| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কেই ইহুদী হতে পারে না বনী ইসরাঈল এর বংশধর না হলে । তেমনি পৃথিবীর অন্য কোন জাতি আমাদের বন্ধু হতে পারে না। আমরা আগে নিজেদের স্বার্থ দেখব অতপর মানবতা এবং.......... ।
কমুনিষ্ট আন্দোলনের মূলে যাদের মন-মগজ কাজ করছে তাদের সকলেই ইহুদী ছিল। কমুনিজমের জন্মদাতা কার্ল মার্কস মাতাপিতা উভয় দিক থেকেই ইহুদী! লেলিন এবং ট্রটস্কিও ইহুদী বংশেরই সন্তান। লেলিনের মা এবং স্ট্যালিনের স্ত্রী ইহুদী ছিল। বলেই আমাদের এই চিন্তা বিশ্বের বুকে আমরা প্রচার করেছি পরোক্ষ ভাব।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পর লেনিন তার দুশো কমরেড নিয়ে একটি রেলগাড়িতে করে গোপনে রাশিয়ায় প্রবেশ করেছিল তাদের মধ্যে যে ১৬৫ জনের নামের তালিকা পাওয়া যায় আর যার মধ্যে ১২৬ জনই ছিল ইহুদী।৩০০ ইহুদী নিয়ে রাশিয়ায় প্রবেশ করে এবং রুশীয় বিপ্লবের ছক আকিঁ। বিপ্লবোত্তর রাশিয়ার শাসন যন্ত্রের ৫৫৬টি গুরুত্বপূর্ণ পদের ৪৫৭টিই ছিল আমাদের।
বিভিন্ন সমিতির ছদ্মাবরণে আমাদের সম্প্রদায়:
১. ফ্রিম্যাসন আন্দোলন
২. লায়ন ও রোটারী ক্লাব
৩. জাতিসংঘ * (জাতিসংঘের নাম দেখে অনেকেই হয়তো অবাক হবেন, তাই একটু না বল্লেই নয়)
*নিয়ইয়র্কের বিখ্যাত ইহুদী আইন ব্যবসায়ী হেনরী ক্লায়েন তার বই Zions rule the world New York,1948, এর এক জায়গায় লিখেছেন- “জাতিসংঘ ইহুদীবাদের নামান্তর মাত্র। ১৮৯৭ সাল থেকে ১৯০৫ সালের মধ্যে জারীকৃত বিজ্ঞ ইহুদীবাদী মুরুব্বীদের প্রোটকল পুস্তকে যে সুপার গভর্নমেন্টের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে এটা তাই।” তবে আমাদের আনেকেই গালি দেয় , তাতে আমাদের কি? কেউ আমাদের কাজের প্রতিবাদ করে না সুতারং এ নিয়ে আমাদের মাথায় কোন চন্তা নেই ।
ইহুদী সম্প্রপ্রদায় তথা ইহুদীবাদ পরিচালনা করার জন্য কি সুন্দর , পরিকল্পনা আমরা করছি। যেমন:
**বিভিন্ন দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মকে পূর্বের প্রকৃত ইতিহাস না জানানো ব্যবস্থা আমরা করেছি, তারা যেন শুধু তাদের দেশের সরকারের ভুল-ভ্রান্তি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। বাংলাদেশে একটু খেয়াল করুন, বর্তমান প্রজন্ম মুসলমানদের তথা বিশ্বের বিভিন্ন ইতিহাস থেকে প্রায় অজ্ঞ বলা যায়। তাদের এমনভাবে তৈরী করা হচ্ছে যেন তারা শুধু নিজের সুখ চিন্তায় বিভোর হয়ে থাকে। আর এই প্রক্রিয়াটাকে এতই সুচতুরভাবে করেছি যে তারা এখন এটাকেই স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নিয়েছে ।
**যুব সমাজকে এমনভাবে তৈরী করা হবে যেন তারা সরকারের একান্ত অনুগত হয়ে জীবন যাপন করে, কোন রকমের বিপ্লব বা পরিবর্তনের চিন্তা যেন তারা না করতে পারে। তবে পরিবর্তনের চিন্তা তারা করবে কিন্তু তা হবে তাদের পরিকল্পিত শিক্ষা ব্যবস্থার আলোকেই মানে আমাদেরই(ইহুদীদের) চিন্তার বিপ্লব ঘটবে। আজকে বাংলাদেশে দেখুন, যুবসমাজকে অনুগত করে ফেলেছি। কমুনিজমের আদর্শ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে যা ইহুদীদের কর্মের ফসল।
**যুব সমাজকে এমনভাবে তৈরী করা হচ্ছে যেন তারা স্বাভাবিক নৈতিকতা বোধ এবং অন্যায় নিয়ে মাথা ঘামায় কিন্তু বৃহৎ পরিসরে তারা অজ্ঞ থাকে। আর এইসব দিয়ে মুসলিম বা অন্য সকল যুবসমাজকে ইসলাম এবং তাদের নিজ ধর্মের মূল থেকে যোজন যোজন দূরে ঠেলে দেওয়া যাবে। কারণ, স্বাভাবিক একটা চিন্তা যখন মাথায় বদ্ধমূল হয়ে যায় তখন সেই ছাত্র তথা যুব সমাজ তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকে।
***বৃহৎ পরিসরে যুব সমাজ যেন স্বাধীন চিন্তা ধারার অধিকারী না হয়। তারা চিন্তা করবে আমাদের শিখানো পদ্ধতীতে। তাদেরকে যা শিক্ষা দেওয়া হবে তারা তাই তাদের মস্তিস্কে এমনভাবে বদ্ধমূল করে নিবে যে, এর বিরুদ্ধে চিন্তা করার শক্তিটুকু তারা পাবে না।
আজকে বিভিন্ন সমাজে দেখুন, প্রবল ইচ্ছা শক্তি, বুদ্ধি সম্পন্ন যুবসমাজ এমন সব কাজে তাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে যা কোন ভালো ফলাফল নিয়ে আসে না। যুব সমাজের মধ্যে প্রেমের বীজ এমনভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে আর এই বিষয়টিকে এতই আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে যে, এই বিষয়ে তাদের সাথে কথা বলতে গেলে হয়তো তারা অনেক সময় সম্মতি দিবে কিন্তু‘ ভিতরে ভিতরে তার কোন পাত্তাই দিবে না। আরেকজনকে নিয়ে সুখি হওয়া, শারীরীক সম্পর্ক, বিভিন্ন প্রকার কু-চিন্তায় তারা তাদের সময় ব্যয় করবে। আর এই চিন্তাটাকে এতই সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে, তাদের কাছে এটাই স্বাভাবিক মনে হয় এবং হবে ।
***একটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ,এই শিক্ষাব্যবস্থার আলোকেই ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ে উঠবে। কাজেই সেই শিক্ষা ব্যবস্থায় যদি ধর্মের বিষয়টি উপেক্ষিত থাকে তাহলে তা হবে আমাদের (ইহুদীদের) স্বপ্নের বাস্তবায়ন। কুরআন এবং সহীহ সুন্নাহ ও বিভিন্ন ধর্ম থেকে দূরে রেখে নামধারী মুসলিমই বা বিভিন্ন ধর্মানুসারী লোক শুধু গড়ে উঠবে। ২০ থেকে ২৫ বছর পড়-লেখা করার পর মুখে হয়তো সে ঠিকই বলবে আমি আল্লাহকে ,ইশ্বরকে ,সৃষ্টিকর্তাকে ভালবাসি কিন্তু বাস্তব জীবনে সে প্রতিনিয়ত আল্লাহর, ইশ্বর ,সৃষ্টিকর্তার আদেশকে অমান্য করবে আর সে বিষয়ে তার কোন ধারণাই হবে না। সুতারং আমরা সফল হব। পৃথিবীর পরিচালক আমরাই থাকবো।
২|
১৪ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ৮:১৩
ব্লগার১০৮৭ বলেছেন: ভাল একটি লেখা................
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ৮:০৭
প্রবিন৭১ বলেছেন: ১৯১৪ সালে শুরু হওয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে মুসলমান শাসকদের অদূরদর্শিতা এবং ব্রিটিশদের ষড়যন্ত্রের কারণে তুরস্কে মুসলিম খিলাফত ভেঙ্গে যায়। ব্রিটিশ বাহিনী ১৯১৭ সালে ইরাক, সিনাই উপত্যকা, ফিলিস্তিন ও পবিত্র জেরুজালেম দখল করে নেয়। ব্রিটিশরা প্রথম ফিলিস্তিনে পদার্পণ করে ,প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কি অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর প্যালেস্টাইন বা ফিলিস্তিন সহ বেশিরভাগ আরব এলাকা চলে যায় ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের দখলে। ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার জেমস বালফোর ইহুদীবাদীদেরকে লেখা এক পত্রে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে একটি ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেন।