| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যে কুফর করে সেই কাফির, আর কুফর মানে সত্যকে অস্বীকার করা/আবৃত করা/গোপন করা। প্রাথমিক ভাবে স্রষ্টার একাত্ববাদককে অস্বীকার করাকেই কুফর বলে। আবার বেঁচে থাকার আবশ্যিক উপাদান সমূহ গোপন করা, অর্থাৎ দৈনন্দিন আবশ্যিকীয় পন্য/সম্পদ মজুদ করাও কুফর। অকৃতজ্ঞতা কুফরের শামিল। অতিভোজন ও কুফরের পর্যায়ে পড়ে। আর এসব কাজ যারা করে তারাই কাফির। অন্যায় ভাবে কাউকে কাফির বললে সে নিজেই কাফির হয়ে যায়। মানব হত্যা কারী কাফির, কাফিরের দোসর কাফিরের শামিল।
উপরোক্ত বিবেচনায় আমরা কয়েকজনকে কাফিরের পর্যায়ে ফেলতে পারি কি?
1. চরমোনাই পীর, দেওয়ান বাগী, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী প্রকাশ্যে রাজপথে বিনা অপরাধে অন্যকে কাফির-মুরতাদ-খারিজ বলে, সুতরাং তারা কি কাফির নন!
2. আমিনী-নিজামীরা যুদ্ধাপরাধী, মুসলমান হয়ে মুসলমানকে হ্যাকারী, তারা কি কাফির নন!
3. বাংলা ভাই-শায়খ রহমান দেশের শত্রু, মানুষ হত্যাকারী, ইসলপামের অপব্যাখ্যাকারী, তারা কি কাফির নন!
4. অপব্যাখ্যা আর অস্বীকার সমতুল্য, মাওলানা আবুল আলা মওদুদী ইসলামের অপব্যাখ্যা করে সাধারণ মুসলমানকে বিপদগামী করেছে, তার গঠিত জামায়াত এই নীতিতেই চলছে, তাহলে কি জামায়েত কাফিরের অনর্্তভুক্ত নয়!
5. অতিভোজনকারী হিসেবে ধর্মীয় নেতারা কাফিরের দলভুক্ত!
6. আত্মহনন কারী কাফির, আত্মঘাতী হামলাকরীরা কাফিরের সমতুল্য।
কাফিরকে সাহায্যকারীও কাফিরের অনর্্তভুক্ত, আপনি কোন দলে।
২|
১৪ ই মে, ২০০৬ বিকাল ৫:০৫
অপ বাক বলেছেন: বাংলাদেশে তাহলে কাফের ছাড়া অন্য কেউ নেই, সংখ্যাগরিষ্ঠের দলে, বাংলাদেশের সকল মানুষই কোনো না কোনো সময় কারো না কারো মৃতু্য কামনা করছে, সুতরাং একেবারে শিশু ছাড়া মোটামুটি সবাই কাফের।
৩|
১৪ ই মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৫
অতিথি বলেছেন: সাড়ে বাইশ !!
৪|
১৪ ই মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: অপবা
৫|
১৪ ই মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: 57অন্য
৬|
১৪ ই মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
57 বলেছেন: 3ভুজ ভাইয়া,আমি একটা পোস্টে কাফের শব্দটার অর্থজানতে চেয়েছিলাম।উনি আমার পোস্টে মন্তব্য করলেন উনার পাতায় চোখ রাখতে।
আমি প্রচলিত ম্যাগিকাল গড এ বিশ্বাস করি না।তাই আমার কাছে এখন কাফির বা কাফের শব্দটার কোন মানে নেই।আমি মনে করি গড সত্য নয় কিন্তু সত্যই গড।যে অন্যায় করবে সে কাফের তবে অন্যায় -ন্যায় কে ঠিক করবে তার উপর ।
৭|
১৪ ই মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: 57ধর্মের ব্যাপারে একটি বিষয় কি জানেন... বেশীরভাগ মানুষ ধর্ম পালন করে ভাবে 'পালন করতে বলা হয়েছে তাই পালন করি'.. এটা আসলে দুর্বল ঈমানের পরিচয়। স্রষ্টা আমাদের আদেশ করেছেন জানার জন্য। বুঝার জন্য। ফ্রি উইল দেয়া হয়েছে এজন্যই। যে মানুষ নিজেই খুঁজে দেখুক কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যে। যে কেউ নিজের কাছে সৎ হয়ে এর উত্তর খুজতে বের হলে আমি নিশ্চিত সে একদিন না একদিন স্রষ্ট্রার অস্তিত্বের সন্ধান পাবে।
আপনি সত্যের পথে জেনে ভাল লাগল। যদি সত্যকে আকড়ে থাকেন তাহলে আপনিও একদিন চরম সত্য আবিষ্কার করবেন। তখন আপনি সাধারন ঈমানদারদের দলে থাকবেন না। অসাধারনদের মধ্যে একজন হয়ে যাবেন।
তবে ধর্মে আরেকটা ব্যাপার যা আছে তা হলো সৃষ্টিকর্তার ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়েও যে সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস স্থাপন করে সে সৃষ্টিকর্তার কাছে বিশেষ কিছু পুরষ্কার পাবে। কিন্তু এই বিশ্বাসকে ধরে রাখতে হলে সত্যসন্ধানী হতে হবে। সত্যকে আবিষ্কার করতে হবে। সুতরাং ঘুরে ফিরে সেই প্রথম প্যারাতে যা বলেছি তাই করতে হয়।
যাই হোক... ন্যায় ও অন্যায়ের ব্যাপারে চিন্তা করার মত বুদ্ধি মানুষকে দেওয়া হয়েছে। আপনি যেহেতু সত্যসন্ধানী দেখুন ধর্মে যাকে ন্যায়-অন্যায় বলেছে তা আপনার কাছেও ন্যায়-অন্যায় বলে মনে হয় কিনা। যদি আপনার বিবেক ধর্মের ন্যায়-অন্যায় এর পক্ষে সাড়া দেয় তাহলে কেন আপনি ধর্মের বিধানগুলো মানবেন না?
তবে এখানে ধর্মকে সমালোচনার উদ্দেশ্যে জেনে লাভ নেই। নিজের জন্য জানুন... সত্য আবিষ্কারের জন্য জানার চেষ্টা করুন। তাহলেই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর। ন্যায় অন্যায় কে ঠিক করবে তাও জানতে পারবেন বলে আমার ধারনা।
৮|
১৪ ই মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
57 বলেছেন: আমি তো চালায় যেতে বলেছি,কি চালাতে বলেছি তা তো বলিনি ? উনি কতোদুর যেতে পারেন দেখি !!!
৯|
১৪ ই মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: হাহাহা 57 .. হা চালিয়ে যাক... আমিও একটু দেখি... ![]()
১০|
১৪ ই মে, ২০০৬ রাত ১০:০৫
57 বলেছেন: ভুজ ভাইয়া,আসলে ব্যাপার হল,পোস্ট করার চেয়ে কমেন্ট করে ও দেখে মজা।আমি এই সাইটের প্রথম দিন থেকে আছি(আগে অন্য আইডি ছিল)।সবাই কে খুব ভালো ভাবে চিনি এবং কে কেমন লেখে তাও জানি(নিজে পচা লিখি)।ঘুরে ফিরে ধরম-রকম ফিরে আসে যা আমি মোটেও পছন্দ করি না।এই স্পর্শকাতর বিষয়টা নিয়ে নাড়াচাড়া করতে ভয় লাগে।কারন আমি জানি একদিন ও ধ-র-ম পালন করে না কিন্তু এটা নিয়ে কিছু শুনলে কাছা মেড়ে লেগে যায় লোকজন।
১১|
১৫ ই মে, ২০০৬ রাত ১:০৫
অতিথি বলেছেন: এখানে সবাই কাফের, খালি তিনকোণা একজন মোমেন রামছাগল।
১২|
১৫ ই মে, ২০০৬ বিকাল ৫:০৫
অতিথি বলেছেন: 57 ব্যাপারটা 100% সত্যি... ধর্ম খুব কম মানুষই পালন করে... কিন্তু আজাইরা প্যাচাল পারতে 33 ডিগ্রি এগিয়ে থাকে... এই সাইটের কিছু লেখা দেখলেই বুঝা যায়....
১৩|
১৫ ই মে, ২০০৬ বিকাল ৫:০৫
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ না জেনে কথা বলা নবীর শিক্ষার সাথে কনট্রাডিক্ট করে। কুরআনেও যা একজন জানে না তার অনুসরন করতে নিষেধ করা আছে।
আপনার শেষ মন্তব্য পড়লে মনে হচ্ছে এই ব্লগে যারা ধর্ম নিয়ে কথা বলে (আপনার ভাষায় আজাইরা প্যাচাল) তারা খুব কমই ধর্ম পালন করে। ব্যাপারটা একটু অনুমান হয়ে গ্যালো না?
আপনি কাকে বিচার করার দায়িত্ব পেয়েছেন? কে কে ধর্ম পালন করে আর করে না সেটা আপনাকে জানিয়ে গ্যালো কে?
আপনারে একটা উপদেশ দেই (একদম ফ্রি), বিদ্ধেষমূলক মন্তব্য বা লেখা থেকে বিরত থাকুন। ওতে হৃদয়ের রঙ কালো হতে শুরু করে।
স্রষ্টাই সবচেয়ে ভালো জানেন।
১৪|
১৫ ই মে, ২০০৬ বিকাল ৫:০৫
অতিথি বলেছেন: হ্যা.. স্রষ্টাই ভাল জানেন... আর জানেন যে পালন করছেন... ধর্মের মূল উদ্দেশ্য শান্তি প্রতিষ্ঠা করা- অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি করা না... যারা অহেতুক ধর্মীয় ভাইদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে কিছু করে তারা ধর্মের মূল সুএই জানে না বা জেনেও মানতে চান না।
বিদ্ধেষমূলক মন্তব্য আসলেই খারাপ.. তবে ঈমানের সবচেয়ে দূর্বল অবস্থান হলো অন্যায়ের ব্যাপারে মনে মনে ঘৃনা পোষন করা.. তার চাইতে আরেকটু উপরে স্থান হলো মেীখিক প্রতিবাদ করা। প্রতিবাদের ভাষা অনেক সময় বিদ্ধেষ মূলক মনে হয়। অন্তরের ঘৃনাটা যখন ভাষায় ফুটে উঠে তাতে কিছুটা দিদ্ধেষ থাকতেই পারে। মানুষতো আর ফেরেসটা না!
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই মে, ২০০৬ বিকাল ৪:০৫
57 বলেছেন: চালিয়ে যান