| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভেবে খুব অবাক হচ্ছিলাম যে স্বাধীনতার বিয়াল্লিশ বছর বাঙালি কি সত্যি জেগে উঠলো!! এর মাঝে কত কিছু হয়ে গেল বাঙ্গালী কে জাগতে দেখিনি। বঙ্গবন্ধুর অতৃপ্ত আত্মা হয়তো তাই আজো কাঁদে তার হত্যার বিচারের আশায়। জেলের ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সময় ও বাঙ্গালী শুধু দেখেছিল তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাদের রক্তাত্ত দেহ। বাঙ্গালী যে ঘুমিয়েই কাটাচ্ছিল, হটাত শহীদ জননীর ডাকে বাঙ্গালী একবার জেগেও আবার শিতনিদ্রায় চলে যায়। আমি ভেবেছিলাম বাঙ্গালী জাগবে না। রাজনীতিবিদ দের তথাকথিত রাজার নীতির মাঝে পিষ্ট বাঙ্গালী আর ৫২ ৬২ ৬৯ ৭১ ফিরাতে পারবে না। ওইসময় বাঙ্গালীরা দেশপ্রেম এ উদ্ভুদ্ধ হয়ে আন্দোলনে যেত আর এখন তো বাঙ্গালী ঘরে বসে স্বঘোষিত দেশপ্রেমিক দেশ্রেমিক করে চিৎকার এ ব্যাস্ত। হতাত করেই বাঙ্গালী নাকি আবার জেগেছে? বাঙ্গালীর নাকি আবার দেশপ্রেম জেগেছে? কিন্তু আবার এর মাঝেও নাকি আবার রাজনীতি! আজ যখন সব দেখতে শাহবাগ যাচ্ছিলাম, তখন ভাবলাম, এই গুটিকয়েক তরুণরা হয়তো পারবে না! কিন্তু ওখানে যাওয়ার পর কেন যেন মনে হল, আমি যুদ্ধে এসেছি! আমাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর করার যুদ্ধ, যেখানে রাজাকার থাকবে না, দেশ কলঙ্কের বঝা থেকে মুক্তি পাবে! আমি দেখেছি সর্বসাধারণের আগ্রহ, দেখেছি ওই বাবাকে যে তার সন্তানকে আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দীক্ষা দিচ্ছিল। আমি যেন আধারের মাঝে আলো পেলাম, আজ মুক্তিযুদ্ধের মতো শকলস্রেনির মানুষ এই যুদ্ধে আছে। তরুণদের পথ দেখানর জন্য বড়রা আছেন, তাই মনে হচ্ছিল জয় আমাদের নিশ্চিত। হয়তোবা এখনেও কিছু পথভ্রষ্ট কিছু মানুষ আছে কিন্তু তার মানে এটা না যে পুরো আন্দোলন টাই ভিন্নখতের। অপ্রিয় হলেও রাজনীতিবিদদের কানে একটা কথা বলতে চাই শুধু, হুশিয়ার!!! ওই তরুণেরা জেগেছে।। ওরা দেশ কে ভালবাসে, তাই ওই রাজা হয়ে জনগণকে প্রজা বানিয়ে রক্ত চোষার দিন শেষ হয়ে এলো বৈকি। । ।
©somewhere in net ltd.