| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
![]()
কুতুব বাগের ভন্ড নামধারী পীর
কুতুববাগ দরবার-এর এই ভন্ড নামধারী পীরের বিরুদ্ধে কাকরাইলের প্রায় ২৯ শতাংশ জমি ডেসটিনির কাছে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকায় প্রতারণার মাধ্যমে বিক্রি করার অভিযোগ উঠে।
অভিযোগে প্রকাশ জমির প্রকৃত মালিক জনাব শরিফুল হক চিসতিকে দীর্ঘ ৯ মাস আটকে রেখে তার কাছ থেকে আম মোক্তার নামায় সই নিয়ে এই ভন্ড নামধারী পীর বিক্রি করে দেয় এই জমি। এ বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বেসরকারী টেলিভিশন একুশের টিমকে প্রায় ১ ঘন্টা আটকে রাখে ভন্ড পীরের ক্যাডার বাহিনী। ছিনিয়ে নেয় তাদের ক্যামেরা। পরে ক্যামেরা ফেরত দিলেও দেয়া হয়নি রেকর্ডকৃত ক্যাসেট। টেলিফোনে শাসানো্ হয় সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারকে। তেজগাঁও থানাতে এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়রী করা হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি থানা কর্তৃপক্ষ।
- কোনো হক্ব সিলসিলা থেকে খিলাফত লাভ না করেই নিজেই নিজেকে পীর দাবী করে!
- ছয়তলা বাড়ীর অনুমোদন নিয়ে বাড়ী করেছেন দশ তলা।
- একজন মুরীদের জমি আত্মসাৎ করে ডেসটিনির কাছে ১৬ কোটি টাকায় বিক্রি করেছেন এই ভন্ড নামধারী পীর।
- একুশে টিভির একজন সাংবাদিক লাঞ্চিত হয়েছেন এই নামধারী ভন্ড পীরের কাছে।
- ওরশের নাম করে কোটি কোটি টাকার আলোক সজ্জা ও আতশবাজি করে নিজের নাম-ধাম করে নামধারী এই ভন্ড পীর।
- প্রতিনিয়ত উল্টা পাল্টা হারামকে হালাল আবার হালাল কে হারাম ফতোয়া দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ায়।
- ইসলামে ছবি তোলা হারাম হলেও ঠিকই এই নামধারী ভন্ড পীর তার নিজের ছবি তুলে প্রচার করে!
-ইসলামে পর্দা করা ফরয হওয়া সত্বেও সে হর হামেসাই বেপর্দা হয়ে থাকে!আবার তা বর্তমান যুগে প্রয়োজন আছে বলে প্রচারও করে!
- মুজাম্মেল হ্বক, তোবারক হোসেন, মুজিবুর রহমান, শাহ গফুর খানসহ আরো অনেকেরই স্ত্রীরা তার পাশবিক লালসার শিকার হয়েছিল!
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:২৪
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: ঠিক ভয়াবহ কান্ড!! জি ভাই থাকে, না থাকলে এদের ব্যবসা চলতো না
২|
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:২২
এস এইচ খান বলেছেন:
কুতুববাগী
দেওয়ানবাগী
ডেসটিনিরে গদাম
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:২৪
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: সহমত
৩|
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:২৪
অসাদুল ইসলাম বলেছেন: বাগি, বাগ , বাবা সব ভনডের দল।
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:২৭
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: সবাই ভন্ড না হক্ব আল্লাহ ওয়ালা পীর সাহেব তো অবশ্ব্যই আছেন, কিন্তু ভাই কি করবেন আখেরী জামানা বলে কথা! তাই অধিকাংশই দেখা যাচ্ছে ভন্ড
দেখেন না এখানেও তো নাস্তিক সাইজা কেমন ভন্ডামী চলে!!
৪|
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:২৮
মেলবোর্ন বলেছেন: আগেই জানতাম
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:৩৫
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: দেখেন এই ভিডিওটাই প্রমাণ করে যে, সে একজন ভন্ড। কারন ছবি তোলা, বেপর্দা হওয়া, টিভি চ্যানেলে অনুষ্ঠান করা ও ভিডিও করা সবাই ইসলামে নাযায়িজ ও হারাম।
কেননা কেনা জানে, পবিত্র কুরআন শরীফ-এ সূরা নিসা, নূর, আহযাব ইত্যাদি সূরাসমূহে এবং অসংখ্য হাদীছ শরীফ-এ পর্দা করার ব্যাপারে কঠোরভাবে আদেশ নির্দেশ করা হয়েছে।
যারা হ্বক হবেন তাদের কোন ছবি থাকতে পারেনা সেখানে ভিডিওতো চিন্তাই করা যায়না। অতএব সে যদি ভন্ড নাই হবে তাহলে তার ভিডিও থাকে কিভাবে।
৫|
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:৩৫
মতামত চাই বলেছেন: কুতুববাগ, দেওয়ানবাগের এসব ভন্ড পীরদের বিরুদ্ধে সরকারি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আপনার আমার কথায় ওদের কিছুই হবে না।
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:৪২
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: ভাই আপনার সাথে আমি ভিন্ন মত দেখাচ্ছিনা। তবে কথা হচ্ছে মহা সমুদ্রের মধ্যে যদি একটা ইটের টুকরাও ছুড়েন দেখবেন পানিটা হালকা হলেও নড়ে উঠে ...
তবে অবশ্ব্য এসব নামধারী ভন্ডদের বিরুদ্ধে সরকারিভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং সামাজিক জন সচেতনতা তৈরী করা উচিত।
প্রকৃতপক্ষে ইসলাম সম্পর্কে মানুষের সঠিক জ্ঞান না খাকার কারনেও এরা একচাটিয়া ধর্মকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধার ব্যবসা করে যাচ্ছে।
অত্এব প্রত্যেক মুসলমান মাত্রই সঠিক ইসলাম জানতে হবে এবং বুঝে এদের সম্পর্কে সচেতন হয়ে নিজেদের পরিবার ও সমাজকে সুন্দর কিন্তু আমাদেরকেই করতে হবে।
ধন্যবাদ
৬|
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:৩৭
পরিযায়ী বলেছেন: পীর হইতে গেলে কি কি লাগে ভাই? আমার অনেক টাকার দরকার
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:৪৭
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: ভাই সত্ব্যিকারের পীর হইতে পারা খুব কঠিন। বড় পীর সাইয়্যিদ হযরত আব্দুল ক্বাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি হ্বক ছিলেন। উনার জীবনি পড়ে দেখেন কি অবস্থা।
তিনি ইরাকের জঙ্গলে ২২ বছর একাধারে রিয়াযত-মাশাক্কাত করেছিলেন। সে সময় নাকি উনার পা ছালনীর মত ঝাজরা হয়ে গিয়েছিল।
আর ভন্ড হয়ে লাভ কি? দুই দিন পর গতাম দুনিয়াতেও খাইতে হবে আবার ইসলাম নিয়া ভন্ডামী করার কারনে পরকালেও গদাম খেইতেই হবে কোন ছাড়া-ছাড়ি নাই।
ধন্যবাদ
৭|
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:৪১
আমি লিখতে চাই না বলেছেন: এরা তো রাজাকারদের চেয়ে খারাপ।
একবার এক ডেসটিনির প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম। সেখানে এক নয়া সাইকেল ধারী বলেছিলো ২০১২ এর পরে যারা ডেসটিনিতে জয়েন করবে না তারা নাকি রাজাকার হয়ে যাবে। কত্ত বড় বেয়াদপ চিন্তা করতে পারেন?
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১১:০১
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: বলেন কি! তাই নাকি!! এই জন্যইতো এখন তারাই উল্টা দৌড়ের উপর আছে...
জানানোর জন্য ধন্যবাদ
৮|
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১১:০২
মেলবোর্ন বলেছেন: লেখক আপনি বলেছেন :কারন ছবি তোলা, বেপর্দা হওয়া, টিভি চ্যানেলে অনুষ্ঠান করা ও ভিডিও করা সবাই ইসলামে নাযায়িজ ও হারাম। পবিত্র কুরআন শরীফ-এ সূরা নিসা, নূর, আহযাব ইত্যাদি সূরাসমূহে এবং অসংখ্য হাদীছ শরীফ-এ পর্দা করার ব্যাপারে কঠোরভাবে আদেশ নির্দেশ করা হয়েছে।
পুরুষের পর্দা তো তার চোখ অবনত রাখা ও নাভির উপর হতে হাটু পযন্ত ঢাকা , ছবি তোলা হারাম কোথায় তবে হজ্ঝে যেতে যে ছবি তোলেন সেটা কি হারাম, আর হজ্জের সময় যে সিকিউরিটি ভিডিও করা হয় মসজিদুল হারাম ও মদিনাতে সে গুলোও কি হারাম?? আর সুরা নিসা নুর আহযাব এর আয়াত নং গুলো দিবেন কি?
বিদ্র আমি কিন্তু কুতুব বাগের ভন্ডামি সম্পকে আপনার সাথে দ্বিমত নই।
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১১:৪০
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: হিজাব বা পর্দার ফরয সম্পর্কিত আয়াত শরীফ
১ম নাযিলকৃত আয়াত শরীফ:
আয়াতুল হিজাব বা পর্দার আয়াত যা সর্বপ্রথম নাযিল হয়েছিল। তা হচ্ছে সূরা আহযাব-এর ৫৩ নম্বর আয়াত শরীফ। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ إِلَّا أَن يُؤْذَنَ لَكُمْ إِلَى طَعَامٍ غَيْرَ نَاظِرِينَ إِنَاهُ وَلَكِنْ إِذَا دُعِيتُمْ فَادْخُلُوا فَإِذَا طَعِمْتُمْ فَانتَشِرُوا وَلَا مُسْتَأْنِسِينَ لِحَدِيثٍ إِنَّ ذَلِكُمْ كَانَ يُؤْذِي النَّبِيَّ فَيَسْتَحْيِي مِنكُمْ وَاللَّهُ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ وَإِذَا سَأَلْتُمُوهُنَّ مَتَاعًا فَاسْأَلُوهُنَّ مِن وَرَاء حِجَابٍ ذَلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ وَمَا كَانَ لَكُمْ أَن تُؤْذُوا رَسُولَ اللَّهِ وَلَا أَن تَنكِحُوا أَزْوَاجَهُ مِن بَعْدِهِ أَبَدًا إِنَّ ذَلِكُمْ كَانَ عِندَ اللَّهِ عَظِيمًا.
অর্থ: “হে মু’মিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য খাবার রন্ধনের অপেক্ষা না করে হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, অতঃপর খাওয়া শেষ করে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথা-বার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয়ই এটা হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে (কিছু বলতে) সংকোচ বোধ করেন। কিন্তু আল্লাহ পাক তিনি সত্যকথা বলতে সংকোচবোধ করেন না। তোমরা উনার আহলিয়া অর্থাৎ হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্য এবং উনাদেও অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। নূওে মুজাসসাম হুযূও পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দেয়া এবং উনার ওফাতের পর উনার আহলিয়া অর্থাৎ উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরক বিবাহ করা তোমাদের জন্য জায়িয নয়। আল্লাহ পাক উনার কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।” (সূরা আহযাব/৫৩)
দ্বিতীয় নাযিলকৃত আয়াত শরীফ:
إِن تبْدُوا شَيْئًا أَوْ تخْفُوهُ فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا. لَّا جُنَاحَ عَلَيْهِنَّ فِي آبَائِهِنَّ وَلَا أَبْنَائِهِنَّ وَلَا إِخْوَانِهِنَّ وَلَا أَبْنَاء إِخْوَانِهِنَّ وَلَا أَبْنَاء أَخَوَاتهِنَّ وَلَا نِسَائِهِنَّ وَلَا مَا مَلَكَت أَيْمَانُهُنَّ وَاتقِينَ اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدًا.
অর্থ: “তোমরা খোলাখুলি কিছু বল অথবা গোপন রাখ, আল্লাহ পাক তিনি সর্ব বিষয়ে সর্বজ্ঞ। নবী-পত্নীগণ অর্থাৎ হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন নাস সালাম উনাদের জন্যে উনাদের পিতা, পুত্র, ভাই, ভাতিজা, ভাগিনা, সহধর্মিনী নারী এবং অধিকারভূক্ত দাসদাসীগণের সামনে যাওয়ার ব্যাপারে গুণাহ্ নেই। নবী পত্নীগণ আল্লাহ পাকউনাকে ভয় করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক সর্ব বিষয় প্রত্যক্ষ করেন।” (সুরা আহযাব/৫৪, ৫৫)
তৃতীয় নাযিলকৃত আয়াত শরীফ:
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتكَ وَنِسَاء الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِن جَلَابِيبِهِنَّ ذلِكَ أَدْنَى أَن يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا.
অর্থ: “হে হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি আপনার স্ত্রী অর্থাৎ হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন নাস সালাম ও কন্যাগণ উনাদেরকে এবং মু’মিনগণের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চিনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবেনা। আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।” (সূরা আহযাব/৫৯)
চতুর্থ নাযিলকৃত আয়াত শরীফ:
يَا نِسَاء النَّبِيِّ لَسْتنَّ كَأَحَدٍ مِّنَ النِّسَاء إِنِ اتقَيْتنَّ فَلَا تخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذى فِي قَلْبِهِ مَرَضٌ وَقُلْنَ قَوْلًا مَّعْرُوفًا. وَقَرْنَ فِي بُيُوتكُنَّ وَلَا تبَرَّجْنَ تبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى وَأَقِمْنَ الصَّلَاةَ وَآتينَ الزَّكَاةَ وَأَطِعْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيذهِبَ عَنكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْت وَيُطَهِّرَكُمْ تطْهِيرًا.
অর্থ: “হে হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহলিয়া অর্থাৎ হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন নাস সালাম! আপনারা অন্য নারীদের মত নন। যদি আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করেন, তবে পুরুষদের সাথে কোমল ও আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে কথা বলবেন না, ফলে যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে সে ব্যক্তি কুবাসনা করবে, আপনারা শক্ত করে কথা-বার্তা বলবেন। আপনারা ঘরের প্রকোষ্ঠে অবস্থান করবেন। জাহিলিয়াত যুগের মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করবেন না। নামায কায়িম করবেন, যাকাত প্রদান করবেন এবং আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্য করবেন। হে আহ্লে বাইত আলাইহিস সালাম! আল্লাহ পাক তিনি চান আপনাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং আপনাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।” (সূরা আহযাব ৩২, ৩৩)
পঞ্চম নাযিলকৃত আয়াত শরীফ:
قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ.
অর্থ: “ হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি মু’মিনগণকে বলুন, তারা যেন
তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের ইজ্জত ও আবরু হিফাযত করে। এতে তাদের জন্য অনেক পবিত্রতা আছে। নিশ্চয়ই তারা যা করে আল্লাহ পাক তিনি তা অবহিত রয়েছেন।” (সূরা নূর/৩০)
ষষ্ঠ নাযিলকৃত আয়াত শরীফ:
وَقُل لِّلْمُؤْمِنَات يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتهُنَّ إِلَّا لِبُعُولَتهِنَّ أَوْ آبَائِهِنَّ أَوْ آبَاء بُعُولَتهِنَّ أَوْ أَبْنَائِهِنَّ أَوْ أَبْنَاء بُعُولَتهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي أَخَوَاتهِنَّ أَوْ نِسَائِهِنَّ أَوْ مَا مَلَكَت أَيْمَانُهُنَّ أَوِ التابِعِينَ غَيْرِ أُوْلِي الْإِرْبَةِ مِنَ الرِّجَالِ أَوِ الطِّفْلِ الَّذينَ لَمْ يَظْهَرُوا عَلَى عَوْرَات النِّسَاء وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِن زِينَتهِنَّ وَتوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تفْلِحُونَ.
অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি ঈমানদার নারীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের ইজ্জত ও আবরু হিফাযত করে। তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে; তবে চলাচলের কারণে অনিচ্ছা সত্বে যা প্রকাশ পায় তা ব্যতীত এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বুকের উপর ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাতিজা, ভাগিনা, সহধর্মিনী স্ত্রীলোক, অধিকারভুক্ত বাদী আর পুরুষদের মধ্যে যারা অবুঝ আর বালকদের মধ্যে ঐ সমস্ত বালক যাদের কাছে মেয়েদের পর্দার বিষয়টা এখনও স্পষ্ট হয় নাই তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তারা যেন এমনভাবে পদচারণা না করে যাতে তাদের চুপানো সৌন্দর্য্য প্রকাশ হয়ে পড়ে। মু’মিনগণ, তোমরা সকলেই আল্লাহ পাক উনার কাছে তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।” (সূরা নূর/ ৩১)
সপ্তম নাযিলকৃত আয়াত শরীফ:
وَالْقَوَاعِدُ مِنَ النِّسَاء اللَّاتي لَا يَرْجُونَ نِكَاحًا فَلَيْسَ عَلَيْهِنَّ جُنَاحٌ أَن يَضَعْنَ ثِيَابَهُنَّ غَيْرَ مُتبَرِّجَات بِزِينَةٍ وَأَن يَسْتعْفِفْنَ خَيْرٌ لَّهُنَّ وَاللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ. لَيْسَ عَلَى الْأَعْمَى حَرَجٌ وَلَا عَلَى الْأَعْرَجِ حَرَجٌ وَلَا عَلَى الْمَرِيضِ حَرَجٌ وَلَا عَلَى أَنفُسِكُمْ أَن تأْكُلُوا مِن بُيُوتكُمْ أَوْ بُيُوت آبَائِكُمْ أَوْ بُيُوت أُمَّهَاتكُمْ أَوْ بُيُوت إِخْوَانِكُمْ أَوْ بُيُوت أَخَوَاتكُمْ أَوْ بُيُوت أَعْمَامِكُمْ أَوْ بُيُوت عَمَّاتكُمْ أَوْ بُيُوت أَخْوَالِكُمْ أَوْ بُيُوت خَالَاتكُمْ أَوْ مَا مَلَكْتم مَّفَاتحَهُ أَوْ صَدِيقِكُمْ لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَن تأْكُلُوا جَمِيعًا أَوْ أَشْتاتا فَإِذا دَخَلْتم بُيُوتا فَسَلِّمُوا عَلَى أَنفُسِكُمْ تحِيَّةً مِّنْ عِندِ اللَّهِ مُبَارَكَةً طَيِّبَةً كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الْآيَات لَعَلَّكُمْ تعْقِلُون.
অর্থ: “বৃদ্ধা নারী, যারা বিবাহের আশা রাখেনা, যদি তারা তাদের সৌন্দর্য্য প্রকাশ না করে তাদের অতিরিক্ত বস্ত্র আলগা করে রাখে তাদের জন্য দোষ নেই, তবে এ থেকে বিরত থাকাই তাদের জন্য উত্তম। আল্লাহ পাক তিনি সর্ব শ্রোতা, সর্বজ্ঞ। অন্ধের জন্যে দোষ নেই, খঞ্জের জন্যে দোষ নেই, রোগীর জন্যে দোষ নেই এবং তোমাদের নিজেদের জন্যেও দোষ নেই যে, তোমরা আহার করবে তোমাদের গৃহে অথবা তোমাদের পিতাগণের গৃহে অথবা তোমাদের মাতাগণের গৃহে অথবা তোমাদের ভাইগণের গৃহে অথবা তোমার বোনদের গৃহে অথবা তোমাদের পিতৃব্যদের গৃহে অথবা তোমাদের ফুফুদের গৃহে অথবা তোমাদের মামাদের গৃহে অথবা তোমাদের খালাদের গৃহে অথবা সে গৃহে যার চাবি আছে তোমার হাতে অথবা তোমাদের বন্ধুদের গৃহে। তোমরা একত্রে আহার কর অথবা পৃথকভাবে আহার কর, তাতে তোমাদের কোন দোষ নেই। অতঃপর যখনই তোমরা গৃহে প্রবেশ করবে, তখনই তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম দিবে। এটা আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে কল্যাণময় ও পবিত্র দোয়া। এমনিভাবে আল্লাহ পাক তোমাদের জন্যে আয়াত শরীফ বা নিদর্শন ও আদেশ-নির্দেশসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করেন। যাতে তোমরা বুঝে নাও।” (সরা নূর/ ৬০, ৬১)
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ এর উল্লিখিত সাতখানা আয়াত শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টভাবেই প্রমাণিত হলো যে, হিজাব বা পর্দা করা সকলের জন্যেই ফরযে আইন। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি অসংখ্য আয়াত শরীফ-এ সরাসরী হিজাব বা পর্দার নির্দেশ দিয়েছেন। মনে রাখতে হবে যে, কুরআন শরীফ-এর আয়াত শরীফ গুলোর “নুযূল খাছ” কিন্তু “হুকুম আম” অর্থাৎ যদিও কোন বিশেষ ব্যক্তি বা ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাযিল হয়েছে কিন্তু তার হুকুম সকলের জন্যেই প্রযোজ্য।
আপনি হজ্জের বিষয়ে যা বলেছেন তা নিয়ে আলোচনা করলে অনেক লম্বা কথা বলতে হবে। আপনি আগ্রহী থাকলে আমি তা নিয়ে আলোচনা করতে পারি। তবে এনিয়ে মনে হচ্ছে একটা পোষ্ট করাই বেশী ভাল হবে। তবু আপনি চাইলে এখানেও আলোচনা হতে পারে। ধন্যবাদ
৯|
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১১:৩৮
শ।মসীর বলেছেন: এই যুগে পীর মানেই ভন্ডামী , মানুষ কেন যাই এটাই বুঝিনা ।
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১১:৪৩
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: আপনার পীর মানেই ভন্ডামী কথাটা ঠিক না। হ্বক পীর সাহেব আছেন এবং সেটা আলাদা বিষয়। কিন্তু যারা ভন্ড তাদের বিষয়ে কথা হচ্ছে, প্রকৃতপক্ষে আমারা সাধারণ মানুষের ইসলাম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না খাকার কারনেই এরা একচাটিয়া ধর্মকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা লাভ করে যাচ্ছে।
অত্এব প্রত্যেক মুসলমান মাত্রই সঠিক ইসলাম জানতে হবে এবং বুঝে এদের সম্পর্কে সচেতন হয়ে নিজেদের পরিবার ও সমাজকে সুন্দর কিন্তু আমাদেরকেই করতে হবে।
ধন্যবাদ
১০|
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১২:০০
প্রকৃতির প্রতিফলন বলেছেন: আল্লাহ্ সকলকে সঠিক পথ দান করুন!!
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১২:০৮
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: যাদের হেদায়েত নছীবে আছে তারা হিদায়েত পাক। আর যাদের নছীবে হিদায়েত নাই, তারা যেন সাধারন মানুষের ক্ষতি না করতে পারে সে জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি এদের ধ্বংস করে দিন। নিশ্চিন্ন করে দিন। আমীন
১১|
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১২:০৪
বিক্ষত বলেছেন: আমরা মানুসেরাই খারাপ। কারন এক আল্লাহ ছাড়া কেও আমাদের মুক্তি দিতে পারবে না পরকালে। পীর কি আমার জন্য পরকালে হেল্প করবে?, এক মাত্র আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ মোস্তফা (সঃ) ই তার উম্মত এর জন্য ইয়া উম্মত ইয়া উম্মত বলবে।
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১২:১৬
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: সুবহানআল্লাহ! সুন্দর কথা বলছেন, আমাদের প্রাণের নবী রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক যে আপনি সংক্ষেপে লিখলেন; সেই হাশরের দিন তিনি যদি সুপারিশ করার সময় জিজ্ঞাসা করেন, সব ঠিক মত লিখলা আর আমার নাম মুবারক লিখতে কেন কার্পণ্য করলা তখন কি উত্তর দিবেন @বিক্ষত ভাই।
সুতরাং আমাদের উচিত সব সময় উনার নাম মুবারক সম্পূর্ণ লিখা। সংক্ষেপে না লিখা আমাদের অবশ্যই দায়িত্ব-কর্তব্য। আর কুরআন শরীফ-এ যাদেরকে উলিল আমর বলা হয়েছে, উনারাই হলেন আসল পীর সাহেব। অর্থ্যাৎ পরিপূর্ণ শরীয়তের মধ্যে থাকেন যারা তারাই হ্বক।
১২|
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১২:১০
টিকলু বলেছেন: ছবি তোলা, বেপর্দা হওয়া, টিভি চ্যানেলে অনুষ্ঠান করা ও ভিডিও করা সবাই ইসলামে নাযায়িজ ও হারাম।
ভাই,মনের কথাটাই বললেন,,,,জোকার নায়েক,ইসলামিক টি.ভি,পিচ্ টি.ভি এরাও ইসলামের নাম বেইচ্চা চলতাছে...এদেরও প্রতিহত করুন...
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১২:২৩
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: কাফের নায়েক হচ্ছে এই যুগের সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তি তার প্রমাণ হচেছ, সে গত ডিসেম্বরে একটি টকশোতে বলেছে- আমার জন্ম যদি নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জামানায় হতো, তাহলে আমার পক্ষে ইসলাম গ্রহণ করা ও মানা সম্ভব ছিলনা। নাউযুবিল্লাহ!!
দুনিয়ার জমিনে ওর ঠাই নাই।
১৩|
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৫১
টিকলু বলেছেন: ভাই,,,আমার কোয়েশ্চেনের উওর দেন নাই...
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১:০৩
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: আমি দুঃখিত @টিকলু ভাই
আপনার প্রশ্ন কি তা আমার কাছে স্পষ্ট নয়। প্লিজ আবার একটু বললে ভাল হয়।
ধন্যবাদ
১৪|
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১:১৫
মেলবোর্ন বলেছেন: আপনি হজ্জের বিষয়ে যা বলেছেন তা নিয়ে আলোচনা করলে অনেক লম্বা কথা বলতে হবে। আপনি আগ্রহী থাকলে আমি তা নিয়ে আলোচনা করতে পারি। তবে এনিয়ে মনে হচ্ছে একটা পোষ্ট করাই বেশী ভাল হবে। তবু আপনি চাইলে এখানেও আলোচনা হতে পারে। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ ভাই আপনার মন্তব্যর জন্য আমারও মনে হয় আপনি যদি আলাদা পোস্ট দেন তবেই ভাল হয় যেহেতু এই পোস্টের উদ্দেশ্য সেটা নয়। আমিও ইনশাআল্লাহ দুদিন পড় হিজাব/পর্দা নিয়ে একটি পোস্ট করার ইচ্ছা আছে(যদিও অফিস ও বাসায় সময় দিয়ে সময় থাকে না আজ ছুটি বলে একটু সময় পাচ্ছি) পারলে দেখে নিবেন আপনার সাথে আলোচনা করে ভাল লাগছে কারন সবাই যদি আলোচনা করি তবে সত্যিটা প্রকাশা পাবেই ইনশাআল্লাহ, ভালথাকবেন
এর মাঝে আপনি আমার নামাজ সম্পকিত পোস্ট গুলো পড়লে খুশি হব আর যদি কোন ভুল ত্রুটি পান অবশ্যই জানাবেন যাতে শুধরে নিতে পারি,
অর্থপূর্ন ও বরকতময় নামাজ পর্ব ১০ (শেষ পর্ব)/ নামাজে মনোসংযোগ বৃদ্ধির কিছু উপায়:
Click This Link
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১:১৮
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: ধন্যবাদ @মেলবোর্ন ভাই
ভালো থাকুন।
১৫|
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ১:২৬
টিকলু বলেছেন: জোকার নায়েক,ইসলামিক টি.ভি,পিচ্ টি.ভি এরাও ইসলামের নাম বেইচ্চা চলতাছে...এদেরও প্রতিহত করুন...আপনি কি একমত????
০৩ রা জুন, ২০১২ দুপুর ২:২২
আমার প্রিয় দেশ বাংলাদেশ বলেছেন: জি অবশ্যই ১০০% সহমত
এমন দুষ্টলোককে প্রতিহত করতে সব সময়ই আমাকে ইনশাআল্লাহ পাবেন।
অনেক ধন্যবাদ @টিকলু ভাই
১৬|
০৪ ঠা জুন, ২০১২ দুপুর ১২:১৫
bangal manus বলেছেন: পির হইবার মুন চায়!!
কন পথে গেল পির হইয়া এই রকম আলিশান বাড়ী গাড়ী ও টাকা পাওয়ন যাইবে কনতো?
আর টাকা যখন হইবো তখন লুলু নিয়ে কিন কথা হইবো ন।
১৭|
০৪ ঠা জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৩৪
ব্লুম্যাজিক বলেছেন: শ।মসীর বলেছেন: এই যুগে পীর মানেই ভন্ডামী , মানুষ কেন যাই এটাই বুঝিনা ।
১৮|
০৪ ঠা জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৫২
আমি ছাড়া ভালা কেডা বলেছেন: ঠিকই আছে। এইসব হারামজাদা মুরীদদের এমন শিক্ষা হওয়া উচিত। পীর তোদের খাওয়ায় না পরায় যে এসব পশুদের কাছে যেতে হবে????????
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:২০
ওয়াহিদ চৌ বলেছেন: ভয়াবহ কান্ড! ভাবছি এসব পীরের (?) আবার মুরিদও থাকে