| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজ থেকে ৩৯ বছর আগে ১৬ মে ১৯৭৬ সালে ৯৬ বছর বয়সী মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী তার মৃত্যুর মাত্র ৬ মাস আগে লক্ষ লক্ষ জনতাকে সাথে নিয়ে লংমার্চ করেন এ দেশের মানুষের ন্যায্য হিস্যা আদায় করার জন্য ।
সত্য হলো এই যে , ১৬ মে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীরা এক যৌথ ঘোষণার বলেন যে, গঙায় কম পানি প্রবাহের কালে সঠিক পানি বন্টন নিয়ে তারা একটা চুক্তি করবে। আরও সত্য হলো ,১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের এক সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত হয় যে, উভয় দেশ একটি চুক্তিতে আসার আগে ভারত ফারাক্কা বাঁধ চালু করবে না।
ঠিক এর কিছুদিন পরআর গাদ্দার ভারত পানি প্রত্যাহার করতে থাকে আমাদের সরকার কোন প্রতিবাদ করেন নি।
১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। শেষ হয় ১৯৭৫ সালে। সেই বছর ২১ এপ্রিল থেকে বাঁধ চালু হয়। ফারাক্কা বাঁধ ২,২৪০ মিটার (৭,৩৫০ ফু) লম্বা। বাঁধ থেকে ভাগীরথী-হুগলি নদী পর্যন্ত ফিডার খালটির দৈর্ঘ্য ২৫ মাইল (৪০ কিমি)। এটা পরিবেশের ব্যাপকবিপর্যয় ডেকে আনে, বিশেষ করে বাংলাদেশর দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের।
শুষ্ক মৌসুমে গঙার পানি অপসারণের ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়ে। এতে বাংলাদেশের কৃষি, মৎস, বনজ, শিল্প, নৌ পরিবহন, পানি সরবরাহ ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যাপক সমস্যার সম্মুক্ষিন হতে হয়। প্রত্যক্ষ ভাবে বাংলাদেশের প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতি হয়; যদি পরোক্ষ হিসাব করা হয়, তাহলে বাংলাদেশর ক্ষতির পরিমাণ অনেক গুণ ছাড়িয়ে যাবে।
সুত্র প্রসঙ্গ ফারাক্কা: (বিশ্বে আন্তর্জাতিক নদীসমূহে বাঁধ নির্মানের ফলে সৃষ্ট সমস্যা ও এর সমাধান নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন)
©somewhere in net ltd.