| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ স্বাধীনতা পায় ১৯৭১ এ। বাংলাদেশ নাম ধারণের অাগে যথাক্রমে পাকিস্তান ও ভারত রাষ্ট্রের অংশ ছিল এই ভূখণ্ড। হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে বাংলার। যুগে যুগে বিভিন্ন জাতি ও শাসক শাসন করেছে অামাদের। কখনও তা ছিল শুধুই অাধিপত্য কায়েম করার জন্য অাবার কখনও প্রজাদের জন্য অার্শীবাদ স্বরূপ। কিন্ত পরিস্থিতি যাই হোক, শাসকেরা কখনোই নিজেদের বদনাম সহ্য করতে পারেননি। বরং লোকমুখে নিজেদের সুনাম প্রচার করেছেন। বলা বাহুল্য কখনও তা ছিল অতিরঞ্জিত এবং ভিত্তিহীন। তাদের শাসন এর অন্যতম মূল অস্ত্র ছিল এটি, অর্থাৎ নিজেকে সকলের কাছে একজন অাদর্শ ন্যয়পরায়ণ মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করা। যদিও তৎকালীন সময়ে সাধারন জণগণ রাজনীতি নিয়ে ততটা ঘাটাঘাটি করতেন না, তবুও উপরের মহলে তো নিজের ব্যক্তিত্ত বজায় রাখতে হবে।যাই হোক দিন বদলেছে, এখন অামরা পেয়েছি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, জনগনের মতই যেখানে সব। এখন প্রশ্ন হল জনগণ তার মত দেবে কীসের ভিত্তিতে?? তার কাছে যে তথ্য উপাত্ত থাকবে অবশ্যই তাই দিয়ে তাকে বিচার করতে হবে। ধরুন মফিজ একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ত। এখন এই মফিজ ভাল মানুষ নাকি খারাপ মানুষ? তাকে কী ভোট দেওয়া উচিত নাকি উচিত না? এই সিদ্ধান্ত অামি কীভাবে নেব!! অবশ্যই অন্য লোকজন কী বলে তার ওপর ভিত্তি করে অথবা নিজে খোজ খবর নিয়ে। কিন্তু আমি তো চাকরি করি তার পিছনে দৌড়ানোর সময় তো অামার নেই, তাই লোকমুখে ভেসে অাসা তথ্যই শেষ ভরসা। অাধুনিক যুগে বিশেষ এক শ্রেণি এই খবর খোঁজা খুজি কেই নিজেদের পেশা বানিয়ে নিয়েছেন, সাংবাদিক। তাই এই বিশেষ শ্রেণিকে অামি যদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি জনগণ কেও অামি নিজের অায়ত্তে অানতে পারব। অামরা অাবার জাতে বাঙালী আবেগ দিয়ে বিচার বুদ্ধি দূরে ভাগিয়ে দেই, এই সুযোগ নিয়েই সাংবাদিকেরা দুই একটি অাবেগময় রিপোর্ট দিয়ে অামাদের মন জয় করে নিয়েছেন। তাই তাদের প্রতিটি বাক্য অামাদের কাছে দৈব বাণীর মতই সত্য (বলতে বাধা নেই একসময় অামার কাছেও তাই ছিল)।
এবার অাসি মুদ্রার অন্য পিঠে, সাংবাদিকতার সাথে এখন অারও দুটি বিষয় যুক্ত হয়েছে যথা অর্থ ও যশ। সারসংক্ষেপ করলে যা দাঁড়ায় তা হল সাংবাদিকতার সাথে অাষ্টে-পিষ্টে জড়িয়ে গেছে ক্ষমতা অর্থ ও যশ অর্থাৎ সমাজের তিন মোড়ল। তাই মোড়লকে হাতে রাখতে সবাই যে তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে তা স্বাভাবিক। গনতন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ বন্ধু বলা হয় গনমাধ্যম কে।
বাংলার ভূখন্ডে এই গনমাধ্যম কখনই স্বাধীন ভাবে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারেনি, যখনই শাসকের অাতে ঘা লেগেছে তা সে ফিরিয়ে দিয়েছে । অার বর্তমানে গনমাধ্যম নিজেই তার বিশ্বাস যোগ্যতা হারিয়েছে । নিজের চ্যনেল বা পত্রিকার খ্যতি বাড়ানোর জন্য মিথ্যা, অর্ধ সত্য খবর প্রকাশ করছে। কখনও বা ব্যক্তিগত রোষানল থেকে কোন সাংবাদিক রং মিশিয়ে সংবাদ প্রকাশ করছেন। ১৯ শতকের শেষে Yellow boy এর হাতে যে হলুদ সাংবাদিকতার সূত্রপাত তা এখন লাল নীল এমনকি গোলাপী রংও ধারণ করেছে। তাই কোন খবরে বিশ্বাস করার অাগে নিজের বিবেককে কাজে লাগান। কেননা এই "খবরের খবর" যিনি ছড়াচ্ছেন অার উপর ওয়ালা ছাড়া কেউ সুনিশ্চিত করে বলতে পারবেন না।
২|
২৪ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:০১
রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:৪৩
মাহবুবুল আজাদ বলেছেন: সত্য ,
এসবের কবে হবে অবসান।