মৃন্ময় মাঝে চিন্ময় হয়ে
হয়ে যাই আত্মহারা।
রবীন্দ্রনাথের এই কবিতা টা মনে পড়ে গেল। মুর্তির মাঝে কাকে পুজা করে, যদি দুর্গার মুর্তি হয় তাহলে দুর্গাকে ঈশ্বর ভেবে পুজা করেনা?
আপনি আমার ২য় পোষ্ট টা দেখেন, আশা করি বুঝবেন যদি না বুঝেন তাহলে একটা কমেন্ট করুন আমি আরও বিস্তারিত ভাবে বলব।
১০|
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৬
সাগর চক্রবতী বলেছেন: ফজলুল কােদরআপনাকে বলছি,মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সংখ্যা সাথে অন্য প্রানীর বাড়ছে না কমছে তার জবাব দিন আগে।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৪৯
মহান পংকজ বলেছেন: সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
মানুষের সাথে সাথে সকল প্রানীর ও গণনা হোক ।
১১|
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:০৯
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: মাছি-মশার সংখ্যা বাড়ছে বলেই আমার ধারণা। তবে তাদের কেউ গুণে দেখলে আরো ভাল হয়।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৫৪
মহান পংকজ বলেছেন: হুম, ডিজিটাল পদ্ধতিতে গুণতে হবে। ল্যাপটপ দিয়ৈ
১২|
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:১৩
ফজলুল কােদর বলেছেন: জনাব, সাগর চক্রবতী আপনার ধর্ম অনুযায়ি মন্দ কাজের ফলে মানুষ পশুতে পরিনত হয়ে যায়। আর মন্দ কাজ পৃথিবীতে বেশি হচ্ছে। তাই মানুষ কমে যাবার কথা। কিন্ত না মানুষ বাড়ছে তাহলে মতবাদটি ভূল শিকার করতে হবে।
১৩|
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:২৯
ফজলুল কােদর বলেছেন: জনাব, পংকজ
১, আপনি বললেন ধর্ম সনাতন যার মানে হচ্ছে চিরন্তন, পূর্বে ছিল এখন ও আছে, ভবিষ্যতে ও থাকবে। কিন্তু এটা এখন হিন্দু ধর্ম নামেই বেশি পরিচিত। আপনার মত অনূযায়ি আপনাদেরকে আহব্বান করলাম। কিন্তু আমি জানি হিন্দু ধর্ম নামটা ভূল। তা আপনাকে শিকার করতে হবে।
২, আমি বলেছি হে মরইয়াম তনয় ঈসা (আলাইহিস-সালাম) এর অনুসারীগণ! তোমরা বিশ্বাস কর যে, হযরত ঈসা (আলাইহিস-সালাম) আল্লাহর (স্রষ্টার) ছেলে এবং এটাও বিশ্বাস কর যে, ঈসা (আলাইহিস-সালাম) কে শুলে চড়ানো হয়েছে। এটা খ্রিষ্টানরা বিশ্বাস করে আমরা মুসলিমরা বিশ্বাস করি না। কারণ, আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেনঃ- তারা তাকে শুলেও চড়াইনি হত্যা করেনি। আমি তাকে উর্দ্দেগনে উঠিয়ে নিয়েছি।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৩
মহান পংকজ বলেছেন: কিন্তু আমি জানি হিন্দু ধর্ম নামটা ভূল। তা আপনাকে শিকার করতে হবে*** আপনি যুক্তি প্রমান দেখান আমি মানতে রাজি আছি, উদার মন মানসিকতা নিয়ে এসেছি, আশা করি তা রাখতেও পারব। আর আমি সব ধর্মের সার টুকুই মানি। আমার কাছে ধর্ম এক, তার নাম ভিন্ন হতে পারে। তাই ব্যাপারস না। আপনি যুক্তি হাজির করুন।
আমি তাকে উর্দ্দেগনে উঠিয়ে নিয়েছি।**** তাহলে মৃত্যুটা কিভাবে তা তো বুঝলামনা। হয়তোবা আমি জানিনা একটু জানাবেন দয়া করে।
১৪|
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৩৯
ফজলুল কােদর বলেছেন: জনাব, পংকজ আপনি বললেনঃ-
ঈশ্বর নিরাকার কিন্তু তিনি চাইলেই যে কোন সাকার রুপ ধারণ করতে পারেন। শ্রীকৃষ্ণকে সেই পরম ব্রক্ষ্মের এক সাকার রুপ ধরা হয় এবং পরমেশ্বর মানা হয়। দেখুন ঈশ্বর যখন কোন সৃষ্টির মত হয়ে যাবে তখন সে ঈশ্বর না। আপনাকে সত্যিকার ঈশ্বর চেনার কষ্ঠী পাথর দিচ্ছিঃ-
১, তিনিই আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়।
২. আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী।
৩. তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।
৪. আর তাঁর মত কেউ নেই।
সূত্রঃ আল-কুরআন, সূরা ইখলাস।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫৪
মহান পংকজ বলেছেন: একটা কথা কি জানেন, কুরআন একটা পথ, মানি বিভিন্ন পথের ভারে মানুষ যখন সঠিক পথ টা নিয়ে সন্দিহান হয়ে গিয়েছিল তখন কুরআন এসেছে এক পথ এক মত নিয়ে। কিন্তু আমি প্রথম থেকেই বলছি পথের শেষ নাই, কিন্তু আপনারা সেই ভাবেই থাকবেন, আমার ধর্মে তো ভগবান রে আল্লাহ ডাকতে কোন সমস্যা আমি দেখিনা কিন্তু আপনি তা পারবেন না। আমার ভগবান কোন দুরে লুকিয়ে নেই সে সর্বত্র আছে প্রতিটি বস্তুতে আছে শুধু তাকে অনুভব করতে হবে। যে সারা বিশ্ব সৃষ্টি করতে পারে শুধু এক নির্দেশে সে কি কোন রুপ ধারণ করতে পারেনা। হ্যা আমি বার বার বলছি যে রুপে বা যে ভাবেই পুজা করি না কেন আমি তো সেই ভগবান কেই পুজা করছি তাকেই ভক্তি করছি এতে সমস্যা টা কোথায়? আর ধর্ম সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে তুমার কাজ ভগবান কে ডাকা তুমি কিভাবে ডাকবা সেটা তোমার ব্যাপার।
ভগবান বলছেন আমি আমার ভক্তের দাস, ভক্ত যেমন আমাকে ডাকে আমি ও তেমন ভক্তকে ডাকি, তার ডাকে পাগল হয়ে তার কাছে ছুটে যাই,, আর কোথায় পাবেন এমন কথা কোন ধর্মে এমন আছে?
বাকী দুইটা পয়েন্টের সাথে একমত, কোন আপত্তি নাই, ইশ্বর এক, তার মত আর কেউ নাই
১৫|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৭
সাগর চক্রবতী বলেছেন: তার মানে কি আপনি বলতে চাইছেন পশু-পাখী-প্রানীর কর্মের কোনো হিসাব হয় না?
এরা কি কোনো ভালো কাজ করে না?
আর এই লিণ্ক গুলোও দেখুন আশা করি বুজবেন
Click This Link
Click This Link
১৬|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪০
নষ্ট কবি বলেছেন: ঈশ্বর যা খুশি তাই করতে যদি পারেন
তাহলে ঈশ্বর নিজেই নিজেকে কেন মানুষ রূপে সৃষ্টি করতে পারবেন না??????
তিনি নিজে এসে মানুষকে শিক্ষা না দিয়ে কেন পয়গম্বর পাঠাচ্ছেন???
যদি পয়গম্বর ই পাঠাবেন-ঈশ্বর যদি নিজের কথা পয়গম্বর দিয়েই বলাবেন-তাহলে কি তিনি মুখাপেক্ষি নন?????????
আপনি আসলে তালগাছ আপনার এই ধারণা নিয়ে ব্লগটা লিখছেন
তাই বুঝছেন না-বা বুঝতে পারছেন না
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৯
মহান পংকজ বলেছেন: যদি বেদ ও কুরআন নিয়ে বিচারের আয়োজন করেন এবং বিচারক যদি কুরআন কে ভিত্তি ধরে বিচার করেন তাহলে কি বিচার হবে? বিচার করতে হবে নিরপেক্ষ ভাবে। কেউ যদি তার জ্ঞান, মন, বিবেক বিচার বুদ্ধি সব কিছুই গীতা বা কুরআন নির্ভর করে ফেলে তবে সৃষ্টিকর্তা তাকে মন দিয়েছেন কিজন্য? ও খোদা তো পড়তে বলছেন বুঝতে তো আর বলেন নাই! তাই বুঝা যাবেনা, বাংলায় নাকি কুরআন পড়া যায়না, গুনা হয়। কিছুদিন আগে একজনের সাথে অন্য একটা সাইটে কমেন্টের মাধ্যমে কথা হচ্ছিল। সে বলছিল আল্লাহ কি কি উৎসব করা যাবে তা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, তার বাইরে করা যাবেনা। তাই ভ্যালেন্টাই ডে জায়েজ না, আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম দুইদিন পর তো ভাষা দিবস, তো কি করবেন এইটার কথা তো ১৪০০ বছর আগে নির্দিষ্ট করা হয়নাই, সে তখন বলল এইটা করা যাবে কারণ এইটা খারাপ না কিন্তু কোন সুরার নাম বলতে পারলনা। তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম বাবা মারে কি শুধুই শ্রদ্ধা ভক্তি করতে হবে ভালবাসা যাবেনা ????
১৭|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫২
অসীম বেস্ট বলেছেন: ধন্যবাদ @লেখক এক বিশাল দর্শন সাধনার জন্য। ভাল লাগল। যত মত, তত পথ।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৩
মহান পংকজ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, আসলে এইসব দর্শন শুধু আছে বলেই নিজেকে বড় ও ধন্য মনে না করে আমাদের সবারই উচিত এগুলোর চর্চা করা। কারণ অনেক জিনিস ই শুনতে সহজ লাগে কিন্তু মানা কঠিন, কারণ আমরা মায়ার বাধনে আটকা। এর বাধন সহজে ছাড়তে পারিনা।
১৮|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৮
ফজলুল কােদর বলেছেন: আপনি বললেনঃ- আমি তাকে উর্দ্দেগনে উঠিয়ে নিয়েছি।**** তাহলে মৃত্যুটা কিভাবে তা তো বুঝলামনা। হয়তোবা আমি জানিনা একটু জানাবেন দয়া করে।
আপনি ভাল করে পড়েছেন তো? মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন করলেন যে তাহলে শুনুন আল্লাহ তায়ালার বানীঃ- তারা (ইয়াহুদিরা) বলে, আমরা আল্লাহর রাসূল মারইয়াম পুত্র ঈসা মাসীহকে হত্যা করেছি। অথচ তারা তাকে হত্যা করেনি এবং তাকে শূলেও চড়ায়নি। বরং তাদেরকে ধাঁধায় ফেলা হয়েছিল। আর নিশ্চয় যারা তাতে মতবিরোধ করেছিল, অবশ্যই তারা তার ব্যাপারে সন্দেহের মধ্যে ছিল। ধারণার অনুসরণ ছাড়া এ ব্যাপারে তাদের কোন জ্ঞান নেই। আর এটা নিশ্চিত যে, তারা তাকে হত্যা করেনি। বরং আল্লাহ তাঁর কাছে তাকে তুলে নিয়েছেন এবং আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। কিতাবীদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যে তার মৃত্যুর পূর্বে তার প্রতি ঈমান আনবে না এবং কিয়ামতের দিনে সে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হবে। (আল-কুরআন, সূরা-নিসা, আয়াত-১৫৭,১৫৮,১৫৯) কিয়ামতের পূর্বে ঈসা আঃ যখন অবতরণ করবেন, তখন সে যুগের ইয়াহূদী ও নাসারারা পুরো বিষয়টি উপলব্ধি করতে সক্ষম হবে এবং সকলেই মৃত্যুর মুহূর্তে তাঁর প্রতি ঈমান আনবে; কিন্তু ফির'আউনের মত তাদের ঈমান তখন কোন কাজে আসবে না। অতএব আর দেরি না করে চলে আসুন আমাদের ভুবনে। সর্বস্রেষ্ট ও সর্বশেষ ধর্ম ইসলামের ছায়াতলে। আরো জানতে চাইলে প্রশ্ন করুন। পারলে সত্য বলুন কাউকে উসকানীমুলক কথা বলবেন না। আপনাকে স্বাগতম.........
এটার উত্তর পরে দেব ইনশাল্লাহঃ- হ্যা আমি বার বার বলছি যে রুপে বা যে ভাবেই পুজা করি না কেন আমি তো সেই ভগবান কেই পুজা করছি তাকেই ভক্তি করছি এতে সমস্যা টা কোথায়? আর ধর্ম সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে তুমার কাজ ভগবান কে ডাকা তুমি কিভাবে ডাকবা সেটা তোমার ব্যাপার।
ভগবান বলছেন আমি আমার ভক্তের দাস, ভক্ত যেমন আমাকে ডাকে আমি ও তেমন ভক্তকে ডাকি, তার ডাকে পাগল হয়ে তার কাছে ছুটে যাই,, আর কোথায় পাবেন এমন কথা কোন ধর্মে এমন আছে?
০১ লা মার্চ, ২০১১ দুপুর ২:৫৩
মহান পংকজ বলেছেন: বড় সমস্যাটা হচ্ছে আপনারা অন্য কোন ধর্ম আছে তাই মানেননা। কুরআনের বাইরে যে কিছু ভাল থাকতে পারে তাই আপনারা মানবেন না। অনেক কেই বলতে শুনি, ইসলাম ধর্ম বাদে অন্য কোন ধর্মই নাই। আপনাকে যে জিনিসটা আমি বুঝাতে বলছিলাম আপনি সরাসরি তার উত্তর না দিয়ে একটা আয়াত দিয়ে দিলেন, আমি তো আয়াতের মানে বুঝিনাই তাই আশা করছিলাম আপনি সহজ কথায় লিখবেন।
আর পৃথিবীতে এত মানুষ এত ধর্ম থাকতে আল্লাহ কেন ইহুদীদের পিছনে এত লাগলেন। আপনি একটু ভেবে দেখেন তো ইহুদীরা এমন কি করছে তখন যে এত এত আয়াত শুধু তাদের বিষাদগার আর ধ্বংশের জন্য আল্লাহ প্রেরণ করবেন? তখন বা তার আগে তো চীনের সভ্যতা, ভারতীয় সভ্যতা এমন অনেক কিছু ছিল কিন্তু সেগুলো বাদ দিয়ে কেন শুধুই ইহুদী। ওরা কি করছিল?
সর্বস্রেষ্ট ও সর্বশেষ ধর্ম ইসলামের ছায়াতলে।*** সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ আপনি কিভাবে বুঝলেন? কুরআনে আছে তাই? অথচ আমাদের ধর্মেই দেখবেন আছে, যখনই পৃথিবীতে গ্লানি, কষ্ট, হিংসা বৃদ্ধি পাবে তখনই ঈশ্বর এসে এর পরিত্রানের পথ দেখাবেন। আর তাছাড়া মহাপুরুষগণ তো আছেন ই। ভেবে দেখেন একটু তবে আমি আপনাকে বলবনা আমাদের ধর্মে আসেন । কারণ আমাদের ধর্মে আসার কোন পথ আমি খুজে পাইনাই। কিন্তু আপনাদের ধর্মে যাওয়ার পথ আছে তাহলে যাওয়ার আগে কি থাকে?
১৯|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫১
ফজলুল কােদর বলেছেন: আপনি বললেনঃ বাকী দুইটা পয়েন্টের সাথে একমত, কোন আপত্তি নাই, ইশ্বর এক, তার মত আর কেউ নাই। ধন্যবাদ আপনাকে। দুটি পয়েন্টর সাথে একমত শুনে খুশি হলাম কেননা আপনি ইসলামের একটু কাছাকাছি এসেছেন।
০১ লা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:০৬
মহান পংকজ বলেছেন: দুইটি পয়েন্ট মানলেই যে ইসলামের সামনে আসলাম এটা কেমন যুক্তি হল। দেখেন আপনারা আল্লাহ আর ইসলাম একদম কুক্ষিগত করে ফেলছেন, আমি যে গুলো বুঝতে পারি সেগুলোই মানি, তা সেটা যে ধর্মেই থাকুক না কেন। ঈশ্বর এক, তিনি সর্বত্র বিরাজমান, তিনি সৃষ্টির আদি থেকে আছেন, এবং সব কিছুর বিনাশ হলেও তার কোন বিনাশ হবেনা। তিনি সর্বশক্তিমান।
এগুলো যারা ধর্মতে বিশ্বাস করে তারা সবাই বিশ্বাষ করে। এগুলো নিয়ে বলার কিছুই নেই।
২০|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৭
ফজলুল কােদর বলেছেন: আপনি বললেনঃ বাকী দুইটা পয়েন্টের সাথে একমত, কোন আপত্তি নাই, ইশ্বর এক, তার মত আর কেউ নাই। ধন্যবাদ আপনাকে। দুটি পয়েন্টর সাথে একমত শুনে খুশি হলাম কেননা আপনি ইসলামের একটু কাছাকাছি এসেছেন। এখানে কাউকে উসকানিমুলক কথা বলতে আসিনি।
২১|
০১ লা মার্চ, ২০১১ রাত ১২:২১
অসীম বেস্ট বলেছেন: আর দেরি না করে চলে আসুন আমাদের ভুবনে। সর্বস্রেষ্ট ও সর্বশেষ ধর্ম ইসলামের ছায়াতলে। ..................... এখানে কাউকে উসকানিমুলক কথা বলতে আসিনি।
@ফজলুল, দুটো কথার মাঝে কি কোন মিল পান??? এটা কি উস্কানী নয় ভাইয়া???
দয়া করে এককেন্দ্রিক হয়ে হিংসা নিয়ে আসবেন না। মানুষকে ভালবাসুন। জোর করে ধর্মান্তরিত করার চেস্টা করা কি ঠিক???
০১ লা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:১৪
মহান পংকজ বলেছেন: কি আর বলব বলেন, ইসলাম ধর্ম শুরু হওয়ার পর থেকেই এই ধর্মের সুশীতল ছায়ায় আনার জন্য উনারা চেষ্টা করছেন, অনেকাংশে সফল ও হয়েছেন, কিন্তু আমি চেষ্টা করছি সকল ধর্মের মুল কথাগুলো একত্রিত করে মানুষের মনের অনেক ভুল ধারণা কে সঠিক পথে আনার আর উনারা আমারেও ডাকেন। আরে ভাই একটু হলেও কুরআন পড়েই কথা বলতে এসেছি। হাদীস দুইলাইন পড়ার পর আর সহ্য করতে পারিনাই তাই আমাকে আর ডেকে কাজ নাই। মোমবাতি চারদিকে আলো ছড়ালেও তার নিচে যেমন অন্ধকার থাকে তেমনি সব ধর্মের ই কিছু কিছু কালো দাগ থাকে তাই আমারটাই ভালো সেরা। এমন কিছু একটু ভেবে বলতে হয় । আশা করি বুঝতে পারবেন।
২২|
০১ লা মার্চ, ২০১১ রাত ১২:৫১
সাগর চক্রবতী বলেছেন: নষ্ট কবি বলেছেন: ঈশ্বর যা খুশি তাই করতে যদি পারেন
তাহলে ঈশ্বর নিজেই নিজেকে কেন মানুষ রূপে সৃষ্টি করতে পারবেন না??????
তিনি নিজে এসে মানুষকে শিক্ষা না দিয়ে কেন পয়গম্বর পাঠাচ্ছেন???
যদি পয়গম্বর ই পাঠাবেন-ঈশ্বর যদি নিজের কথা পয়গম্বর দিয়েই বলাবেন-তাহলে কি তিনি মুখাপেক্ষি নন?????????
আপনি আসলে তালগাছ আপনার এই ধারণা নিয়ে ব্লগটা লিখছেন
তাই বুঝছেন না-বা বুঝতে পারছেন না
০১ লা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:১৭
মহান পংকজ বলেছেন: অনেক দিন আগে পন্ডস কোল্ড ক্রীম এর একটা বিজ্ঞাপন দিত তার শেষের কথাটা ছিল " আরে মনা তুই ও কিছু বল"। তেমনি নষ্ট কবি যা বলছেন তো বলছেনই সাগর দাদা তুই ও কিছু বল.. আর বলবিই বা কি, যুক্তির উত্তর তো যুক্তি দিয়েই খন্ডন করতে হবে। নাকি বলব আমার টা ভাল, আমার দলে আসেন তারপর অন্যদের টা দেখা যাবে। নিজের কথায় নিজে ধরা খাইলে তার আর কি থাকে।
২৩|
০১ লা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:৫২
অংকন কুরী বলেছেন: সব উত্তর এখানে পাবেন!View this link
০১ লা মার্চ, ২০১১ রাত ১০:৫২
মহান পংকজ বলেছেন: ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য ও লিংক এর জন্য, কিন্তু সব ই তো ইংরেজী তে এত ইংরেজী পড়ে দিব কে? আর নিজে এত পড়ার ধৈর্য নাই, তবু পড়ে দেখব। আবারও ধন্যবাদ
২৪|
০২ রা মার্চ, ২০১১ রাত ১:৪৯
ফজলুল কােদর বলেছেন: জনাবেরা, যদি পয়গম্বর ই পাঠাবেন-ঈশ্বর যদি নিজের কথা পয়গম্বর দিয়েই বলাবেন-তাহলে কি তিনি মুখাপেক্ষি নন?
আপনি আসলে তালগাছ আপনার এই ধারণা নিয়ে ব্লগটা লিখছেন
তাই বুঝছেন না-বা বুঝতে পারছেন না।
মানুষ মাত্রই ভূল করে আপনাদেরও ভূল হয়েছে। কিন্তু আমি আপনাদেরকে তালগাছ বলে উরিয়ে দেবনা। কারন, স্রষ্টা আমাকে সধা সত্য কথা বলতে শিখিয়েছেন। তাই বলছি শুনুন, এখান থেকে আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। সর্বশক্তিমান স্রষ্টার বানীঃ- Click This Link
০২ রা মার্চ, ২০১১ সকাল ১১:১৭
মহান পংকজ বলেছেন: আপনার লিঙকে আপনিই ক্লিক করুন আমি সেখানে কমেন্ট দিয়েছি। তবুও এখানে যেহেতু কমেন্ট করেছেন কষ্ট করে তাই সেই মন্তব্যটা আমি পেষ্ট করে দিচ্ছি, বাকী সবাই একটু দেখুক, পয়গম্বর এর ইতিহাস
‘আমি তোমার পূর্বে কোন রাসূল প্রেরণ করেনি এই ওহী ব্যতীত যে, আমি ছাড়া অন্য কোন মা'বুদ নেই সুতরাং তোমরা আমারই ইবাদত কর। নিশ্চয়ই আমি আমার রাসূলদের প্রেরণ করেছি স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ এবং তাদের সঙ্গে পাঠিয়েছি কিতাব ও (ন্যায়ের) মানদণ্ড যাতে মানুষ সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে।(আল কুরআন সূরা হাদীদ-২৫) --- ঠিক বুঝলামনা। তার মানে কি শেষ নবীর পুর্বে যত নবী এসেছেন সবাই একের বেশী আল্লাহর কথা বলেছেন? আল্লাহর এক কুরআন নাজিলের জন্য এত সময় লাগল কেন
মানব জাতি একই সম্প্রদায়ভুক্ত ছিল; অতঃপর আল্লাহ সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে নবীগণকে প্রেরণ করলেন এবং সত্যসহ তাদের সাথে কিতাব নাযিল করলেন, যাতে মানুষের মধ্যে ফয়সালা করেন, যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করত।(আল কুরআন সূরা বাকারা-২১৩)--- আপনি কি ঠিক ভাবে লিখছেন, নাকি কুরআনে ব্যাখ্যা অন্য কিছু আছে, আপনি এভাবে বললে তো নিজের কথায় ই নিজে ধরা খাইবেন। প্রথমে যদি এক সম্প্রদায়ভুক্ত থাকে তাহলে নবীরা এসে বিভাজন করেছেন, সবাই একসাথে থাকা ভালো নাকি আলাদা আলাদা? আর একটু পড়ুন আর মানেটা স্পষ্ট করে লিখুন, আপনার বুঝানোতে ভুল আছে নিজে বুঝলেই হয়না । বুঝানোর একটা ব্যাপার থাকে। আর অন্য গুলোর উত্তর না হয় নাই দিলাম
২৫|
০২ রা মার্চ, ২০১১ রাত ১:৫৮
ফজলুল কােদর বলেছেন: জনাব পংকজ, ঈশ্বর এক, তিনি সর্বত্র বিরাজমান, কথাটা ঠিক না।
তিনি আল্লাহ, যিনি সাত আসমান এবং অনুরূপ যমীন সৃষ্টি করেছেন; এগুলির মাঝে তাঁর নির্দেশ অবতীর্ণ হয় যেন তোমরা জানতে পার যে, আল্লাহ সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান এবং আল্লাহর জ্ঞানতো সব কিছুকে বেষ্টন করে আছে। (আল কুরআন সূরা তালাক, আয়াত-১২) বিস্তারিত জানতে Click This Link
২৬|
০৩ রা মার্চ, ২০১১ রাত ১:১১
অসীম বেস্ট বলেছেন: ভাই ফজলুল, বাইরে থেকে আপনাকে ভদ্র লোক মনে হলেও আপনি আসলে ভীষণ গোঁড়া. . . . আপনি আসলে মৌলবাদের চোখে অন্ধ হয়ে গেছেন. . . আপনি যেভাবে চলছেন, এতে দেখবেন যে আপনার পুরো জীবন কেটে গেছে তবুও অন্যের প্রতি অবগ্গা নিয়েই চলেছেন... যেটা আপনাকে কোনদিন ই শান্তি দেবে না . . . সব ধর্মই মোক্ষ পৌছানোর রাস্তার মত. . . অন্যকে ভালবাসার মানসিকতা তৈরি করুন. . .
আর হিন্দু (ইসলাম ও ) ধর্ম দর্শন শান্তির কথা বলে . . . মানুষকে ভালবাসার কথা বলে. . . নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখবেন যে এই দর্শন এ প্রত্যেকটি কথার মাঝে ধনাত্মক রূপক (positive allegory) মিশে আছে . . . সেটা জানুন .
ধর্ম হলো একটা সাধনা, একটা চর্চা, এটা একটা উপলব্ধি.
আপনার এককেন্দ্রিক(ধর্ম) মানসিকতা ত্যাগ করুন. নিজের জীবন কে জানুন আর অন্যের জীবন কে বুঝুন . যেকোনো ভাবে দলে টেনে ভোট বাড়িয়ে কি স্বার্থকতা আছে ???
০৪ ঠা মার্চ, ২০১১ রাত ১২:৪০
মহান পংকজ বলেছেন: বাদ দেন ভাই, একটা কথা আছে "যার যা বোঝ, দাড়ি কাইটা রাখে মোছ"। আসলে আমি যতই বুঝানোর চেষ্টা করছি যে সকল ধর্মের মধ্যে কথায় কিছু পার্থক্য থাকলেও অন্তে গিয়ে মুলভাব একই হবে। সব ধর্মই সেই মহান সৃষ্টিকর্তার কথা বলে তাকে মনে প্রাণে ডাকার কথা বলে আমরা তাকে যে নামে বা যে রুপেই ডাকিনা কেন তিনি ই তো সেই মহান ইশ্বর যাকে হাজার ডাকলেও মনে হয় তার গুণের একটু ও বন্দনা করতে পারিনাই, আমি অক্ষম তোমাকে ডাকার। কিন্তু উনারা একটি কথা নিয়েই পরে আছেন কুরআনের বাইরে কোন কথা নাই, আবার এটা ও সত্য যে সেখানে লেখা আছে এটাই শেষ বাণী আল্লাহর। যারা এটা নিয়ে সামান্য সন্দেহ ও প্রকাশ করবে তারই ইমান হারাবে। তাহলে কি টেষ্টিং করতে গিয়ে ধর্মবিচ্যুত হবে নাকী? তাই যথাসাধ্য চেষ্টা করেন সবাই, কাফের দের মানুষ এ পরিণত করতে। তাই আমি যে কথাগুলো একদম সহজ করে বলছি, কেন জানিনা তারা সেগুলো শুধু কুরআন দিয়েই বিশ্লেষন করছে। কেন? নিজের কি এতটুকু বিচার বুদ্ধি নাই? যিনি সমগ্র বিশ্ব এক ইশারায় সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি সামান্য একটা রুপ ধারন করতে পারেন না? না পারলে কেন পারেন না? তার কি সেই ক্ষমতা নাই? যদি না থাকে আমি তবে সেই ইশ্বর কে মানিনা। এমন ইশ্বর অন্যের হতে পারে কিন্তু আমার হবেনা। আমার ইশ্বর সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, তিনি সব পারেন সব সব সব।
২৭|
০৫ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৩৮
আশীষ কুমার বলেছেন: সৃষ্টিকর্তা কী চান? তিনি চান আমরা তাকে ভয় পাই, ভালবাসি, তার কাছে প্রার্থনা করি, তাকে ঘিরে আমরা আনন্দ করি...ইত্যাদি। আর এগেুলো যারা করবেন তারা পরজনমে ভাল থাকবেন।
তিনি কেন এগুলো চান? তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন বলেই কি আমাদের কে তার কথায় চলতে হবে? কেন তার কাছে আমাদের কে প্রার্থনা করতে হবে? আর এটাই বা কেন হবে যে বা যারা প্রার্থনা করবে, তার নির্দেশমতো কাজ করবে তারা ভাল থাকবেন? তিনি নাকি সবকিছুর নিয়ন্তা। তাহলে আমরা অযথাই এসব নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি। (মাথা ঘামানোও তার ইচ্ছায় হচ্ছে।)
০৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১২:০৩
মহান পংকজ বলেছেন: ভাই একটা গল্প বলি।
একজন ঈশ্বরসন্ধানী লোক অনেক দিন ধরে ঈশ্বরকে খুজছে কিন্তু কেউই সঠিক সন্ধান দিতে পারেনা। সে একদিন গেল এক সাধুর কাছে, তাকে গিয়ে বলল আপনি কি আমাকে ঈশ্বর দেখাতে পারবেন? সাধু হঠাৎ করে তার মাথায় একটা আঘাত করল, লোকটা বেশ ব্যাথা পেল সে রেগে গিয়ে রাজার কাছে বিচার প্রার্থনা করল। যথাসময়ে বাদী বিবাদীর উপস্থিতিতে বিচার শুরু হল। রাজা সব জানতে চাইলে বাদী বলল। তখন রাজা বিবাদীর কথা জিজ্ঞেস করল, সাধু বলল, সেই লোকটা যে ব্যাথা পেয়েছে তা কি করে বুঝবেন আমি দেখতে চাই ব্যাথা কিরকম। লোকটা কোনভাবেই ব্যাথা দেখাতে পারলনা। তখন সাধু ও উত্রর দিল যে ভগবান হচ্ছে উপলব্ধির বিষয় তাকে এভাবে দেখা যায়না, আর দেখার জন্য চোখ লাগে, আমাদের এই চর্মচক্ষুর উপর বিভিন্ন বাধা আছে যার জন্য তাকে আমরা দেখতে পারিনা। তাই তাকে উপলব্ধি ই করতে হবে।
যাই হোক ঈশ্বর বলেন পৃথিবী সৃষ্টি তার লীলা। আর শুধুই তাকে স্তব করলেই যে সব হবে তা না, আপনি ভালভাবে চলুন অন্তত ৭ দিন সব পাপ থেকে দুরে থাকুন, দেখবেন কত শান্তি লাগছে, আর ঈশ্বরকে ডাকা তার ভজনা করলে মানুষের মনের পাপ দুর হয়, মানুষ সৎ ভাবে চলতে পারে তাই এসব কথা বলা।
যেহেতু হিন্দু ধর্ম নিয়ে পোষ্ট তাই আর কিছু কথা না বলে পারছিনা, আমি কুরআনে দেখলাম প্রায় প্রতিটা আয়াতেই শুধু আল্লাহকে ভয় কর, তিনি সব কিছু করতে পারেন, জ্বালিয়ে মারবেন, পাথর দিবেন এমন কথা আছে, একটু দেখেন তো হিন্দু ধর্মে কোথায় আছে যে হিন্দু ধর্ম পালন না করে অন্য ধর্ম পালন করলে তাকে এইসব শাস্তি দেওয়া হবে? তবে আছে খারাপ কাজের জন্য ভয়ানক শাস্তি। থাক আর লিখবনা, লিখতে গেলে থামাতে পারিনা। ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য
২৮|
০৫ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১০:৫০
ফজলুল কােদর বলেছেন: যিনি সমগ্র বিশ্ব এক ইশারায় সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি সামান্য একটা রুপ ধারন করতে পারেন না? না পারলে কেন পারেন না? তার কি সেই ক্ষমতা নাই? যদি না থাকে আমি তবে সেই ইশ্বর কে মানিনা। তাহলে আপনি বেদের বিরুদিতা করছেন যেখানে বলা হয়েছেঃ- সর্বশক্তিমান স্রষ্টার কোনো প্রতিমূর্তি নেই, তার কোনো রূপক নেই, তার মত কেউ নেই।(যযুর্বেদ, অধ্যায়-৩২, অনুচ্ছেদ-৩) ঈশ্বর বলেই দিয়েছেন, আপনার তা মানছেন না। আপনি এখানে রূপক দিচ্ছেন এবং মানুষের সাথে তুলনা করছেন। আবার বলছেন আমার ইশ্বর সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, তিনি সব পারেন সব সব সব।
০৬ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ২:২৪
মহান পংকজ বলেছেন: দুঃখিত আমি কয়েকটা দিন একটু ব্যাস্ত থাকব, বাড়ির বাইরে, আর আপনার মন্তব্যের উত্তর দিতে বেশ একটু সময় লাগবে, তাই কয়েকটা দিন পরে দিচ্ছি। তখন এই মন্তব্য টা কেটে আপনার টার উত্তর দিব। ইনশাল্লাহ।
২৯|
০৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৮:৫৭
অসীম বেস্ট বলেছেন:
কথার মাঝে ধনাত্মক রূপক (positive allegory) মিশে আছে . . . .
_________________________
আমি কখন বললাম স্রষ্ঠার কোনো রূপক আছে???
আপনাদের মত মানুষ কে বোঝানোর জন্য dhormo দর্শন এ রূপক ব্যবহার করা হয়েছে . যেমন ধরুন "যত মত তত পথ " ----- একটি রুপকাত্মক বাক্য ... তার কারণ, এটার আখ্হরিক বাক্য হলো এরকম "যত মনের ইচ্ছে, তত রাস্তা " ---- কিন্তু কথাটা কে আমরা সহজেই বুঝতে পারি যে এটার মূল ভাব হলো "আমাদের স্রষ্টার সান্নিধ্য পাবার জন্য যত ভিন্ন মতে থেকে উপাসনা করি না কেন, ডাকার মত ডাকলে ঠিক ই 1-ই ঈশ্বর সান্নিধ্য পাওয়া যাবে "......
আবার আছে -----
"বহুরূপে সম্মখে তোমারে ছাড়ি, কোথা খুজিছ ঈশ্বর? জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর "---- এখানে রূপক তা হলো জীবের সেবা ... যার সেবা mane ঈশ্বর সেবা "
এখানে kothao bojhano hoy ki iswaar onek??? kothay আমি ঈশ্বর er রূপক dilam ???
try to make these out dude. (bengali font problem. hence I was unable to write in bengali partially)
৩০|
০৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১০:৫১
অসীম বেস্ট বলেছেন: আর মি: ফজলুল, আপনারা ধর্ম আলোচনা করেন, এটা ভালো। কিন্তু গঠনমুলক আলোচনা করবেন। খেয়াল রাখবেন আপনাদের জন্য অন্য কারো যেন সমস্যায় ভুগতে না হয়। "আমাদের টাই ভাল কারন কোরান এ লেখা আছে"---- এরকম আত্মসন্তুষ্টিমুলক বাক্য পোষন করে আপনারা সন্তুষ্ট থাকুন কিন্তু এর শিকার অন্যদের করবেন না। হিংসা বয়ে আনবেন না। কারন এতে বিভেদ বাড়ে। যেটা সামগ্রিক কল্যানের বাধা। হয়ত আপনারা অনেক বড় আমার থেকে। তাই জানার পরিধিও বেশি হতে পারে আপনার।
যাই হোক, সে কথায় যাচ্ছি না। কোথাও মতের মিল হচ্ছে না ঠিকই, তবুও আপনারা সবাই ভাল থাকবেন। সুন্দর দেশ গড়বেন। ধন্যবাদ।
আর লেখক কেও ধন্যবাদ জানাই।
আমি আপনাদের কাছে থেকে বিদায় নিতে চাইছি কারন আমি দেখেছি যে এরকম স্পর্শকাতর মুলক মন্তব্যগুলো আমার পড়াশোনা অসুবিধা করছে।
আমি আর চাইছি না। নতুন নতুন আবেগের বশে মন্তব্য করেছি। আর নয়। ধন্যবাদ সবাই কে।
আমি চাই জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার উন্নতি। যেখানে ধর্মটা মুখ্য নয়। সামনে আমার এন্ট্রান্স টেস্ট। সবাই দোয়া/আশির্বাদ করবেন আমি যেন আমার লক্ষ্যে পৌছে যাই।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:২৯
রাজর্ষি....... বলেছেন: বিস্তারিত পড়ে তারপর আবার আসছি..আগে একটা বিষয়ে একটু জেনে নিই...
হিন্দু ধর্ম নামে কোন ধর্ম আছে বলে আমার জ্ঞানত নেই...একটু বুঝিয়ে বলবেন কি...?